
১৮ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:১৬
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে বরগুনার বিভিন্ন গ্রামীণ ও আঞ্চলিক সড়কের। ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের কারণে এসব সড়কে প্রায় সময়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
তবে বরগুনার স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তথ্য মতে এসব সড়ক সংস্কার করতে যে পরিমাণ বরাদ্দের প্রয়োজন, সে তুলনায় বরাদ্দ খুবই কম। আর এ কারণেই একসঙ্গে করা যাচ্ছে না সব সড়কে সংস্কার।
এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, বরগুনায় মোট ৬ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ সড়কের মধ্যে ২ হাজার ২০০ কিলোমিটার পাকা সড়ক রয়েছে। প্রতি তিন বছর পরপর এ সড়কগুলো সংস্কারের প্রয়োজন হলেও মেলে না পর্যাপ্ত বরাদ্দ। জনদুর্ভোগ কমাতে বর্তমানে জেলায় প্রায় ৭০০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।
তবে এ সংস্কারের জন্য প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন হলেও বরাদ্দ পাওয়া গেছে মাত্র ৩৫ কোটি টাকা। প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ সীমিত হওয়ায় মাত্র ৬০-৭০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের কাজ করা সম্ভব।
আর এ কারণেই অর্থ সংকটে অধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া ছাড়া খানাখন্দেভরা সব সড়কের সংস্কার করা সম্ভব হয় না বলে জানিয়েছে এলজিইডি। এ ছাড়া বিভিন্ন উপজেলার বেশিরভাগ আঞ্চলিক সড়কেরও বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে আমতলী-তালতলী সড়কটির বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা বিভিন্ন পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে বরগুনা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার আঞ্চলিক এবং গ্রামীণ সড়ক ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ সড়কেরই জায়গায় জায়গায় উঠে গেছে পিচ ঢালাই। দীর্ঘদিন ধরেই এসব সড়কের কোনো সংস্কার করা হয়নি। এতে সড়কের বিভিন্নস্থানে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়ে যানবাহন চলছে হেলেদুলে।
অনেক জায়গায় আবার যাত্রী নামিয়ে খানাখন্দ পার হতে হয় গাড়ি চালকদের। দিনের পর দিন এমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ ছাড়া বিভিন্ন গাড়ির চাকা গর্তে পড়ে এবং ভাঙা সড়কে চলাচলের কারণে প্রায় সময় সড়কে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
বিশেষ করে তালতলী উপজেলায় কয়কটি পর্যটন কেন্দ্র থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিনই ঘুরতে আসেন পর্যটকরা। তবে এ উপজেলায় প্রবেশের জন্য ৩৮ কিলোমিটারের আঞ্চলিক সড়কটির অধিকাংশ জায়গায় বর্তমানে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঘুরতে আসা পর্যটকরা বিপাকে পড়ছেন, অপরদিকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
আমতলী-তালতলী আঞ্চলিক সড়কে নিয়মিত যাতায়াতকারীদের মধ্যে রত্না দাস নামে এক যাত্রী বলেন, এই সড়কটি তালতলীতে যাওয়া-আসার একমাত্র প্রধান সড়ক। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন।
খানাখন্দের কারণে ছোট বাচ্চা অথবা বৃদ্ধ যারা আছেন তাদেরকে নিয়ে যাতায়াতের সময় যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে সে ভোগান্তি তো আমাদের। সবার ভালোর কথা চিন্তা করে হলেও সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।
মো. মাসুদ নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, বর্ষার সময় সড়কের খানাখন্দে পানি জমে থাকে। এতে ছোট-বড় গর্তগুলো বোঝা যায় না। আর এ কারণেই অনেক সময় গাড়ি গর্তে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে। মো. মিলন সিকদার নামে স্থানীয় এক অটোরিকশাচালক বলেন, আমরা দৈনিক গাড়ি চালিয়ে ৭০০-৮০০ টাকা আয় করি। কিন্তু এ সড়কে গাড়ি চালিয়ে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ভেঙে অনেক সময় মেরামত করতে হাজার টাকা খরচ হয়ে যায়। এ অবস্থায় অতিরিক্ত টাকা খরচের কারণে এখন আমাদের সংসার চালাতেই কষ্ট হয়।
তালতলী উপজেলায় সোনাকাটা ইকোপার্ক, শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত, নিদ্রার চরসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র এবং রাখাইন পল্লী থাকায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরা ঘুরতে আসেন। তবে তালতলীতে প্রবেশের প্রধান সড়কটির বর্তমানে বেহাল দশার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হয় দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের।
