
০৬ মে, ২০২৬ ১৩:৩৯
বরিশালে অভিযান চালিয়ে নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৯৮৩ অ্যাম্পুল নেশাজাতীয় ইনজেকশন।
মঙ্গলবার (০৫ মে) সন্ধ্যায় নগরীর ফরেস্টারবাড়ি রোড এলাকার বাদামতলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন ওই নগরীর বগুড়া রোড মুন্সী গ্যারেজ পীর সাহেবের বাড়ির বাসিন্দা মতিউর রহমানের ছেলে হানিফুর রহমান হৃদয় রিদু (৩২) ও তার স্ত্রী ফাবিহা মিনহা রেখা (২৬)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক তানভীর হোসেন খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদককারবারি দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে নেশাজাতীয় ইনজেকশন ১০৩ অ্যাম্পুল জি-মরফিন, ১৫৫ অ্যাম্পুল ডায়াজিয়াম বা ইজিয়াম, ৪৫ অ্যাম্পুল সিভিল এবং ২৪০ অ্যাম্পুল ফ্যানারেক্স জব্দ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি দুজনকে থানায় হস্তান্তর করেছি।
বরিশালে অভিযান চালিয়ে নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৯৮৩ অ্যাম্পুল নেশাজাতীয় ইনজেকশন।
মঙ্গলবার (০৫ মে) সন্ধ্যায় নগরীর ফরেস্টারবাড়ি রোড এলাকার বাদামতলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন ওই নগরীর বগুড়া রোড মুন্সী গ্যারেজ পীর সাহেবের বাড়ির বাসিন্দা মতিউর রহমানের ছেলে হানিফুর রহমান হৃদয় রিদু (৩২) ও তার স্ত্রী ফাবিহা মিনহা রেখা (২৬)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক তানভীর হোসেন খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদককারবারি দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে নেশাজাতীয় ইনজেকশন ১০৩ অ্যাম্পুল জি-মরফিন, ১৫৫ অ্যাম্পুল ডায়াজিয়াম বা ইজিয়াম, ৪৫ অ্যাম্পুল সিভিল এবং ২৪০ অ্যাম্পুল ফ্যানারেক্স জব্দ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি দুজনকে থানায় হস্তান্তর করেছি।

০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩২
বরিশাল নগরীর রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০৫৮ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৫৮০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তার স্বামী পালিয়ে যান। শনিবার (৯ মে) সকালে জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রসুলপুর কলোনীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার সোহাগী বেগম (২৮) রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযানে তার স্বামী রেজাউল শিকদার রেজা (৩০) পালিয়ে গেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোহাগী বেগম এবং রেজাউল শিকদার রেজার টিনের চালা ও টিনের বেড়াযুক্ত দোতলা বসতঘরে অভিযান চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ১ কেজি ১৩০ গ্রাম লুজ গাঁজা এবং ৮২টি গাঁজার পুড়িয়া, যার ওজন ৪৫০ গ্রাম, উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি পার্স ব্যাগের ভেতর থেকে ৪টি জিপারযুক্ত পলিথিনে রাখা ১ হাজার ৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট ওজন ১০৫ দশমিক ৮০ গ্রাম। একই স্থান থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কোতয়ালী মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে, নিশ্চিত করেছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক।
বরিশাল নগরীর রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০৫৮ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৫৮০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তার স্বামী পালিয়ে যান। শনিবার (৯ মে) সকালে জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রসুলপুর কলোনীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার সোহাগী বেগম (২৮) রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযানে তার স্বামী রেজাউল শিকদার রেজা (৩০) পালিয়ে গেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোহাগী বেগম এবং রেজাউল শিকদার রেজার টিনের চালা ও টিনের বেড়াযুক্ত দোতলা বসতঘরে অভিযান চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ১ কেজি ১৩০ গ্রাম লুজ গাঁজা এবং ৮২টি গাঁজার পুড়িয়া, যার ওজন ৪৫০ গ্রাম, উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি পার্স ব্যাগের ভেতর থেকে ৪টি জিপারযুক্ত পলিথিনে রাখা ১ হাজার ৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট ওজন ১০৫ দশমিক ৮০ গ্রাম। একই স্থান থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কোতয়ালী মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে, নিশ্চিত করেছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক।

০৯ মে, ২০২৬ ১৯:০৮
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ায় ৫ টি মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী রঞ্জন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর শুক্রবার (৮মে) রাতে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, রঞ্জন মজুমদারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে পৃথক ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তার গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা গ্রামে। তার বাবার নাম হরেন্দ্রনাথ মজুমদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেবা কল্যাণ সঞ্চয় ঋনদান সমিতি নামের এনজিও ব্যবসার নামে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বানারীপাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় রঞ্জন।
পরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায় সে। তার প্রতারণার শিকার হয়ে বহু মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে তার গ্রেফতার ও আত্মসাৎ হওয়া টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে তার গ্রেফতারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজছিল পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ায় ৫ টি মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী রঞ্জন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর শুক্রবার (৮মে) রাতে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, রঞ্জন মজুমদারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে পৃথক ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তার গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা গ্রামে। তার বাবার নাম হরেন্দ্রনাথ মজুমদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেবা কল্যাণ সঞ্চয় ঋনদান সমিতি নামের এনজিও ব্যবসার নামে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বানারীপাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় রঞ্জন।
পরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায় সে। তার প্রতারণার শিকার হয়ে বহু মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে তার গ্রেফতার ও আত্মসাৎ হওয়া টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে তার গ্রেফতারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজছিল পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

০৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় বিশারকান্দি ইউনিয়নে ৫ মাদকসেবীকে আটক করে মোবাইল কোর্টে ১০ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) রাত ১২ টার দিকে গাঁজা সেবনকালে লবণসাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মোঃ
আরাফাতের নেতৃত্বে তাদের আটক করার পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের ১০ দিন করে সাজা দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের উমারেরপাড় গ্রামের মোঃ মিল্লাত হোসেন হাওলাদার (১৯) ও মোঃ পারভেজ মাঝি (১৯), বিশারকান্দি গ্রামের মোঃ নাঈম হাসান (২১), পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠী উপজেলার উত্তর বলদিয়া গ্রামের
মোঃ আল-আমিন (২৫) এবং রহমাতুল্লাহ (১৯)। শনিবার (৯ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, গাঁজাসেবনকালে তাদের আটক করে মোবাইল কোর্টে দশ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শনিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় বিশারকান্দি ইউনিয়নে ৫ মাদকসেবীকে আটক করে মোবাইল কোর্টে ১০ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) রাত ১২ টার দিকে গাঁজা সেবনকালে লবণসাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মোঃ
আরাফাতের নেতৃত্বে তাদের আটক করার পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের ১০ দিন করে সাজা দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের উমারেরপাড় গ্রামের মোঃ মিল্লাত হোসেন হাওলাদার (১৯) ও মোঃ পারভেজ মাঝি (১৯), বিশারকান্দি গ্রামের মোঃ নাঈম হাসান (২১), পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠী উপজেলার উত্তর বলদিয়া গ্রামের
মোঃ আল-আমিন (২৫) এবং রহমাতুল্লাহ (১৯)। শনিবার (৯ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, গাঁজাসেবনকালে তাদের আটক করে মোবাইল কোর্টে দশ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শনিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৩
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩২
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:০৮
০৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