Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ মে, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব চাঁদপাশা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা মুখে পড়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা পাঞ্জাবি ও টুপি মাথায় এক বয়স্ক লোকের থেকে টাকা গ্রহন করে হাতে নিয়ে বনিবনা করছেন জহিরুল ইসলাম।
এ সময় মোবাইল দেখা তড়িঘড়ি করে টাকা পকেটে রেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই কর্মকর্তা। ইতোমধ্যে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ঘুষ দিতে বাধ্য করছেন ওই কর্মকর্তা। এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আচরণ করেন অসৌজন্যমূলক। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তার দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহনের সেই অভিযোগের বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠেছে।
সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ, অসাধু ওই কর্মকর্তার দৌরাত্ম্যে সেবা প্রার্থীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও দৌরাত্ম্য কমেনি জহিরুল ইসলামের। সেবা প্রত্যাশীদের দাবি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ কতৃপক্ষের। এতে প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে আসবে জনগণের। রহমতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক কর্মচারী জানান, তহশিলদার জহিরুল ইসলাম প্রতি সপ্তাহে বিমানে ঢাকা যাতায়াতে করে অফিস করেন।
যেদিন বিমান না থাকে সেদিন স্লিপার বাস যাতায়াত করেন। জহিরুল ইসলাম এর আগে বরিশাল সদরে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। বরিশাল বিএম কলেজ সংলগ্ন একটি ও ঢাকার কল্যাণপুরে একটি বহুতল বাড়ি রয়েছে এবং একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে তার। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। চাঁদপাশা ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম) হেমায়েত উদ্দিন বলেন, আমার জামিতে ১৫০ ধারা, রেকর্ড সংশোধনের প্রতিবেদন দিতে দশ হাজার টাকা দাবি করেন তহসিলদার জহিরুল ইসলাম। আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে এসেছি। কিন্তু বাকি টাকার জন্য দুই মাস ধরে ঘুরাচ্ছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ে ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ঘুষ লেনদেন বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, ভিডিওটি আমি দেখেছি। ঘুষের গ্রহণের বিষয়ে তহশিলদার জহিরুলকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে এড়িয়ে গেছেন। তবে আমার কাছে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। ভিডিওটি এনএসআই আমাকে পাঠিয়েছে এবং ফেসবুকে দেখেছি। এ বিষয়ে আমি ডিসি স্যারকে অবহিত করেছি।
বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, ঘুষ গ্রহণের ভিডিওটি আমরা দেখছি। তবে আমার কাছে অভিযোগ আসলেই আমরা ব্যবস্থা বা তদন্ত শুরু করবো।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব চাঁদপাশা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা মুখে পড়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা পাঞ্জাবি ও টুপি মাথায় এক বয়স্ক লোকের থেকে টাকা গ্রহন করে হাতে নিয়ে বনিবনা করছেন জহিরুল ইসলাম।
এ সময় মোবাইল দেখা তড়িঘড়ি করে টাকা পকেটে রেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই কর্মকর্তা। ইতোমধ্যে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ঘুষ দিতে বাধ্য করছেন ওই কর্মকর্তা। এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আচরণ করেন অসৌজন্যমূলক। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তার দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহনের সেই অভিযোগের বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠেছে।
সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ, অসাধু ওই কর্মকর্তার দৌরাত্ম্যে সেবা প্রার্থীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও দৌরাত্ম্য কমেনি জহিরুল ইসলামের। সেবা প্রত্যাশীদের দাবি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ কতৃপক্ষের। এতে প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে আসবে জনগণের। রহমতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক কর্মচারী জানান, তহশিলদার জহিরুল ইসলাম প্রতি সপ্তাহে বিমানে ঢাকা যাতায়াতে করে অফিস করেন।
যেদিন বিমান না থাকে সেদিন স্লিপার বাস যাতায়াত করেন। জহিরুল ইসলাম এর আগে বরিশাল সদরে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। বরিশাল বিএম কলেজ সংলগ্ন একটি ও ঢাকার কল্যাণপুরে একটি বহুতল বাড়ি রয়েছে এবং একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে তার। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। চাঁদপাশা ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম) হেমায়েত উদ্দিন বলেন, আমার জামিতে ১৫০ ধারা, রেকর্ড সংশোধনের প্রতিবেদন দিতে দশ হাজার টাকা দাবি করেন তহসিলদার জহিরুল ইসলাম। আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে এসেছি। কিন্তু বাকি টাকার জন্য দুই মাস ধরে ঘুরাচ্ছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ে ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ঘুষ লেনদেন বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, ভিডিওটি আমি দেখেছি। ঘুষের গ্রহণের বিষয়ে তহশিলদার জহিরুলকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে এড়িয়ে গেছেন। তবে আমার কাছে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। ভিডিওটি এনএসআই আমাকে পাঠিয়েছে এবং ফেসবুকে দেখেছি। এ বিষয়ে আমি ডিসি স্যারকে অবহিত করেছি।
বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, ঘুষ গ্রহণের ভিডিওটি আমরা দেখছি। তবে আমার কাছে অভিযোগ আসলেই আমরা ব্যবস্থা বা তদন্ত শুরু করবো।

২৭ জুন, ২০২৬ ১৮:৪১
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৪৫

২৭ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীতীরে নির্মিত সেই টায়ার ও প্লাস্টিক পাইরোলাইসিস কারখানা ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট’ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে সংস্থাটি। ২৫ জুন বেলার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশালের জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জন কর্মকর্তার কাছে ‘নোটিস অব ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ প্রেরণ করা হয়।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, সুগন্ধা নদীতীরবর্তী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কারখানাটির নির্গত কালো ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও শিল্পবর্জ্য স্থানীয় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও নদীর প্রতিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশ দূষণকারী এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিপদে থাকার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় অন্তত ১০ জনের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যেকার একজন মনিরুজ্জামান খোকন বলেন, ৪ বছর আগে স্থানীয় কিছু কৃষকের জমি ভাড়া নিয়ে এই কারখানাটি স্থাপন করেন মিজানুর রহমান নামের বাকেরগঞ্জের জনৈক এক ব্যক্তি। এলাকার লোকজন প্রথমে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুধাবন করতে পারেনি। কিন্তু যখন বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে, ঠিক তখন এলাকার লোকজন কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ করে। কিন্তু এলাকাবাসীর আপত্তির কোনো কর্ণপাত করেননি কারখানা মালিক। এতে সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়ে কারাখানাটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি রাখেন। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল আসেনি। কারখানা মালিক নিজের ইচ্ছেখুশি মতো টায়ার জ¦ালিয়ে পরিবেশ দূষণ করে চলছেন, যা উপজেলা প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।
তবে কারখানার মালিক মো. মিজানুর রহমান দাবি করছেন, কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্স নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। তারপরেও এই প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় একটি মহল দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
মিজানুর রহমান জানান, এখানে তিনি ৫০ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া টায়ার সংগ্রহসহ নানা কাজে আরও অন্তত ১০০টি পরিবার এই কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
তবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বলছে, শান্ত-স্নিগ্ধ সুগন্ধা নদীতীরে এ ধরনের দূষণকারী শিল্পকারখানা দীর্ঘ মেয়াদে নদীর জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবেশগত ক্ষতি আরও বাড়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ জন্য বেলার পক্ষ থেকে আইনগত নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসের বিষয়টি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক লিঙ্কন বায়েন বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে কারখানাটি বন্ধ করতে বলা হয়। নতুবা বেলার পক্ষ থেকে উচ্চআদালতে রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত করা হয়েছে।’
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীতীরে নির্মিত সেই টায়ার ও প্লাস্টিক পাইরোলাইসিস কারখানা ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট’ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে সংস্থাটি। ২৫ জুন বেলার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশালের জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জন কর্মকর্তার কাছে ‘নোটিস অব ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ প্রেরণ করা হয়।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, সুগন্ধা নদীতীরবর্তী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কারখানাটির নির্গত কালো ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও শিল্পবর্জ্য স্থানীয় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও নদীর প্রতিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশ দূষণকারী এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিপদে থাকার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় অন্তত ১০ জনের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যেকার একজন মনিরুজ্জামান খোকন বলেন, ৪ বছর আগে স্থানীয় কিছু কৃষকের জমি ভাড়া নিয়ে এই কারখানাটি স্থাপন করেন মিজানুর রহমান নামের বাকেরগঞ্জের জনৈক এক ব্যক্তি। এলাকার লোকজন প্রথমে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুধাবন করতে পারেনি। কিন্তু যখন বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে, ঠিক তখন এলাকার লোকজন কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ করে। কিন্তু এলাকাবাসীর আপত্তির কোনো কর্ণপাত করেননি কারখানা মালিক। এতে সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়ে কারাখানাটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি রাখেন। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল আসেনি। কারখানা মালিক নিজের ইচ্ছেখুশি মতো টায়ার জ¦ালিয়ে পরিবেশ দূষণ করে চলছেন, যা উপজেলা প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।