তালতলীতে পর্যটক নিয়ে আসা একটি প্রাইভেটকারের চালক মো. শাহজাহান বলেন, তালতলীতে বেশ কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্র আছে। এসব পর্যটনকেন্দ্রে যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সড়কের বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দের কারণে অনেক সময় আমাদের গাড়ি আটকে যায়। এ কারণে অনেক সময় আমাদের প্রোগ্রাম পরিবর্তনও করতে হয়। প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই দাবি, যাতে এ সড়কটি দ্রুত মেরামত করা হয়।
বরিশাল থেকে তালতলীর নিদ্রার চরে ঘুরতে আসা আপন নামে এক পর্যটক বলেন, ফেসবুকে তালতলী নিদ্রার চরের বিভিন্ন সৌন্দর্যের ভিডিও দেখে ঘুরতে এসেছি। কিন্ত রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। এখান থেকে যাওয়ার পরে কেউ যাদি জানতে চায় তাদেরকে রাস্তাঘাটের খারাপ অবস্থাই বলতে হবে। সরকার যদি দ্রুত এই সড়কটি সংস্কার করে তাহলে এখানকার পর্যটন শিল্পেরও উন্নয়ন ঘটবে।
এ বিষয়ে বরগুনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান বলেন, বরগুনাতে যে পরিমাণ গ্রামীণ সড়ক আছে তা সংস্কারে যে পরিমাণ বরাদ্দের প্রয়োজন, সে তুলনায় বরাদ্দ খুবই কম। এ কারণে গুরুত্ব বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু সড়কের কাজ আমরা করতে পারলেও বাকি কাজ পরবর্তী বছরের জন্য থেকে যায়। যোগাযোগ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবহিত করে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়াতে আমাদের চেষ্টা চলমান আছে।
আমতলী-তালতলী সড়কের বিষয়ে তিনি বলেন, এ সড়কটির কিছু অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যা আমাদের নজরে এসেছে। আমতলী থেকে তালতলীর সোনাকাটা পর্যন্ত প্রায় ৩৮ কিলোমিটার সড়কটি সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যে অংশটি জরুরি মেরামত প্রয়োজন সে অংশের জন্য একটি বাজেট ঢাকায় পাঠিয়ে অনুমোদন পেয়েছি। দ্রুতই কাজ শুরু হবে এবং ওই সব জায়গায় মানুষের ভোগান্তি কমবে।
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে বরগুনার বিভিন্ন গ্রামীণ ও আঞ্চলিক সড়কের। ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের কারণে এসব সড়কে প্রায় সময়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
তবে বরগুনার স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তথ্য মতে এসব সড়ক সংস্কার করতে যে পরিমাণ বরাদ্দের প্রয়োজন, সে তুলনায় বরাদ্দ খুবই কম। আর এ কারণেই একসঙ্গে করা যাচ্ছে না সব সড়কে সংস্কার।
এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, বরগুনায় মোট ৬ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ সড়কের মধ্যে ২ হাজার ২০০ কিলোমিটার পাকা সড়ক রয়েছে। প্রতি তিন বছর পরপর এ সড়কগুলো সংস্কারের প্রয়োজন হলেও মেলে না পর্যাপ্ত বরাদ্দ। জনদুর্ভোগ কমাতে বর্তমানে জেলায় প্রায় ৭০০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।
তবে এ সংস্কারের জন্য প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন হলেও বরাদ্দ পাওয়া গেছে মাত্র ৩৫ কোটি টাকা। প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ সীমিত হওয়ায় মাত্র ৬০-৭০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের কাজ করা সম্ভব।
আর এ কারণেই অর্থ সংকটে অধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া ছাড়া খানাখন্দেভরা সব সড়কের সংস্কার করা সম্ভব হয় না বলে জানিয়েছে এলজিইডি। এ ছাড়া বিভিন্ন উপজেলার বেশিরভাগ আঞ্চলিক সড়কেরও বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে আমতলী-তালতলী সড়কটির বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা বিভিন্ন পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে বরগুনা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার আঞ্চলিক এবং গ্রামীণ সড়ক ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ সড়কেরই জায়গায় জায়গায় উঠে গেছে পিচ ঢালাই। দীর্ঘদিন ধরেই এসব সড়কের কোনো সংস্কার করা হয়নি। এতে সড়কের বিভিন্নস্থানে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়ে যানবাহন চলছে হেলেদুলে।
