Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর জেলার তিনটি আসনের মধ্যে দুইটিতে জয় পেয়েছে বিএনপি প্রার্থীরা। একটি আসনে জয় পেয়েছে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী। গতকাল রাতে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানী উপজেলা) আসনে এমপি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে ও জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী ২৬ হাজার ৪৭৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলমগীর হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৫ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৯৮৭ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৪১ হাজার ৩৩৫ জন।
পিরোজপুর -২ (ভাণ্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ উপজেলা) আসনের ১৬৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি প্রার্থী মুক্তিযুদ্ধে ৯নং সেক্টরের বেসামরিক প্রধান সাবেক এমপি ও মন্ত্রী নুরুল ইসলাম মঞ্জুর এর ছেলে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন ১ লাখ ৬ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী শামীম সাঈদী পেয়েছেন ৯৭ হাজার ১৪৩ ভোট। এ আসনে মোট ৪ লাখ ৩ হাজার ৫৮৫।
পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া উপজেলা) আসনে মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি রুহুল আমীন দুলাল বেসরকারি ফলাফলে ৬৩ হাজার ১৩২ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী (হাত পাখা) ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৬২৩ ভোট ও এনসিপির (শাপলা কলি) ড. শামীম হামিদী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৩১২ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৩৬১ জন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর জেলার তিনটি আসনের মধ্যে দুইটিতে জয় পেয়েছে বিএনপি প্রার্থীরা। একটি আসনে জয় পেয়েছে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী। গতকাল রাতে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানী উপজেলা) আসনে এমপি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে ও জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী ২৬ হাজার ৪৭৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলমগীর হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৫ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৯৮৭ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৪১ হাজার ৩৩৫ জন।
পিরোজপুর -২ (ভাণ্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ উপজেলা) আসনের ১৬৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি প্রার্থী মুক্তিযুদ্ধে ৯নং সেক্টরের বেসামরিক প্রধান সাবেক এমপি ও মন্ত্রী নুরুল ইসলাম মঞ্জুর এর ছেলে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন ১ লাখ ৬ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী শামীম সাঈদী পেয়েছেন ৯৭ হাজার ১৪৩ ভোট। এ আসনে মোট ৪ লাখ ৩ হাজার ৫৮৫।
পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া উপজেলা) আসনে মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি রুহুল আমীন দুলাল বেসরকারি ফলাফলে ৬৩ হাজার ১৩২ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী (হাত পাখা) ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৬২৩ ভোট ও এনসিপির (শাপলা কলি) ড. শামীম হামিদী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৩১২ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৩৬১ জন।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
পিরোজপুরের জিয়ানগরে বিদ্যালয় চলাকালে এক শিক্ষিকাকে বেতের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে আরেক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা সদরের ১৩ নম্বর ইন্দুরকানী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১টার দিকে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে ছেলেদের খেলাধুলার জার্সি খুঁজে না পাওয়াকে কেন্দ্র করে সহকারী শিক্ষিকা আসমা আক্তার ও সহকারী শিক্ষিকা হালিমা সুলতানার মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে আসমা আক্তার বেতের লাঠি দিয়ে হালিমা সুলতানাকে সজোরে কয়েকটি আঘাত করেন।
ঘটনার সময় অফিস কক্ষে অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাড়াও কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। আকস্মিক এ ঘটনায় উপস্থিত সবাই হতবাক হয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা হালিমা সুলতানা গণমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অভিযুক্ত শিক্ষিকা আসমা আক্তার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হালিমা সুলতানা আমাকে মারতে এলে আত্মরক্ষার্থে আমি তাকে দুই-তিনটি আঘাত করেছি।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেকান্দার আলী খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’ জিয়ানগর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৪
