
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৯:১৬
রাজধানীর বাড্ডার নিমতলীর শ্রী শ্রী মহাদেব আশ্রম ও কালী মন্দিরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের মালামালসহ ৩০ রাউন্ড গুলি চুরির ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এক উপপরিদর্শক ও সহকারী উপপরিদর্শকসহ মোট পাঁচ পুলিশ কনস্টেবলকে।
মঙ্গলবার ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. তারেক মাহমুদ বলেন, দায়িত্বে অবহেলার কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ঘটনার পর দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের চুরি হওয়া মালামাল ও গুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে এটি স্পষ্টত দায়িত্ব অবহেলা। সে জন্য বিভাগীয় পদক্ষেপ হিসেবে বাড্ডা থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া এক এসআই, এক এএসআইসহ অভিযুক্ত ও দায়ী পাঁচ পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হয়েছে।
তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গুলশান বিভাগ পুলিশ ও ডিএমপি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বাড্ডার নিমতলীর শ্রী শ্রী মহাদেব আশ্রম ও কালী মন্দিরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের মন্দিরের বাউন্ডারির মধ্যে থাকা একটি নির্মীয়মাণ ভবনের দোতলায় রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
সেখানে মঙ্গলবার ভোরের দিকে থেকে ঘুমিয়ে থাকা চারজন পুলিশ সদস্য ও তিনজন আনসার সদস্যের পাশ থেকে তাদের ৪টি ব্যাগ, ২টি মানিব্যাগ ও ৩টি মোবাইল চুরি হয়। এর মধ্যে একটি ব্যাগে ৩০ রাউন্ড শটগানের গুলি ছিল।
সকাল পৌনে ১০টার দিকে পুলিশ মণ্ডপ সংলগ্ন একটি পতিত জমির পাশ থেকে ব্যাগগুলো উদ্ধার করে। চুরি হওয় গুলিগুলো অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় কর্তব্যে অবহেলার জন্য বাড্ডা থানার এসআই মোবাশ্বিরসহ একজন এএসআই ও পাঁচজন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ছাড়া বাড্ডা থানার ওসি সাইফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়।
রাজধানীর বাড্ডার নিমতলীর শ্রী শ্রী মহাদেব আশ্রম ও কালী মন্দিরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের মালামালসহ ৩০ রাউন্ড গুলি চুরির ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এক উপপরিদর্শক ও সহকারী উপপরিদর্শকসহ মোট পাঁচ পুলিশ কনস্টেবলকে।
মঙ্গলবার ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. তারেক মাহমুদ বলেন, দায়িত্বে অবহেলার কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ঘটনার পর দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের চুরি হওয়া মালামাল ও গুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে এটি স্পষ্টত দায়িত্ব অবহেলা। সে জন্য বিভাগীয় পদক্ষেপ হিসেবে বাড্ডা থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া এক এসআই, এক এএসআইসহ অভিযুক্ত ও দায়ী পাঁচ পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হয়েছে।
তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গুলশান বিভাগ পুলিশ ও ডিএমপি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বাড্ডার নিমতলীর শ্রী শ্রী মহাদেব আশ্রম ও কালী মন্দিরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের মন্দিরের বাউন্ডারির মধ্যে থাকা একটি নির্মীয়মাণ ভবনের দোতলায় রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
সেখানে মঙ্গলবার ভোরের দিকে থেকে ঘুমিয়ে থাকা চারজন পুলিশ সদস্য ও তিনজন আনসার সদস্যের পাশ থেকে তাদের ৪টি ব্যাগ, ২টি মানিব্যাগ ও ৩টি মোবাইল চুরি হয়। এর মধ্যে একটি ব্যাগে ৩০ রাউন্ড শটগানের গুলি ছিল।
সকাল পৌনে ১০টার দিকে পুলিশ মণ্ডপ সংলগ্ন একটি পতিত জমির পাশ থেকে ব্যাগগুলো উদ্ধার করে। চুরি হওয় গুলিগুলো অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় কর্তব্যে অবহেলার জন্য বাড্ডা থানার এসআই মোবাশ্বিরসহ একজন এএসআই ও পাঁচজন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ছাড়া বাড্ডা থানার ওসি সাইফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
আইনজীবীদের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আসন্ন নির্বাচনে কারাগার থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে চান সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
রোববার (১২ এপ্রিল) নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরমে তার স্বাক্ষরের অনুমতি চেয়ে ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে। ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট লিটন আহমেদ এই আবেদনটি জমা দেন।
জানা গেছে, আগামী ১৯ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আগামী ১৬ এপ্রিল। যেহেতু ব্যারিস্টার সুমন বর্তমানে কারাবন্দি, তাই নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য জেল কোড অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আইনজীবী লিটন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ব্যারিস্টার সুমন বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর প্রয়োজন। এ কারণেই আজ ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন জানানো হয়েছে যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার স্বাক্ষর সংগ্রহের ব্যবস্থা করা যায়।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২২ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ব্যারিস্টার সুমন। হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে বর্তমানে আটটি মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। কারাগারে থেকেও আইন পেশাজীবীদের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষ সংগঠনের নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ছেলে হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের রায় হয়েছে। কিন্তু এই রায় কার্যকর হলে আমার ছেলের আত্মা শান্তি পাবে।
একই কথা বলেন বাবা মকবুল হোসেন। রায় নিয়ে কিছুটা অসন্তুষ্টি রয়েছে তাদের মধ্যে । শুধু দুজনের মৃত্যুদণ্ড হলেও অন্য আসামিদেরও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারত বলে মনে করেন আবু সাঈদের বাবা-মা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।
এদিকে শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই আবু রায়হান বলেন, আমার ভাইয়ের হত্যার সঙ্গে যারা যারা জড়িত সকলের ফাঁসি কার্যকর চাই। তাহলে ভাই হত্যার বিচার হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেরোবি শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডরা হলেন- এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন।
