Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ সালাহ্ উদ্দিন রিপন।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় লেবুখালী এলাকার একটি হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, “খবর পটুয়াখালী” নামের একটি অনলাইন পোর্টালে গত ২৮ মার্চ প্রকাশিত “চাঁদাবাজির অভিযোগে আটককৃতদের ছাড়াতে দুমকি থানায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা রিপন” শিরোনামের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
লিখিত বক্তব্যে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির যুব রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার কারাবরণও করেছেন। রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, প্রায় এক মাস আগে লেবুখালী এলাকায় একটি ঘটনার সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট পোর্টালের এক প্রতিবেদকের সঙ্গে তার ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জের ধরেই তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুমকি থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুইজনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে তার ভাতিজা শাহীন শরীফও ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগকারী মনির মোল্লার কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
রিপনের দাবি, তিনি জানতে পারেন তার ভাতিজা মারামারির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এ বিষয়ে থানায় মামলা রয়েছে। পরবর্তীতে ভাতিজার সঙ্গে দেখা করে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। মামলাধীন কোনো আসামিকে ছাড়িয়ে আনার বিষয়ে তিনি কোনো ধরনের তদবির করেননি বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করে সাংবাদিকদের প্রতি সঠিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমেই সত্য-মিথ্যার পার্থক্য জনগণের সামনে উঠে আসে। শেষে তিনি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৪
পটুয়াখালী লঞ্চ টার্মিনাল ঘাটে ঢাকাগামী কয়েকটি লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ফ্লোরে পাতা শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এতে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ঘাটে নোঙর করা এ.আর খান-১, কুয়াকাটা-১, কাজল-৭, এমভি পূবালীসহ মোট পাঁচটি দোতলা লঞ্চে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল আশরাফ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে রোভার স্কাউটস ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অভিযান চলাকালে লঞ্চগুলোর ফ্লোরে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের উদ্দেশ্যে বিছানো শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব তোশক ও চাদর লঞ্চঘাট এলাকার অসহায় ও দুস্থ নারী-পুরুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, লঞ্চের কিছু কর্মচারী নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে তোশক ও চাদরের নামে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, এমনকি কখনও এক হাজার টাকারও বেশি আদায় করেন। বিশেষ করে ঈদ মৌসুমে এই ভোগান্তি বেড়ে যায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নদী বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তুষার কান্তি বণিক, জেলা স্কাউটসের কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাইয়ুমসহ রোভার স্কাউটসের সদস্যরা।
বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার বলেন, নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সচেতন করা হলেও কিছু অসাধু লস্কর ও কর্মচারী নিজেদের ব্যবহারের তোশক-চাদর ভাড়া দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছিল। তাই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ সালাহ্ উদ্দিন রিপন।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় লেবুখালী এলাকার একটি হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, “খবর পটুয়াখালী” নামের একটি অনলাইন পোর্টালে গত ২৮ মার্চ প্রকাশিত “চাঁদাবাজির অভিযোগে আটককৃতদের ছাড়াতে দুমকি থানায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা রিপন” শিরোনামের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
লিখিত বক্তব্যে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির যুব রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার কারাবরণও করেছেন। রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, প্রায় এক মাস আগে লেবুখালী এলাকায় একটি ঘটনার সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট পোর্টালের এক প্রতিবেদকের সঙ্গে তার ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জের ধরেই তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুমকি থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুইজনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে তার ভাতিজা শাহীন শরীফও ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগকারী মনির মোল্লার কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
রিপনের দাবি, তিনি জানতে পারেন তার ভাতিজা মারামারির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এ বিষয়ে থানায় মামলা রয়েছে। পরবর্তীতে ভাতিজার সঙ্গে দেখা করে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। মামলাধীন কোনো আসামিকে ছাড়িয়ে আনার বিষয়ে তিনি কোনো ধরনের তদবির করেননি বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করে সাংবাদিকদের প্রতি সঠিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমেই সত্য-মিথ্যার পার্থক্য জনগণের সামনে উঠে আসে। শেষে তিনি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
