
২২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫৫
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালনকালে দৈনিক রুপালী বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি নাছরুল্লাহ আল-কাফী এবং নাগরিক প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি আরিফ বিল্লাহর ওপর বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আহত করার সাতদিন পার হলেও আসামিদের কাউকেই গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। এ ঘটনায় উল্টো শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বালিপাড়া ইউনিয়নের স্থানীয় যুবদল নেতা খসরুল আলম আহত সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফীর মোবাইল ফোনে কল করে আসামিদের নামে নিউজ করা হলো কেন এ বিষয়ে জানতে চাচ্ছিলেন, তখন পাসে থাকা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বালিপাড়া ইউনিয়নের সভাপতি প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ওরফে (কালাম সিকদার) ওই সাংবাদিকের 'পায়ের নলি' ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরে ওই বিএনপি নেতা কালাম সিকদারের পক্ষে একটি নম্বর থেকে কল করে নিউজ না করার জন্য মোটা অংকের টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা কালাম সিকদার বলেন, আমি ওকে কল দেইনি, হুমকি দেব কিভাবে।
এ বিষয়ে শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ইন্দুরকানী এফ করিম আলিম মাদ্রাসা মাঠে একটি জানাজা নামাজ শেষে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা কালাম সিকদারের সঙ্গে পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. নাসির উদ্দীনের সাথে দেখা হলে, নাসির উদ্দীন কালাম সিকদারকে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে প্রকাশ্যে ওই সাংবাদিককে আবারও হুমকি দেয়। নাসির উদ্দীন বলেন, আমি জানাজা শেষে রাস্তায় বের হলে কালাম সিকদারকে দেখতে পেয়ে আহত সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফীকে কেন পা ভাঙার হুমকি দিয়েছে, এটা প্রশ্ন করলে কালাম সিকদার বলেন, ওকে হুমকি না দিয়ে ওর পা ভেঙে দেওয়া দরকার ছিল। ওকে পেলে পা ভেঙে দেব।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. আহসান কবির বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। হুমকির বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকালে পিরোজপুর শহরের টাউন ক্লাব সড়কে জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা একটি মানববন্ধন করেন। এছাড়া পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন, ইন্দুরকানী প্রেসক্লাব, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ জেলা শাখা ও ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি অফিসিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন, এছাড়াও একই দাবি করেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এর আগে, গত রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকালে ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর বাজারে সুপারি কেনাবেচা ও পরিবহন নিয়ে খবর সংগ্রহ করছিলেন ওই দুই সাংবাদিক। একই সময়ে চন্ডিপুর ইউনিয়ন বিএনপির একটি সমাবেশ চলছিল। এসময় সাংবাদিকরা সুপারি ট্রাকে তোলা এবং বাজারসংক্রান্ত ভিডিও ধারণ করছিলেন। সমাবেশে উপস্থিতি কম থাকায় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী মনে করে সাংবাদিকরা তাদের ফাঁকা চেয়ারের ছবি তুলছে এমন সন্দেহে তারা অতর্কিতভাবে ওই দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা চালায় এবং তাদের কাছে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, মাইক্রোফোন, ক্যামেরা স্ট্যান্ড, পেনড্রাইভ, প্রেসকার্ড, মানিব্যাগ ও তাদের সাথে থাকা কিছু টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে স্থানীয়রা আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে রাতে দুজনকে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাতে আহত আরিফ বিল্লাহ এর ভাই শরিফ বিল্লাহ বাদী হয়ে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতাসহ আটজনকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেন। ওই দুই সাংবাদিক গুরুতর আহত হওয়ায় বর্তমানে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মামলার আসামিরা হলেন, চন্ডিপুর (খোলপটুয়া) গ্রামের হাবিবুর রহমান শেখের ছেলে যুবদল নেতা অহিদুল ইসলাম শেখ (৩৫), দক্ষিণ চন্ডিপুর গ্রামের হারুন মৃধার ছেলে ছাত্রদল নেতা ফাইজুল ইসলাম তাওহিদ মৃধা (২১), পূর্ব চন্ডিপুর গ্রামের আব্দুল আউয়াল বেপারী এর ছেলে তানভীর আহমেদ রাকিব (২২), উত্তর কলারন গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. জুয়েল হাওলাদার (৪০), পশ্চিম কলারন গ্রামের আলি আকবার তালুকদারের ছেলে বিএনপিকর্মী শাহাদাৎ হোসেন হিরু তালুকদার (৪৮), পশ্চিম চরবলেশ্বর গ্রামের মেনহাজ এর ছেলে যুবদল নেতা ফারুক হোসেন (২৮), পচ্চিম চরবলেশ্বর গ্রামর মৃত আলী আহমেদের ছেলে জমি দখল ও লুটপাটসহ একাধিক মামলার সাবেক আসামী বিএনপি নেতা আবু ছালেহ বেপারি (৫০) ও আল আমিন শেখ (৪২)সহ আরও অজ্ঞাত ২০/২৫ জন।
