
২৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০২:৫২
সকলকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা
কয়েক ভাগে বিভক্ত বরিশাল বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেছে দলটির হাইকমান্ড। রাজধানী ঢাকার গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার রাতের এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বরিশালের নেতাকর্মীদের মধ্যেকার বিভাজনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা আলোচনা করেন। এবং ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে বরিশালের নেতাকর্মীদের নিজেদের মধ্যে কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করাসহ শহীদ জিয়াউর রহমানের ধানের শীষের পক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক নেতা এই তথ্য গভীর রাতে বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন।
বিএনপি সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল সদর আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। বরিশাল সদর উপজেলার কমিটি ভাঙা এবং নতুন কমিটিতে মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারীরা স্থান পাওয়া নিয়ে একটি অংশের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ্য করা যায়। এনিয়ে বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি সরোয়ারকে দোষারোপ করাসহ তাকে বিষাদগার করে নানান বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপি নেতারা। সর্বশেষ এনিয়ে তাদের অনুসারীদের পাল্টাপাল্টি লেখালেখিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সমাজমাধ্যম ফেসবুক।
সূত্রগুলো জানায়, নির্বাচনপূর্ব বরিশালে নিজেদের মধ্যেকার এই বিরোধ পত্র-পত্রিকায় প্রচার হলে বিষয়টি বিএনপি হাইকমান্ডের নজরে আসে। এবং দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একাধিক মাধ্যম বিষয়টি অবগত হয়ে এই রাজনৈতিক বিবাদ নিরসনে স্থায়ী কমিটির সদস্য এম জেড এ জাহিদ হোসেনকে নির্দেশনা দেন। সেই নির্দেশনার আলোকে বরিশাল সদর আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী মজিবর রহমান সরোয়ার, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিনকে বৃহস্পতিবার হাইকমান্ড তলব করে।
জানা গেছে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বরিশালের নেতাদের নিয়ে এম জেড এ জাহিদ হোসেনের বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় গুলশান বিএনপির কার্যালয়ে বসার সিদ্ধান্ত থাকলেও তা দুই ঘণ্টা বিলম্বে শুরু হয়। এই বৈঠকে সরোয়ার-জিয়াদের সাথে বিএনপি বরিশাল বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্নুও অংশগ্রহণ করেন। বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় নেতা জাহিদের সাথে বরিশালের নেতাদের ফটোশেসনের একটি ছবি ফেসবুকে প্রকাশ পেয়েছে। এই ছবি বৈঠকে অংশ নেওয়া বরিশাল বিএনপি নেতারা তাদের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।
বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে জানতে চাইলে বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বরিশালটাইমসকে জানান, নিজেদের মধ্যকার বিরোধ ভুলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্বাচনের আগেই অভ্যন্তরীণ সকল বিবাদ মেটাতে চাইছে বিএনপির হাইকমান্ড।
বরিশাল সদর ০৫ আসনে প্রার্থিতার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে কী না জানতে চাইলে জিয়া সিকদার বলেন, এ নিয়ে হাইকমান্ড কোনো আলোচনা করেনি। তবে ধানের শীষের মনোনয়ন যিনি পাবেন, তার পক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার নির্দেশনা রয়েছে।
মজিবর রহমান সরোয়ারও একই কথা জানিয়েছেন বরিশালটাইমসকে। বর্ষীয়ান এই নেতা জানান, অন্তর্কোন্দল ভুলে সকলকে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বরিশাল সদর আসনে কাউকে গ্রিনসিগনাল দেওয়া হয়েছে কী না জানতে সরোয়ার বরিশালটাইমসকে বলেন, বিষয়টি এখনও হাইকমান্ড চূড়ান্ত করেনি বা ঘোষণা দেয়নি।’
সকলকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা
কয়েক ভাগে বিভক্ত বরিশাল বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেছে দলটির হাইকমান্ড। রাজধানী ঢাকার গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার রাতের এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বরিশালের নেতাকর্মীদের মধ্যেকার বিভাজনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা আলোচনা করেন। এবং ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে বরিশালের নেতাকর্মীদের নিজেদের মধ্যে কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করাসহ শহীদ জিয়াউর রহমানের ধানের শীষের পক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক নেতা এই তথ্য গভীর রাতে বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন।
