
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১১
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সড়ক নির্মাণকাজে চাঁদার দাবিতে ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতাকর্মীর বাধার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এক ঠিকাদার। সোমবার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ঠিকাদার এ.বি.এম. আওলাদ হোসেন মনু (৫৮)।
লিখিত বক্তব্যে আওলাদ হোসেন মনু বলেন, তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাভুক্ত প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার এবং নগর বিএনপির সাবেক ওয়ার্ড সভাপতি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলমান প্রায় ৫৮ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণ কাজে চাঁদা না দেওয়ায় গত ১ মার্চ থেকে কাজ বন্ধ করে দেয় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী।
তার অভিযোগ, এ ঘটনায় জড়িত রয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আরিফ হোসেন শান্ত, কর্মী আজমাইন সাকিব এবং সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ। তারা নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুললেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজের সামগ্রী পরীক্ষা করে মানসম্মত বলে সার্টিফিকেট দিয়েছে।
ঠিকাদার জানান, গত রোববার বিকেলে কাজ শুরুর বিষয়ে জানতে তিনি উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে বের হয়ে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে প্রধান ফটক দিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। প্রাণভয়ে তিনি উপাচার্যের কক্ষের পাশের একটি কক্ষে আশ্রয় নেন। পরে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
তিনি বলেন, “আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। জীবনের এই বয়সে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে সরকারি কাজ করছি। চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।”
তবে এর আগে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব দাবি করেন, সড়ক নির্মাণের ঢালাই কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এ কারণে তারা কাজটি বন্ধ করে দিয়েছেন এবং নিম্নমানের পাথর পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. তৌফিক আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সড়ক নির্মাণ কাজ আলোচনা করে শুরু করার চেষ্টা চলছে। একটি ভিজিলেন্স টিম নির্মাণ সামগ্রী পরীক্ষা করে ভালো মান পেয়েছে। কাজ বন্ধ রাখার কোনো কারণ নেই।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ধারা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন বন্দর থানায় সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্তসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সড়ক নির্মাণকাজে চাঁদার দাবিতে ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতাকর্মীর বাধার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এক ঠিকাদার। সোমবার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ঠিকাদার এ.বি.এম. আওলাদ হোসেন মনু (৫৮)।
লিখিত বক্তব্যে আওলাদ হোসেন মনু বলেন, তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাভুক্ত প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার এবং নগর বিএনপির সাবেক ওয়ার্ড সভাপতি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলমান প্রায় ৫৮ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণ কাজে চাঁদা না দেওয়ায় গত ১ মার্চ থেকে কাজ বন্ধ করে দেয় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী।
তার অভিযোগ, এ ঘটনায় জড়িত রয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আরিফ হোসেন শান্ত, কর্মী আজমাইন সাকিব এবং সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ। তারা নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুললেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজের সামগ্রী পরীক্ষা করে মানসম্মত বলে সার্টিফিকেট দিয়েছে।
ঠিকাদার জানান, গত রোববার বিকেলে কাজ শুরুর বিষয়ে জানতে তিনি উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে বের হয়ে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে প্রধান ফটক দিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। প্রাণভয়ে তিনি উপাচার্যের কক্ষের পাশের একটি কক্ষে আশ্রয় নেন। পরে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
তিনি বলেন, “আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। জীবনের এই বয়সে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে সরকারি কাজ করছি। চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।”
