
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে সূর্যমুখী চাষের পরিমাণ। কম খরচ, কম সেচ এবং ভালো বাজারমূল্যের আশায় কৃষকরা ঝুঁকছেন এই তেলবীজ ফসলের দিকে। এতে বদলে যাচ্ছে এলাকার কৃষিচিত্র এবং তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিস্তীর্ণ জমিতে এখন চোখ জুড়ানো হলুদ রঙের সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ। একসময় যেখানে বোরো ধান বা অন্যান্য ফসল চাষ হতো, সেখানে এখন সূর্যমুখীর আবাদ বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় কৃষক আবুল বাশার বলেন, এই তেলবীজ চাষে খরচের তুলনায় ফলন বেশি এবং লাভজনক হওয়ায় আমি প্রতিবছর এই চাষাবাদ করি। আমি উপজেলা থেকে কোনো সার বা বীজ পাইনি। এটা এমন একটা ফসল যা করতে পারলে নিশ্চিত লাভ। আমাদের এলাকায় আস্তে আস্তে সূর্যমুখী চাষের দিকে আগ্রহী হচ্ছেন অনেক কৃষক।
আরেক কৃষক সিরাজ খান বলেন, আমি এটা চাষ করে তেল নিজেও খাই এবং বিক্রিও করি। উপজেলা থেকে আমাকে ২০ কেজি সার এবং কিছু বীজ দিয়েছে। এই তেলবীজ চাষ অত্যন্ত লাভজনক, আমি মনে করি যারা কৃষক আছেন তাদের সবার এই চাষে উদ্যোগী হওয়া উচিত।
শ্রীরামপুর ইউনিয়নের তরুন কৃষক ওলি বলেন, আমি এই বছরই প্রথম সূর্যমুখী চাষ করেছি চব্বিশ শতাংশ জমিতে, আশা করি কমপক্ষে ৪০০ কেজি ফলন হবে যা থেকে অন্তত ৩০০ কেজি তেল হবে।
আশেপাশের যত ব্লক আছে তার মধ্যে আল্লাহর রহমতে আমার ফুলগুলো বড় হয়েছে এবং ফলন ভালো হয়েছে। তবে উপজেলা থেকে যদি আমাদের একটা পাম্প ব্যবস্থা করে দিতো তাহলে আমাদের সেচের জন্য আরও সুবিধা হতো।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সূর্যমুখী চাষে ধানের তুলনায় খরচ কম এবং সেচের প্রয়োজনও তুলনামূলক কম। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটের কারণে অনেক কৃষক বিকল্প হিসেবে এই ফসল বেছে নিচ্ছেন।
উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়ন ব্লকে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে এবং পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী ব্লকে চাষ হয়েছে ১০ হেক্টর জমিতে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ৪১ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি।
তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু সমস্যার কথাও তুলে ধরছেন কৃষকরা। তারা জানান, বাজারজাতকরণ, ন্যায্য মূল্য এবং তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাব বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইসমিতা আক্তার সোনিয়া বলেন, আমাদের দুমকি উপজেলায় সূর্যমুখীর আবাদ এবার বৃদ্ধি পেয়েছে। আমার লক্ষমাত্রা ছিলো ৩৫ হেক্টর, তবে আবাদ হয়েছে ৪১ হেক্টর জমিতে।
বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর ভোজ্য তেল আমদানি করতে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে থাকে, আমরা এই আমদানি ব্যয় হ্রাস করার জন্যে আমরা কৃষকদের এই তেলজাতীয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধির জন্য। এজন্যে কৃষি প্রনোদনার আওতায় কৃষকদের সার এবং বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বীজ,কীটনাশক দিয়ে থাকি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি এবছরের চেয়েও আগামী বছর দুমকিতে আরও বেশি সূর্যমুখী আবাদ বাড়বে এবং সরকারি সরবরাহ অনুযায়ী কৃষকদের যথাসাধ্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এদিকে, সূর্যমুখী ক্ষেতের সৌন্দর্য দেখতে অনেক দর্শনার্থীও ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় সূর্যমুখী ফুলের চাষীদের এমন সফলতা দেখে আরও অনেক তরুন উদ্যোক্তা কৃষকেরাও আগ্রহী হচ্ছেন এই তেলবীজ চাষে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে আরও সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দিলে আমাদের উপজেলা ব্যপক আকারে ছড়িয়ে যাবে লাভজনক এই ফসলের আবাদ।