
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১৩
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক বৌভাত অনুষ্ঠানে ব্যতিক্রমী উপহার হিসেবে ৫ লিটার অকটেন দিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বরের বন্ধুরা। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) উপজেলার উত্তরসুর এলাকায় আয়োজিত সুমন পালের বৌভাত অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সুমন পালের সঙ্গে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার শিমুলতলা গ্রামের পলি পালের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বৌভাত অনুষ্ঠানে অতিথিরা যেখানে প্রচলিত উপহার ও নগদ অর্থ নিয়ে আসেন, সেখানে সুমনের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা তিনটি প্লাস্টিকের বোতলে ৫ লিটার অকটেন উপহার দিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে এ উপহার ঘিরে যেমন কৌতূহল তৈরি হয়, তেমনি অনেকেই একে সময়োপযোগী ও ব্যবহারিক উপহার হিসেবে দেখেছেন।
উপহারদাতা রাজেশ ভৌমিক জানান, ঘনিষ্ঠ বন্ধুর বিয়েতে ব্যতিক্রম কিছু দেওয়ার চিন্তা থেকেই তারা এই উদ্যোগ নেন। বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকটের বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই অকটেন উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে এটি এতটা আলোচনার জন্ম দেবে, তা তারা আগে ভাবেননি।
এ বিষয়ে বর সুমন পাল বলেন, আমার একটি মোটরসাইকেল রয়েছে এবং বর্তমানে লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করা বেশ কষ্টসাধ্য। আমার প্রিয় বন্ধুদের দেওয়া এই উপহার আমার দৈনন্দিন যাতায়াতে বেশ কাজে লাগবে।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক বৌভাত অনুষ্ঠানে ব্যতিক্রমী উপহার হিসেবে ৫ লিটার অকটেন দিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বরের বন্ধুরা। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) উপজেলার উত্তরসুর এলাকায় আয়োজিত সুমন পালের বৌভাত অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সুমন পালের সঙ্গে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার শিমুলতলা গ্রামের পলি পালের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বৌভাত অনুষ্ঠানে অতিথিরা যেখানে প্রচলিত উপহার ও নগদ অর্থ নিয়ে আসেন, সেখানে সুমনের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা তিনটি প্লাস্টিকের বোতলে ৫ লিটার অকটেন উপহার দিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে এ উপহার ঘিরে যেমন কৌতূহল তৈরি হয়, তেমনি অনেকেই একে সময়োপযোগী ও ব্যবহারিক উপহার হিসেবে দেখেছেন।
উপহারদাতা রাজেশ ভৌমিক জানান, ঘনিষ্ঠ বন্ধুর বিয়েতে ব্যতিক্রম কিছু দেওয়ার চিন্তা থেকেই তারা এই উদ্যোগ নেন। বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকটের বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই অকটেন উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে এটি এতটা আলোচনার জন্ম দেবে, তা তারা আগে ভাবেননি।
এ বিষয়ে বর সুমন পাল বলেন, আমার একটি মোটরসাইকেল রয়েছে এবং বর্তমানে লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করা বেশ কষ্টসাধ্য। আমার প্রিয় বন্ধুদের দেওয়া এই উপহার আমার দৈনন্দিন যাতায়াতে বেশ কাজে লাগবে।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪২
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের রাস্তা ধরে হাঁটা শুরু করেছে।
তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে আমরা একসময় একসঙ্গে মজলুম ছিলাম। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই- আপনারা হাজার চেষ্টা করলেও ওই আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না; বড়জোর দুর্বল আওয়ামী লীগ হতে পারবেন। যে আওয়ামী লীগ একসময় পুরো জাতিকে নিয়ে কিংবা বিরোধী দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করত, আজ তাদের কী দশা? আপনারা ঠিক একই কাজ শুরু করেছেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ তাদের পোষ্য লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কর্তৃত্ব কায়েম করেছিল। কিন্তু আজ তাদের সেই দুর্দিনে কোনো লাঠিয়াল পাশে এসে দাঁড়ায়নি।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক যে সমস্ত জায়গায় পরিবর্তন দরকার, সুশাসন কায়েমের জন্য সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ জনগণকে দেওয়ার জন্য প্রত্যেকটি বিষয়ে বিএনপি বিরোধিতা করে চলছে। এটি জাতির সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা।