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় দাখিল পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় দায়িত্বরত দুই কক্ষ পরিদর্শক এবং কেন্দ্র সচিবের এক সহকারীকে কেন্দ্রের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার শাহাবুদ্দিন সিনিয়র কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে গণিত (১০৮) পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। কেন্দ্র সচিব ও ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জানান, বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থী মো. মাসুম বিল্লাহ উপজেলার আল গাযযালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
এছাড়া ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুই কক্ষ পরিদর্শক সহকারী অধ্যাপক পরিতোষ সমদ্দার, সহকারী শিক্ষক ছগির হোসেন এবং কেন্দ্র সচিবের সহকারী মো. এমদাদুল হককে কেন্দ্রের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৫
পিরোজপুরের জিয়ানগরে বিদ্যালয় চলাকালে এক শিক্ষিকাকে বেতের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে আরেক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা সদরের ১৩ নম্বর ইন্দুরকানী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১টার দিকে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে ছেলেদের খেলাধুলার জার্সি খুঁজে না পাওয়াকে কেন্দ্র করে সহকারী শিক্ষিকা আসমা আক্তার ও সহকারী শিক্ষিকা হালিমা সুলতানার মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে আসমা আক্তার বেতের লাঠি দিয়ে হালিমা সুলতানাকে সজোরে কয়েকটি আঘাত করেন।
ঘটনার সময় অফিস কক্ষে অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাড়াও কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। আকস্মিক এ ঘটনায় উপস্থিত সবাই হতবাক হয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা হালিমা সুলতানা গণমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অভিযুক্ত শিক্ষিকা আসমা আক্তার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হালিমা সুলতানা আমাকে মারতে এলে আত্মরক্ষার্থে আমি তাকে দুই-তিনটি আঘাত করেছি।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেকান্দার আলী খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’ জিয়ানগর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় দাখিল পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় দায়িত্বরত দুই কক্ষ পরিদর্শক এবং কেন্দ্র সচিবের এক সহকারীকে কেন্দ্রের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার শাহাবুদ্দিন সিনিয়র কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে গণিত (১০৮) পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। কেন্দ্র সচিব ও ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জানান, বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থী মো. মাসুম বিল্লাহ উপজেলার আল গাযযালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
এছাড়া ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুই কক্ষ পরিদর্শক সহকারী অধ্যাপক পরিতোষ সমদ্দার, সহকারী শিক্ষক ছগির হোসেন এবং কেন্দ্র সচিবের সহকারী মো. এমদাদুল হককে কেন্দ্রের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জন্ম নিয়েছে হাত-পাবিহীন এক নবজাতক। শিশুটির দুই পা নেই এবং একটি হাত অর্ধেক। জন্মের পর শিশুটিকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তার বাবা। এমনকি সন্তানকে অন্যত্র দিয়ে দিতে কিংবা ফেলে আসারও নির্দেশ দেন তিনি।
তবে স্বামীর সেই নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সন্তানকে বুকে নিয়েই বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মা লিজা আক্তার। বিষয়টি রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরের নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ছেলেসন্তানটির জন্ম হয়। শিশুটির পিতা দিনমজুর আল আমীন নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তারা মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।
প্রসূতি লিজা আক্তারের সিজারিয়ান অপারেশনসহ সব ধরনের চিকিৎসা ব্যয় মওকুফ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে অপারেশন পরিচালনাকারী চিকিৎসক ডা. প্রীতিষ বিশ্বাসও তার সার্জন ফি গ্রহণ করেননি।
লিজা আক্তারের বাড়ি পার্শ্ববর্তী নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া গ্রামে। হাসপাতালের বেডে বসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি জানান, এটি তার তৃতীয় সন্তান। জীবিকার তাগিদে তিনি ঢাকায় দিনমজুরের কাজ করেন। সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় কয়েক দিন আগে বাড়িতে আসেন এবং ২২ এপ্রিল সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে এই সন্তানের জন্ম দেন।
তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে জন্মায়নি। তার দুই পা ও একটি হাত নেই। এ কারণে আমার স্বামী তাকে ফেলে আসতে বলেছে। কিন্তু আমি আমার সন্তানকে কখনো ফেলে দিতে পারব না। স্বামী আমাকে না রাখলেও আমি আমার সন্তানকে ছাড়ব না। আমি তাকে মানুষ করে তুলব।’