তবে এর আগে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব দাবি করেন, সড়ক নির্মাণের ঢালাই কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এ কারণে তারা কাজটি বন্ধ করে দিয়েছেন এবং নিম্নমানের পাথর পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. তৌফিক আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সড়ক নির্মাণ কাজ আলোচনা করে শুরু করার চেষ্টা চলছে। একটি ভিজিলেন্স টিম নির্মাণ সামগ্রী পরীক্ষা করে ভালো মান পেয়েছে। কাজ বন্ধ রাখার কোনো কারণ নেই।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ধারা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন বন্দর থানায় সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্তসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৫
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে অভিযানা চালিয়ে ১৪ জেলেকে আটক করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। এসময় তাদের কাছ থেকে মাছ ধরার সরঞ্জাম পাঙ্গাশের পোনা ধরার একটি চাঁই ও প্রায় ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমের নেতৃত্বে রবিবার (৮ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত মেঘনা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানে পাঙ্গাশের পোনা ধরার একটি চাঁই এবং প্রায় ৩০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
আটক জেলেদের মধ্যে ১০ জনকে ৪ হাজার টাকা করে এবং ৪ জনকে ২ হাজার টাকা করে মোট ৪৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
আটকরা হলেন— শাহাবুদ্দিন (৪৫), মিরাজ হোসেন (২৩), ইব্রাহীম (২৪), রাসেল (৩৫), সুলাইমান (২৫), সাইদুল ইসলাম (৩০), আরিফ (৩২), জাকির (৪৮), রুবেল মাঝি (৩৮), নূর ইসলাম রাঢ়ী (৩৩), শাহ-আলম (৪৩), আনিচ (৩৭), আমিন (৩০) ও সাকিল মাঝি (৩০)।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভ্র জ্যোতি বড়াল। হিজলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম জানান, মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে অভিযানা চালিয়ে ১৪ জেলেকে আটক করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। এসময় তাদের কাছ থেকে মাছ ধরার সরঞ্জাম পাঙ্গাশের পোনা ধরার একটি চাঁই ও প্রায় ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমের নেতৃত্বে রবিবার (৮ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত মেঘনা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানে পাঙ্গাশের পোনা ধরার একটি চাঁই এবং প্রায় ৩০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
আটক জেলেদের মধ্যে ১০ জনকে ৪ হাজার টাকা করে এবং ৪ জনকে ২ হাজার টাকা করে মোট ৪৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
আটকরা হলেন— শাহাবুদ্দিন (৪৫), মিরাজ হোসেন (২৩), ইব্রাহীম (২৪), রাসেল (৩৫), সুলাইমান (২৫), সাইদুল ইসলাম (৩০), আরিফ (৩২), জাকির (৪৮), রুবেল মাঝি (৩৮), নূর ইসলাম রাঢ়ী (৩৩), শাহ-আলম (৪৩), আনিচ (৩৭), আমিন (৩০) ও সাকিল মাঝি (৩০)।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভ্র জ্যোতি বড়াল। হিজলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম জানান, মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২২
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে মারধরের ঘটনায় অফিস সহায়ক জিএম নাজমুল হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শেবাচিম হাসপাতালের ওটিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, সেখানে কর্মরত অফিস সহায়ক জি এম নাজমুল হাসান শিশুটিকে নির্যাতন করেছেন। এ ঘটনায় শিশুটি ও তার অভিভাবক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিশু নির্যাতন প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নাজমুলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৭ মার্চ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। আরএস ক্যাজুয়ালিটির চিকিৎসক মো. মাজাহারুল রেজওয়ানকে কমিটির সভাপতি করে এই কমিটিতে সিনিয়র স্টাফ অফিসার ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন এবং সদস্যসচিব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) মো. হাসান মেহমুদকে সদস্য করা হয়।’
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে মারধরের ঘটনায় অফিস সহায়ক জিএম নাজমুল হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শেবাচিম হাসপাতালের ওটিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, সেখানে কর্মরত অফিস সহায়ক জি এম নাজমুল হাসান শিশুটিকে নির্যাতন করেছেন। এ ঘটনায় শিশুটি ও তার অভিভাবক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিশু নির্যাতন প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নাজমুলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৭ মার্চ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। আরএস ক্যাজুয়ালিটির চিকিৎসক মো. মাজাহারুল রেজওয়ানকে কমিটির সভাপতি করে এই কমিটিতে সিনিয়র স্টাফ অফিসার ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন এবং সদস্যসচিব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) মো. হাসান মেহমুদকে সদস্য করা হয়।’