পটুয়াখালী লঞ্চ টার্মিনাল ঘাটে ঢাকাগামী কয়েকটি লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ফ্লোরে পাতা শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এতে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ঘাটে নোঙর করা এ.আর খান-১, কুয়াকাটা-১, কাজল-৭, এমভি পূবালীসহ মোট পাঁচটি দোতলা লঞ্চে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল আশরাফ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে রোভার স্কাউটস ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অভিযান চলাকালে লঞ্চগুলোর ফ্লোরে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের উদ্দেশ্যে বিছানো শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব তোশক ও চাদর লঞ্চঘাট এলাকার অসহায় ও দুস্থ নারী-পুরুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, লঞ্চের কিছু কর্মচারী নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে তোশক ও চাদরের নামে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, এমনকি কখনও এক হাজার টাকারও বেশি আদায় করেন। বিশেষ করে ঈদ মৌসুমে এই ভোগান্তি বেড়ে যায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নদী বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তুষার কান্তি বণিক, জেলা স্কাউটসের কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাইয়ুমসহ রোভার স্কাউটসের সদস্যরা।
বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার বলেন, নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সচেতন করা হলেও কিছু অসাধু লস্কর ও কর্মচারী নিজেদের ব্যবহারের তোশক-চাদর ভাড়া দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছিল। তাই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় উদ্ধার হওয়া দুই শতাধিক বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক পালতোলা নৌকা দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে।
যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে বৃষ্টিতে ভিজে রোদে শুকিয়ে ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন এই নিদর্শনটি। এতে হতাশা প্রকাশ করছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা।
তারা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নৌকাটি সংরক্ষণ এবং একটি জাদুঘর নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। যাতে এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষা পায়।
জানা যায়, ২০১২ সালে জেলেদের মাধ্যমে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে বালুর নিচ থেকে নৌকাটির একটি অংশ প্রথম দেখা যায়।
পরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কারিগরি সহায়তা ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পৃক্ততায় ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নৌকাটি উদ্ধার করা হয়। এরপর কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার সংলগ্ন বেড়িবাঁধের পাশে স্থাপন করা হয়।বাংলাদেশ সংবাদ
প্রায় ৭২ ফুট দৈর্ঘ্য, ২৪ ফুট প্রস্থ এবং প্রায় ৯০ টন ওজনের এই কাঠের নৌকাটি দুই শতাধিক বছরের পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মতে, এটি রাখাইন সম্প্রদায়ের তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী পালতোলা নৌকা।
উদ্ধারের সময় নৌকাটি থেকে তামার পেরেক, নারিকেলের ছোবড়া দিয়ে তৈরি রসি, ভাঙা মৃৎপাত্র, ধানের চিটা, পাটকাঠি, মাদুরের অংশবিশেষ, পাটের তৈরি ছালার নিদর্শন এবং লোহার বিশালাকৃতির শিকলসহ বিভিন্ন নিদর্শন উদ্ধার করা হয়। এসব সামগ্রী বর্তমানে বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।
তবে নৌকাটি উদ্ধারের পর প্রায় ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো এর স্থায়ী সংরক্ষণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নেই পর্যাপ্ত অবকাঠামো কিংবা রাত্রিকালীন আলোর ব্যবস্থাও। ফলে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ঐতিহাসিক এই নিদর্শনটি।
স্থানীয়দের ধারণা, প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ বছর আগে বার্মার আরাকান অঞ্চল থেকে রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন এই ধরনের নৌকায় করে বাংলাদেশ উপকূলে এসে বসতি স্থাপন করেছিলেন।
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক মো. রিয়াদ বলেন, কুয়াকাটায় এসে প্রায় আড়াইশ বছরের পুরোনো একটি নৌকা দেখতে পেলাম। পাশে একটি সাইনবোর্ডে এর ইতিহাসও লেখা আছে। তবে এটিকে আরও ভালোভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
যশোর থেকে আসা পর্যটক আলিফ খান বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে এসে এত পুরোনো একটি নৌকা দেখে ভালো লেগেছে। যারা কুয়াকাটায় আসবেন, তাদের এই নৌকাটি অবশ্যই দেখা উচিত।
রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক নিপুণ চৌধুরী বলেন, রাখাইনদের পুরোনো এই নৌকাটি দেখলাম। এটি ঐতিহাসিক সম্পদ। সরকার উদ্যোগ নিলে আরো ভালোভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব।’
নৌকাটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মী মো. ফেরদৌস বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের প্রায় অর্ধেকই এই নৌকাটি দেখতে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত উন্নয়ন ও সংরক্ষণের অভাবে অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেন। এটি একটি অমূল্য ঐতিহ্য যা দ্রুত সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহারের উপাধ্যক্ষ ইন্দ্র বংশ ভিক্ষু বলেন, এই পালতোলা নৌকা রাখাইন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বাহন। যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ছিল না, তখন রাখাইনরা এই নৌকায় করে এ অঞ্চলে এসেছিলেন। আমাদের এই ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমরা কুয়াকাটাবাসী’র সভাপতি ও মহিপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান আকাশ বলেন, একটি জাদুঘর নির্মাণ করে রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত এই নৌকাটি সংরক্ষণ করা উচিত। না হলে বৃষ্টি ও রোদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এক সময় এটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরের সহকারী কাস্টোডিয়া আরিফুর রহমান বলেন, প্রাচীন এই কাঠের নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কুয়াকাটায় একটি আধুনিক জাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলের এ ধরনের প্রাচীন নিদর্শনগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়বে এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় উদ্ধার হওয়া দুই শতাধিক বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক পালতোলা নৌকা দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে।
যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে বৃষ্টিতে ভিজে রোদে শুকিয়ে ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন এই নিদর্শনটি। এতে হতাশা প্রকাশ করছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা।
তারা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নৌকাটি সংরক্ষণ এবং একটি জাদুঘর নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। যাতে এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষা পায়।
জানা যায়, ২০১২ সালে জেলেদের মাধ্যমে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে বালুর নিচ থেকে নৌকাটির একটি অংশ প্রথম দেখা যায়।
পরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কারিগরি সহায়তা ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পৃক্ততায় ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নৌকাটি উদ্ধার করা হয়। এরপর কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার সংলগ্ন বেড়িবাঁধের পাশে স্থাপন করা হয়।বাংলাদেশ সংবাদ
প্রায় ৭২ ফুট দৈর্ঘ্য, ২৪ ফুট প্রস্থ এবং প্রায় ৯০ টন ওজনের এই কাঠের নৌকাটি দুই শতাধিক বছরের পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মতে, এটি রাখাইন সম্প্রদায়ের তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী পালতোলা নৌকা।
উদ্ধারের সময় নৌকাটি থেকে তামার পেরেক, নারিকেলের ছোবড়া দিয়ে তৈরি রসি, ভাঙা মৃৎপাত্র, ধানের চিটা, পাটকাঠি, মাদুরের অংশবিশেষ, পাটের তৈরি ছালার নিদর্শন এবং লোহার বিশালাকৃতির শিকলসহ বিভিন্ন নিদর্শন উদ্ধার করা হয়। এসব সামগ্রী বর্তমানে বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।
তবে নৌকাটি উদ্ধারের পর প্রায় ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো এর স্থায়ী সংরক্ষণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নেই পর্যাপ্ত অবকাঠামো কিংবা রাত্রিকালীন আলোর ব্যবস্থাও। ফলে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ঐতিহাসিক এই নিদর্শনটি।
স্থানীয়দের ধারণা, প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ বছর আগে বার্মার আরাকান অঞ্চল থেকে রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন এই ধরনের নৌকায় করে বাংলাদেশ উপকূলে এসে বসতি স্থাপন করেছিলেন।
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক মো. রিয়াদ বলেন, কুয়াকাটায় এসে প্রায় আড়াইশ বছরের পুরোনো একটি নৌকা দেখতে পেলাম। পাশে একটি সাইনবোর্ডে এর ইতিহাসও লেখা আছে। তবে এটিকে আরও ভালোভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
যশোর থেকে আসা পর্যটক আলিফ খান বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে এসে এত পুরোনো একটি নৌকা দেখে ভালো লেগেছে। যারা কুয়াকাটায় আসবেন, তাদের এই নৌকাটি অবশ্যই দেখা উচিত।
রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক নিপুণ চৌধুরী বলেন, রাখাইনদের পুরোনো এই নৌকাটি দেখলাম। এটি ঐতিহাসিক সম্পদ। সরকার উদ্যোগ নিলে আরো ভালোভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব।’
নৌকাটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মী মো. ফেরদৌস বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের প্রায় অর্ধেকই এই নৌকাটি দেখতে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত উন্নয়ন ও সংরক্ষণের অভাবে অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেন। এটি একটি অমূল্য ঐতিহ্য যা দ্রুত সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহারের উপাধ্যক্ষ ইন্দ্র বংশ ভিক্ষু বলেন, এই পালতোলা নৌকা রাখাইন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বাহন। যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ছিল না, তখন রাখাইনরা এই নৌকায় করে এ অঞ্চলে এসেছিলেন। আমাদের এই ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমরা কুয়াকাটাবাসী’র সভাপতি ও মহিপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান আকাশ বলেন, একটি জাদুঘর নির্মাণ করে রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত এই নৌকাটি সংরক্ষণ করা উচিত। না হলে বৃষ্টি ও রোদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এক সময় এটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরের সহকারী কাস্টোডিয়া আরিফুর রহমান বলেন, প্রাচীন এই কাঠের নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কুয়াকাটায় একটি আধুনিক জাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলের এ ধরনের প্রাচীন নিদর্শনগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়বে এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।