তিনি বলেন, বিএনপি তাদের দেওয়া ৩১ তফা কর্মসূচি সংস্কারের তাদের ইশতেহারেই তারা বিরোধিতা করছে। আমার মনে হয়, তারা যে বিরোধিতা করছে এই জ্ঞানটাও বোধহয় তারা হারিয়ে ফেলেছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ভুলে যাবেন না। এই জুলাই না হলে, এই মায়েদের, এই বাবাদের, এই ভাইদের, এই বোনদের, সন্তান, স্বামী, ভাই, বোন জীবন না দিলে আজকে আপনারা ক্ষমতার এনজয় করতে পারতেন না। ক্ষমতায় আসার আগেই আপনারা ভুলেছিলেন, শহীদ পরিবার যখন বুকে কষ্ট নিয়ে কান্নাকাটি করছিল। শহীদ পরিবারের কাছে তখন আপনাদের ছুটে যাওয়ার সময় ছিল না। আপনারা ৫ আগস্টের পর ৭ আগস্ট পার্টি অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন আমাদের নির্বাচন দাও আমরা ক্ষমতায় বসতে চাই। শহীদ পরিবারের দুঃখ আপনাদের অন্তরকে স্পর্শ করেনি। আহত বন্ধুদের নিয়ে আপনাদের কোনো কর্মসূচি, ভাবনা জাতি দেখেনি। কিন্তু এই বিপ্লবের বেনিফিশিয়ারি আপনারা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা বিদেশে ছিলেন, স্বদেশে আসার সুযোগ পেয়েছেন। এই বিপ্লব না হলে আপনারা বোধহয় কল্পনাও করতেন না দেশে ফিরে আসার। আমার জেলের সহকর্মী পার্টনার আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা জেলে ছিলেন একসঙ্গেই ছিলাম তারা হতাশা ব্যক্ত করে বলতেন ৪১ এর আগে হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব না। ২৪ এর অভ্যুত্থানের পরে যখন বঙ্গভবনে শপথ নিলেন উপদেষ্টারা বিএনপির বাংলাদেশে উপস্থিত সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন নেতার আমি পাশাপাশি ছিলাম। উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন এটা কি হলো? আমি কিছু না বলে আসমানের দিকে আমার এই আঙুলটা উঠলো। তিনি বললেন আসলেই এটা খোদার দান। এটাই মিরাকল। সেই খোদার দান ভুলে গেলেন। এখন কেউ কেউ দাবি করে অমুক আন্দোলনের মাস্টার মাইন্ড। অমুকের নেতৃত্বে আন্দোলন সফল হয়েছে। এগুলো সব ভুয়া।
তিনি বলেন, আমরা কারো ন্যাজ্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে বেড়েছে। জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না। আপামর স্বার্থ সমাজ জীবন বাঁচিয়ে রেখে তখন জাপিয়ে পড়েছিল। শ্রমিকরা পাশে দাঁড়িয়েছিল। মায়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। স্ত্রী তার স্বামীকে পানি এগিয়ে দিয়েছিল। সন্তান কোলে নিয়ে মা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। এই দিনগুলো ভুলে যাবেন না।
জামায়াতে আমির আরও বলেন, সংসদে আমরা প্রথম দিনে দাবি তুলেছি, আমরা শপথ নিয়েছি, তারা শপথ নেন নাই। জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা ভঙ্গ করে তারা প্রতারণা করেছে। এরপরে যখন জাতিকে প্রতারিত করা হয়েছে, আমরা নোটিশ দিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। তারা তার বিরোধিতা করেছে। যে আইনগুলো সংশোধন না হলে অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না হলে, ফ্যাসিবাদী শাসনের পরিবর্তন হবে না। সবগুলো আগের স্বৈরাচারী সরকারের মতো রাখার পক্ষে তারা অবস্থান নিয়েছে। আমরা বিএনপিকে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায়, জায়গায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এমনকি এখান থেকে মাত্র কয়েক গোজ দূরে মানুষের আইনের আশ্রয়ের থানার ভেতরে ঢুকে দুঃখজনকভাবে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপরে হামলা করা হয়েছে। বার্তা পরিষ্কার যেদিন তারা গণভোটের রায় অস্বীকার করেছেন আমি বলেছিলাম বিএনপি আজকে থেকে ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করল। এটা ফ্যাসিবাদ।
