Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৬
কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বাধায় ৫০০ টাকার জন্য প্রায় এক ঘন্টা আটকে থেকে এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চালক।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে নবজাতকের মৃত্যুর খবরে তাদের আত্মীয়রা হাসপাতালে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তারা বিক্ষোভও করেন। এতে হাসপাতালসহ আশপাশের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাতে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত নবজাতক শিশু কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন রোগীর স্বজনরা।
স্থানীয় ও নিহত শিশুর পরিবার জানায়, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের স্ত্রী সাদিয়া আক্তার গতরাত শুক্রবার ১১টার দিকে জেলা শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন।
জন্মের পর থেকেই নবজাতক শিশুর শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ভুগতে থাকে। চিকিৎসক জরুরি ভিত্তিতে তাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে রেফার্ড করে।
সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে সাড়ে ১২টায় নবজাতককে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ময়মনসিংহে রেফার্ড করে। নবজাতককে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হাসপাতালে গেটে এসে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার জন্য খোঁজ করে।
এসময় সরকারি এ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহের ভাড়া জানতে চাইলে এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলসহ আরও কয়েকজন সাড়ে ৪হাজার টাকা জানান।
নবজাতকের পরিবারের সদস্যরা তখন সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ময়মনসিংহে ১৬০০ টাকা করে উল্লেখ করে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সাড়ে তিন হাজার টাকা দিতে চান।
পরবর্তীতে ৪হাজার টাকা ভাড়া দিতে চাইলেও এ্যাম্বুলেন্স চালকরা সাড়ে ৪হাজার টাকার নিচে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। মূলত তারা নিজেদের সিন্ডিকেটভুক্ত অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া অন্য কোনো গাড়িকে যেতে দিতে রাজি ছিলেন না। ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই রাত তিন টার দিকে নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে সিন্ডিকেটের অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা বাইরের গাড়িকে রোগী বহনে বাধা দেয় এবং জোরপূর্বক যাত্রী নিজেদের গাড়িতে তুলতে বাধ্য করে।
আর সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ ১৬০০ টাকা ও ঢাকা ২৯০০ টাকা বলা থাকলেও নানা অজুহাত দেখিয়ে দিগুণ ভাড়া দিতে হয়। বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে যেতে হলে সরকার নির্ধারিত ভাড়া থেকে দুই-তিন গুণ বেশি হয় নইলে কোনো চালকই এ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিতে চায় না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের বর্বরতা বন্ধ না হলে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন তারা।
নিহত শিশুর নানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার নাতিকে ময়মনসিংহ নিতে পারলাম না। আমার ছেলের বউ কে কি জবাব দিব? ওরা আমার নাতিকে বাঁচতে দেয়নি। অনেক অনুরোধ করেছিলাম নিয়ে দিতে, কিন্তু তারা শোনেনি। সিন্ডিকেটের জন্যই আমার নাতি মারা গেছে।
নবজাতকের দাদা জুয়েল মিয়া জানান, রাতে নবজাতকের জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে নিয়ে আসি এখানেও অবস্থার পরিবর্তন নাহলে ডাক্তাররা ময়মনসিংহ রেফার্ড করে৷ ময়মনসিংহে নেয়ার জন্য নবজাতককে নিয়ে হাসপাতালের গেটে এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই আমার নাতির মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের জন্য যোগাযোগ করলে তেল সংকটের কথা জানায় এসময় বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলকে ময়মনসিংহ যাওয়ার জন্য ভাড়া জানতে চাইলে সাড়ে চার হাজার টাকা বললে আমরা ৪হাজার টাকা দিতে চাই তারপরও সাইফুলসহ আরো দুইজন এ্যাম্বুলেন্স চালক কেউই আমার নাতিকে নিয়ে যেতে চায় নি।
নিহত নবজাতকের বাবা মো: রোহান বলেন, সন্তান জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে অন্যত্র রেফার্ড করলে পরিবারের অন্য সদস্যরা সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। ভর্তির পর অবস্থা অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা আমায় জানালে আমি স্ত্রীর এখান থেকে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে যাই গিয়ে দেখি আমার নবজাতকের মৃত্যু ঘটে গেছে।