বিএনপি সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল সদর আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। বরিশাল সদর উপজেলার কমিটি ভাঙা এবং নতুন কমিটিতে মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারীরা স্থান পাওয়া নিয়ে একটি অংশের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ্য করা যায়। এনিয়ে বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি সরোয়ারকে দোষারোপ করাসহ তাকে বিষাদগার করে নানান বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপি নেতারা। সর্বশেষ এনিয়ে তাদের অনুসারীদের পাল্টাপাল্টি লেখালেখিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সমাজমাধ্যম ফেসবুক।
সূত্রগুলো জানায়, নির্বাচনপূর্ব বরিশালে নিজেদের মধ্যেকার এই বিরোধ পত্র-পত্রিকায় প্রচার হলে বিষয়টি বিএনপি হাইকমান্ডের নজরে আসে। এবং দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একাধিক মাধ্যম বিষয়টি অবগত হয়ে এই রাজনৈতিক বিবাদ নিরসনে স্থায়ী কমিটির সদস্য এম জেড এ জাহিদ হোসেনকে নির্দেশনা দেন। সেই নির্দেশনার আলোকে বরিশাল সদর আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী মজিবর রহমান সরোয়ার, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিনকে বৃহস্পতিবার হাইকমান্ড তলব করে।
জানা গেছে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বরিশালের নেতাদের নিয়ে এম জেড এ জাহিদ হোসেনের বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় গুলশান বিএনপির কার্যালয়ে বসার সিদ্ধান্ত থাকলেও তা দুই ঘণ্টা বিলম্বে শুরু হয়। এই বৈঠকে সরোয়ার-জিয়াদের সাথে বিএনপি বরিশাল বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্নুও অংশগ্রহণ করেন। বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় নেতা জাহিদের সাথে বরিশালের নেতাদের ফটোশেসনের একটি ছবি ফেসবুকে প্রকাশ পেয়েছে। এই ছবি বৈঠকে অংশ নেওয়া বরিশাল বিএনপি নেতারা তাদের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।
বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে জানতে চাইলে বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বরিশালটাইমসকে জানান, নিজেদের মধ্যকার বিরোধ ভুলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্বাচনের আগেই অভ্যন্তরীণ সকল বিবাদ মেটাতে চাইছে বিএনপির হাইকমান্ড।
বরিশাল সদর ০৫ আসনে প্রার্থিতার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে কী না জানতে চাইলে জিয়া সিকদার বলেন, এ নিয়ে হাইকমান্ড কোনো আলোচনা করেনি। তবে ধানের শীষের মনোনয়ন যিনি পাবেন, তার পক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার নির্দেশনা রয়েছে।
মজিবর রহমান সরোয়ারও একই কথা জানিয়েছেন বরিশালটাইমসকে। বর্ষীয়ান এই নেতা জানান, অন্তর্কোন্দল ভুলে সকলকে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বরিশাল সদর আসনে কাউকে গ্রিনসিগনাল দেওয়া হয়েছে কী না জানতে সরোয়ার বরিশালটাইমসকে বলেন, বিষয়টি এখনও হাইকমান্ড চূড়ান্ত করেনি বা ঘোষণা দেয়নি।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
বরিশাল নগরীতে হামলার শিকার হয়েছেন মানবাধিকার কর্মী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেডআই খান পান্নার মেয়ে অ্যাডভোকেট নাদিমা মোহাম্মদী খান (৩৯)। এই অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ। শনিবার রাতে বরিশাল নগরীর সদর রোডে জেড আই খান পান্নার পারিবারিক বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী নাদিমার অভিযোগ, ‘গত ১৮ জুলাই আমি ও আমার চাচাতো বোন বাড়িতে আসি। সেখানে কিছু যুবক বাড়ির মধ্যে আবর্জনা ফেলে রাখেন। তারা সেখানে মাদকসেবন ও মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। আমরা এর প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ২৫ থেকে ৩০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তখন আমি ৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করি।’
আইনজীবী কন্যা অভিযোগ করেন, ‘চাচা নজরুল ইসলাম খানের উসকানি ও প্রশ্রয়ে আমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার এবং আমার এই বাড়িতে আসা ঠেকাতে এই হামলা চালানো হয়েছে। আহত অবস্থায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। রোববার সকালে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।
এই মামলাটিতে চাচা নজরুল ইসলাম খানসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করেছেন। আসামিদের মধ্যে আছেন, রেজাউল ইসলাম সাব্বির এবং জাহিদুল ইসলাম রাজু।