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালনকালে দৈনিক রুপালী বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি নাছরুল্লাহ আল-কাফী এবং নাগরিক প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি আরিফ বিল্লাহর ওপর বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আহত করার সাতদিন পার হলেও আসামিদের কাউকেই গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। এ ঘটনায় উল্টো শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বালিপাড়া ইউনিয়নের স্থানীয় যুবদল নেতা খসরুল আলম আহত সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফীর মোবাইল ফোনে কল করে আসামিদের নামে নিউজ করা হলো কেন এ বিষয়ে জানতে চাচ্ছিলেন, তখন পাসে থাকা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বালিপাড়া ইউনিয়নের সভাপতি প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ওরফে (কালাম সিকদার) ওই সাংবাদিকের 'পায়ের নলি' ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরে ওই বিএনপি নেতা কালাম সিকদারের পক্ষে একটি নম্বর থেকে কল করে নিউজ না করার জন্য মোটা অংকের টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা কালাম সিকদার বলেন, আমি ওকে কল দেইনি, হুমকি দেব কিভাবে।
এ বিষয়ে শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ইন্দুরকানী এফ করিম আলিম মাদ্রাসা মাঠে একটি জানাজা নামাজ শেষে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা কালাম সিকদারের সঙ্গে পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. নাসির উদ্দীনের সাথে দেখা হলে, নাসির উদ্দীন কালাম সিকদারকে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে প্রকাশ্যে ওই সাংবাদিককে আবারও হুমকি দেয়। নাসির উদ্দীন বলেন, আমি জানাজা শেষে রাস্তায় বের হলে কালাম সিকদারকে দেখতে পেয়ে আহত সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফীকে কেন পা ভাঙার হুমকি দিয়েছে, এটা প্রশ্ন করলে কালাম সিকদার বলেন, ওকে হুমকি না দিয়ে ওর পা ভেঙে দেওয়া দরকার ছিল। ওকে পেলে পা ভেঙে দেব।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. আহসান কবির বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। হুমকির বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকালে পিরোজপুর শহরের টাউন ক্লাব সড়কে জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা একটি মানববন্ধন করেন। এছাড়া পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন, ইন্দুরকানী প্রেসক্লাব, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ জেলা শাখা ও ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি অফিসিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন, এছাড়াও একই দাবি করেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এর আগে, গত রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকালে ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর বাজারে সুপারি কেনাবেচা ও পরিবহন নিয়ে খবর সংগ্রহ করছিলেন ওই দুই সাংবাদিক। একই সময়ে চন্ডিপুর ইউনিয়ন বিএনপির একটি সমাবেশ চলছিল। এসময় সাংবাদিকরা সুপারি ট্রাকে তোলা এবং বাজারসংক্রান্ত ভিডিও ধারণ করছিলেন। সমাবেশে উপস্থিতি কম থাকায় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী মনে করে সাংবাদিকরা তাদের ফাঁকা চেয়ারের ছবি তুলছে এমন সন্দেহে তারা অতর্কিতভাবে ওই দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা চালায় এবং তাদের কাছে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, মাইক্রোফোন, ক্যামেরা স্ট্যান্ড, পেনড্রাইভ, প্রেসকার্ড, মানিব্যাগ ও তাদের সাথে থাকা কিছু টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে স্থানীয়রা আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে রাতে দুজনকে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাতে আহত আরিফ বিল্লাহ এর ভাই শরিফ বিল্লাহ বাদী হয়ে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতাসহ আটজনকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেন। ওই দুই সাংবাদিক গুরুতর আহত হওয়ায় বর্তমানে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মামলার আসামিরা হলেন, চন্ডিপুর (খোলপটুয়া) গ্রামের হাবিবুর রহমান শেখের ছেলে যুবদল নেতা অহিদুল ইসলাম শেখ (৩৫), দক্ষিণ চন্ডিপুর গ্রামের হারুন মৃধার ছেলে ছাত্রদল নেতা ফাইজুল ইসলাম তাওহিদ মৃধা (২১), পূর্ব চন্ডিপুর গ্রামের আব্দুল আউয়াল বেপারী এর ছেলে তানভীর আহমেদ রাকিব (২২), উত্তর কলারন গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. জুয়েল হাওলাদার (৪০), পশ্চিম কলারন গ্রামের আলি আকবার তালুকদারের ছেলে বিএনপিকর্মী শাহাদাৎ হোসেন হিরু তালুকদার (৪৮), পশ্চিম চরবলেশ্বর গ্রামের মেনহাজ এর ছেলে যুবদল নেতা ফারুক হোসেন (২৮), পচ্চিম চরবলেশ্বর গ্রামর মৃত আলী আহমেদের ছেলে জমি দখল ও লুটপাটসহ একাধিক মামলার সাবেক আসামী বিএনপি নেতা আবু ছালেহ বেপারি (৫০) ও আল আমিন শেখ (৪২)সহ আরও অজ্ঞাত ২০/২৫ জন।