তবে কারখানার মালিক মো. মিজানুর রহমান দাবি করছেন, কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্স নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। তারপরেও এই প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় একটি মহল দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
মিজানুর রহমান জানান, এখানে তিনি ৫০ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া টায়ার সংগ্রহসহ নানা কাজে আরও অন্তত ১০০টি পরিবার এই কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
তবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বলছে, শান্ত-স্নিগ্ধ সুগন্ধা নদীতীরে এ ধরনের দূষণকারী শিল্পকারখানা দীর্ঘ মেয়াদে নদীর জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবেশগত ক্ষতি আরও বাড়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ জন্য বেলার পক্ষ থেকে আইনগত নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসের বিষয়টি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক লিঙ্কন বায়েন বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে কারখানাটি বন্ধ করতে বলা হয়। নতুবা বেলার পক্ষ থেকে উচ্চআদালতে রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত করা হয়েছে।’
প্রস্তাবিত বাজেটে দক্ষিণবাংলা তথা বরিশাল বিভাগকে চরমভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণবাংলা ফোরাম ও বরিশাল জেলা সমিতিসহ প্রায় ১০টি সংগঠনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এর আগে একনেকে অনুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার জন্য নতুন বাজেটে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দুই লেনের মহাসড়কে প্রতিদিনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ।
দক্ষিণবাংলা ফোরামের মুখপাত্র সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চট্টগ্রামের ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য মোট ১১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বরিশাল বিভাগ তথা দক্ষিণবাংলার জন্য বাজেটে কোনো বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব নেই।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ সামলাতে বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর সচল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, নতুন এই বন্দরটির ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা সরকারের আয় হবে—এমন তথ্য দিয়েছেন খোদ পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস দিয়ে ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন এবং ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনদাবিগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
প্রস্তাবিত বাজেটে সংশোধনী এনে এসব প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণবাংলার সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন দক্ষিণের ৬টি জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে দক্ষিণবাংলা ফোরাম ছাড়াও বরিশাল বিভাগ সমিতি, বরিশাল জেলা সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সমিতি, বরগুনা জেলা সমিতি, বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সাংবাদিক ফোরামসহ দক্ষিণবাংলার বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সমিতি, সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে দক্ষিণবাংলা তথা বরিশাল বিভাগকে চরমভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণবাংলা ফোরাম ও বরিশাল জেলা সমিতিসহ প্রায় ১০টি সংগঠনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এর আগে একনেকে অনুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার জন্য নতুন বাজেটে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দুই লেনের মহাসড়কে প্রতিদিনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ।
দক্ষিণবাংলা ফোরামের মুখপাত্র সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চট্টগ্রামের ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য মোট ১১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বরিশাল বিভাগ তথা দক্ষিণবাংলার জন্য বাজেটে কোনো বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব নেই।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ সামলাতে বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর সচল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, নতুন এই বন্দরটির ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা সরকারের আয় হবে—এমন তথ্য দিয়েছেন খোদ পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস দিয়ে ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন এবং ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনদাবিগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
প্রস্তাবিত বাজেটে সংশোধনী এনে এসব প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণবাংলার সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন দক্ষিণের ৬টি জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে দক্ষিণবাংলা ফোরাম ছাড়াও বরিশাল বিভাগ সমিতি, বরিশাল জেলা সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সমিতি, বরগুনা জেলা সমিতি, বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সাংবাদিক ফোরামসহ দক্ষিণবাংলার বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সমিতি, সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।