
০৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫৪
নিরাপদ খাবার পানি পৌঁছে দিতেপটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে প্রায় সাড়ে ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল ‘নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প’।
কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের ৭বছর পেরিয়ে গেলেও একদিনের জন্যও সুপেয় পানি পাননি এলাকাবাসী। বিশুদ্ধ পানির বদলে গভীর নলকূপ থেকে উঠেছে লবণাক্ত পানি। ফলে প্রকল্প এখন অচল অবস্থায় পড়ে আছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুরু থেকেই নি¤œমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, তদারকির অভাব এবং পরিকল্পনার ভুলের কারণে প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের নিরাপদ পানির সংকট দূর করতে প্রায় ৭ বছর আগে কালাইয়া আদর্শ গ্রামে গভীর নলকূপ, সাবমারসিবল পাম্প, চারটি ওভারহেড ট্যাংক, পাইপলাইন ও টয়লেট স্থাপন করা হয়।
তবে পরীক্ষামূলকভাবে পানি উত্তোলনের সময়ই দেখা যায়, বিশুদ্ধ পানির পরিবর্তে লবণাক্ত পানি উঠছে। এরপর প্রকল্পটি আর চালু হয়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য, কাজ শেষ করেই ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরে যান।
এ বিষয়ে তথ্য জানতে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পসংক্রান্ত কোনো ফাইল বর্তমানে অফিসে নেই। ফলে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়।
প্রকল্পটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্থানীয়দের নিয়ে একটি পানি ব্যবস্থাপনা কমিটিও গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান করা হয় আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা মো. কবির হোসেনকে।
তার নামেই বিদ্যুতের মিটার স্থাপন করা হয়। পরে পরীক্ষামূলকভাবে পাম্প চালাতে গিয়ে প্রায় ২৮ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে। বিল পরিশোধ না হওয়ায় কবির হোসেনের নামে মামলা করে বিদ্যুৎ বিভাগ। পরে এলাকাবাসীর চাপের মুখে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা ওই বিল পরিশোধ করেন এবং মামলা প্রত্যাহার করা হয়।
কবির হোসেন বলেন, “এই প্রকল্প আমাদের কোনো কাজে আসেনি। বিশুদ্ধ পানির বদলে লবণ পানি উঠেছে। আমরা কেউ সেই পানি ব্যবহার করিনি। অথচ আমাকে না জানিয়ে কমিটির প্রধান করে আমার নামেই বিদ্যুতের মিটার দেওয়া হয়। পরে বিদ্যুৎ বিলের মামলায় আমাকে হয়রানিও হতে হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এই গ্রামের প্রায় ৫০টিরও বেশি পরিবারের জন্য বিশুদ্ধ পানির অভাবে আছেন। একটি মাত্র গভীর নলকুপ ছিল তাও নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা এত গুলো পরিবার অনেক দুর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে নিপাদ পানির ব্যবস্থার জন্য দাবী করেন তিনি।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, “আমি এখানে যোগদানের আগেই প্রকল্পটির কাজ হয়েছে। তাই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তারপরও খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিরাপদ খাবার পানি পৌঁছে দিতেপটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে প্রায় সাড়ে ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল ‘নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প’।
কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের ৭বছর পেরিয়ে গেলেও একদিনের জন্যও সুপেয় পানি পাননি এলাকাবাসী। বিশুদ্ধ পানির বদলে গভীর নলকূপ থেকে উঠেছে লবণাক্ত পানি। ফলে প্রকল্প এখন অচল অবস্থায় পড়ে আছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুরু থেকেই নি¤œমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, তদারকির অভাব এবং পরিকল্পনার ভুলের কারণে প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের নিরাপদ পানির সংকট দূর করতে প্রায় ৭ বছর আগে কালাইয়া আদর্শ গ্রামে গভীর নলকূপ, সাবমারসিবল পাম্প, চারটি ওভারহেড ট্যাংক, পাইপলাইন ও টয়লেট স্থাপন করা হয়।
তবে পরীক্ষামূলকভাবে পানি উত্তোলনের সময়ই দেখা যায়, বিশুদ্ধ পানির পরিবর্তে লবণাক্ত পানি উঠছে। এরপর প্রকল্পটি আর চালু হয়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য, কাজ শেষ করেই ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরে যান।
এ বিষয়ে তথ্য জানতে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পসংক্রান্ত কোনো ফাইল বর্তমানে অফিসে নেই। ফলে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়।
প্রকল্পটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্থানীয়দের নিয়ে একটি পানি ব্যবস্থাপনা কমিটিও গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান করা হয় আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা মো. কবির হোসেনকে।
তার নামেই বিদ্যুতের মিটার স্থাপন করা হয়। পরে পরীক্ষামূলকভাবে পাম্প চালাতে গিয়ে প্রায় ২৮ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে। বিল পরিশোধ না হওয়ায় কবির হোসেনের নামে মামলা করে বিদ্যুৎ বিভাগ। পরে এলাকাবাসীর চাপের মুখে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা ওই বিল পরিশোধ করেন এবং মামলা প্রত্যাহার করা হয়।
