
২১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:০৭
পিরোজপুরের নেছারাবাদে গ্রেপ্তার বিপ্লব ফকির নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়াতে তৎপর হয়েছেন বিএনপির সাবেক হুইপ ও সংসদ সদস্য মো. শহিদুল হক জামালের এপিএস শাহ মোহাম্মাদ নাসির উদ্দীন ফকির। তার দাবি- গ্রেপ্তার ব্যক্তি আওয়ামী লীগের নয়, বিএনপির সক্রিয় কর্মী।
উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়ন পাটিকেলবাড়ী এলাকা থেকে সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকালে বিপ্লব ফকিরকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাক পরিহিত একদল ব্যক্তি।
বিপ্লব ফকির গুয়ারেখা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিপ্লব ফকিরকে পিরোজপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাকে ছাড়িয়ে আনতে চেষ্টা শুরু করেন বিএনপির নেতা মো. শাহ নাসির উদ্দীন ফকির।
স্থানীয় মো. সোহেল, আরিফ ফকিরসহ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বিপ্লব ফকির এলাকায় প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি কিছুটা বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। সোমবার বিকালে গ্রেপ্তারের আগ মুহুর্তেও বাজারে তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তিকে আখ দিয়ে মারধর করেন। তিনি আওয়ামী লীগ করেও স্থানীয় বিএনপি নেতা নাসির ফকিরের দাপটে চলতেন।
গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. লাভলু গাজী বলেন, ‘বিপ্লব মূলত বিএনপি ঘেঁষা মানুষ। শুনেছি, পূর্বে আওয়ামী লীগ করত। সোমবার বিকালে ডিবি পুলিশ এসে তাকে ধরে নিয়ে গেছে।’
গুয়ারেখা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সূত্রে জানা যায়, বিপ্লব ফকিরকে তার নিজের সম্মতিতে ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির পদে রাখা হয়েছিল। তবে গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে শাহ নাসির উদ্দীন বলেন, ‘বিপ্লব আমাদের দলের (বিএনপি) একজন সক্রিয় কর্মী। কে বা কারা তার নাম আওয়ামী লীগের কমিটিতে দিয়েছে, তা জানি না। এটি রাজনৈতিক একটি চক্রান্ত। আমরা আশা করছি তাকে এই চক্রান্তের হাত থেকে মুক্ত করতে পারব।’
এ বিষয়ে জানতে পিরোজপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অফিসে ফোন করা হলেও কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে গ্রেপ্তার বিপ্লব ফকির নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়াতে তৎপর হয়েছেন বিএনপির সাবেক হুইপ ও সংসদ সদস্য মো. শহিদুল হক জামালের এপিএস শাহ মোহাম্মাদ নাসির উদ্দীন ফকির। তার দাবি- গ্রেপ্তার ব্যক্তি আওয়ামী লীগের নয়, বিএনপির সক্রিয় কর্মী।
উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়ন পাটিকেলবাড়ী এলাকা থেকে সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকালে বিপ্লব ফকিরকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাক পরিহিত একদল ব্যক্তি।
বিপ্লব ফকির গুয়ারেখা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিপ্লব ফকিরকে পিরোজপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাকে ছাড়িয়ে আনতে চেষ্টা শুরু করেন বিএনপির নেতা মো. শাহ নাসির উদ্দীন ফকির।
স্থানীয় মো. সোহেল, আরিফ ফকিরসহ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বিপ্লব ফকির এলাকায় প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি কিছুটা বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। সোমবার বিকালে গ্রেপ্তারের আগ মুহুর্তেও বাজারে তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তিকে আখ দিয়ে মারধর করেন। তিনি আওয়ামী লীগ করেও স্থানীয় বিএনপি নেতা নাসির ফকিরের দাপটে চলতেন।
গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. লাভলু গাজী বলেন, ‘বিপ্লব মূলত বিএনপি ঘেঁষা মানুষ। শুনেছি, পূর্বে আওয়ামী লীগ করত। সোমবার বিকালে ডিবি পুলিশ এসে তাকে ধরে নিয়ে গেছে।’
গুয়ারেখা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সূত্রে জানা যায়, বিপ্লব ফকিরকে তার নিজের সম্মতিতে ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির পদে রাখা হয়েছিল। তবে গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে শাহ নাসির উদ্দীন বলেন, ‘বিপ্লব আমাদের দলের (বিএনপি) একজন সক্রিয় কর্মী। কে বা কারা তার নাম আওয়ামী লীগের কমিটিতে দিয়েছে, তা জানি না। এটি রাজনৈতিক একটি চক্রান্ত। আমরা আশা করছি তাকে এই চক্রান্তের হাত থেকে মুক্ত করতে পারব।’
এ বিষয়ে জানতে পিরোজপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অফিসে ফোন করা হলেও কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:২৮
পিরোজপুর ২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি বিএনপি নেতা মাহমুদ হোসেন। একই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হয়েছেন আপন ছোট ভাই জাতীয় পার্টির (জেপি) ভান্ডারিয়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সভাপতি মাহিবুল হোসেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন লড়বেন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে। অন্যদিকে তার ভাই জেপি মনোনীত প্রার্থী মাহিবুল হোসেন বাইসাইকেল প্রতীকে লড়বেন।
পিরোজপুর ২ আসনে জেপি চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হাসেন মঞ্জু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই আসনের দুই প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এবং মাহিবুল হোসেন তার চাচাতো ভাই।’