অসহায় বাবা রোহান দায়িত্বশীলদের অবহেলার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালের কাছেই আমার বাড়ি আমার সাথেই যদি এমন ঘটনা ঘটে দূর হতে আসা রোগীদের সাথে তাহলে কি চলছে..? এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেদিকে হাসপাতাল ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার ব্যবহৃত ফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা যশোদল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ শরীফ আহাম্মদ শরীফ বলেন, অ্যাম্বুলেন্স চালক মাত্র ৫০০ টাকার জন্য গাড়ি আটকে রাখার কারণে নবজাতক শিশুটিকে সময়মতো ময়মনসিংহ নেওয়া সম্ভব হয়নি। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
এ বিষয়ে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, এটা আসলে আমাকে কেউ জানায় নাই।
আমি আপনার কাছ থেকেই শুনলাম। রোগীর লোকজন যদি আমাকে জানাতো তাহলে আমরা হয়তো বিষয়টাকে অ্যাডজাস্ট করতে পারতাম।
তারা এ্যাম্বুলেন্স পাইতে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার হলে ডেফিনেটলি আমরা বিষয়টা অ্যাডজাস্ট করব। তারপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. অভিজিত শর্ম্মা বলেন, এই বিষটা আসলে আমি তো জানি না। এটা তো পরিচালক বলতে পারবেন ভালো। তবে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বাধায় ৫০০ টাকার জন্য প্রায় এক ঘন্টা আটকে থেকে এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চালক।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে নবজাতকের মৃত্যুর খবরে তাদের আত্মীয়রা হাসপাতালে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তারা বিক্ষোভও করেন। এতে হাসপাতালসহ আশপাশের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাতে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত নবজাতক শিশু কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন রোগীর স্বজনরা।
স্থানীয় ও নিহত শিশুর পরিবার জানায়, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের স্ত্রী সাদিয়া আক্তার গতরাত শুক্রবার ১১টার দিকে জেলা শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন।
জন্মের পর থেকেই নবজাতক শিশুর শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ভুগতে থাকে। চিকিৎসক জরুরি ভিত্তিতে তাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে রেফার্ড করে।
সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে সাড়ে ১২টায় নবজাতককে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ময়মনসিংহে রেফার্ড করে। নবজাতককে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হাসপাতালে গেটে এসে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার জন্য খোঁজ করে।
এসময় সরকারি এ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহের ভাড়া জানতে চাইলে এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলসহ আরও কয়েকজন সাড়ে ৪হাজার টাকা জানান।
নবজাতকের পরিবারের সদস্যরা তখন সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ময়মনসিংহে ১৬০০ টাকা করে উল্লেখ করে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সাড়ে তিন হাজার টাকা দিতে চান।
পরবর্তীতে ৪হাজার টাকা ভাড়া দিতে চাইলেও এ্যাম্বুলেন্স চালকরা সাড়ে ৪হাজার টাকার নিচে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। মূলত তারা নিজেদের সিন্ডিকেটভুক্ত অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া অন্য কোনো গাড়িকে যেতে দিতে রাজি ছিলেন না। ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই রাত তিন টার দিকে নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে সিন্ডিকেটের অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা বাইরের গাড়িকে রোগী বহনে বাধা দেয় এবং জোরপূর্বক যাত্রী নিজেদের গাড়িতে তুলতে বাধ্য করে।
আর সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ ১৬০০ টাকা ও ঢাকা ২৯০০ টাকা বলা থাকলেও নানা অজুহাত দেখিয়ে দিগুণ ভাড়া দিতে হয়। বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে যেতে হলে সরকার নির্ধারিত ভাড়া থেকে দুই-তিন গুণ বেশি হয় নইলে কোনো চালকই এ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিতে চায় না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের বর্বরতা বন্ধ না হলে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন তারা।
নিহত শিশুর নানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার নাতিকে ময়মনসিংহ নিতে পারলাম না। আমার ছেলের বউ কে কি জবাব দিব? ওরা আমার নাতিকে বাঁচতে দেয়নি। অনেক অনুরোধ করেছিলাম নিয়ে দিতে, কিন্তু তারা শোনেনি। সিন্ডিকেটের জন্যই আমার নাতি মারা গেছে।
