
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ কপিরাইট স্ট্রাইকে সাইবার হামলার মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সাইবার হামলার মাধ্যমে ফেসবুক পেজ অপসারণ করার বিষয়ে নিশ্চিত করেন জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া শহর শাখার আমির এনামুল হক।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, আমাদের সকল অনুসারী, শুভানুধ্যায়ী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মুফতি আমির হামজার অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ গত কয়েকদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ অপশক্তির পরিকল্পিত ভুয়া কপিরাইট স্ট্রাইক ও সাইবার আক্রমণের শিকার হয়ে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা (Meta) কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে পেইজটি অপসারণ করেছে। এটি কোনো নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে নয় বরং উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা অভিযোগ ও ভুয়া রিপোর্টিংয়ের ফল।
বিজ্ঞপ্তিতে এনামুল হক বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন ও ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চিহ্নিত মহল এই ন্যাক্কারজনক কাজটি করেছে। তবে আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই- ফেসবুক থেকে একটি পেইজ সরিয়ে দিলেও মানুষের হৃদয় থেকে আমির হামজাকে সরানো যাবে না
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে পেইজ পুনরুদ্ধারের জন্য মেটা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সকল তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আমাদের সকল সমর্থকদের প্রতি অনুরোধ ভুয়া আইডি, গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে ধৈর্য ও সচেতনতা বজায় রাখুন। ইনশাআল্লাহ, সত্যের বিজয় হবেই।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া শহর আমির এনামুল হক জানান, আজ জোহরের নামাজের পর আমাদের এমপি প্রার্থী মুফতি আমির হামজা অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ অপসারণ হয়েছে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রক্রিয়া চলমান।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ কপিরাইট স্ট্রাইকে সাইবার হামলার মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সাইবার হামলার মাধ্যমে ফেসবুক পেজ অপসারণ করার বিষয়ে নিশ্চিত করেন জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া শহর শাখার আমির এনামুল হক।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, আমাদের সকল অনুসারী, শুভানুধ্যায়ী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মুফতি আমির হামজার অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ গত কয়েকদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ অপশক্তির পরিকল্পিত ভুয়া কপিরাইট স্ট্রাইক ও সাইবার আক্রমণের শিকার হয়ে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা (Meta) কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে পেইজটি অপসারণ করেছে। এটি কোনো নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে নয় বরং উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা অভিযোগ ও ভুয়া রিপোর্টিংয়ের ফল।
বিজ্ঞপ্তিতে এনামুল হক বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন ও ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চিহ্নিত মহল এই ন্যাক্কারজনক কাজটি করেছে। তবে আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই- ফেসবুক থেকে একটি পেইজ সরিয়ে দিলেও মানুষের হৃদয় থেকে আমির হামজাকে সরানো যাবে না
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে পেইজ পুনরুদ্ধারের জন্য মেটা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সকল তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আমাদের সকল সমর্থকদের প্রতি অনুরোধ ভুয়া আইডি, গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে ধৈর্য ও সচেতনতা বজায় রাখুন। ইনশাআল্লাহ, সত্যের বিজয় হবেই।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া শহর আমির এনামুল হক জানান, আজ জোহরের নামাজের পর আমাদের এমপি প্রার্থী মুফতি আমির হামজা অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ অপসারণ হয়েছে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রক্রিয়া চলমান।

২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৭
গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন বিচারকের ছুড়ে মারা পেপার ওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিচারকের এমন অপ্রত্যাশিত ব্যবহারের জন্য আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বুধবার (২২ জুলাই) আদালত চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এর বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালতে বিচার কার্যক্রম চলাকালে আদালতকক্ষের পেছনের সারিতে কয়েকজন আইনজীবী ও মক্কেলকে কথা বলতে দেখেন তিনি। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে একটি কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি গিয়ে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও বিচারকের এমন ব্যবহার অনাকাঙ্ক্ষিত হিসাবে উল্লেখ করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবী জানান।
এ বিষয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়ার মোবাইল ফোনে এবং হোয়ার্টসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেনই।

