
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৯:৫৯
পিরোজপুর সদর উপজেলা থেকে রায়েরকাঠী হয়ে নাজিরপুর-শ্রীরামকাঠী পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তার প্রায় সব অংশেই দেখা গেছে গর্ত ও খানাখন্দ। শুকনা মৌসুমে ধুলার ঝড় আর বর্ষায় জমে থাকা পানিতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী।
এই সড়কটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কেন্দ্র শ্রীরামকাঠীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা। আগে প্রতিদিন শত শত যান চলাচল করত। এখন কেউ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আর এই পথে চলেন না। সাধারণ মানুষ বিকল্প রাস্তায় চলাচল করছেন, এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র জানায়, ‘ইফতি ইটিসিএল’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এই রাস্তার নির্মাণকাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুইটি প্যাকেজে মোট ১৭ কোটি ২৬ লাখ টাকার কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর, শেষ হওয়ার কথা ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর। কিন্তু অভিযোগ আছে, কাজ শুরু না করেই ঠিকাদার পুরো টাকা তুলে নিয়েছে।
এলাকাবাসী বলেন, ৬ বছরের বেশি সময় ধরে তারা এই দুর্ভোগে আছেন। আগে রাস্তায় প্রতিদিন অনেক গাড়ি চলত, এখন চলেই না বলা যায়। তারা অভিযোগ করেন, ঠিকাদার টাকা তুলেও কাজ করেননি, অথচ তাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই। এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় অটোরিকশা চালক শাহিন শেখ বলেন, এই রাস্তায় গাড়ি চালানো মানেই জীবনের ঝুঁকি নেওয়া। প্রতিদিন গাড়ির চাকা গর্তে পড়ে নষ্ট হয়, যাত্রীরাও ঝুঁকিতে থাকেন। আগে দিনে ১৫-২০ বার যাতায়াত করতাম, এখন ১-২ বারও যাই না।
ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বলেন, ব্যবসার পণ্য আনতে দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হচ্ছে। চালকেরা এই রাস্তায় আসতে চান না, ঘুরে আসতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে। ব্যবসায় বড় ক্ষতি হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুমানা আক্তার বলেন, স্কুলে যেতে গিয়ে ধুলা আর কাদার ভোগান্তি পোহাতে হয়। বর্ষায় হাঁটা যায় না, শুকনো মৌসুমে ধুলায় শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এমন রাস্তা পড়াশোনার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাকিম বলেন, এই রাস্তায় অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নেওয়া যায় না। অ্যাম্বুলেন্স গর্তে আটকে যায়। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।জানা গেছে, পিরোজপুর সদর উপজেলায় মোট ৭০০ কিলোমিটার সড়ক থাকলেও এর মধ্যে প্রায় ৪০০ কিলোমিটারই চলাচলের অযোগ্য। এর মধ্যে পিরোজপুর-শ্রীরামকাঠী সড়কটি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে।
এ বিষয়ে এলজিইডি পিরোজপুরের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী লায়লা মিথুন বলেন, এই রাস্তার টেন্ডার হয়েছিল, কিন্তু কাজ হয়নি। সম্ভবত টাকা উত্তোলন হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা হয়েছে। তারা তদন্ত করছেন। সরকারি টাকা কাজ না করেই তোলা হয়েছে, তাই মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ছাড়া আমরা কিছু করতে পারছি না।
পিরোজপুর সদর উপজেলা থেকে রায়েরকাঠী হয়ে নাজিরপুর-শ্রীরামকাঠী পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তার প্রায় সব অংশেই দেখা গেছে গর্ত ও খানাখন্দ। শুকনা মৌসুমে ধুলার ঝড় আর বর্ষায় জমে থাকা পানিতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী।
এই সড়কটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কেন্দ্র শ্রীরামকাঠীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা। আগে প্রতিদিন শত শত যান চলাচল করত। এখন কেউ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আর এই পথে চলেন না। সাধারণ মানুষ বিকল্প রাস্তায় চলাচল করছেন, এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র জানায়, ‘ইফতি ইটিসিএল’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এই রাস্তার নির্মাণকাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুইটি প্যাকেজে মোট ১৭ কোটি ২৬ লাখ টাকার কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর, শেষ হওয়ার কথা ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর। কিন্তু অভিযোগ আছে, কাজ শুরু না করেই ঠিকাদার পুরো টাকা তুলে নিয়েছে।
এলাকাবাসী বলেন, ৬ বছরের বেশি সময় ধরে তারা এই দুর্ভোগে আছেন। আগে রাস্তায় প্রতিদিন অনেক গাড়ি চলত, এখন চলেই না বলা যায়। তারা অভিযোগ করেন, ঠিকাদার টাকা তুলেও কাজ করেননি, অথচ তাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই। এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় অটোরিকশা চালক শাহিন শেখ বলেন, এই রাস্তায় গাড়ি চালানো মানেই জীবনের ঝুঁকি নেওয়া। প্রতিদিন গাড়ির চাকা গর্তে পড়ে নষ্ট হয়, যাত্রীরাও ঝুঁকিতে থাকেন। আগে দিনে ১৫-২০ বার যাতায়াত করতাম, এখন ১-২ বারও যাই না।
ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বলেন, ব্যবসার পণ্য আনতে দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হচ্ছে। চালকেরা এই রাস্তায় আসতে চান না, ঘুরে আসতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে। ব্যবসায় বড় ক্ষতি হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুমানা আক্তার বলেন, স্কুলে যেতে গিয়ে ধুলা আর কাদার ভোগান্তি পোহাতে হয়। বর্ষায় হাঁটা যায় না, শুকনো মৌসুমে ধুলায় শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এমন রাস্তা পড়াশোনার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাকিম বলেন, এই রাস্তায় অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নেওয়া যায় না। অ্যাম্বুলেন্স গর্তে আটকে যায়। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।জানা গেছে, পিরোজপুর সদর উপজেলায় মোট ৭০০ কিলোমিটার সড়ক থাকলেও এর মধ্যে প্রায় ৪০০ কিলোমিটারই চলাচলের অযোগ্য। এর মধ্যে পিরোজপুর-শ্রীরামকাঠী সড়কটি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে।
এ বিষয়ে এলজিইডি পিরোজপুরের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী লায়লা মিথুন বলেন, এই রাস্তার টেন্ডার হয়েছিল, কিন্তু কাজ হয়নি। সম্ভবত টাকা উত্তোলন হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা হয়েছে। তারা তদন্ত করছেন। সরকারি টাকা কাজ না করেই তোলা হয়েছে, তাই মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ছাড়া আমরা কিছু করতে পারছি না।
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮

০৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৮
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৭
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নে জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আয়োজিত সালিস শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর দাউদপুর বাজারের তামিম শিকদারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান হাওলাদার ও কেরামত আলী শিকদার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিয়ে একাধিকবার সালিস হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
আজ দুপুর ১২টায় কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলামের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিস শেষে উভয় পক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করলে দাউদপুর বাজার এলাকায় পৌঁছে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় মতিয়ার রহমান হাওলাদার (৬৬), মোহাম্মদ আল আমিন হাওলাদার (৪৪), শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও রাসেল হাওলাদার (৩৫) গুরুতর আহত হন।
রানেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, সালিস শেষে তাঁর বাবা মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চাচা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার এবং দুই ভাই আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আহত ব্যক্তিদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আল আমিন হাওলাদারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়। রাসেল হাওলাদারের মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। মতিয়ার রহমান হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান রানেল হাওলাদার।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেরামত আলী শিকদার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ নিজেরাই নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’
ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে সালিসটি আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু সালিস শেষে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নে জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আয়োজিত সালিস শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর দাউদপুর বাজারের তামিম শিকদারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান হাওলাদার ও কেরামত আলী শিকদার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিয়ে একাধিকবার সালিস হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
আজ দুপুর ১২টায় কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলামের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিস শেষে উভয় পক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করলে দাউদপুর বাজার এলাকায় পৌঁছে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় মতিয়ার রহমান হাওলাদার (৬৬), মোহাম্মদ আল আমিন হাওলাদার (৪৪), শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও রাসেল হাওলাদার (৩৫) গুরুতর আহত হন।
রানেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, সালিস শেষে তাঁর বাবা মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চাচা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার এবং দুই ভাই আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আহত ব্যক্তিদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আল আমিন হাওলাদারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়। রাসেল হাওলাদারের মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। মতিয়ার রহমান হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান রানেল হাওলাদার।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেরামত আলী শিকদার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ নিজেরাই নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’
ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে সালিসটি আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু সালিস শেষে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৮:০২
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.