
২১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:০৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল- ০৫ সদর আসনে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দাড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ ও সুশৃংখল এই শোভাযাত্রায় কয়েক হাজার মোটরসাইকেল এবং হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।
২১ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৯টায় বরিশাল নগরীর বেলসপার্ক প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয় র্যালি। লঞ্চঘাট, সদর রোড, হাসপাতাল রোড, নথুল্লাবাদ, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক, রুপাতলী, দপদপিয়া সেতু, ভোলা-বরিশাল সড়ক, সাহেবেরহাট হয়ে আবার বেলসপার্ক মাঠে এসে র্যালিটি শেষ হয়।
জামায়াতের বরিশাল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থী ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলালে নেতৃত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন বরিশার মহানগর জামায়াতের আমির ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির প্রফেসর মাহমুদ হোসাইন দুলাল, সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান, বিএম কলেজের সাবেক এজিএস ও ঝালকাঠি সদর-নলছিটি আসনের প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া জামায়াতের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, যুব বিভাগ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, পেশাজীবী ফোরাম, আইনজীবী ফোরাম, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম, ব্যবসায়ী ফোরাম, সাংস্কৃতিক বিভাগ সহ অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
র্যালির শুরুতে উদ্বোধনী বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, আজকের এই বিশাল শোভাযাত্রা কোন প্রদর্শনেচ্ছার বিষয় নয়, এটি হচ্ছে ইসলামের পক্ষের গণজাগরণ। দুনিয়াবী সকল মতবাদের কাছে নিরাশ হয়ে মানুষ এখন ইসলামের পক্ষেই ফিরে আসছে, এটি তার বাস্তব প্রমাণ। আমরা আশা করছি- আগামীর বাংলাদেশ হবে ইসলামের বাংলাদেশ, আগামীর বরিশাল হবে দাঁড়িপাল্লার বরিশাল।
নথুল্লাবাদ, রুপাতলী, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে, দিনারের পুল এবং সাহেবেরহাটে সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অ্যাডভোকেট হেলাল বলেন, বরিশাল সদর আসনে ইসলামের পক্ষে তথা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে যে, গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। তার সুফল সকল ইসলামী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে ঘরে তুলতে হবে।
রাস্তা দিয়ে বিশাল বহর যাওয়ার সময় উৎসুক এলাকাবাসী হাত নেড়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মিদের অভিবাদন জানায়। গ্রামগঞ্জে বিভিন্ন বাড়ি থেকে শিশু কিশোর ও যুবকরা এতে যোগদেয়। দাড়িপাল্লার স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় প্রতিটি এলাকা। এ সময় গ্রামের নারীরাও তাদের ঘর থেকে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অবলোকন করেন।
র্যালিতে অংশ নেয়া প্রত্যেকের গায়ে ছিল বিশেষ স্লোগানযুক্ত গেঞ্জি। সুশৃঙ্খলভাবে দুটি সাড়িতে হাজার হাজার মোটরসাইকেল যেন এক ভিন্ন দৃশ্যের অবতারণা করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জামায়াতের এই শৃঙ্খলার ভুয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে জামায়াত যেভাবে মানুষের পাশে দাড়িয়েছে এবং নিজেদেরকে বিতর্কিত কর্মকান্ড থেকে দুরে রেখেছে তাতে দেশজুড়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এসব বিবেচনায় নিরপেক্ষ নির্বাচনে পাল্টে যেতে পারে ভোটের সব হিসাব।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল- ০৫ সদর আসনে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দাড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ ও সুশৃংখল এই শোভাযাত্রায় কয়েক হাজার মোটরসাইকেল এবং হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।
২১ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৯টায় বরিশাল নগরীর বেলসপার্ক প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয় র্যালি। লঞ্চঘাট, সদর রোড, হাসপাতাল রোড, নথুল্লাবাদ, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক, রুপাতলী, দপদপিয়া সেতু, ভোলা-বরিশাল সড়ক, সাহেবেরহাট হয়ে আবার বেলসপার্ক মাঠে এসে র্যালিটি শেষ হয়।
জামায়াতের বরিশাল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থী ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলালে নেতৃত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন বরিশার মহানগর জামায়াতের আমির ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির প্রফেসর মাহমুদ হোসাইন দুলাল, সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান, বিএম কলেজের সাবেক এজিএস ও ঝালকাঠি সদর-নলছিটি আসনের প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া জামায়াতের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, যুব বিভাগ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, পেশাজীবী ফোরাম, আইনজীবী ফোরাম, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম, ব্যবসায়ী ফোরাম, সাংস্কৃতিক বিভাগ সহ অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
র্যালির শুরুতে উদ্বোধনী বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, আজকের এই বিশাল শোভাযাত্রা কোন প্রদর্শনেচ্ছার বিষয় নয়, এটি হচ্ছে ইসলামের পক্ষের গণজাগরণ। দুনিয়াবী সকল মতবাদের কাছে নিরাশ হয়ে মানুষ এখন ইসলামের পক্ষেই ফিরে আসছে, এটি তার বাস্তব প্রমাণ। আমরা আশা করছি- আগামীর বাংলাদেশ হবে ইসলামের বাংলাদেশ, আগামীর বরিশাল হবে দাঁড়িপাল্লার বরিশাল।
নথুল্লাবাদ, রুপাতলী, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে, দিনারের পুল এবং সাহেবেরহাটে সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অ্যাডভোকেট হেলাল বলেন, বরিশাল সদর আসনে ইসলামের পক্ষে তথা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে যে, গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। তার সুফল সকল ইসলামী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে ঘরে তুলতে হবে।
রাস্তা দিয়ে বিশাল বহর যাওয়ার সময় উৎসুক এলাকাবাসী হাত নেড়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মিদের অভিবাদন জানায়। গ্রামগঞ্জে বিভিন্ন বাড়ি থেকে শিশু কিশোর ও যুবকরা এতে যোগদেয়। দাড়িপাল্লার স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় প্রতিটি এলাকা। এ সময় গ্রামের নারীরাও তাদের ঘর থেকে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অবলোকন করেন।
র্যালিতে অংশ নেয়া প্রত্যেকের গায়ে ছিল বিশেষ স্লোগানযুক্ত গেঞ্জি। সুশৃঙ্খলভাবে দুটি সাড়িতে হাজার হাজার মোটরসাইকেল যেন এক ভিন্ন দৃশ্যের অবতারণা করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জামায়াতের এই শৃঙ্খলার ভুয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে জামায়াত যেভাবে মানুষের পাশে দাড়িয়েছে এবং নিজেদেরকে বিতর্কিত কর্মকান্ড থেকে দুরে রেখেছে তাতে দেশজুড়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এসব বিবেচনায় নিরপেক্ষ নির্বাচনে পাল্টে যেতে পারে ভোটের সব হিসাব।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১