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০১
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী এবং বিএনপিপন্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ফরম দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন আইনজীবীদের একাংশ। ফরম ক্রয় করতে গেলে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের কক্ষে প্রবেশের আগেই গেটে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাদের।
রবিবার (৮ মার্চ) এ ঘটনার প্রতিবাদে দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আইনজীবীদের একটি অংশ পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন আগামী ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সে অনুযায়ী গত ৫ মার্চ দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হয়। এক দিনই ছিল ফরম বিক্রির সময়সীমা।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বিএনপির সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যরা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ঘিরে রেখে অন্যদের মনোনয়ন ফরম কেনায় বাধা দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন দিলু বলেন, ‘সভাপতি পদে প্রার্থী হতে নির্ধারিত সময়ে ফরম নিতে গেলেও আমাকে ফরম দেওয়া হয়নি। দুপুর ২টার দিকে ফরম আনতে গেলে আমাকে এবং আরো অনেককে গেটে আটকে দেয়।’
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আজাদের একটি বক্তব্য নিয়েও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আইনজীবীরা প্রশ্ন তোলেন। তাদের দাবি, আবুল কালাম আজাদ হলরুমে এসে বলেন, ‘এই হাউস কি মনে করে ফ্যাসিস্টদের ফরম দেওয়া যাবে?’
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক কাজী মনির বলেন, ‘মনোনয়ন ফরম কিনতে গেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফরম দিতে অপারগতার কথা জানান।
একটি পাতানো নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। একদলীয় নির্বাচন আয়োজনের নীলনকশা করা হচ্ছে। সাধারণ আইনজীবীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে পুনঃতফসিল ঘোষণা করা প্রয়োজন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে যারা এসেছেন তাদের মনোনয়ন ফরম দেওয়া হয়েছে। বাইরে কী হয়েছে, সে বিষয়ে আমি অবগত নই।’
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী এবং বিএনপিপন্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ফরম দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন আইনজীবীদের একাংশ। ফরম ক্রয় করতে গেলে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের কক্ষে প্রবেশের আগেই গেটে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাদের।
রবিবার (৮ মার্চ) এ ঘটনার প্রতিবাদে দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আইনজীবীদের একটি অংশ পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন আগামী ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সে অনুযায়ী গত ৫ মার্চ দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হয়। এক দিনই ছিল ফরম বিক্রির সময়সীমা।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বিএনপির সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যরা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ঘিরে রেখে অন্যদের মনোনয়ন ফরম কেনায় বাধা দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন দিলু বলেন, ‘সভাপতি পদে প্রার্থী হতে নির্ধারিত সময়ে ফরম নিতে গেলেও আমাকে ফরম দেওয়া হয়নি। দুপুর ২টার দিকে ফরম আনতে গেলে আমাকে এবং আরো অনেককে গেটে আটকে দেয়।’
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আজাদের একটি বক্তব্য নিয়েও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আইনজীবীরা প্রশ্ন তোলেন। তাদের দাবি, আবুল কালাম আজাদ হলরুমে এসে বলেন, ‘এই হাউস কি মনে করে ফ্যাসিস্টদের ফরম দেওয়া যাবে?’
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক কাজী মনির বলেন, ‘মনোনয়ন ফরম কিনতে গেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফরম দিতে অপারগতার কথা জানান।
একটি পাতানো নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। একদলীয় নির্বাচন আয়োজনের নীলনকশা করা হচ্ছে। সাধারণ আইনজীবীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে পুনঃতফসিল ঘোষণা করা প্রয়োজন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে যারা এসেছেন তাদের মনোনয়ন ফরম দেওয়া হয়েছে। বাইরে কী হয়েছে, সে বিষয়ে আমি অবগত নই।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.