নবজাতকের দাদা জুয়েল মিয়া জানান, রাতে নবজাতকের জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে নিয়ে আসি এখানেও অবস্থার পরিবর্তন নাহলে ডাক্তাররা ময়মনসিংহ রেফার্ড করে৷ ময়মনসিংহে নেয়ার জন্য নবজাতককে নিয়ে হাসপাতালের গেটে এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই আমার নাতির মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের জন্য যোগাযোগ করলে তেল সংকটের কথা জানায় এসময় বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলকে ময়মনসিংহ যাওয়ার জন্য ভাড়া জানতে চাইলে সাড়ে চার হাজার টাকা বললে আমরা ৪হাজার টাকা দিতে চাই তারপরও সাইফুলসহ আরো দুইজন এ্যাম্বুলেন্স চালক কেউই আমার নাতিকে নিয়ে যেতে চায় নি।
নিহত নবজাতকের বাবা মো: রোহান বলেন, সন্তান জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে অন্যত্র রেফার্ড করলে পরিবারের অন্য সদস্যরা সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। ভর্তির পর অবস্থা অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা আমায় জানালে আমি স্ত্রীর এখান থেকে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে যাই গিয়ে দেখি আমার নবজাতকের মৃত্যু ঘটে গেছে।
অসহায় বাবা রোহান দায়িত্বশীলদের অবহেলার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালের কাছেই আমার বাড়ি আমার সাথেই যদি এমন ঘটনা ঘটে দূর হতে আসা রোগীদের সাথে তাহলে কি চলছে..? এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেদিকে হাসপাতাল ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার ব্যবহৃত ফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা যশোদল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ শরীফ আহাম্মদ শরীফ বলেন, অ্যাম্বুলেন্স চালক মাত্র ৫০০ টাকার জন্য গাড়ি আটকে রাখার কারণে নবজাতক শিশুটিকে সময়মতো ময়মনসিংহ নেওয়া সম্ভব হয়নি। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
এ বিষয়ে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, এটা আসলে আমাকে কেউ জানায় নাই।
আমি আপনার কাছ থেকেই শুনলাম। রোগীর লোকজন যদি আমাকে জানাতো তাহলে আমরা হয়তো বিষয়টাকে অ্যাডজাস্ট করতে পারতাম।
তারা এ্যাম্বুলেন্স পাইতে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার হলে ডেফিনেটলি আমরা বিষয়টা অ্যাডজাস্ট করব। তারপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. অভিজিত শর্ম্মা বলেন, এই বিষটা আসলে আমি তো জানি না। এটা তো পরিচালক বলতে পারবেন ভালো। তবে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৩ মে, ২০২৬ ১৭:০৩
ফটিকছড়িতে একটি জুয়েলারি দোকানের কর্মচারীদের চোখে মরিচের গুঁড়া ছুড়ে স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে এক নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন দোকান মালিক।
গতকাল মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ২টার দিকে থানার সামনে বিবিরহাট এলাকার টুন্টু জুয়েলার্সে এ ঘটনা ঘটে। আটক ওই নারীর নাম সালমা আক্তার (২৮)। তিনি উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দোকান সূত্রে জানা যায়, সালমা আক্তার ক্রেতা সেজে কৌশলে দোকানে প্রবেশ করে কিছুক্ষণ স্বর্ণালংকার দেখার ভান করেন। একপর্যায়ে তিনি সঙ্গে থাকা মরিচের গুঁড়া দোকানের দুই কর্মচারীর চোখে ছুড়ে মারেন।
এতে তারা সাময়িকভাবে দিশাহারা হয়ে পড়লেও একজন কর্মচারী বিচক্ষণতার সঙ্গে তাকে ধরে ফেলেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন দ্রুত দোকানে ছুটে এসে ওই নারীকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি সিসিটিভি ভিডিওতে দেখা যায়, দোকানে প্রবেশের পর হঠাৎ করেই ওই নারী কর্মচারীদের চোখে মরিচের গুঁড়া নিক্ষেপ করেন। তবে কর্মচারীদের তৎপরতায় তার ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।
ফটিকছড়ি থানার ওসি রবিউল আলম খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।

১৩ মে, ২০২৬ ১৫:২৫

১৩ মে, ২০২৬ ১৫:১৭
নীলফামারীর সৈয়দপুর থানায় একটি সালিশি বৈঠকে গিয়ে পৌর মহিলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলার কাজী জাহানারা পারভীনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৈয়দপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাতে একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে কাজী জাহানারা বেগম থানায় আসেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত মহিলা দলের কয়েকজন নেত্রীর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে তা বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয়। পরে তিনি থানা থেকে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে থানার ভেতরেই আটক করে।
আটকের পরও থানায় উপস্থিত মহিলা দলের নেত্রীদের সঙ্গে ফের তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানার একটি মামলায় আটক দেখিয়ে সেখানে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে পুলিশ।
বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় কাজী জাহানারা বেগম ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার।’ এ ঘটনায় থানায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পরপরই সৈয়দপুর থানায় তার সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা জানান, নীলফামারীর একটি মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে।
তবে কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানায় সোপর্দের জন্য পাঠানো হয়।
ফটিকছড়িতে একটি জুয়েলারি দোকানের কর্মচারীদের চোখে মরিচের গুঁড়া ছুড়ে স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে এক নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন দোকান মালিক।
গতকাল মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ২টার দিকে থানার সামনে বিবিরহাট এলাকার টুন্টু জুয়েলার্সে এ ঘটনা ঘটে। আটক ওই নারীর নাম সালমা আক্তার (২৮)। তিনি উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দোকান সূত্রে জানা যায়, সালমা আক্তার ক্রেতা সেজে কৌশলে দোকানে প্রবেশ করে কিছুক্ষণ স্বর্ণালংকার দেখার ভান করেন। একপর্যায়ে তিনি সঙ্গে থাকা মরিচের গুঁড়া দোকানের দুই কর্মচারীর চোখে ছুড়ে মারেন।
এতে তারা সাময়িকভাবে দিশাহারা হয়ে পড়লেও একজন কর্মচারী বিচক্ষণতার সঙ্গে তাকে ধরে ফেলেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন দ্রুত দোকানে ছুটে এসে ওই নারীকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি সিসিটিভি ভিডিওতে দেখা যায়, দোকানে প্রবেশের পর হঠাৎ করেই ওই নারী কর্মচারীদের চোখে মরিচের গুঁড়া নিক্ষেপ করেন। তবে কর্মচারীদের তৎপরতায় তার ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।
ফটিকছড়ি থানার ওসি রবিউল আলম খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় নীরবে গড়ে উঠেছে জুয়া ও মাদকের বিস্তৃত সাম্রাজ্য। প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনের পর দিন প্রকাশ্যে বসছে জুয়ার আসর ও মাদকের হাট।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কোটি কোটি টাকার লেনদেন। এর প্রভাব পড়ছে পুরো জনপদে। বাড়ছে চুরি, ছিনতাই, মাদকসেবন, পারিবারিক কলহ ও সামাজিক অস্থিরতা। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উমেদপুর ইউনিয়নের নূরুল আমিন কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে বড় ধরনের জুয়ার আসর ও মাদক কারবার। এলাকাবাসীর দাবি, শীর্ষ জুয়াড়ি ও কথিত ইয়াবা কারবারি শওকত ঢালী, কালু ঢালী ও হালান ঢালীর নেতৃত্বে সেখানে প্রতিদিন জমে ওঠে জুয়ার আসর। শুধু জুয়াই নয়, সেখানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন ও কেনাবেচাও চলে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জুয়াড়িদের আনা-নেওয়ার জন্য গড়ে উঠেছে আলাদা মোটরসাইকেল সিন্ডিকেট। খবির খান ও বারেক নামের দুই মোটরসাইকেল চালকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িদের বহনের অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টি মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িরা সেখানে আসেন। শুধু শিবচর নয়, জাজিরা, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, ভাঙ্গা, কালকিনি, নাওডোবা, খাসেরহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও লোকজন এসব জুয়ার আসরে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত পাঁচটি স্থানে নিয়মিত বসছে জুয়ার আসর। এর মধ্যে রয়েছে চান্দেরচর কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা, চান্দেরচর ইটভাটার পাশে লিওন ঢালীর গরুর খামারের পার্শ্ববর্তী এলাকা, কুতুবপুর সীমান্তে পিলারের নিচে সামু মাদবরের বাড়ির পাশ, মাদবরচর ইউনিয়নের নাসিরের মোড় এলাকা এবং ভদ্রাসন ইউনিয়নের ক্রোকচর এলাকায় জব্বার মেম্বারের বাড়ির সংলগ্ন স্থান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে অবস্থান নেয়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে জুয়ার আসর ও মাদক সেবন। প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। অনেকেই আতঙ্কে মুখ খুলতে চান না।
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জুয়ার টেবিলে মানুষ শুধু অর্থ হারায় না, হারায় নিজের বিবেক, পরিবারের শান্তি ও ভবিষ্যৎ। আজ যারা জুয়ার সঙ্গে জড়াচ্ছে, আগামী দিনে তারাই বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়বে।’
