অন্তর্বর্তী সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আশ্বাস দিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসে এ আশ্বাস দেন তিনি।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বর্তমান পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ধারাবাহিক অবদানের জন্য সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদারের পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা আরও সুসংহত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি একটি সুস্পষ্ট কমান্ড কাঠামো এবং নির্বাচন পর্যন্ত আগামী মাসগুলোতে সব বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি জাতির কাছে একটি দৃঢ় অঙ্গীকার করেছি— এমন একটি নির্বাচন উপহার দেব, যা কিছু দিক থেকে অনন্য হয়ে উঠবে। প্রচুর ভোটার উপস্থিতি, নতুন ও নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মহলের আস্থা অর্জনের দৃষ্টান্ত হবে এই নির্বাচন। পাশাপাশি, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের এক উৎসবমুখর পরিবেশও তৈরি হবে।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান উপদেষ্টাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি তার পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং চারপাশে ছড়িয়ে পড়া গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, সরকারের সব উদ্যোগ ও কর্মসূচি সফল করতে পুরো সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ।

২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৫৩
মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মাদরাসার মতো পবিত্র প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের গর্হিত কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে যোগ দেন ধর্মমন্ত্রী। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, মাদরাসার মতো পবিত্র স্থানে যাতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে ইমামদের সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আসা ইমামদের উদ্দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। কেউ যেন উসকানি দিয়ে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন ধর্মমন্ত্রী।
জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাসসহ সব ধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ধর্মমন্ত্রীর মতে, সমাজে ইমামদের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এই গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন তারা।
এদিকে সম্মেলনে ইমাম সমিতির নেতারা বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।
মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মাদরাসার মতো পবিত্র প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের গর্হিত কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে যোগ দেন ধর্মমন্ত্রী। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, মাদরাসার মতো পবিত্র স্থানে যাতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে ইমামদের সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আসা ইমামদের উদ্দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। কেউ যেন উসকানি দিয়ে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন ধর্মমন্ত্রী।
জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাসসহ সব ধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ধর্মমন্ত্রীর মতে, সমাজে ইমামদের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এই গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন তারা।
এদিকে সম্মেলনে ইমাম সমিতির নেতারা বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:২৪
অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আজ শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই অভিযানের একটি ভিডিও আপলোড করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে পরে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইন-সংলগ্ন বস্তিতে আকস্মিক অভিযানে যান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গাড়ি থেকে নেমে চিৎকার করে বলেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ পাশ থেকে আরেকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’ প্রতিমন্ত্রীর দেহরক্ষীরা তখন দৌঁড়ে কয়েকজনকে ধরার চেষ্টা করেন। একজনকে লাথি মারেন এক দেহরক্ষী।
গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির সমকালকে জানান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ছয়জনকে আটক করে থানায় ফোন দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের নিয়ে আসে। ওসি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সেগুলো হেরোইন কিনা, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
প্রদর্শিত পিস্তলটির লাইসেন্স আছে কীনা জানতে চাইলে ইশরাক হোসেনের এপিএস আরিফুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ‘পিস্তল নয়, তিনি লাঠি নিয়ে অভিযানে গেছেন।’
অস্ত্রহাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা চলছে। লাইসেন্স থাকলেও নিজের অস্ত্র এভাবে প্রদর্শন করা যায় কিনা সেই প্রশ্ন তোলেন কেউ কেউ। আইনজ্ঞরা বলছেন, একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নির্বাহী বিভাগের প্রধান বা নীতিনির্ধারক। মাঠপর্যায়ে তাদের সরাসরি অভিযান পরিচালনা বা আইন হাতে তুলে নেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা সংবিধান বা ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই। তাছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রদর্শনীবাজি বা হয়রানি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
উচ্চ আদালতের আইনজীবী তাওহীদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা-২০২৫’-এর ২৫ (ক) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নিজের লাইসেন্সের বিপরীতে নেওয়া অস্ত্র শুধু আত্মরক্ষার জন্য বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যের ভীতি বা বিরক্তি তৈরি হতে পারে এমন ক্ষেত্রে অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না। ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী, লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের অপরাধে অনূর্ধ্ব ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মুহাম্মদ নুরুল হুদা সমকালকে বলেন, আইন অনুযায়ী মূলত আত্মরক্ষার প্রয়োজনে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করা যেতে পারে। কোনো অভিযানে গিয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শন না করাই ভালো। কারণ, তার নিরাপত্তার জন্য তো পুলিশ থাকার কথা। সেক্ষেত্রে নিজের অস্ত্র প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তা দেখি না।
এসব বিষয়ে জানার জন্য প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ফোন করা হয়, হোয়াটসআপে ম্যাসেজ পাঠানো হয়, তবে তাতে তিনি সাড়া দেননি।
নিজের ফেসবুক পেজে আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযান শেষে ইশরাক বলেন- ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। মাদক কারবারিরা যে দলেরই হোক, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি তার নিজ দলের কেউ মাদক কারবারে জড়িত থাকলে তার শাস্তি আরও বড় হবে।
এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এলাকায় যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের স্থান আমার এই ঢাকা-৬ আসনে নেই। আমার এই এলাকা থেকে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। সারা বাংলাদেশে অভিযান চলবে, দেশের কোথাও মাদকের জায়গা হবে না।