এজাহারে উল্লেখ আছে, নাদিমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির জেরে মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতাদের একটি সংঘবদ্ধ দল হামলা চালায়।
বরিশাল কোতয়ালি থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় চাঁদনী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং অপর আসামিদেরকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে, জানান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. হান্নান। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪৯

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪১
জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
মরহুমের পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মরহুমের বড় ছেলে জাবেদ হোসেনের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি শোক জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, জাকির হোসেন নান্নুর মতো সাহসী নিবেদিত কর্মী সহজে পাওয়া যাবে না। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তার পরিবারকে শোক কাটিয়ে উঠবার শক্তি দান করেন ও মরহুমকে বেহেশত নসিব করেন এই দোয়া করি।’
বরিশাল নগরীতে হামলার শিকার হয়েছেন মানবাধিকার কর্মী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেডআই খান পান্নার মেয়ে অ্যাডভোকেট নাদিমা মোহাম্মদী খান (৩৯)। এই অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ। শনিবার রাতে বরিশাল নগরীর সদর রোডে জেড আই খান পান্নার পারিবারিক বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী নাদিমার অভিযোগ, ‘গত ১৮ জুলাই আমি ও আমার চাচাতো বোন বাড়িতে আসি। সেখানে কিছু যুবক বাড়ির মধ্যে আবর্জনা ফেলে রাখেন। তারা সেখানে মাদকসেবন ও মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। আমরা এর প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ২৫ থেকে ৩০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তখন আমি ৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করি।’
আইনজীবী কন্যা অভিযোগ করেন, ‘চাচা নজরুল ইসলাম খানের উসকানি ও প্রশ্রয়ে আমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার এবং আমার এই বাড়িতে আসা ঠেকাতে এই হামলা চালানো হয়েছে। আহত অবস্থায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। রোববার সকালে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।
এই মামলাটিতে চাচা নজরুল ইসলাম খানসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করেছেন। আসামিদের মধ্যে আছেন, রেজাউল ইসলাম সাব্বির এবং জাহিদুল ইসলাম রাজু।
এজাহারে উল্লেখ আছে, নাদিমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির জেরে মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতাদের একটি সংঘবদ্ধ দল হামলা চালায়।
বরিশাল কোতয়ালি থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় চাঁদনী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং অপর আসামিদেরকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে, জানান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. হান্নান। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’
‘শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পির)।
তিনি বলেছেন, চব্বিশের এই উত্তাল দিনগুলোতে আমরা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে হুমকির মুখে রেখেও রাজপথে অবস্থান নিয়েছি। চব্বিশের এই দিনেও বাইতুল মোকাররমে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশে আমি ও আমার যুবকর্মীরা ছিলাম। আমাদের ওপরেও নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনী। আমি ও আমার দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সকলেই সেদিন গুলির মুখে লড়াই করেছি। আমি সেদিনই বলেছিলাম, যত শক্তিশালীই হোক, ফ্যাসিবাদের পতন হবেই ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ প্রজন্ম আন্দোলন করেছিল, সেই লক্ষ্য পূরণ হয় নাই। শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি।
রোববার (১৯ জুলাই) ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসে চেতনায় জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ অতীতের প্রতিটি অভ্যুত্থান, সংগ্রামের পরেই দেশ এমন শক্তির হাতে গিয়েছে, যাদের কাছে ইসলাম, দেশ ও মানবতা নিরাপদ নয়। শিয়ালের কাছে মুরগী বর্গা দেওয়ার মতো ভুল বারবার করার কারণেই জাতির ভাগ্যে বারবার এমন হতাশা নেমে আসে। তাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে কাজ করতে হবে। কারণ, ইসলামি শরিয়াহর শাসনই প্রকৃত আদর্শ শাসন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১৯ জুলাই ২০২৪ তথা আজকের এই দিনে ঢাকায় চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে আয়োজিত যুব আন্দোলনের সমাবেশে এবং মিছিলে পুলিশ মুহুর্মুহু গুলি করে শতাধিক যুবনেতাকে আহত করে। জুলাই অভ্যুত্থানে চরমোনাই পীর দলীয় প্রধান হিসেবে যেভাবে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, অন্য কোনো দলের ক্ষেত্রে এটা দেখা যায়নি। কিন্তু অনেক দলের মধ্যে আজ জুলাই অভ্যুত্থানের ক্রেডিট নিয়ে টানাটানি ও সুবিধা গ্রহণের প্রতিযোগিতা দেখা যায়, যা লজ্জাজনক।