২২ জুলাই, ২০২৬ ০০:০৬

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:২৫
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াতে থাকে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন বিচারকের ছুড়ে মারা পেপার ওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিচারকের এমন অপ্রত্যাশিত ব্যবহারের জন্য আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বুধবার (২২ জুলাই) আদালত চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এর বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালতে বিচার কার্যক্রম চলাকালে আদালতকক্ষের পেছনের সারিতে কয়েকজন আইনজীবী ও মক্কেলকে কথা বলতে দেখেন তিনি। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে একটি কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি গিয়ে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও বিচারকের এমন ব্যবহার অনাকাঙ্ক্ষিত হিসাবে উল্লেখ করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবী জানান।
এ বিষয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়ার মোবাইল ফোনে এবং হোয়ার্টসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেনই।
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত ইসলামির নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন খবর প্রচারিত হয়েছে। বিষয়টি নজরে রাখছে জামায়াতে ইসলামীও।
দলটির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নজর রাখছে।
এ বিষয়ে আরও খোঁজখবর নিয়ে এবং প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, জামায়াতের যে কেউ অপরাধ করলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে। জামায়াত আমির কিংবা আমিও যদি কোনো অপরাধ করি তাহলে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
নিয়ম শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার ব্যাপারে জামায়াত কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে কারো মুখের দিকে তাকায় না।
প্রশ্ন হচ্ছে জামায়াত যদি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বরখাস্ত করে তাহলে কী তার এমপি পদ বহাল থাকবে?
যদি কোনো দল কাউকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বরখাস্ত করে এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তার এমপি পদ রহিত করার জন্য আবেদন করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার রেওয়াজ আছে।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকির ক্ষেত্রে এমনটাই ঘটেছিল। আর কোনো দল যদি শুধু সাংগঠিক পদ বাতিল করে এবং স্পিকারের কাছে এমপি পদ বাতিলের আবেদন না করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
নবম জাতীয় সংসদের জাতীয় পার্টির এমপি সাতক্ষীরা ৪ আসনের এইচএম গোলাম রেজাকে দল থেকে বহিষ্কার কলা হলেও স্পিকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে না জানানোর কারণে তার সংসদ সদস্য পদ বহাল ছিল।
গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার রাত থেকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে দেখা যায়। এরপর ভিডিওতে দেখা তরুণীকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা।
মঙ্গলবার সকালে দলটির জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে।
এ বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন গাজী নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তিতে তিনি দাবি করেন, ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে তিনি রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যান। সেখানে তারা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন।
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত ইসলামির নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন খবর প্রচারিত হয়েছে। বিষয়টি নজরে রাখছে জামায়াতে ইসলামীও।
দলটির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নজর রাখছে।
এ বিষয়ে আরও খোঁজখবর নিয়ে এবং প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, জামায়াতের যে কেউ অপরাধ করলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে। জামায়াত আমির কিংবা আমিও যদি কোনো অপরাধ করি তাহলে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
নিয়ম শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার ব্যাপারে জামায়াত কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে কারো মুখের দিকে তাকায় না।
প্রশ্ন হচ্ছে জামায়াত যদি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বরখাস্ত করে তাহলে কী তার এমপি পদ বহাল থাকবে?
যদি কোনো দল কাউকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বরখাস্ত করে এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তার এমপি পদ রহিত করার জন্য আবেদন করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার রেওয়াজ আছে।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকির ক্ষেত্রে এমনটাই ঘটেছিল। আর কোনো দল যদি শুধু সাংগঠিক পদ বাতিল করে এবং স্পিকারের কাছে এমপি পদ বাতিলের আবেদন না করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
নবম জাতীয় সংসদের জাতীয় পার্টির এমপি সাতক্ষীরা ৪ আসনের এইচএম গোলাম রেজাকে দল থেকে বহিষ্কার কলা হলেও স্পিকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে না জানানোর কারণে তার সংসদ সদস্য পদ বহাল ছিল।
গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার রাত থেকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে দেখা যায়। এরপর ভিডিওতে দেখা তরুণীকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা।
মঙ্গলবার সকালে দলটির জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে।
এ বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন গাজী নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তিতে তিনি দাবি করেন, ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে তিনি রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যান। সেখানে তারা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন।
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াতে থাকে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
২২ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৫
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৭
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৪