
১৬ মে, ২০২৬ ১৩:০৪
বরিশালের বাকেরগঞ্জের হেলেঞ্চায় চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ি দেলোয়ার হোসেন এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলায় তার বড় ভাই হালিম হাওলাদার (৬৫) নিহত হয়েছেন।
এছাড়াও দেলোয়ার হোসেনসহ অনেকে আহত হয়েছেন। ব্যবসায়ি দেলোয়ার হোসেন জানান বরিশাল জেলা ছাত্রদল এর যুগ্ন সম্পাদক মাহমুদুনবী সুমন হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে গ্রামে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চাঁদা দাবি করে আসছিলো। আমি ঢাকাতে বসবাস করায় আমার বড় ভাই হালিম হাওলাদারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিতে ছিলো।
গত ১০/০৫/২০২৬ তারিখ সুমনসহ কতিপয় চাঁদাবাজরা পূনরায় চাঁদার জন্য গেলে আমার ভাই তার পকেটে থাকা ৩ হাজার টাকা দিয়ে দেয়। টাকা না পেয়ে তারা পাশের একটি জমি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বেড়া দেয়।
এ সময় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে বাকি টাকা দুই- এক দিনের মধ্যে না দিলে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে আসে। আমি খবর পেয়ে গত ১৪/৫/২৬ ইং তারিখ গ্রামে এসে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেই।
কিন্তু পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় গতকাল দুপর ২.৩০ ঘটিকার সময় আমি আমার জমিতে বালু ভরাট করার কাজ শুরু করলে তারা জানতে পেরে দলবলসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে বাধা সৃষ্টি করে।
এ সময় ছাত্রদল নেতা সুমনের নেতৃত্বে সোহাগ মোল্লা.শাকিল মোল্লা পিতা-মৃতঃ কুদ্দুস মোল্লা,কালাম হাওলাদার পিতা-মৃতঃ তাহের হাওলাদার,উজ্জল হাওলাদার পিতা-মৃতঃ খলিল হাওলাদার,সোহেল হাওলাদার পিতা-ছব্দের হাওলাদার,আবুয়াল হোসেন আউয়াল পিতা-মৃতঃ চেরাগ আলী।
ভূমিদস্যু ফোরকানুল আলম লিখন, শফিকুল ইসলাম রিপন, উভয় পিতা-মৃতঃ মোহন মিয়া,আশ্রাব মৃর্ধা পিতা- হোসেন আলী মৃর্ধা,জসিম হাওলাদার পিতা-মৃতঃ আব্দুল করীম হাওলাদার,জিহাদ ও রাহাত হাওলাদার পিতা- আবুয়াল হোসেন আউয়াল,ফোরকান হাওলাদার,পিতা-মৃতঃ ফকরুদ্দিন হাওলাদার, মুনসুর ডাকুয়া, পিতা মৃত জয়নাল ডাকুয়া, মোজাম্মেল হাওলাদার পিতা মৃতঃ আফতার হাওলাদার সহ প্রায় ১৫-২০ জন লোক আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে আমি ও আমার বড় ভাই হালিম হাওলাদারসহ লোকজনের উপর অতর্কিত হামলা করে। হামলায় গুরতর আহত হালিম হাওলাদারকে উদ্ধার করে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
শুক্রবার (১৫ মে) ৩ টার সময় উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হালিম হাওলাদার মৃত সিরাজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন নিহতের ছোট ভাই দেলোয়ার হাওলাদার (৫২),তার ভাগিনা মিজানুর রহমান (৪০),কবির সিকদার (৪৭) প্রতিপক্ষের কালাম হাওলাদার (৫৪) তিনি পুলিশি পাহারায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে,বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদিল হোসেন জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় একজন নিহত হয়েছে,কয়েকজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
লাশ ময়না তদন্ত্রের জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে থেকে কালাম হাওলাদার এবং উজ্জল হাওলাদারকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রত্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জের হেলেঞ্চায় চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ি দেলোয়ার হোসেন এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলায় তার বড় ভাই হালিম হাওলাদার (৬৫) নিহত হয়েছেন।
