
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৩২
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক চাঞ্চল্যকর মোড় নিয়েছে। লিমনের রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘারবিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মরদেহ গোপন ও তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করাসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে লিমনের সাথে নিখোঁজ হওয়া অপর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি (২৭) এখনো উদ্ধার হননি।
গত ১৬ এপ্রিল থেকে জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টি কোনো খোঁজ পাচ্ছিলেন না তাদের সহপাঠী ও স্বজনরা। দীর্ঘ এক সপ্তাহ নিভৃতে থাকার পর গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এক পারিবারিক বন্ধু পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানান।
এর পরপরই পুলিশি তৎপরতা শুরু হয় এবং শুক্রবার সকালে ট্যাম্পার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল ‘হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের’ কাছ থেকে লিমনের নিথর দেহ উদ্ধার করে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস।
লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর তার রুমমেট হিশাম সালেহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিসের চিফ ডেপুটি জোসেফ মাউরের তথ্যমতে, হিশামের বিরুদ্ধে মূলত একটি গার্হস্থ্য সহিংসতা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে লিমনের মৃত্যুর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
তার বিরুদ্ধে মরদেহ অবৈধভাবে সরানো, মৃত্যুর খবর কর্তৃপক্ষকে জানাতে ব্যর্থ হওয়া, প্রমাণ নষ্ট করা, এবং মিথ্যা কারাবাসের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত হিশামের বাড়ি থেকে একটি কল পাওয়ার পর পুলিশ সেখানে পৌঁছালে তিনি ভেতরে দরজা আটকে অবস্থান নেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় ২০ মিনিট পর পুলিশের বিশেষায়িত বাহিনী ‘সোয়াট’ টিম তলব করা হয়। দীর্ঘক্ষণ বাড়িটি ঘিরে রাখার পর অবশেষে হিশাম আত্মসমর্পণ করলে তাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। অভিযুক্ত হিশাম একসময় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানা গেছে।
জামিল লিমনের মরদেহ পাওয়া গেলেও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি এখনো নিখোঁজ। বৃষ্টিকে সর্বশেষ গত ১৬ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ন্যাচারাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস’ ভবনে দেখা গিয়েছিল।
বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত জানিয়েছেন, লিমন ও বিথীর মধ্যে আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে তারা কেবল বন্ধু হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বৃষ্টির সন্ধানে পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থাগুলো চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক চাঞ্চল্যকর মোড় নিয়েছে। লিমনের রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘারবিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মরদেহ গোপন ও তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করাসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে লিমনের সাথে নিখোঁজ হওয়া অপর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি (২৭) এখনো উদ্ধার হননি।
গত ১৬ এপ্রিল থেকে জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টি কোনো খোঁজ পাচ্ছিলেন না তাদের সহপাঠী ও স্বজনরা। দীর্ঘ এক সপ্তাহ নিভৃতে থাকার পর গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এক পারিবারিক বন্ধু পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানান।
এর পরপরই পুলিশি তৎপরতা শুরু হয় এবং শুক্রবার সকালে ট্যাম্পার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল ‘হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের’ কাছ থেকে লিমনের নিথর দেহ উদ্ধার করে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস।
লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর তার রুমমেট হিশাম সালেহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিসের চিফ ডেপুটি জোসেফ মাউরের তথ্যমতে, হিশামের বিরুদ্ধে মূলত একটি গার্হস্থ্য সহিংসতা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে লিমনের মৃত্যুর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
তার বিরুদ্ধে মরদেহ অবৈধভাবে সরানো, মৃত্যুর খবর কর্তৃপক্ষকে জানাতে ব্যর্থ হওয়া, প্রমাণ নষ্ট করা, এবং মিথ্যা কারাবাসের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত হিশামের বাড়ি থেকে একটি কল পাওয়ার পর পুলিশ সেখানে পৌঁছালে তিনি ভেতরে দরজা আটকে অবস্থান নেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় ২০ মিনিট পর পুলিশের বিশেষায়িত বাহিনী ‘সোয়াট’ টিম তলব করা হয়। দীর্ঘক্ষণ বাড়িটি ঘিরে রাখার পর অবশেষে হিশাম আত্মসমর্পণ করলে তাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। অভিযুক্ত হিশাম একসময় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানা গেছে।
জামিল লিমনের মরদেহ পাওয়া গেলেও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি এখনো নিখোঁজ। বৃষ্টিকে সর্বশেষ গত ১৬ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ন্যাচারাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস’ ভবনে দেখা গিয়েছিল।
বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত জানিয়েছেন, লিমন ও বিথীর মধ্যে আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে তারা কেবল বন্ধু হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বৃষ্টির সন্ধানে পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থাগুলো চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৫১
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৩২
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০০

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৫১
হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে গত কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের জাহাজগুলো পানামা খাল দিয়ে দ্রুত পার করার জন্য ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত ব্যয় করেছে। খাল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সাধারণত এ খাল দিয়ে যাতায়াতের জন্য একটি নির্দিষ্ট হারে ফি নেওয়া হয়। তবে যেসব কোম্পানির আগে থেকে বুকিং দেওয়া নেই, তারা জলপথটি পার হওয়ার জন্য কয়েকদিন অপেক্ষা না করে নিলামের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে দ্রুত যাওয়ার সুযোগ পায়।
এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ থাকায় এখন বাণিজ্যিক জাহাজগুলো বিকল্প হিসেবে পানামা খালের ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে নিলামের মাধ্যমে পাওয়া এই বিশেষ স্লটগুলোর চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়েছে, যা যাতায়াতের খরচকেও আকাশচুম্বী করে তুলেছে।
বরিশাল টাইমস
হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে গত কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের জাহাজগুলো পানামা খাল দিয়ে দ্রুত পার করার জন্য ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত ব্যয় করেছে। খাল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সাধারণত এ খাল দিয়ে যাতায়াতের জন্য একটি নির্দিষ্ট হারে ফি নেওয়া হয়। তবে যেসব কোম্পানির আগে থেকে বুকিং দেওয়া নেই, তারা জলপথটি পার হওয়ার জন্য কয়েকদিন অপেক্ষা না করে নিলামের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে দ্রুত যাওয়ার সুযোগ পায়।
এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ থাকায় এখন বাণিজ্যিক জাহাজগুলো বিকল্প হিসেবে পানামা খালের ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে নিলামের মাধ্যমে পাওয়া এই বিশেষ স্লটগুলোর চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়েছে, যা যাতায়াতের খরচকেও আকাশচুম্বী করে তুলেছে।
বরিশাল টাইমস

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০২
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) প্রদেশে যৌথ গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে অন্তত ২২ জন তালেবান জঙ্গি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
এ খবর দিয়েছে আরব নিউজ।
আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে কেপি অঞ্চলে জঙ্গি হামলা বেড়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে পাকিস্তান।
সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) জানায়, খাইবার জেলায় পাকিস্তানি তালেবানের উপস্থিতির ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে আইএসপিআরের দাবি, এসব জঙ্গি ভারত-সমর্থিত এবং তারা এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।
এ বিষয়ে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, এলাকায় অন্য কোনো ‘খারিজি’ (জঙ্গি) সদস্য থাকলে তাদের নির্মূলে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ সময় জঙ্গিদের নির্বিচার গুলিতে ১০ বছর বয়সী এক শিশু নিহত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
পাকিস্তান বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিচ্ছে এবং ভারত সীমান্ত পারের হামলার জন্য জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা করছে। কাবুল ও নয়াদিল্লি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সহিংসতা বাড়ানোরকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরেই পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহে কেপির বান্নু জেলায় পৃথক অভিযানে এক আত্মঘাতী হামলাকারীসহ দুই জঙ্গিকে হত্যা করে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী।
বরিশাল টাইমস
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) প্রদেশে যৌথ গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে অন্তত ২২ জন তালেবান জঙ্গি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
এ খবর দিয়েছে আরব নিউজ।
আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে কেপি অঞ্চলে জঙ্গি হামলা বেড়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে পাকিস্তান।
সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) জানায়, খাইবার জেলায় পাকিস্তানি তালেবানের উপস্থিতির ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে আইএসপিআরের দাবি, এসব জঙ্গি ভারত-সমর্থিত এবং তারা এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।
এ বিষয়ে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, এলাকায় অন্য কোনো ‘খারিজি’ (জঙ্গি) সদস্য থাকলে তাদের নির্মূলে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ সময় জঙ্গিদের নির্বিচার গুলিতে ১০ বছর বয়সী এক শিশু নিহত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
পাকিস্তান বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিচ্ছে এবং ভারত সীমান্ত পারের হামলার জন্য জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা করছে। কাবুল ও নয়াদিল্লি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সহিংসতা বাড়ানোরকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরেই পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহে কেপির বান্নু জেলায় পৃথক অভিযানে এক আত্মঘাতী হামলাকারীসহ দুই জঙ্গিকে হত্যা করে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী।
বরিশাল টাইমস

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪৮
সাইবার হামলা চালিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার ব্যবস্থা থেকে ২৫ লাখ ডলার হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারি কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
চুরি যাওয়া এই অর্থ অস্ট্রেলিয়ার একটি দ্বিপক্ষীয় ঋণ পরিশোধের অংশ ছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এ অর্থ পরিশোধ করার কথা ছিল।
