
১৭ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২৪
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ১৩ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২০০ জন। এদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স এ তথ্য জানিয়েছেন।
হকিন্স বলেছেন, ১৮০ সেনাসদস্য ইতিমধ্যেই কাজে ফিরে এসেছেন। আহতদের মধ্যে দগ্ধ হওয়া, আঘাতজনিত মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং বিস্ফোরণের টুকরো দ্বারা আঘাত অন্তর্ভুক্ত।
সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, অনেক আক্রমণ ইরানের ‘একমুখী’ ড্রোন হামলার কারণে ঘটেছে। মার্কিন বাহিনীর যৌথ চিফস অব স্টাফ চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন গত সপ্তাহে বলেছিলেন, এই ধরনের ড্রোন বেশির ভাগ হতাহতের জন্য দায়ী।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানও ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে বড় ধরনের ড্রোন ও রকেট হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরাকের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, ‘তিনটি ড্রোন ও চারটি রকেট দিয়ে দূতাবাসে এ হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে অন্তত একটি ড্রোন দূতাবাস প্রাঙ্গণের ভেতরে আছড়ে পড়েছে।’
এ ছাড়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ থেকে ২৩ নটিক্যাল মাইল পূর্বে একটি তেলের ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত বস্তু’ আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সমুদ্র চলাচলবিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)। এতে জাহাজটির কাঠামোগত সামান্য ক্ষতি হয়েছে।
ইউকেএমটিও জানিয়েছে, এ ঘটনায় জাহাজের কোনো ক্রু বা নাবিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া পরিবেশের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ার তথ্যও পাওয়া যায়নি।
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ১৩ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২০০ জন। এদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স এ তথ্য জানিয়েছেন।
হকিন্স বলেছেন, ১৮০ সেনাসদস্য ইতিমধ্যেই কাজে ফিরে এসেছেন। আহতদের মধ্যে দগ্ধ হওয়া, আঘাতজনিত মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং বিস্ফোরণের টুকরো দ্বারা আঘাত অন্তর্ভুক্ত।
সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, অনেক আক্রমণ ইরানের ‘একমুখী’ ড্রোন হামলার কারণে ঘটেছে। মার্কিন বাহিনীর যৌথ চিফস অব স্টাফ চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন গত সপ্তাহে বলেছিলেন, এই ধরনের ড্রোন বেশির ভাগ হতাহতের জন্য দায়ী।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানও ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে বড় ধরনের ড্রোন ও রকেট হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরাকের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, ‘তিনটি ড্রোন ও চারটি রকেট দিয়ে দূতাবাসে এ হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে অন্তত একটি ড্রোন দূতাবাস প্রাঙ্গণের ভেতরে আছড়ে পড়েছে।’
এ ছাড়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ থেকে ২৩ নটিক্যাল মাইল পূর্বে একটি তেলের ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত বস্তু’ আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সমুদ্র চলাচলবিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)। এতে জাহাজটির কাঠামোগত সামান্য ক্ষতি হয়েছে।
ইউকেএমটিও জানিয়েছে, এ ঘটনায় জাহাজের কোনো ক্রু বা নাবিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া পরিবেশের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ার তথ্যও পাওয়া যায়নি।

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫৭
লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত দেখে মনে হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। এসব সংঘাত মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর বৈশ্বিক প্রভাব ধরে রাখার প্রচেষ্টার সরাসরি ফল।
মস্কোয় গোরাসকভ ফান্ডের বোর্ড বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে এমন কথা বলেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ।
তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো এখনো রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতে তাদের অবশিষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পদ বিনিয়োগ করছে।
ল্যাভরভ আরও জানান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত সম্ভাব্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করতে শুরু করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যৌথবাহিনীর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক পরিবহন ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
তিনি জানান, রাশিয়া এ পরিস্থিতি নিয়ে ইরান ও গালফ কাউন্সিলের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করছে।
ল্যাভরভ জোর দিয়ে বলেন, আলোচনা, ঐক্য এবং স্বার্থের ভারসাম্যের পথই মধ্যপ্রাচ্যের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
পারমাণবিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আইএইএ-এর ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংস্থাটি বর্তমান হুমকির যথাযথ প্রতিক্রিয়া দিতে পারছে না।
এদিকে, কিউবার ওপর বাড়তে থাকা আন্তর্জাতিক চাপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। রাশিয়া কিউবাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা, অব্যাহত রাখবে বলে জানান।
ফিলিস্তিন ইস্যুতে ল্যাভরভ বলেন, রাশিয়া তার আরব ও মুসলিম মিত্রদের সঙ্গে কাজ করে জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ল্যাভরভের এ বক্তব্য বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনা ও শক্তির দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
বরিশাল টাইমস
লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত দেখে মনে হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। এসব সংঘাত মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর বৈশ্বিক প্রভাব ধরে রাখার প্রচেষ্টার সরাসরি ফল।
মস্কোয় গোরাসকভ ফান্ডের বোর্ড বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে এমন কথা বলেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ।
তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো এখনো রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতে তাদের অবশিষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পদ বিনিয়োগ করছে।
ল্যাভরভ আরও জানান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত সম্ভাব্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করতে শুরু করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যৌথবাহিনীর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক পরিবহন ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
তিনি জানান, রাশিয়া এ পরিস্থিতি নিয়ে ইরান ও গালফ কাউন্সিলের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করছে।
ল্যাভরভ জোর দিয়ে বলেন, আলোচনা, ঐক্য এবং স্বার্থের ভারসাম্যের পথই মধ্যপ্রাচ্যের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
পারমাণবিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আইএইএ-এর ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংস্থাটি বর্তমান হুমকির যথাযথ প্রতিক্রিয়া দিতে পারছে না।
এদিকে, কিউবার ওপর বাড়তে থাকা আন্তর্জাতিক চাপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। রাশিয়া কিউবাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা, অব্যাহত রাখবে বলে জানান।
ফিলিস্তিন ইস্যুতে ল্যাভরভ বলেন, রাশিয়া তার আরব ও মুসলিম মিত্রদের সঙ্গে কাজ করে জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ল্যাভরভের এ বক্তব্য বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনা ও শক্তির দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫৪
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করেছেন, যা কিছুটা আশা জাগিয়েছে যে যুদ্ধ সম্ভবত এড়ানো যেতে পারে। তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় যুবরাজ ইরানের ওপর ধারাবাহিক চাপ বজায় রাখার পক্ষে জোর দিয়েছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে গড়ার এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
যুবরাজ আরও বলেছেন, ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি, এবং এই হুমকি মোকাবিলা করা সম্ভব শুধুমাত্র দেশটির বর্তমান সরকারকে অপসারণের মাধ্যমে।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সৌদি আরব সরকার জানিয়েছে, সৌদি আরব সংঘাত শুরু হওয়ার আগে থেকেই এর শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ছিল। আজ আমাদের প্রধান উদ্বেগ হলো জনগণ এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর প্রতিদিনের হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করা। ইরান গুরুতর কূটনৈতিক সমাধানের পরিবর্তে বিপজ্জনক চরমপন্থা বেছে নিয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি পক্ষের ক্ষতি করে, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ইরানের নিজস্ব।
চলমান যুদ্ধ এরই মধ্যে সৌদি আরবের জন্য গুরুতর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা তেলের বাজারকে ব্যাহত করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হুমকি সৃষ্টি করেছে। হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর রপ্তানি প্রভাবিত হয়েছে।
ট্রাম্প একদিকে সম্ভাব্য উত্তেজনা হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন, অন্যদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার আভাসও দিয়েছেন। সম্প্রতি তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, আমাদের শত্রুতার একটি সম্পূর্ণ ও সার্বিক সমাধানের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
