
২২ জুলাই, ২০২৫ ০১:১২
বরিশাল শহরের আলোচিত মাদকবিক্রেতা জুতি-মুন্নাকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। নগরীর ভাটারখাল এলাকায় সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গাঁজার একটি বড় চালানসহ গ্রেপ্তার করা হয়। সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী জুতি-মুন্না দীর্ঘদিন ধরে বান্দরোডসংলগ্ন ভাটারখাল কলোনিতে অবস্থান নিয়ে মাদকবাণিজ্য চালিয়ে আসছিলেন। এর আগে তারা ৯নং ওয়ার্ডের রসুলপুর কলোনিতে বসবাস করতেন এবং সেখানে তাদের মাদকের বড় সিন্ডেকেট ছিল। ইতিপূর্বে তারা দুজন একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে একডজনের বেশি মামলা চলমান রয়েছে।
এই চিহ্নিত মাদকবিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করার খবর শহরবাসীকে এক ধরনের স্বস্তি দিয়েছে। তবে তাদের বেশি দিন বন্দি রাখা নিয়ে অনেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বলছেন, চিহ্নিত মাদকবিক্রেতা জুতি-মুন্নাকে পুলিশ এরআগেও একাধিকবার গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু তাদের বেশি দিন আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। আইনি ফাঁক গলে তারা জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদকবাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন।
গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, পঁচিশোর্ধ্ব মুন্না ফরাজী ও তার স্ত্রী জুতি আক্তার দীর্ঘদিন ধরে ভাটারখালে মাদকবাণিজ্য চালিয়ে আসছেন এবং তাদের কাছে মাদকের বড়টি চালান মজুত আছে এমন খবরে সোমবার বিকেলে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একপর্যায়ে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করাসহ ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এবং মাদক বিক্রির বেশ কিছু অর্থও উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জুতি-মুন্নাকে গ্রেপ্তার করায় ডিবি পুলিশ সাধুবাদ জানিয়েছে ১০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন, স্বামী-স্ত্রী গোটা ভাটারখাল এলাকাকে মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মাসোহারা দিয়ে তারা এই অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল। এই চিহ্নিত মাদক বিক্রেতাদের দীর্ঘ মেয়াদি কারান্তরীণ রাখার ক্ষেত্রে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।’
বরিশাল শহরের আলোচিত মাদকবিক্রেতা জুতি-মুন্নাকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। নগরীর ভাটারখাল এলাকায় সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গাঁজার একটি বড় চালানসহ গ্রেপ্তার করা হয়। সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী জুতি-মুন্না দীর্ঘদিন ধরে বান্দরোডসংলগ্ন ভাটারখাল কলোনিতে অবস্থান নিয়ে মাদকবাণিজ্য চালিয়ে আসছিলেন। এর আগে তারা ৯নং ওয়ার্ডের রসুলপুর কলোনিতে বসবাস করতেন এবং সেখানে তাদের মাদকের বড় সিন্ডেকেট ছিল। ইতিপূর্বে তারা দুজন একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে একডজনের বেশি মামলা চলমান রয়েছে।
এই চিহ্নিত মাদকবিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করার খবর শহরবাসীকে এক ধরনের স্বস্তি দিয়েছে। তবে তাদের বেশি দিন বন্দি রাখা নিয়ে অনেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বলছেন, চিহ্নিত মাদকবিক্রেতা জুতি-মুন্নাকে পুলিশ এরআগেও একাধিকবার গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু তাদের বেশি দিন আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। আইনি ফাঁক গলে তারা জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদকবাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন।
গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, পঁচিশোর্ধ্ব মুন্না ফরাজী ও তার স্ত্রী জুতি আক্তার দীর্ঘদিন ধরে ভাটারখালে মাদকবাণিজ্য চালিয়ে আসছেন এবং তাদের কাছে মাদকের বড়টি চালান মজুত আছে এমন খবরে সোমবার বিকেলে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একপর্যায়ে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করাসহ ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এবং মাদক বিক্রির বেশ কিছু অর্থও উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জুতি-মুন্নাকে গ্রেপ্তার করায় ডিবি পুলিশ সাধুবাদ জানিয়েছে ১০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন, স্বামী-স্ত্রী গোটা ভাটারখাল এলাকাকে মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মাসোহারা দিয়ে তারা এই অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল। এই চিহ্নিত মাদক বিক্রেতাদের দীর্ঘ মেয়াদি কারান্তরীণ রাখার ক্ষেত্রে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।’

৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
বরিশালের বাবুগঞ্জে ইনক্লুসিভ আই হেলথ (IEH) প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিনামূল্যে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) উদ্যোগে সোমবার (২৯ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ওই অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সভায় অতিথিদের মধ্যে মতবিনিময় ও আলোচনায় অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এ.কে.এম মনিরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আক্তার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসিমা বেগম, জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থার বরিশাল জেলা শাখার পরিচালক মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আরতি রাণী, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহফুজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ।
অবহিতকরণ সভায় ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) প্রজেক্ট ম্যানেজার নূর আল সিদ্দিকুর খান। ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন কোডেকের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার আতিকুর রহমান। এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী সংগঠনের প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত অংশীজনরা প্রকল্পের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন কৌশল এবং প্রত্যাশিত ও সম্ভাব্য ইতিবাচক ফলাফলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসাথে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও চোখের সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যালয়ভিত্তিক চক্ষু পরীক্ষা কর্মসূচি, কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সহজপ্রাপ্য ও টেকসই চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপস্থিত সকলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ একটি ইতিবাচক জায়গা। দূর থেকে যে যা-ই বলুক, আমার এখানে কাজ করতে এসে এমনটাই মনে হয়েছে। কোডেক বাবুগঞ্জের প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রজেক্ট সফল হোক। আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে একটি সুন্দর মডেল বাবুগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য সকলের সদিচ্ছা এবং আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জে ইনক্লুসিভ আই হেলথ (IEH) প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিনামূল্যে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) উদ্যোগে সোমবার (২৯ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ওই অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সভায় অতিথিদের মধ্যে মতবিনিময় ও আলোচনায় অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এ.কে.এম মনিরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহেল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আক্তার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসিমা বেগম, জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থার বরিশাল জেলা শাখার পরিচালক মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আরতি রাণী, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহফুজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ।