লিজা আরও বলেন, ‘আমি যতদিন বেঁচে আছি, কাজ করে সন্তানকে খাওয়াতে পারব। কিন্তু আমি মারা গেলে আমার সন্তানকে কে দেখবে—এই চিন্তাই আমাকে কষ্ট দিচ্ছে। কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি যদি সাহায্যের হাত বাড়ান, তাহলে আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ কিছুটা হলেও নিশ্চিত হতে পারে।’
নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘দিনমজুর এই নারী ও নবজাতকের অবস্থা বিবেচনা করে আমাদের সার্জন গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রীতিশ বিশ্বাস, সহযোগী ডাক্তার মোস্তফা কাউসার, অজ্ঞানের ডাক্তার নাসরিন রহমান খান। এই তিনজনের অপারেশন টিমটি তাদের অপারেশন চার্জ মানবিক কারণে ফ্রি করে দিয়েছেন এবং হাসপাতালের সব খরচ মওকুফ করেছি।’
অপারেশন পরিচালনাকারী চিকিৎসক ডা. প্রীতিষ বিশ্বাস বলেন, ‘জিনগত কারণ বা গর্ভকালীন যথাযথ চিকিৎসার অভাবে অনেক সময় এ ধরনের শিশু জন্ম নিতে পারে। অপারেশনটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তবে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শিশুটির শারীরিক ত্রুটি আমাদেরও মর্মাহত করেছে। মানবিক দিক বিবেচনায় আমি আমার সার্জন ফিও মওকুফ করেছি।’
একদিকে বাবার নির্মম অস্বীকৃতি, অন্যদিকে মায়ের অটুট ভালোবাসা—এই নবজাতকের জন্ম যেন সমাজের সামনে এক মানবিক প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে। এখন সহানুভূতিশীল মানুষের সহযোগিতাই হতে পারে শিশুটির ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় ভরসা।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জন্ম নিয়েছে হাত-পাবিহীন এক নবজাতক। শিশুটির দুই পা নেই এবং একটি হাত অর্ধেক। জন্মের পর শিশুটিকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তার বাবা। এমনকি সন্তানকে অন্যত্র দিয়ে দিতে কিংবা ফেলে আসারও নির্দেশ দেন তিনি।
তবে স্বামীর সেই নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সন্তানকে বুকে নিয়েই বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মা লিজা আক্তার। বিষয়টি রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরের নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ছেলেসন্তানটির জন্ম হয়। শিশুটির পিতা দিনমজুর আল আমীন নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তারা মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।
প্রসূতি লিজা আক্তারের সিজারিয়ান অপারেশনসহ সব ধরনের চিকিৎসা ব্যয় মওকুফ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে অপারেশন পরিচালনাকারী চিকিৎসক ডা. প্রীতিষ বিশ্বাসও তার সার্জন ফি গ্রহণ করেননি।
লিজা আক্তারের বাড়ি পার্শ্ববর্তী নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া গ্রামে। হাসপাতালের বেডে বসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি জানান, এটি তার তৃতীয় সন্তান। জীবিকার তাগিদে তিনি ঢাকায় দিনমজুরের কাজ করেন। সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় কয়েক দিন আগে বাড়িতে আসেন এবং ২২ এপ্রিল সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে এই সন্তানের জন্ম দেন।
তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে জন্মায়নি। তার দুই পা ও একটি হাত নেই। এ কারণে আমার স্বামী তাকে ফেলে আসতে বলেছে। কিন্তু আমি আমার সন্তানকে কখনো ফেলে দিতে পারব না। স্বামী আমাকে না রাখলেও আমি আমার সন্তানকে ছাড়ব না। আমি তাকে মানুষ করে তুলব।’
লিজা আরও বলেন, ‘আমি যতদিন বেঁচে আছি, কাজ করে সন্তানকে খাওয়াতে পারব। কিন্তু আমি মারা গেলে আমার সন্তানকে কে দেখবে—এই চিন্তাই আমাকে কষ্ট দিচ্ছে। কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি যদি সাহায্যের হাত বাড়ান, তাহলে আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ কিছুটা হলেও নিশ্চিত হতে পারে।’
নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘দিনমজুর এই নারী ও নবজাতকের অবস্থা বিবেচনা করে আমাদের সার্জন গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রীতিশ বিশ্বাস, সহযোগী ডাক্তার মোস্তফা কাউসার, অজ্ঞানের ডাক্তার নাসরিন রহমান খান। এই তিনজনের অপারেশন টিমটি তাদের অপারেশন চার্জ মানবিক কারণে ফ্রি করে দিয়েছেন এবং হাসপাতালের সব খরচ মওকুফ করেছি।’
অপারেশন পরিচালনাকারী চিকিৎসক ডা. প্রীতিষ বিশ্বাস বলেন, ‘জিনগত কারণ বা গর্ভকালীন যথাযথ চিকিৎসার অভাবে অনেক সময় এ ধরনের শিশু জন্ম নিতে পারে। অপারেশনটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তবে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শিশুটির শারীরিক ত্রুটি আমাদেরও মর্মাহত করেছে। মানবিক দিক বিবেচনায় আমি আমার সার্জন ফিও মওকুফ করেছি।’
একদিকে বাবার নির্মম অস্বীকৃতি, অন্যদিকে মায়ের অটুট ভালোবাসা—এই নবজাতকের জন্ম যেন সমাজের সামনে এক মানবিক প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে। এখন সহানুভূতিশীল মানুষের সহযোগিতাই হতে পারে শিশুটির ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় ভরসা।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