তিনি বলেন, এ বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা পরিবর্তনের বাংলাদেশ চাই। যেই বাংলাদেশে শিশু যখন ঘর থেকে বের হবে, কিশোর যখন বের হবে, যুবক যুবতীরা বের হবে, আমার মা বোনেরা বের হবে, তখন কারো বুক কাঁপবে না। নিরাপত্তার সঙ্গে বের হবে। আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমাদের সন্তানদের হাতে দা কুড়াল দেখতে চাই না। আমরা খাতা এবং কলম দেখতে চাই। আমরা কোনো আদুভাই, দাদুভাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আমাদের সন্তানদের পথ আটকাবে আমরা এটা দেখতে চাই না। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যদি বন্ধ না করেন, মনে রাখবেন জুলাই শুধু ২৪ সালে ছিল না। জুলাই প্রত্যেক বসরে আসে। সে জুলাই আবার ফিরে আসবে। তখন ফাইনালি ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হবে। শুভ বুদ্ধির উদয় হোক জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখান। ৭০ ভাগ মানুষের রায় মেনে নিন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন যদি না করেন, আমাদের লড়াই সংসদের ভেতরেও চলবে, খোলা ময়দানেও চলবে ইনশাআল্লাহ।
বরিশাল টাইমস
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের রাস্তা ধরে হাঁটা শুরু করেছে।
তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে আমরা একসময় একসঙ্গে মজলুম ছিলাম। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই- আপনারা হাজার চেষ্টা করলেও ওই আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না; বড়জোর দুর্বল আওয়ামী লীগ হতে পারবেন। যে আওয়ামী লীগ একসময় পুরো জাতিকে নিয়ে কিংবা বিরোধী দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করত, আজ তাদের কী দশা? আপনারা ঠিক একই কাজ শুরু করেছেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ তাদের পোষ্য লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কর্তৃত্ব কায়েম করেছিল। কিন্তু আজ তাদের সেই দুর্দিনে কোনো লাঠিয়াল পাশে এসে দাঁড়ায়নি।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক যে সমস্ত জায়গায় পরিবর্তন দরকার, সুশাসন কায়েমের জন্য সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ জনগণকে দেওয়ার জন্য প্রত্যেকটি বিষয়ে বিএনপি বিরোধিতা করে চলছে। এটি জাতির সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা।
তিনি বলেন, বিএনপি তাদের দেওয়া ৩১ তফা কর্মসূচি সংস্কারের তাদের ইশতেহারেই তারা বিরোধিতা করছে। আমার মনে হয়, তারা যে বিরোধিতা করছে এই জ্ঞানটাও বোধহয় তারা হারিয়ে ফেলেছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ভুলে যাবেন না। এই জুলাই না হলে, এই মায়েদের, এই বাবাদের, এই ভাইদের, এই বোনদের, সন্তান, স্বামী, ভাই, বোন জীবন না দিলে আজকে আপনারা ক্ষমতার এনজয় করতে পারতেন না। ক্ষমতায় আসার আগেই আপনারা ভুলেছিলেন, শহীদ পরিবার যখন বুকে কষ্ট নিয়ে কান্নাকাটি করছিল। শহীদ পরিবারের কাছে তখন আপনাদের ছুটে যাওয়ার সময় ছিল না। আপনারা ৫ আগস্টের পর ৭ আগস্ট পার্টি অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন আমাদের নির্বাচন দাও আমরা ক্ষমতায় বসতে চাই। শহীদ পরিবারের দুঃখ আপনাদের অন্তরকে স্পর্শ করেনি। আহত বন্ধুদের নিয়ে আপনাদের কোনো কর্মসূচি, ভাবনা জাতি দেখেনি। কিন্তু এই বিপ্লবের বেনিফিশিয়ারি আপনারা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা বিদেশে ছিলেন, স্বদেশে আসার সুযোগ পেয়েছেন। এই বিপ্লব না হলে আপনারা বোধহয় কল্পনাও করতেন না দেশে ফিরে আসার। আমার জেলের সহকর্মী পার্টনার আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা জেলে ছিলেন একসঙ্গেই ছিলাম তারা হতাশা ব্যক্ত করে বলতেন ৪১ এর আগে হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব না। ২৪ এর অভ্যুত্থানের পরে যখন বঙ্গভবনে শপথ নিলেন উপদেষ্টারা বিএনপির বাংলাদেশে উপস্থিত সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন নেতার আমি পাশাপাশি ছিলাম। উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন এটা কি হলো? আমি কিছু না বলে আসমানের দিকে আমার এই আঙুলটা উঠলো। তিনি বললেন আসলেই এটা খোদার দান। এটাই মিরাকল। সেই খোদার দান ভুলে গেলেন। এখন কেউ কেউ দাবি করে অমুক আন্দোলনের মাস্টার মাইন্ড। অমুকের নেতৃত্বে আন্দোলন সফল হয়েছে। এগুলো সব ভুয়া।