১০ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৩
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে চাঁদা দাবি ও মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কেএম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, পিরোজপুর জেলা শাখা। আজ শুক্রবার জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) খালিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কে এম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সম্প্রতি মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় কে এম ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরই জেলা ছাত্রদল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাগ্রহণ করে।’

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৬
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মেহেদী হাসান নামের এক শিশু তিনদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। গত ৩ জুলাই সকালে মাদ্রাসা থেকে বের হওয়ার পরে ১১ বছরের এই শিশু আর বাসায় ফেরেননি। স্বজনেরা অনেব খোঁজাÑখুঁজি করে তাকে না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
মেহেদী হাসান মঠবাড়িয়ার ধানিসাপ গ্রামের ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। এবং সে মঠবাড়িয়া বহেরাতলা জয়নুল আবেদীন মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।
এই নিখোঁজের ঘটনায় মেহেদীর আপন বড় বোন জান্নাতি আক্তার গত ৩ জুলাই মঠবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
তিনি মুঠোফোনে বরিশালটাইমসকে জানান, মাদ্রাসার সিসি ফুটেছে দেখা যায়, ৩ জুলাই সকাল ৮টার সময় মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যায় মেহেদী হাসান। তার পরনে ছিল কমলা রঙের গেঞ্জি, সাদা ট্রাউজার, টুপি ছিল। এরপরে সে বিএম লাইন পরিবহনের টিকিট কেটে ঢাকার সায়েদাবাদের উদ্দেশে রওনা হয়ে নিখোঁজ হয়।
নিখোঁজ এই শিশুর সন্ধান পেলে পরিবারের সদস্যরা ০১৮২০-১২৫৪৬৪, ০১৮৮২-৮৮৪৭৫৮ ০১৭২১-১২৭০৩৭ নম্বরে যোগাযোগ বা মঠবাড়িয়া পুলিশকে অবহিত করার অনুরোধ রেখেছেন।’

০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৪
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে চাঁদা দাবি ও মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কেএম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, পিরোজপুর জেলা শাখা। আজ শুক্রবার জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) খালিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কে এম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সম্প্রতি মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় কে এম ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরই জেলা ছাত্রদল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাগ্রহণ করে।’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মেহেদী হাসান নামের এক শিশু তিনদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। গত ৩ জুলাই সকালে মাদ্রাসা থেকে বের হওয়ার পরে ১১ বছরের এই শিশু আর বাসায় ফেরেননি। স্বজনেরা অনেব খোঁজাÑখুঁজি করে তাকে না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
মেহেদী হাসান মঠবাড়িয়ার ধানিসাপ গ্রামের ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। এবং সে মঠবাড়িয়া বহেরাতলা জয়নুল আবেদীন মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।
এই নিখোঁজের ঘটনায় মেহেদীর আপন বড় বোন জান্নাতি আক্তার গত ৩ জুলাই মঠবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
তিনি মুঠোফোনে বরিশালটাইমসকে জানান, মাদ্রাসার সিসি ফুটেছে দেখা যায়, ৩ জুলাই সকাল ৮টার সময় মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যায় মেহেদী হাসান। তার পরনে ছিল কমলা রঙের গেঞ্জি, সাদা ট্রাউজার, টুপি ছিল। এরপরে সে বিএম লাইন পরিবহনের টিকিট কেটে ঢাকার সায়েদাবাদের উদ্দেশে রওনা হয়ে নিখোঁজ হয়।
নিখোঁজ এই শিশুর সন্ধান পেলে পরিবারের সদস্যরা ০১৮২০-১২৫৪৬৪, ০১৮৮২-৮৮৪৭৫৮ ০১৭২১-১২৭০৩৭ নম্বরে যোগাযোগ বা মঠবাড়িয়া পুলিশকে অবহিত করার অনুরোধ রেখেছেন।’
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’