পিরোজপুর ২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি বিএনপি নেতা মাহমুদ হোসেন। একই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হয়েছেন আপন ছোট ভাই জাতীয় পার্টির (জেপি) ভান্ডারিয়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সভাপতি মাহিবুল হোসেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন লড়বেন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে। অন্যদিকে তার ভাই জেপি মনোনীত প্রার্থী মাহিবুল হোসেন বাইসাইকেল প্রতীকে লড়বেন।
পিরোজপুর ২ আসনে জেপি চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হাসেন মঞ্জু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই আসনের দুই প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এবং মাহিবুল হোসেন তার চাচাতো ভাই।’

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পিরোজপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে ১৪ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় পিরোজপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক সাইফ মিজান স্মৃতি সভা কক্ষ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ সময় প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রার্থীবৃন্দ।
এ সময় পিরোজপুর জেলার রিটানিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, পিরোজপুর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে পিরোজপুর-১ আসনে ২ জন দলীয় প্রার্থী, পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেনসহ ৬ জন ও পিরোজপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌহিদুজ্জামানসহ ৬জন, এই ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পিরোজপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে ১৪ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় পিরোজপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক সাইফ মিজান স্মৃতি সভা কক্ষ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ সময় প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রার্থীবৃন্দ।
এ সময় পিরোজপুর জেলার রিটানিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, পিরোজপুর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে পিরোজপুর-১ আসনে ২ জন দলীয় প্রার্থী, পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেনসহ ৬ জন ও পিরোজপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌহিদুজ্জামানসহ ৬জন, এই ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৩
পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের সিএনবি রোডের কচুয়াকাঠী খালের উপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ব্রিজের উপরের স্টিলের পাটাতনগুলো আলগা হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চরম আতঙ্কে যাতায়াত করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের মাঝখানের পাটাতনগুলো সরে গিয়ে ফাঁক হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙে পড়েছে। কয়েক মাস পর-পর জোড়া তালি দিয়ে গেলেও তা আবার টিকছে না।
ভারী যানবাহন বাস, ট্রাক ও পরিবহনের গাড়িতো দূরের কথা, আটো বা রিকশা চলাচলের সময়ও পুরো ব্রিজটি বিকট শব্দে কাঁপতে থাকে। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে অপরিচিত চালকরা যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে পুরো ব্রিজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
আটো গাড়ী চালক আবুল হোসেন সহ চালকদের অভিযোগ, ব্রিজের এই অবস্থার কারণে নিয়মিত গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
জরুরি ভিত্তিতে এই জরাজীর্ণ বেলি ব্রিজটি সংস্কার বা নতুন একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলার সাথে স্বরূপকাঠি ও কাউখালীর মধ্যকার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
পিরোজপুরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি, অবিলম্বে সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।
পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের সিএনবি রোডের কচুয়াকাঠী খালের উপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ব্রিজের উপরের স্টিলের পাটাতনগুলো আলগা হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চরম আতঙ্কে যাতায়াত করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের মাঝখানের পাটাতনগুলো সরে গিয়ে ফাঁক হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙে পড়েছে। কয়েক মাস পর-পর জোড়া তালি দিয়ে গেলেও তা আবার টিকছে না।
ভারী যানবাহন বাস, ট্রাক ও পরিবহনের গাড়িতো দূরের কথা, আটো বা রিকশা চলাচলের সময়ও পুরো ব্রিজটি বিকট শব্দে কাঁপতে থাকে। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে অপরিচিত চালকরা যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে পুরো ব্রিজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
আটো গাড়ী চালক আবুল হোসেন সহ চালকদের অভিযোগ, ব্রিজের এই অবস্থার কারণে নিয়মিত গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
জরুরি ভিত্তিতে এই জরাজীর্ণ বেলি ব্রিজটি সংস্কার বা নতুন একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলার সাথে স্বরূপকাঠি ও কাউখালীর মধ্যকার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
পিরোজপুরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি, অবিলম্বে সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১