তিনি বলেন, আমরা কারো ন্যাজ্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে বেড়েছে। জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না। আপামর স্বার্থ সমাজ জীবন বাঁচিয়ে রেখে তখন জাপিয়ে পড়েছিল। শ্রমিকরা পাশে দাঁড়িয়েছিল। মায়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। স্ত্রী তার স্বামীকে পানি এগিয়ে দিয়েছিল। সন্তান কোলে নিয়ে মা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। এই দিনগুলো ভুলে যাবেন না।
জামায়াতে আমির আরও বলেন, সংসদে আমরা প্রথম দিনে দাবি তুলেছি, আমরা শপথ নিয়েছি, তারা শপথ নেন নাই। জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা ভঙ্গ করে তারা প্রতারণা করেছে। এরপরে যখন জাতিকে প্রতারিত করা হয়েছে, আমরা নোটিশ দিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। তারা তার বিরোধিতা করেছে। যে আইনগুলো সংশোধন না হলে অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না হলে, ফ্যাসিবাদী শাসনের পরিবর্তন হবে না। সবগুলো আগের স্বৈরাচারী সরকারের মতো রাখার পক্ষে তারা অবস্থান নিয়েছে। আমরা বিএনপিকে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায়, জায়গায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এমনকি এখান থেকে মাত্র কয়েক গোজ দূরে মানুষের আইনের আশ্রয়ের থানার ভেতরে ঢুকে দুঃখজনকভাবে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপরে হামলা করা হয়েছে। বার্তা পরিষ্কার যেদিন তারা গণভোটের রায় অস্বীকার করেছেন আমি বলেছিলাম বিএনপি আজকে থেকে ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করল। এটা ফ্যাসিবাদ।
তিনি বলেন, এ বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা পরিবর্তনের বাংলাদেশ চাই। যেই বাংলাদেশে শিশু যখন ঘর থেকে বের হবে, কিশোর যখন বের হবে, যুবক যুবতীরা বের হবে, আমার মা বোনেরা বের হবে, তখন কারো বুক কাঁপবে না। নিরাপত্তার সঙ্গে বের হবে। আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমাদের সন্তানদের হাতে দা কুড়াল দেখতে চাই না। আমরা খাতা এবং কলম দেখতে চাই। আমরা কোনো আদুভাই, দাদুভাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আমাদের সন্তানদের পথ আটকাবে আমরা এটা দেখতে চাই না। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যদি বন্ধ না করেন, মনে রাখবেন জুলাই শুধু ২৪ সালে ছিল না। জুলাই প্রত্যেক বসরে আসে। সে জুলাই আবার ফিরে আসবে। তখন ফাইনালি ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হবে। শুভ বুদ্ধির উদয় হোক জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখান। ৭০ ভাগ মানুষের রায় মেনে নিন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন যদি না করেন, আমাদের লড়াই সংসদের ভেতরেও চলবে, খোলা ময়দানেও চলবে ইনশাআল্লাহ।
বরিশাল টাইমস

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৫
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মুহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকারকে ভূতে ধরেছে। তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই তারা এ দেশের মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করেছে; এ দেশের জনজীবনকে পেছনের দিকে নিয়ে গেছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রিয়াজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এলেই দেশের জনজীবন সংকটে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে ওঠে। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতের মতো বর্তমান সময়েও কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ নানামুখী সংকটে রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সারের সংকট, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ঘাটতি এবং গ্যাস সংকট দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতকে চাপে ফেলছে।
তিনি আরও বলেন, উৎপাদনশীল খাতে স্থবিরতা তৈরি হচ্ছে এবং অনেক শিল্পকারখানা গ্যাস ও বিদ্যুতের অভাবে বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও ঋণের চাপ বাড়ায় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
জকসু ভিপি অভিযোগ করেন, এসব সমস্যার সমাধান না করে ভিন্ন খাতে দৃষ্টি সরাতে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করা হলে আবারও আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে।