কবির হোসেন বলেন, “এই প্রকল্প আমাদের কোনো কাজে আসেনি। বিশুদ্ধ পানির বদলে লবণ পানি উঠেছে। আমরা কেউ সেই পানি ব্যবহার করিনি। অথচ আমাকে না জানিয়ে কমিটির প্রধান করে আমার নামেই বিদ্যুতের মিটার দেওয়া হয়। পরে বিদ্যুৎ বিলের মামলায় আমাকে হয়রানিও হতে হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এই গ্রামের প্রায় ৫০টিরও বেশি পরিবারের জন্য বিশুদ্ধ পানির অভাবে আছেন। একটি মাত্র গভীর নলকুপ ছিল তাও নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা এত গুলো পরিবার অনেক দুর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে নিপাদ পানির ব্যবস্থার জন্য দাবী করেন তিনি।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, “আমি এখানে যোগদানের আগেই প্রকল্পটির কাজ হয়েছে। তাই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তারপরও খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৮ মে, ২০২৬ ১৮:৩০
দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির মধ্যে নিম্ন বেতন স্কেলে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দ্রুত ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন, গেজেট প্রকাশ এবং আগামী বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার দাবিতে পটুয়াখালীতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে ) জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, পটুয়াখালী জেলা শাখা।
কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পটুয়াখালী জেলা শাখার আহ্বায়ক জনাব মু. শাহাবুদ্দিন মুন্সী’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক জনাব মোঃ আব্দুল মালেক। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব জনাব আশিকুল ইসলাম।
উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি জনাব মোঃ গোলাম কিবরিয়া।
বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যমান বেতন কাঠামো দিয়ে পরিবার চালানো অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানের শিক্ষা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। অথচ রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেও তারা ন্যায্য মর্যাদা ও জীবনমান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
তারা আরও বলেন, একদিকে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, অন্যদিকে বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বর্তমান বাস্তবতায় নতুন পে-স্কেল সময়ের দাবি।
সমাবেশে বক্তারা দ্রুত সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত এবং দ্রুত ৯ম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবি জানান।
দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনেরও ইঙ্গিত দেন তারা। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক বাউফলের কৃতি সন্তান মোঃ শাহিন খান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি জনাব সৈয়দ মিজানুর রহমান, জেলা শাখার সদস্য সচিব জনাব মোঃ মুনীরুজ্জামান, বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ শাহজাহান শিকদার, স্বাস্থ্য পরিদর্শক কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ শহীদ বিশ্বাস, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ কামাল হোসেন, বাংলাদেশ কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি জনাব মোঃ হারুন-অর-রশিদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সেবা খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির মধ্যে নিম্ন বেতন স্কেলে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দ্রুত ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন, গেজেট প্রকাশ এবং আগামী বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার দাবিতে পটুয়াখালীতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে ) জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, পটুয়াখালী জেলা শাখা।
কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পটুয়াখালী জেলা শাখার আহ্বায়ক জনাব মু. শাহাবুদ্দিন মুন্সী’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক জনাব মোঃ আব্দুল মালেক। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব জনাব আশিকুল ইসলাম।
উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি জনাব মোঃ গোলাম কিবরিয়া।
বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যমান বেতন কাঠামো দিয়ে পরিবার চালানো অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানের শিক্ষা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। অথচ রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেও তারা ন্যায্য মর্যাদা ও জীবনমান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
তারা আরও বলেন, একদিকে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, অন্যদিকে বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বর্তমান বাস্তবতায় নতুন পে-স্কেল সময়ের দাবি।
সমাবেশে বক্তারা দ্রুত সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত এবং দ্রুত ৯ম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবি জানান।
দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনেরও ইঙ্গিত দেন তারা। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক বাউফলের কৃতি সন্তান মোঃ শাহিন খান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি জনাব সৈয়দ মিজানুর রহমান, জেলা শাখার সদস্য সচিব জনাব মোঃ মুনীরুজ্জামান, বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ শাহজাহান শিকদার, স্বাস্থ্য পরিদর্শক কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ শহীদ বিশ্বাস, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ কামাল হোসেন, বাংলাদেশ কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি জনাব মোঃ হারুন-অর-রশিদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সেবা খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩০
