
০৬ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:৪১
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন বানচাল করতে চক্রান্ত করছে। তারা ঘেরাও কর্মসূচির মাধ্যমে দেশকে আবারও অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। ফ্যাসিবাদের হাতে দেশ তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে, যা দেশের জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) যশোর শহরের টাউন হল ময়দানে স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলামের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, টালবাহানা না করে দ্রুত নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করুন এবং নির্বাচন সম্পন্ন করুন। তা না হলে আপনাদের ব্যর্থ সরকার হিসেবে গণ্য করা হবে। এজন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
বিএনপির আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, অনেক শিশু ও সাধারণ মানুষের রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে। যারা আবার সেই অন্ধকারে ফেরার চক্রান্ত করছে, তাদের মনে রাখা উচিত বিএনপি ভেসে আসা কোনো দল নয়। হামলা-মামলা, কারাভোগ ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বিএনপি আজকের অবস্থানে এসেছে। বিএনপি জনগণের দল। দয়া করে পানি ঘোলা করবেন না, দেশকে অস্থিতিশীল করবেন না এবং নৈরাজ্য শুরু করবেন না। বিএনপি রাস্তায় নামলে পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নেবে।
সংস্কার কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৮৩ কোটি টাকা খরচ করে কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছে। আমরা প্রতিটি বৈঠকে মতামত দিয়েছি। গত ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ প্লাজায় সব দলের স্বাক্ষরে সংস্কারের প্রস্তাব পাশ হয়। পরে উপদেষ্টামণ্ডলীর বৈঠকের পর আসিফ নজরুল বলেন, এখনো যা বাকি আছে তা মীমাংসার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সাত দিনের সময় দেওয়া হলো। এতে মনে হচ্ছে, রাজনৈতিক দলগুলো যেন তাদের হাতে পুতুলে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যেসব বিষয়ে ঐক্যমত্য হয়েছে, তাতে স্বাক্ষরও হয়েছে। বাকিগুলো সংসদে সমাধান হবে। তাই দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করুন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আর একদিন পর ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। এই দিনে জাতিকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র হয়েছিল। কিন্তু দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও জনগণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে দেশের শাসনভার তুলে দিয়ে রাষ্ট্রকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছিল। এখনও যারা দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পর দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যে সুযোগ এসেছে, তাকে সত্যিকার অর্থে প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদের শপথ নিতে হবে দেশকে আর কোনো আধিপত্যবাদ বা গণতন্ত্রহরণকারীর হাতে তুলে দেব না এবং পতিত ফ্যাসিস্টদের আর ফিরে আসতে দেব না।
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনের সঞ্চালনায় স্মরণসভাটি কার্যত জনসভায় রূপ নেয়।
অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, তরিকুল ইসলাম ছিলেন আজীবন সংগ্রামী ও কিংবদন্তিতুল্য নেতা। তিনি মা, মাটি ও মানুষের রাজনীতি করেছেন, কখনো অন্যায় বা অনিয়মের সঙ্গে আপস করেননি। শত নির্যাতন-অত্যাচারের মধ্যেও তিনি আদর্শে অবিচল ছিলেন। ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি দীর্ঘদিন সংগ্রাম করেছেন, কিন্তু স্বাধীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ দেখে যেতে পারেননি। আজকের বাংলাদেশে তার মতো নেতার বড় প্রয়োজন ছিল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক টিএস আইয়ূব, কেন্দ্রীয় সদস্য সাবিরা সুলতানা মুন্নি, আবুল হোসেন আজাদ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, জাহানারা সিদ্দিক, জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, আলী আহম্মদ, মনোয়ার হোসেন, হাসান জহির, তানিয়া রহমান, জহুরুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল মান্নান এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি আকরামুজ্জামান প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মরহুম তরিকুল ইসলামের সহধর্মিণী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম এবং পুত্র কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন বানচাল করতে চক্রান্ত করছে। তারা ঘেরাও কর্মসূচির মাধ্যমে দেশকে আবারও অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। ফ্যাসিবাদের হাতে দেশ তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে, যা দেশের জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) যশোর শহরের টাউন হল ময়দানে স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলামের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, টালবাহানা না করে দ্রুত নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করুন এবং নির্বাচন সম্পন্ন করুন। তা না হলে আপনাদের ব্যর্থ সরকার হিসেবে গণ্য করা হবে। এজন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
বিএনপির আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, অনেক শিশু ও সাধারণ মানুষের রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে। যারা আবার সেই অন্ধকারে ফেরার চক্রান্ত করছে, তাদের মনে রাখা উচিত বিএনপি ভেসে আসা কোনো দল নয়। হামলা-মামলা, কারাভোগ ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বিএনপি আজকের অবস্থানে এসেছে। বিএনপি জনগণের দল। দয়া করে পানি ঘোলা করবেন না, দেশকে অস্থিতিশীল করবেন না এবং নৈরাজ্য শুরু করবেন না। বিএনপি রাস্তায় নামলে পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নেবে।
সংস্কার কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৮৩ কোটি টাকা খরচ করে কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছে। আমরা প্রতিটি বৈঠকে মতামত দিয়েছি। গত ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ প্লাজায় সব দলের স্বাক্ষরে সংস্কারের প্রস্তাব পাশ হয়। পরে উপদেষ্টামণ্ডলীর বৈঠকের পর আসিফ নজরুল বলেন, এখনো যা বাকি আছে তা মীমাংসার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সাত দিনের সময় দেওয়া হলো। এতে মনে হচ্ছে, রাজনৈতিক দলগুলো যেন তাদের হাতে পুতুলে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যেসব বিষয়ে ঐক্যমত্য হয়েছে, তাতে স্বাক্ষরও হয়েছে। বাকিগুলো সংসদে সমাধান হবে। তাই দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করুন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আর একদিন পর ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। এই দিনে জাতিকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র হয়েছিল। কিন্তু দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও জনগণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে দেশের শাসনভার তুলে দিয়ে রাষ্ট্রকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছিল। এখনও যারা দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পর দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যে সুযোগ এসেছে, তাকে সত্যিকার অর্থে প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদের শপথ নিতে হবে দেশকে আর কোনো আধিপত্যবাদ বা গণতন্ত্রহরণকারীর হাতে তুলে দেব না এবং পতিত ফ্যাসিস্টদের আর ফিরে আসতে দেব না।