এ ছাড়া রায়ে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদ, গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডলের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও কয়েকজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর রায় ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ হত্যার ভিডিও সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ভিডিওতে দেখা যায়, আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন আর পুলিশ তার বুকে একের পর এক গুলি করছে। এ হত্যাকাণ্ড আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং সারা দেশে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়। তীব্র আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত ওই বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়।
বরিশাল টাইমস

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এ রায় ঘোষণা করা হয়। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলায় মোট ৩০ আসামির মধ্যে ছয়জন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন: বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, সাবেক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান, সাবেক সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ এবং সাবেক এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মন্ডল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তার মৃত্যুর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং আন্দোলন আরও বেগবান হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি দুই হাত প্রসারিত করে সড়কে দাঁড়িয়ে আছেন এবং পুলিশ তাকে গুলি করছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
আইনজীবীদের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আসন্ন নির্বাচনে কারাগার থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে চান সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
রোববার (১২ এপ্রিল) নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরমে তার স্বাক্ষরের অনুমতি চেয়ে ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে। ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট লিটন আহমেদ এই আবেদনটি জমা দেন।
জানা গেছে, আগামী ১৯ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আগামী ১৬ এপ্রিল। যেহেতু ব্যারিস্টার সুমন বর্তমানে কারাবন্দি, তাই নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য জেল কোড অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আইনজীবী লিটন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ব্যারিস্টার সুমন বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর প্রয়োজন। এ কারণেই আজ ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন জানানো হয়েছে যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার স্বাক্ষর সংগ্রহের ব্যবস্থা করা যায়।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২২ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ব্যারিস্টার সুমন। হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে বর্তমানে আটটি মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। কারাগারে থেকেও আইন পেশাজীবীদের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষ সংগঠনের নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ছেলে হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের রায় হয়েছে। কিন্তু এই রায় কার্যকর হলে আমার ছেলের আত্মা শান্তি পাবে।
একই কথা বলেন বাবা মকবুল হোসেন। রায় নিয়ে কিছুটা অসন্তুষ্টি রয়েছে তাদের মধ্যে । শুধু দুজনের মৃত্যুদণ্ড হলেও অন্য আসামিদেরও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারত বলে মনে করেন আবু সাঈদের বাবা-মা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।
এদিকে শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই আবু রায়হান বলেন, আমার ভাইয়ের হত্যার সঙ্গে যারা যারা জড়িত সকলের ফাঁসি কার্যকর চাই। তাহলে ভাই হত্যার বিচার হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেরোবি শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডরা হলেন- এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন।
এ ছাড়া রায়ে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদ, গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডলের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও কয়েকজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর রায় ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ হত্যার ভিডিও সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ভিডিওতে দেখা যায়, আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন আর পুলিশ তার বুকে একের পর এক গুলি করছে। এ হত্যাকাণ্ড আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং সারা দেশে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়। তীব্র আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত ওই বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়।
বরিশাল টাইমস
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এ রায় ঘোষণা করা হয়। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলায় মোট ৩০ আসামির মধ্যে ছয়জন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন: বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, সাবেক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান, সাবেক সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ এবং সাবেক এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মন্ডল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তার মৃত্যুর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং আন্দোলন আরও বেগবান হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি দুই হাত প্রসারিত করে সড়কে দাঁড়িয়ে আছেন এবং পুলিশ তাকে গুলি করছে।
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৭
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৬
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