আসনটি মাদকমুক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা চান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আজ শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই অভিযানের একটি ভিডিও আপলোড করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে পরে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইন-সংলগ্ন বস্তিতে আকস্মিক অভিযানে যান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গাড়ি থেকে নেমে চিৎকার করে বলেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ পাশ থেকে আরেকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’ প্রতিমন্ত্রীর দেহরক্ষীরা তখন দৌঁড়ে কয়েকজনকে ধরার চেষ্টা করেন। একজনকে লাথি মারেন এক দেহরক্ষী।
গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির সমকালকে জানান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ছয়জনকে আটক করে থানায় ফোন দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের নিয়ে আসে। ওসি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সেগুলো হেরোইন কিনা, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
প্রদর্শিত পিস্তলটির লাইসেন্স আছে কীনা জানতে চাইলে ইশরাক হোসেনের এপিএস আরিফুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ‘পিস্তল নয়, তিনি লাঠি নিয়ে অভিযানে গেছেন।’
অস্ত্রহাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা চলছে। লাইসেন্স থাকলেও নিজের অস্ত্র এভাবে প্রদর্শন করা যায় কিনা সেই প্রশ্ন তোলেন কেউ কেউ। আইনজ্ঞরা বলছেন, একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নির্বাহী বিভাগের প্রধান বা নীতিনির্ধারক। মাঠপর্যায়ে তাদের সরাসরি অভিযান পরিচালনা বা আইন হাতে তুলে নেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা সংবিধান বা ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই। তাছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রদর্শনীবাজি বা হয়রানি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
উচ্চ আদালতের আইনজীবী তাওহীদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা-২০২৫’-এর ২৫ (ক) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নিজের লাইসেন্সের বিপরীতে নেওয়া অস্ত্র শুধু আত্মরক্ষার জন্য বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যের ভীতি বা বিরক্তি তৈরি হতে পারে এমন ক্ষেত্রে অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না। ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী, লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের অপরাধে অনূর্ধ্ব ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মুহাম্মদ নুরুল হুদা সমকালকে বলেন, আইন অনুযায়ী মূলত আত্মরক্ষার প্রয়োজনে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করা যেতে পারে। কোনো অভিযানে গিয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শন না করাই ভালো। কারণ, তার নিরাপত্তার জন্য তো পুলিশ থাকার কথা। সেক্ষেত্রে নিজের অস্ত্র প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তা দেখি না।
এসব বিষয়ে জানার জন্য প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ফোন করা হয়, হোয়াটসআপে ম্যাসেজ পাঠানো হয়, তবে তাতে তিনি সাড়া দেননি।
নিজের ফেসবুক পেজে আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযান শেষে ইশরাক বলেন- ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। মাদক কারবারিরা যে দলেরই হোক, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি তার নিজ দলের কেউ মাদক কারবারে জড়িত থাকলে তার শাস্তি আরও বড় হবে।
এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এলাকায় যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের স্থান আমার এই ঢাকা-৬ আসনে নেই। আমার এই এলাকা থেকে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। সারা বাংলাদেশে অভিযান চলবে, দেশের কোথাও মাদকের জায়গা হবে না।
আসনটি মাদকমুক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা চান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৪৮
রাজধানীর রমনায় অবস্থিত অফিসার্স ক্লাবের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ভবনটির তৃতীয় তলা থেকে নিচে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
অফিসার্স ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাবে প্রবেশ করেন মোশাররফ হোসেন। পরে মেয়েকে সুইমিংপুলের কাছে রেখে তিনি ক্লাবের ভেতরে থাকা নির্মাণাধীন ভবনটিতে যান।
প্রায় এক ঘণ্টা পর ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, মোশাররফ হোসেনের দৃষ্টিশক্তি কিছুটা কম ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্মাণাধীন ভবনটির তৃতীয় তলা থেকে নিচতলার ফাঁকা অংশে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মোশাররফ হোসেন অফিসার্স ক্লাবের সদস্য ছিলেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর বনানী এলাকায় বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তিনি দেশে ফেরার পর বাবার দাফন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্তে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তরের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
সূত্র: বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও পুলিশের বক্তব্য।
রাজধানীর রমনায় অবস্থিত অফিসার্স ক্লাবের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ভবনটির তৃতীয় তলা থেকে নিচে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
অফিসার্স ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাবে প্রবেশ করেন মোশাররফ হোসেন। পরে মেয়েকে সুইমিংপুলের কাছে রেখে তিনি ক্লাবের ভেতরে থাকা নির্মাণাধীন ভবনটিতে যান।
প্রায় এক ঘণ্টা পর ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, মোশাররফ হোসেনের দৃষ্টিশক্তি কিছুটা কম ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্মাণাধীন ভবনটির তৃতীয় তলা থেকে নিচতলার ফাঁকা অংশে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মোশাররফ হোসেন অফিসার্স ক্লাবের সদস্য ছিলেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর বনানী এলাকায় বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তিনি দেশে ফেরার পর বাবার দাফন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্তে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তরের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
সূত্র: বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও পুলিশের বক্তব্য।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:১৭
অন্তর্বর্তী সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আশ্বাস দিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসে এ আশ্বাস দেন তিনি।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বর্তমান পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ধারাবাহিক অবদানের জন্য সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদারের পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা আরও সুসংহত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি একটি সুস্পষ্ট কমান্ড কাঠামো এবং নির্বাচন পর্যন্ত আগামী মাসগুলোতে সব বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি জাতির কাছে একটি দৃঢ় অঙ্গীকার করেছি— এমন একটি নির্বাচন উপহার দেব, যা কিছু দিক থেকে অনন্য হয়ে উঠবে। প্রচুর ভোটার উপস্থিতি, নতুন ও নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মহলের আস্থা অর্জনের দৃষ্টান্ত হবে এই নির্বাচন। পাশাপাশি, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের এক উৎসবমুখর পরিবেশও তৈরি হবে।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান উপদেষ্টাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি তার পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং চারপাশে ছড়িয়ে পড়া গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, সরকারের সব উদ্যোগ ও কর্মসূচি সফল করতে পুরো সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ।
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৯
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৭
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