সচেতন মহলের মতে, যেখানে প্রতিদিন শতাধিক মানুষের সমাগম ঘটে, অসংখ্য মোটরসাইকেলের বহর চলাচল করে এবং রাতভর প্রকাশ্যে জুয়ার আসর বসে, সেখানে প্রশাসন কিছুই জানে না—এমনটি বিশ্বাস করা কঠিন। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করা না গেলে যুবসমাজ আরও বিপথে যাবে এবং পুরো এলাকায় ভয়াবহ সামাজিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদের বলেন, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জুয়ার আসর ও মাদক কারবার বন্ধ করতে হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় শিবচরের বিস্তীর্ণ জনপদ সামাজিক অবক্ষয়ের গভীর সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় নীরবে গড়ে উঠেছে জুয়া ও মাদকের বিস্তৃত সাম্রাজ্য। প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনের পর দিন প্রকাশ্যে বসছে জুয়ার আসর ও মাদকের হাট।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কোটি কোটি টাকার লেনদেন। এর প্রভাব পড়ছে পুরো জনপদে। বাড়ছে চুরি, ছিনতাই, মাদকসেবন, পারিবারিক কলহ ও সামাজিক অস্থিরতা। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উমেদপুর ইউনিয়নের নূরুল আমিন কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে বড় ধরনের জুয়ার আসর ও মাদক কারবার। এলাকাবাসীর দাবি, শীর্ষ জুয়াড়ি ও কথিত ইয়াবা কারবারি শওকত ঢালী, কালু ঢালী ও হালান ঢালীর নেতৃত্বে সেখানে প্রতিদিন জমে ওঠে জুয়ার আসর। শুধু জুয়াই নয়, সেখানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন ও কেনাবেচাও চলে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জুয়াড়িদের আনা-নেওয়ার জন্য গড়ে উঠেছে আলাদা মোটরসাইকেল সিন্ডিকেট। খবির খান ও বারেক নামের দুই মোটরসাইকেল চালকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িদের বহনের অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টি মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িরা সেখানে আসেন। শুধু শিবচর নয়, জাজিরা, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, ভাঙ্গা, কালকিনি, নাওডোবা, খাসেরহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও লোকজন এসব জুয়ার আসরে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত পাঁচটি স্থানে নিয়মিত বসছে জুয়ার আসর। এর মধ্যে রয়েছে চান্দেরচর কলেজের পেছনে বাবুর ভিটা, চান্দেরচর ইটভাটার পাশে লিওন ঢালীর গরুর খামারের পার্শ্ববর্তী এলাকা, কুতুবপুর সীমান্তে পিলারের নিচে সামু মাদবরের বাড়ির পাশ, মাদবরচর ইউনিয়নের নাসিরের মোড় এলাকা এবং ভদ্রাসন ইউনিয়নের ক্রোকচর এলাকায় জব্বার মেম্বারের বাড়ির সংলগ্ন স্থান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে অবস্থান নেয়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে জুয়ার আসর ও মাদক সেবন। প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। অনেকেই আতঙ্কে মুখ খুলতে চান না।
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জুয়ার টেবিলে মানুষ শুধু অর্থ হারায় না, হারায় নিজের বিবেক, পরিবারের শান্তি ও ভবিষ্যৎ। আজ যারা জুয়ার সঙ্গে জড়াচ্ছে, আগামী দিনে তারাই বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়বে।’
সচেতন মহলের মতে, যেখানে প্রতিদিন শতাধিক মানুষের সমাগম ঘটে, অসংখ্য মোটরসাইকেলের বহর চলাচল করে এবং রাতভর প্রকাশ্যে জুয়ার আসর বসে, সেখানে প্রশাসন কিছুই জানে না—এমনটি বিশ্বাস করা কঠিন। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করা না গেলে যুবসমাজ আরও বিপথে যাবে এবং পুরো এলাকায় ভয়াবহ সামাজিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদের বলেন, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জুয়ার আসর ও মাদক কারবার বন্ধ করতে হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় শিবচরের বিস্তীর্ণ জনপদ সামাজিক অবক্ষয়ের গভীর সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
নীলফামারীর সৈয়দপুর থানায় একটি সালিশি বৈঠকে গিয়ে পৌর মহিলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলার কাজী জাহানারা পারভীনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৈয়দপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাতে একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে কাজী জাহানারা বেগম থানায় আসেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত মহিলা দলের কয়েকজন নেত্রীর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে তা বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয়। পরে তিনি থানা থেকে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে থানার ভেতরেই আটক করে।
আটকের পরও থানায় উপস্থিত মহিলা দলের নেত্রীদের সঙ্গে ফের তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানার একটি মামলায় আটক দেখিয়ে সেখানে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে পুলিশ।
বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় কাজী জাহানারা বেগম ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার।’ এ ঘটনায় থানায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পরপরই সৈয়দপুর থানায় তার সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা জানান, নীলফামারীর একটি মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে।
তবে কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানায় সোপর্দের জন্য পাঠানো হয়।
১৩ মে, ২০২৬ ১৭:৩৪
১৩ মে, ২০২৬ ১৭:০৩
১৩ মে, ২০২৬ ১৫:৫৪
১৩ মে, ২০২৬ ১৫:২৫