সমাবেশ থেকে তিনি সরকারকে গণভোটের রায় এবং ‘জুলাই সনদ’ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এদিকে, সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হওয়া জরুরি। তার মতে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
মাজহারুল ইসলাম আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ আবারও আন্দোলনে নামতে পারে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও ছাত্রনেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণভোটের বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মুহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকারকে ভূতে ধরেছে। তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই তারা এ দেশের মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করেছে; এ দেশের জনজীবনকে পেছনের দিকে নিয়ে গেছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রিয়াজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এলেই দেশের জনজীবন সংকটে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে ওঠে। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতের মতো বর্তমান সময়েও কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ নানামুখী সংকটে রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সারের সংকট, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ঘাটতি এবং গ্যাস সংকট দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতকে চাপে ফেলছে।
তিনি আরও বলেন, উৎপাদনশীল খাতে স্থবিরতা তৈরি হচ্ছে এবং অনেক শিল্পকারখানা গ্যাস ও বিদ্যুতের অভাবে বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও ঋণের চাপ বাড়ায় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
জকসু ভিপি অভিযোগ করেন, এসব সমস্যার সমাধান না করে ভিন্ন খাতে দৃষ্টি সরাতে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করা হলে আবারও আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে।
সমাবেশ থেকে তিনি সরকারকে গণভোটের রায় এবং ‘জুলাই সনদ’ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এদিকে, সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হওয়া জরুরি। তার মতে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
মাজহারুল ইসলাম আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ আবারও আন্দোলনে নামতে পারে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও ছাত্রনেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণভোটের বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৯
দেশের উত্তরের জনপদে ধেয়ে আসছে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগের কালবৈশাখী ঝড়। সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি। রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬১ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঢাকা, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, পটুয়াখালী, রাঙামাটি, বান্দরবান, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেশের কিছু কিছু জায়গায় অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। ফলে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে আগামী পাঁচ দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দেশের উত্তরের জনপদে ধেয়ে আসছে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগের কালবৈশাখী ঝড়। সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি। রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬১ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঢাকা, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, পটুয়াখালী, রাঙামাটি, বান্দরবান, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেশের কিছু কিছু জায়গায় অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। ফলে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে আগামী পাঁচ দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৬
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪২
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৫
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৯