অনেক জায়গায় আবার যাত্রী নামিয়ে খানাখন্দ পার হতে হয় গাড়ি চালকদের। দিনের পর দিন এমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ ছাড়া বিভিন্ন গাড়ির চাকা গর্তে পড়ে এবং ভাঙা সড়কে চলাচলের কারণে প্রায় সময় সড়কে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
বিশেষ করে তালতলী উপজেলায় কয়কটি পর্যটন কেন্দ্র থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিনই ঘুরতে আসেন পর্যটকরা। তবে এ উপজেলায় প্রবেশের জন্য ৩৮ কিলোমিটারের আঞ্চলিক সড়কটির অধিকাংশ জায়গায় বর্তমানে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঘুরতে আসা পর্যটকরা বিপাকে পড়ছেন, অপরদিকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
আমতলী-তালতলী আঞ্চলিক সড়কে নিয়মিত যাতায়াতকারীদের মধ্যে রত্না দাস নামে এক যাত্রী বলেন, এই সড়কটি তালতলীতে যাওয়া-আসার একমাত্র প্রধান সড়ক। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন।
খানাখন্দের কারণে ছোট বাচ্চা অথবা বৃদ্ধ যারা আছেন তাদেরকে নিয়ে যাতায়াতের সময় যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে সে ভোগান্তি তো আমাদের। সবার ভালোর কথা চিন্তা করে হলেও সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।
মো. মাসুদ নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, বর্ষার সময় সড়কের খানাখন্দে পানি জমে থাকে। এতে ছোট-বড় গর্তগুলো বোঝা যায় না। আর এ কারণেই অনেক সময় গাড়ি গর্তে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে। মো. মিলন সিকদার নামে স্থানীয় এক অটোরিকশাচালক বলেন, আমরা দৈনিক গাড়ি চালিয়ে ৭০০-৮০০ টাকা আয় করি। কিন্তু এ সড়কে গাড়ি চালিয়ে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ভেঙে অনেক সময় মেরামত করতে হাজার টাকা খরচ হয়ে যায়। এ অবস্থায় অতিরিক্ত টাকা খরচের কারণে এখন আমাদের সংসার চালাতেই কষ্ট হয়।
তালতলী উপজেলায় সোনাকাটা ইকোপার্ক, শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত, নিদ্রার চরসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র এবং রাখাইন পল্লী থাকায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরা ঘুরতে আসেন। তবে তালতলীতে প্রবেশের প্রধান সড়কটির বর্তমানে বেহাল দশার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হয় দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের।
তালতলীতে পর্যটক নিয়ে আসা একটি প্রাইভেটকারের চালক মো. শাহজাহান বলেন, তালতলীতে বেশ কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্র আছে। এসব পর্যটনকেন্দ্রে যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সড়কের বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দের কারণে অনেক সময় আমাদের গাড়ি আটকে যায়। এ কারণে অনেক সময় আমাদের প্রোগ্রাম পরিবর্তনও করতে হয়। প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই দাবি, যাতে এ সড়কটি দ্রুত মেরামত করা হয়।
বরিশাল থেকে তালতলীর নিদ্রার চরে ঘুরতে আসা আপন নামে এক পর্যটক বলেন, ফেসবুকে তালতলী নিদ্রার চরের বিভিন্ন সৌন্দর্যের ভিডিও দেখে ঘুরতে এসেছি। কিন্ত রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। এখান থেকে যাওয়ার পরে কেউ যাদি জানতে চায় তাদেরকে রাস্তাঘাটের খারাপ অবস্থাই বলতে হবে। সরকার যদি দ্রুত এই সড়কটি সংস্কার করে তাহলে এখানকার পর্যটন শিল্পেরও উন্নয়ন ঘটবে।
এ বিষয়ে বরগুনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান বলেন, বরগুনাতে যে পরিমাণ গ্রামীণ সড়ক আছে তা সংস্কারে যে পরিমাণ বরাদ্দের প্রয়োজন, সে তুলনায় বরাদ্দ খুবই কম। এ কারণে গুরুত্ব বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু সড়কের কাজ আমরা করতে পারলেও বাকি কাজ পরবর্তী বছরের জন্য থেকে যায়। যোগাযোগ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবহিত করে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়াতে আমাদের চেষ্টা চলমান আছে।
আমতলী-তালতলী সড়কের বিষয়ে তিনি বলেন, এ সড়কটির কিছু অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যা আমাদের নজরে এসেছে। আমতলী থেকে তালতলীর সোনাকাটা পর্যন্ত প্রায় ৩৮ কিলোমিটার সড়কটি সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যে অংশটি জরুরি মেরামত প্রয়োজন সে অংশের জন্য একটি বাজেট ঢাকায় পাঠিয়ে অনুমোদন পেয়েছি। দ্রুতই কাজ শুরু হবে এবং ওই সব জায়গায় মানুষের ভোগান্তি কমবে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৮
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৭
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.