অবহিতকরণ সভায় ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) প্রজেক্ট ম্যানেজার নূর আল সিদ্দিকুর খান। ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন কোডেকের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার আতিকুর রহমান। এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী সংগঠনের প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত অংশীজনরা প্রকল্পের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন কৌশল এবং প্রত্যাশিত ও সম্ভাব্য ইতিবাচক ফলাফলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসাথে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও চোখের সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যালয়ভিত্তিক চক্ষু পরীক্ষা কর্মসূচি, কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সহজপ্রাপ্য ও টেকসই চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপস্থিত সকলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ একটি ইতিবাচক জায়গা। দূর থেকে যে যা-ই বলুক, আমার এখানে কাজ করতে এসে এমনটাই মনে হয়েছে। কোডেক বাবুগঞ্জের প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই ইনক্লুসিভ আই হেলথ প্রজেক্ট সফল হোক। আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে একটি সুন্দর মডেল বাবুগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য সকলের সদিচ্ছা এবং আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।' #

২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কাউনিয়া থানার দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক ব্যক্তি মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫)। তিনি কাউনিয়া থানাধীন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর (মামুন মিয়ার ঘের সংলগ্ন) এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় একাধিক মাদক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় রাসেল হাওলাদার ও তার সহযোগী আখি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে কাউনিয়া থানার একটি চৌকস দল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে রাসেলকে আটক করে তার হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় সহযোগী আখি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজীত চন্দ্র নাথ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। পলাতক আসামি আখিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে কাউনিয়া থানার অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কাউনিয়া থানার দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক ব্যক্তি মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫)। তিনি কাউনিয়া থানাধীন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর (মামুন মিয়ার ঘের সংলগ্ন) এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় একাধিক মাদক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় রাসেল হাওলাদার ও তার সহযোগী আখি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে কাউনিয়া থানার একটি চৌকস দল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে রাসেলকে আটক করে তার হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় সহযোগী আখি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজীত চন্দ্র নাথ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। পলাতক আসামি আখিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে কাউনিয়া থানার অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩
বরিশাল নগরীতে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলারের ভাড়া না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। সোমবার (২৯ জুন) নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় ত্রিপক্ষীয় প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে আগামী ১ জুলাই থেকে লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে সম্মিলিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। সমন্বয় সভায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিএম কলেজের ছাত্রশিক্ষক প্রতিনিধিসহ থ্রিহুইলার চালক-মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, থ্রি-হুইলারের বর্তমান ভাড়ার হার অপরিবর্তিত থাকবে এবং যাত্রীসাধারণকে বিদ্যমান ভাড়াতেই সেবা দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে থ্রি-হুইলারের বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় জানানো হয়, যেসব থ্রি-হুইলারের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি বা বৈধ কাগজপত্র নেই, তাদের বিরুদ্ধে আগামী ১ জুলাই থেকে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে সুরক্ষা দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল কবির সুমন, সরকারি বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম, বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান।
এর আগে রোববার সকালে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শতাধিক থ্রিহুইলার আটকে রাখে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়াও তারা যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে। তারপর সোমবারের মধ্যে এ সংকট সমাধানের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি স্থগিত করে। বর্তমানে নগরীর থ্রি-হুইলার চালকরা দূরত্ব ভেদে ৫-১০ টাকা বেশি ভাড়া আদায় করছে। এ নিয়ে প্রতিদিনই চালক ও যাত্রীদের মধ্যে ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। তথ্যমতে, ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল নগরীতে বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে ৩০ হাজার সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত থ্রিহুইলার চলাচল করছে।’
বরিশাল নগরীতে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলারের ভাড়া না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। সোমবার (২৯ জুন) নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় ত্রিপক্ষীয় প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে আগামী ১ জুলাই থেকে লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে সম্মিলিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। সমন্বয় সভায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিএম কলেজের ছাত্রশিক্ষক প্রতিনিধিসহ থ্রিহুইলার চালক-মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, থ্রি-হুইলারের বর্তমান ভাড়ার হার অপরিবর্তিত থাকবে এবং যাত্রীসাধারণকে বিদ্যমান ভাড়াতেই সেবা দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে থ্রি-হুইলারের বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় জানানো হয়, যেসব থ্রি-হুইলারের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি বা বৈধ কাগজপত্র নেই, তাদের বিরুদ্ধে আগামী ১ জুলাই থেকে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে সুরক্ষা দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল কবির সুমন, সরকারি বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম, বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান।
এর আগে রোববার সকালে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শতাধিক থ্রিহুইলার আটকে রাখে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়াও তারা যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে। তারপর সোমবারের মধ্যে এ সংকট সমাধানের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি স্থগিত করে। বর্তমানে নগরীর থ্রি-হুইলার চালকরা দূরত্ব ভেদে ৫-১০ টাকা বেশি ভাড়া আদায় করছে। এ নিয়ে প্রতিদিনই চালক ও যাত্রীদের মধ্যে ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। তথ্যমতে, ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল নগরীতে বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে ৩০ হাজার সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত থ্রিহুইলার চলাচল করছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০