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনের সঞ্চালনায় স্মরণসভাটি কার্যত জনসভায় রূপ নেয়।
অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, তরিকুল ইসলাম ছিলেন আজীবন সংগ্রামী ও কিংবদন্তিতুল্য নেতা। তিনি মা, মাটি ও মানুষের রাজনীতি করেছেন, কখনো অন্যায় বা অনিয়মের সঙ্গে আপস করেননি। শত নির্যাতন-অত্যাচারের মধ্যেও তিনি আদর্শে অবিচল ছিলেন। ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি দীর্ঘদিন সংগ্রাম করেছেন, কিন্তু স্বাধীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ দেখে যেতে পারেননি। আজকের বাংলাদেশে তার মতো নেতার বড় প্রয়োজন ছিল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক টিএস আইয়ূব, কেন্দ্রীয় সদস্য সাবিরা সুলতানা মুন্নি, আবুল হোসেন আজাদ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, জাহানারা সিদ্দিক, জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, আলী আহম্মদ, মনোয়ার হোসেন, হাসান জহির, তানিয়া রহমান, জহুরুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল মান্নান এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি আকরামুজ্জামান প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মরহুম তরিকুল ইসলামের সহধর্মিণী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম এবং পুত্র কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (সদর–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনে সভাপতি জানান, ডেপুটি স্পিকার পদে একমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন কায়সার কামাল। তিনি বর্তমানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্যে সভাপতিত্বের জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটির প্রতি সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তাহের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে। এর মধ্যে বিএনপি একাই পেয়েছে ২০৯টি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭৬টি আসন, যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একাই পেয়েছে ৬৮টি আসন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার গঠনের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (সদর–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনে সভাপতি জানান, ডেপুটি স্পিকার পদে একমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন কায়সার কামাল। তিনি বর্তমানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্যে সভাপতিত্বের জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটির প্রতি সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তাহের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে। এর মধ্যে বিএনপি একাই পেয়েছে ২০৯টি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭৬টি আসন, যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একাই পেয়েছে ৬৮টি আসন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার গঠনের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১২
পবিত্র রমজান মাসে টানা ১২ দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮টি আরব ও মুসলিম দেশ। দেশগুলো হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাত।
বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও উপাসনালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ও অযৌক্তিক। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং মুসল্লিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
দেশগুলো আরও বলেছে, দখলকৃত জেরুজালেম বা সেখানে অবস্থিত ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। আল-আকসা মসজিদের পুরো এলাকা কেবল মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত বলেও তারা উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আল-আকসা মসজিদের দেখভাল ও প্রশাসনের আইনগত দায়িত্ব জর্ডানের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জেরুজালেম ওয়াকফ বিভাগের।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলকে অবিলম্বে আল-আকসা মসজিদের ফটক খুলে দিতে, জেরুজালেমের পুরোনো শহরে প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে এবং মুসল্লিদের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চলমান লঙ্ঘন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থা হিসেবে এসব সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একইভাবে হামাসও আল-আকসা বন্ধ রাখাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপজ্জনক নজির বলে আখ্যা দিয়েছে।
পবিত্র রমজান মাসে টানা ১২ দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮টি আরব ও মুসলিম দেশ। দেশগুলো হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাত।
বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও উপাসনালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ও অযৌক্তিক। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং মুসল্লিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
দেশগুলো আরও বলেছে, দখলকৃত জেরুজালেম বা সেখানে অবস্থিত ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। আল-আকসা মসজিদের পুরো এলাকা কেবল মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত বলেও তারা উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আল-আকসা মসজিদের দেখভাল ও প্রশাসনের আইনগত দায়িত্ব জর্ডানের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জেরুজালেম ওয়াকফ বিভাগের।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলকে অবিলম্বে আল-আকসা মসজিদের ফটক খুলে দিতে, জেরুজালেমের পুরোনো শহরে প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে এবং মুসল্লিদের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চলমান লঙ্ঘন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থা হিসেবে এসব সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একইভাবে হামাসও আল-আকসা বন্ধ রাখাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপজ্জনক নজির বলে আখ্যা দিয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১