বরিশাল নগরীর ফকির বাড়ি রোডে অবস্থিত বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কার্যালয় ভাঙচুর ও বেশকিছু মালামাল লুট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টি বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি এস.এম. নজরুল হক নিলু।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে অজ্ঞাত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ের দোতলার অংশ ভাঙচুর করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ফকির বাড়ি রোডে (রাখাল বাবুর পুকুর পাড়ের গলির দক্ষিণ মুখে) অবস্থিত ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কার্যালয়ে দলটি প্রায় ৪০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কার্যালয়টির মালিক ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল হক নিজামের ছেলে মো. তামীম কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে অজ্ঞাত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ের দোতলার অংশ ভাঙচুর করেন।
এসময় নিচতলার চেয়ার, টেবিল, ফ্যানসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয় এবং একটি স্ট্যান্ড ফ্যান ও একটি সিলিং ফ্যানসহ বেশকিছু মালামাল নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
খবর পেয়ে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়মিতভাবে পার্টি অফিসের ভাড়া পরিশোধ করা হয়ে আসছিল এবং ভাড়ার কাগজপত্রও সংযুক্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এর পর আত্মগোপনে চলে যায় ঘরটির মালিক মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল হক নিজাম। এরপর ভাড়া বিকাশ কিংবা নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করত ভাড়াটিয়া। প্রতিমাসে ভিন্ন ভিন্ন নম্বরে বাসা ভাড়া পাঠান ভাড়াটিয়া বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ। কোন ডকুমেন্টস না থাকায় গত এক মাস তারা ভাড়া দেননি। এই সুযোগে নিজামুল হক নিজামের ছেলে তনিম লোকজন দিয়ে ঘরটি ভাঙচুর করেন।
এ বিষয়ে বরিশাল শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে কোনো নোটিশ ছাড়া এভাবে ভাঙচুর করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও নিন্দনীয়। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা দাবি করছি।
বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক ফিরোজ বলেন, ওয়ার্কার্স পার্টির এই কার্যালয় শুধু একটি অফিস নয়, এটি আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস বহন করে। এ ধরনের হামলা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী।

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণকালে তিনি দাবি করেন, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশনায় র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই চারজনকে হত্যা করেন।
মেজর সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে তাদের বলেশ্বর নদীতে নেওয়া হয়। সেখানে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।
একইভাবে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যার অভিযোগের কথা জানান সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।
এর আগে একই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। গত ১৬ বছরে গুমের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটিকে বিচার শেষ পর্যায়ের প্রথম মামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণকালে তিনি দাবি করেন, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশনায় র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই চারজনকে হত্যা করেন।
মেজর সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে তাদের বলেশ্বর নদীতে নেওয়া হয়। সেখানে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।
একইভাবে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যার অভিযোগের কথা জানান সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।
এর আগে একই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। গত ১৬ বছরে গুমের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটিকে বিচার শেষ পর্যায়ের প্রথম মামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।
রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র অনুসারী। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। এনিয়ে তার কর্মীদের সাথে স্থানীয় আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের অনুসারীদের প্রায়শই সংঘাত-সংঘর্ষ হতো।
পুলিশ জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি অন্তর্ধানে চলে গিয়েছিলেন।
বরিশাল কোতয়ালি পুলিশের ওসি মি. মামুন জানান, বৃহস্পতিবার অপরাহ্ণে পুলিশ শহরের ২৪ নং ওয়ার্ডের রূপাতলীতে অভিযান চালিয়ে কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।
রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র অনুসারী। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। এনিয়ে তার কর্মীদের সাথে স্থানীয় আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের অনুসারীদের প্রায়শই সংঘাত-সংঘর্ষ হতো।
পুলিশ জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি অন্তর্ধানে চলে গিয়েছিলেন।
বরিশাল কোতয়ালি পুলিশের ওসি মি. মামুন জানান, বৃহস্পতিবার অপরাহ্ণে পুলিশ শহরের ২৪ নং ওয়ার্ডের রূপাতলীতে অভিযান চালিয়ে কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৪১
বরিশাল নগরীর ফকির বাড়ি রোডে অবস্থিত বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কার্যালয় ভাঙচুর ও বেশকিছু মালামাল লুট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টি বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি এস.এম. নজরুল হক নিলু।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে অজ্ঞাত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ের দোতলার অংশ ভাঙচুর করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ফকির বাড়ি রোডে (রাখাল বাবুর পুকুর পাড়ের গলির দক্ষিণ মুখে) অবস্থিত ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কার্যালয়ে দলটি প্রায় ৪০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কার্যালয়টির মালিক ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল হক নিজামের ছেলে মো. তামীম কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে অজ্ঞাত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ের দোতলার অংশ ভাঙচুর করেন।
এসময় নিচতলার চেয়ার, টেবিল, ফ্যানসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয় এবং একটি স্ট্যান্ড ফ্যান ও একটি সিলিং ফ্যানসহ বেশকিছু মালামাল নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
খবর পেয়ে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়মিতভাবে পার্টি অফিসের ভাড়া পরিশোধ করা হয়ে আসছিল এবং ভাড়ার কাগজপত্রও সংযুক্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এর পর আত্মগোপনে চলে যায় ঘরটির মালিক মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল হক নিজাম। এরপর ভাড়া বিকাশ কিংবা নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করত ভাড়াটিয়া। প্রতিমাসে ভিন্ন ভিন্ন নম্বরে বাসা ভাড়া পাঠান ভাড়াটিয়া বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ। কোন ডকুমেন্টস না থাকায় গত এক মাস তারা ভাড়া দেননি। এই সুযোগে নিজামুল হক নিজামের ছেলে তনিম লোকজন দিয়ে ঘরটি ভাঙচুর করেন।
এ বিষয়ে বরিশাল শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে কোনো নোটিশ ছাড়া এভাবে ভাঙচুর করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও নিন্দনীয়। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা দাবি করছি।
বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক ফিরোজ বলেন, ওয়ার্কার্স পার্টির এই কার্যালয় শুধু একটি অফিস নয়, এটি আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস বহন করে। এ ধরনের হামলা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১