এছাড়াও দেলোয়ার হোসেনসহ অনেকে আহত হয়েছেন। ব্যবসায়ি দেলোয়ার হোসেন জানান বরিশাল জেলা ছাত্রদল এর যুগ্ন সম্পাদক মাহমুদুনবী সুমন হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে গ্রামে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চাঁদা দাবি করে আসছিলো। আমি ঢাকাতে বসবাস করায় আমার বড় ভাই হালিম হাওলাদারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিতে ছিলো।
গত ১০/০৫/২০২৬ তারিখ সুমনসহ কতিপয় চাঁদাবাজরা পূনরায় চাঁদার জন্য গেলে আমার ভাই তার পকেটে থাকা ৩ হাজার টাকা দিয়ে দেয়। টাকা না পেয়ে তারা পাশের একটি জমি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বেড়া দেয়।
এ সময় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে বাকি টাকা দুই- এক দিনের মধ্যে না দিলে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে আসে। আমি খবর পেয়ে গত ১৪/৫/২৬ ইং তারিখ গ্রামে এসে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেই।
কিন্তু পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় গতকাল দুপর ২.৩০ ঘটিকার সময় আমি আমার জমিতে বালু ভরাট করার কাজ শুরু করলে তারা জানতে পেরে দলবলসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে বাধা সৃষ্টি করে।
এ সময় ছাত্রদল নেতা সুমনের নেতৃত্বে সোহাগ মোল্লা.শাকিল মোল্লা পিতা-মৃতঃ কুদ্দুস মোল্লা,কালাম হাওলাদার পিতা-মৃতঃ তাহের হাওলাদার,উজ্জল হাওলাদার পিতা-মৃতঃ খলিল হাওলাদার,সোহেল হাওলাদার পিতা-ছব্দের হাওলাদার,আবুয়াল হোসেন আউয়াল পিতা-মৃতঃ চেরাগ আলী।
ভূমিদস্যু ফোরকানুল আলম লিখন, শফিকুল ইসলাম রিপন, উভয় পিতা-মৃতঃ মোহন মিয়া,আশ্রাব মৃর্ধা পিতা- হোসেন আলী মৃর্ধা,জসিম হাওলাদার পিতা-মৃতঃ আব্দুল করীম হাওলাদার,জিহাদ ও রাহাত হাওলাদার পিতা- আবুয়াল হোসেন আউয়াল,ফোরকান হাওলাদার,পিতা-মৃতঃ ফকরুদ্দিন হাওলাদার, মুনসুর ডাকুয়া, পিতা মৃত জয়নাল ডাকুয়া, মোজাম্মেল হাওলাদার পিতা মৃতঃ আফতার হাওলাদার সহ প্রায় ১৫-২০ জন লোক আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে আমি ও আমার বড় ভাই হালিম হাওলাদারসহ লোকজনের উপর অতর্কিত হামলা করে। হামলায় গুরতর আহত হালিম হাওলাদারকে উদ্ধার করে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
শুক্রবার (১৫ মে) ৩ টার সময় উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হালিম হাওলাদার মৃত সিরাজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন নিহতের ছোট ভাই দেলোয়ার হাওলাদার (৫২),তার ভাগিনা মিজানুর রহমান (৪০),কবির সিকদার (৪৭) প্রতিপক্ষের কালাম হাওলাদার (৫৪) তিনি পুলিশি পাহারায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে,বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদিল হোসেন জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় একজন নিহত হয়েছে,কয়েকজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
লাশ ময়না তদন্ত্রের জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে থেকে কালাম হাওলাদার এবং উজ্জল হাওলাদারকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রত্রিয়াধীন রয়েছে।
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮

১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.