তিনি আরও বলেন, ঐক্যমত কমিশনে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির সময় এনসিপি অনেক বিষয়ে বিএনপির পক্ষ নেওয়ায় অনেক প্রস্তাবই চূড়ান্ত করা যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে নির্বাচনের সময় এনসিপি আবার বিএনপিবিরোধী শিবিরে যুক্ত হয়েছে। যা প্রমাণ করে, জুলাইপরবর্তী নির্বাচনে পাতানো খেলা হয়েছে।
ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি রহমাতুল্লাহ বিন হাবিব ও অ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা ইলিয়াস হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, ইসলামী যুব অন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমদ সাকী, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাদিম হাসান এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
‘শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পির)।
তিনি বলেছেন, চব্বিশের এই উত্তাল দিনগুলোতে আমরা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে হুমকির মুখে রেখেও রাজপথে অবস্থান নিয়েছি। চব্বিশের এই দিনেও বাইতুল মোকাররমে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশে আমি ও আমার যুবকর্মীরা ছিলাম। আমাদের ওপরেও নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনী। আমি ও আমার দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সকলেই সেদিন গুলির মুখে লড়াই করেছি। আমি সেদিনই বলেছিলাম, যত শক্তিশালীই হোক, ফ্যাসিবাদের পতন হবেই ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ প্রজন্ম আন্দোলন করেছিল, সেই লক্ষ্য পূরণ হয় নাই। শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি।
রোববার (১৯ জুলাই) ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসে চেতনায় জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ অতীতের প্রতিটি অভ্যুত্থান, সংগ্রামের পরেই দেশ এমন শক্তির হাতে গিয়েছে, যাদের কাছে ইসলাম, দেশ ও মানবতা নিরাপদ নয়। শিয়ালের কাছে মুরগী বর্গা দেওয়ার মতো ভুল বারবার করার কারণেই জাতির ভাগ্যে বারবার এমন হতাশা নেমে আসে। তাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে কাজ করতে হবে। কারণ, ইসলামি শরিয়াহর শাসনই প্রকৃত আদর্শ শাসন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১৯ জুলাই ২০২৪ তথা আজকের এই দিনে ঢাকায় চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে আয়োজিত যুব আন্দোলনের সমাবেশে এবং মিছিলে পুলিশ মুহুর্মুহু গুলি করে শতাধিক যুবনেতাকে আহত করে। জুলাই অভ্যুত্থানে চরমোনাই পীর দলীয় প্রধান হিসেবে যেভাবে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, অন্য কোনো দলের ক্ষেত্রে এটা দেখা যায়নি। কিন্তু অনেক দলের মধ্যে আজ জুলাই অভ্যুত্থানের ক্রেডিট নিয়ে টানাটানি ও সুবিধা গ্রহণের প্রতিযোগিতা দেখা যায়, যা লজ্জাজনক।
তিনি আরও বলেন, ঐক্যমত কমিশনে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির সময় এনসিপি অনেক বিষয়ে বিএনপির পক্ষ নেওয়ায় অনেক প্রস্তাবই চূড়ান্ত করা যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে নির্বাচনের সময় এনসিপি আবার বিএনপিবিরোধী শিবিরে যুক্ত হয়েছে। যা প্রমাণ করে, জুলাইপরবর্তী নির্বাচনে পাতানো খেলা হয়েছে।
ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি রহমাতুল্লাহ বিন হাবিব ও অ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা ইলিয়াস হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, ইসলামী যুব অন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমদ সাকী, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাদিম হাসান এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
মরহুমের পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মরহুমের বড় ছেলে জাবেদ হোসেনের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি শোক জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, জাকির হোসেন নান্নুর মতো সাহসী নিবেদিত কর্মী সহজে পাওয়া যাবে না। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তার পরিবারকে শোক কাটিয়ে উঠবার শক্তি দান করেন ও মরহুমকে বেহেশত নসিব করেন এই দোয়া করি।’
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১