তবে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুবরাজ মোহাম্মদ আরও কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং তেহরান সরকারের ওপর স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করেছেন, যা কিছুটা আশা জাগিয়েছে যে যুদ্ধ সম্ভবত এড়ানো যেতে পারে। তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় যুবরাজ ইরানের ওপর ধারাবাহিক চাপ বজায় রাখার পক্ষে জোর দিয়েছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে গড়ার এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
যুবরাজ আরও বলেছেন, ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি, এবং এই হুমকি মোকাবিলা করা সম্ভব শুধুমাত্র দেশটির বর্তমান সরকারকে অপসারণের মাধ্যমে।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সৌদি আরব সরকার জানিয়েছে, সৌদি আরব সংঘাত শুরু হওয়ার আগে থেকেই এর শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ছিল। আজ আমাদের প্রধান উদ্বেগ হলো জনগণ এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর প্রতিদিনের হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করা। ইরান গুরুতর কূটনৈতিক সমাধানের পরিবর্তে বিপজ্জনক চরমপন্থা বেছে নিয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি পক্ষের ক্ষতি করে, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ইরানের নিজস্ব।
চলমান যুদ্ধ এরই মধ্যে সৌদি আরবের জন্য গুরুতর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা তেলের বাজারকে ব্যাহত করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হুমকি সৃষ্টি করেছে। হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর রপ্তানি প্রভাবিত হয়েছে।
ট্রাম্প একদিকে সম্ভাব্য উত্তেজনা হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন, অন্যদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার আভাসও দিয়েছেন। সম্প্রতি তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, আমাদের শত্রুতার একটি সম্পূর্ণ ও সার্বিক সমাধানের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
তবে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুবরাজ মোহাম্মদ আরও কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং তেহরান সরকারের ওপর স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা।

২১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৫
যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানে আটকে পড়া ২৮২ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাত ৭টা ২৫ মিনিটে তাদের বহনকারী চার্টার্ড ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বাহরাইন থেকে সৌদি আরবের দাম্মাম হয়ে দেশে ফেরেন তারা।
এর আগে বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রইস হাসান সরোয়ার জানান, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বাহরাইনের আকাশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এটিই প্রথম ফ্লাইট।
এদিকে রাত ১টা ২৭ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৩০২ ফ্লাইটে আজারবাইজানের বাকু থেকে আরও ২৮০ জন বাংলাদেশি ফিরছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত থেকে তাদের স্বাগত জানানোর কথা রয়েছে।
বোয়িংয়ের ৭৮৭ ড্রিমলাইনার মডেলের বিমানটি বাকু হায়দার আলিয়েভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু মানুষ আটকা পড়েন। বাংলাদেশেও অনেক প্রবাসী মধ্যপ্রাচ্যে ফিরতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েন।
এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন থেকে কয়েকটি ফ্লাইটে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের একটি অংশ ফিরতে পারলেও ইরান থেকে একটি দলকে ফেরানো হচ্ছে এই প্রথম।
বরিশাল টাইমস
যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানে আটকে পড়া ২৮২ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাত ৭টা ২৫ মিনিটে তাদের বহনকারী চার্টার্ড ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বাহরাইন থেকে সৌদি আরবের দাম্মাম হয়ে দেশে ফেরেন তারা।
এর আগে বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রইস হাসান সরোয়ার জানান, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বাহরাইনের আকাশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এটিই প্রথম ফ্লাইট।
এদিকে রাত ১টা ২৭ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৩০২ ফ্লাইটে আজারবাইজানের বাকু থেকে আরও ২৮০ জন বাংলাদেশি ফিরছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত থেকে তাদের স্বাগত জানানোর কথা রয়েছে।
বোয়িংয়ের ৭৮৭ ড্রিমলাইনার মডেলের বিমানটি বাকু হায়দার আলিয়েভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু মানুষ আটকা পড়েন। বাংলাদেশেও অনেক প্রবাসী মধ্যপ্রাচ্যে ফিরতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েন।
এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন থেকে কয়েকটি ফ্লাইটে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের একটি অংশ ফিরতে পারলেও ইরান থেকে একটি দলকে ফেরানো হচ্ছে এই প্রথম।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৮
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪৮
২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫৭
২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:৪৬