কর্মকর্তাদের ধারণা, গত জানুয়ারি মাসে হ্যাকাররা এই অর্থ হাতিয়ে নেয়। তবে বিষয়টি এত দিন জানাজানি হয়নি।
গত বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা সাংবাদিকদের বলেন, শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের জন্য আগেই পাঠিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সাইবার অপরাধীরা মাঝপথে তা আটকে দিয়ে প্রকৃত গ্রাহকের বদলে অন্য ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে নেয়।
হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা বলেন, এ ঘটনায় সরকারি ঋণ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি হ্যাকারদের শনাক্তে বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা চাওয়া হচ্ছে।
হ্যাকাররা ঠিক কীভাবে এই অর্থ চুরি করেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তদন্তকারীদের ধারণা, সার্বভৌম ঋণ পরিশোধ প্রক্রিয়ায় ই–মেইলভিত্তিক অর্থ পরিশোধের নির্দেশনায় কারসাজি করেছিল সাইবার অপরাধীরা।
নির্ধারিত সময়ে অর্থ না পেয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে অভিযোগ জানানোর পর বিষয়টি শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তাদের নজরে আসে।
শ্রীলঙ্কার উপ-অর্থমন্ত্রী অনিল জয়ন্ত ফার্নান্দো বলেন, সাইবার অপরাধীরা ভারতকে পরিশোধের জন্য নির্ধারিত অর্থও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। ব্যাংক হিসাবের তথ্যে গরমিল দেখে সন্দেহ তৈরি হলে নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ। আর তখনই আগের চুরির বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
এই সাইবার হামলা শ্রীলঙ্কার জন্য নতুন এক ধাক্কা। চার বছর আগে দেশটি ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল। ওই সংকটে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শূন্য হয়ে পড়েছিল। সে সময় নিজেদের ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণখেলাপি ঘোষণা করেছিল কলম্বো।
খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের আমদানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সরকারবিরোধী তীব্র আন্দোলন। শেষমেশ ২০২২ সালের জুলাইয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে।
কলম্বোয় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়ে ক্যানবেরা অবগত রয়েছে।
ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় রাখছে। অস্ট্রেলিয়া এই তদন্তে সহায়তা করছে।’
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরুর দিকেই সাইবার প্রতারণার বিষয়ে শ্রীলঙ্কানদের সতর্ক করে স্থানীয় পত্রিকায় সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন দিয়েছিল দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যেই খোদ অর্থ মন্ত্রণালয়েই এ চুরির ঘটনা ঘটল।
সাইবার হামলা চালিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার ব্যবস্থা থেকে ২৫ লাখ ডলার হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারি কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
চুরি যাওয়া এই অর্থ অস্ট্রেলিয়ার একটি দ্বিপক্ষীয় ঋণ পরিশোধের অংশ ছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এ অর্থ পরিশোধ করার কথা ছিল।
কর্মকর্তাদের ধারণা, গত জানুয়ারি মাসে হ্যাকাররা এই অর্থ হাতিয়ে নেয়। তবে বিষয়টি এত দিন জানাজানি হয়নি।
গত বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা সাংবাদিকদের বলেন, শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের জন্য আগেই পাঠিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সাইবার অপরাধীরা মাঝপথে তা আটকে দিয়ে প্রকৃত গ্রাহকের বদলে অন্য ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে নেয়।
হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা বলেন, এ ঘটনায় সরকারি ঋণ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি হ্যাকারদের শনাক্তে বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা চাওয়া হচ্ছে।
হ্যাকাররা ঠিক কীভাবে এই অর্থ চুরি করেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তদন্তকারীদের ধারণা, সার্বভৌম ঋণ পরিশোধ প্রক্রিয়ায় ই–মেইলভিত্তিক অর্থ পরিশোধের নির্দেশনায় কারসাজি করেছিল সাইবার অপরাধীরা।
নির্ধারিত সময়ে অর্থ না পেয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে অভিযোগ জানানোর পর বিষয়টি শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তাদের নজরে আসে।
শ্রীলঙ্কার উপ-অর্থমন্ত্রী অনিল জয়ন্ত ফার্নান্দো বলেন, সাইবার অপরাধীরা ভারতকে পরিশোধের জন্য নির্ধারিত অর্থও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। ব্যাংক হিসাবের তথ্যে গরমিল দেখে সন্দেহ তৈরি হলে নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ। আর তখনই আগের চুরির বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
এই সাইবার হামলা শ্রীলঙ্কার জন্য নতুন এক ধাক্কা। চার বছর আগে দেশটি ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল। ওই সংকটে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শূন্য হয়ে পড়েছিল। সে সময় নিজেদের ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণখেলাপি ঘোষণা করেছিল কলম্বো।
খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের আমদানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সরকারবিরোধী তীব্র আন্দোলন। শেষমেশ ২০২২ সালের জুলাইয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে।
কলম্বোয় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়ে ক্যানবেরা অবগত রয়েছে।
ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় রাখছে। অস্ট্রেলিয়া এই তদন্তে সহায়তা করছে।’
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরুর দিকেই সাইবার প্রতারণার বিষয়ে শ্রীলঙ্কানদের সতর্ক করে স্থানীয় পত্রিকায় সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন দিয়েছিল দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যেই খোদ অর্থ মন্ত্রণালয়েই এ চুরির ঘটনা ঘটল।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.