পটুয়াখালীর মহিপুরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য ও লাইসেন্স ছাড়া বরফ কল খোলা রাখার অপরাধে এক ব্যক্তিকে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের ধোলাই মার্কেটে অবস্থিত ফাহিম মিনি আইস প্ল্যান্টে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক।
অভিযানে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে লাইসেন্স বিহীন বরফকল পরিচালনার প্রমাণ পাওয়ায় মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০২০-এর ৩৪ ধারায় হারুন অর রশিদ (৪৯) কে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
জানা গেছে, সরকারের ঘোষিত ৫৮ দিনের সমুদ্রে মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে ওই আইস প্ল্যান্ট চালু রাখা হয়েছিল।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, সমুদ্রে মৎস্য আহরণে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে লাইসেন্স বিহীন বরফকল চালু রাখার জন্য জরিমানা করা হয়েছে।
জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে বরফকল মালিক হারুন অর রশীদকে। ৫৮ দিনের অবরোধ কার্যকর রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
পটুয়াখালীর মহিপুরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য ও লাইসেন্স ছাড়া বরফ কল খোলা রাখার অপরাধে এক ব্যক্তিকে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের ধোলাই মার্কেটে অবস্থিত ফাহিম মিনি আইস প্ল্যান্টে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক।
অভিযানে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে লাইসেন্স বিহীন বরফকল পরিচালনার প্রমাণ পাওয়ায় মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০২০-এর ৩৪ ধারায় হারুন অর রশিদ (৪৯) কে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
জানা গেছে, সরকারের ঘোষিত ৫৮ দিনের সমুদ্রে মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে ওই আইস প্ল্যান্ট চালু রাখা হয়েছিল।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, সমুদ্রে মৎস্য আহরণে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে লাইসেন্স বিহীন বরফকল চালু রাখার জন্য জরিমানা করা হয়েছে।
জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে বরফকল মালিক হারুন অর রশীদকে। ৫৮ দিনের অবরোধ কার্যকর রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

০৮ মে, ২০২৬ ১২:২০
হবিগঞ্জে দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়েছে। বুধবার (৬ মে) স্থানীয় এনজিও পিপলস অ্যাসিস্ট্যান্ট ফর সোশাল অ্যাডভান্সমেন্টের (পাশা) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবির জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রিয়াদুল করিম এবং হবিগঞ্জ প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান নিয়ন। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলো পত্রিকায় “এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষক” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরদিন একই বিষয়ে একটি ফলোআপ প্রতিবেদন এবং ৭ ফেব্রুয়ারি একটি উপসম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়।
বাদীর অভিযোগ, এসব প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে তার ১০০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে। দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫০১ ধারায় দায়ের করা মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারক তানজিনা রহমান তানিন জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে আদালতের বেঞ্চ সহকারী এমরান আহমেদ বলেন, বুধবার ‘পাশা’র নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবির মামলাটি দায়ের করেন। আদালত জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
হবিগঞ্জে দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়েছে। বুধবার (৬ মে) স্থানীয় এনজিও পিপলস অ্যাসিস্ট্যান্ট ফর সোশাল অ্যাডভান্সমেন্টের (পাশা) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবির জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রিয়াদুল করিম এবং হবিগঞ্জ প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান নিয়ন। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলো পত্রিকায় “এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষক” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরদিন একই বিষয়ে একটি ফলোআপ প্রতিবেদন এবং ৭ ফেব্রুয়ারি একটি উপসম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়।
বাদীর অভিযোগ, এসব প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে তার ১০০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে। দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫০১ ধারায় দায়ের করা মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারক তানজিনা রহমান তানিন জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে আদালতের বেঞ্চ সহকারী এমরান আহমেদ বলেন, বুধবার ‘পাশা’র নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবির মামলাটি দায়ের করেন। আদালত জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.