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দুমকিতে সূর্যমুখী চাষ দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে সূর্যমুখী চাষের পরিমাণ। কম খরচ, কম সেচ এবং ভালো বাজারমূল্যের আশায় কৃষকরা ঝুঁকছেন এই তেলবীজ ফসলের দিকে। এতে বদলে যাচ্ছে এলাকার কৃষিচিত্র এবং তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিস্তীর্ণ জমিতে এখন চোখ জুড়ানো হলুদ রঙের সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ। একসময় যেখানে বোরো ধান বা অন্যান্য ফসল চাষ হতো, সেখানে এখন সূর্যমুখীর আবাদ বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় কৃষক আবুল বাশার বলেন, এই তেলবীজ চাষে খরচের তুলনায় ফলন বেশি এবং লাভজনক হওয়ায় আমি প্রতিবছর এই চাষাবাদ করি। আমি উপজেলা থেকে কোনো সার বা বীজ পাইনি। এটা এমন একটা ফসল যা করতে পারলে নিশ্চিত লাভ। আমাদের এলাকায় আস্তে আস্তে সূর্যমুখী চাষের দিকে আগ্রহী হচ্ছেন অনেক কৃষক।
আরেক কৃষক সিরাজ খান বলেন, আমি এটা চাষ করে তেল নিজেও খাই এবং বিক্রিও করি। উপজেলা থেকে আমাকে ২০ কেজি সার এবং কিছু বীজ দিয়েছে। এই তেলবীজ চাষ অত্যন্ত লাভজনক, আমি মনে করি যারা কৃষক আছেন তাদের সবার এই চাষে উদ্যোগী হওয়া উচিত।
শ্রীরামপুর ইউনিয়নের তরুন কৃষক ওলি বলেন, আমি এই বছরই প্রথম সূর্যমুখী চাষ করেছি চব্বিশ শতাংশ জমিতে, আশা করি কমপক্ষে ৪০০ কেজি ফলন হবে যা থেকে অন্তত ৩০০ কেজি তেল হবে।
আশেপাশের যত ব্লক আছে তার মধ্যে আল্লাহর রহমতে আমার ফুলগুলো বড় হয়েছে এবং ফলন ভালো হয়েছে। তবে উপজেলা থেকে যদি আমাদের একটা পাম্প ব্যবস্থা করে দিতো তাহলে আমাদের সেচের জন্য আরও সুবিধা হতো।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সূর্যমুখী চাষে ধানের তুলনায় খরচ কম এবং সেচের প্রয়োজনও তুলনামূলক কম। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটের কারণে অনেক কৃষক বিকল্প হিসেবে এই ফসল বেছে নিচ্ছেন।
উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়ন ব্লকে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে এবং পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী ব্লকে চাষ হয়েছে ১০ হেক্টর জমিতে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ৪১ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি।
তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু সমস্যার কথাও তুলে ধরছেন কৃষকরা। তারা জানান, বাজারজাতকরণ, ন্যায্য মূল্য এবং তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাব বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইসমিতা আক্তার সোনিয়া বলেন, আমাদের দুমকি উপজেলায় সূর্যমুখীর আবাদ এবার বৃদ্ধি পেয়েছে। আমার লক্ষমাত্রা ছিলো ৩৫ হেক্টর, তবে আবাদ হয়েছে ৪১ হেক্টর জমিতে।
বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর ভোজ্য তেল আমদানি করতে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে থাকে, আমরা এই আমদানি ব্যয় হ্রাস করার জন্যে আমরা কৃষকদের এই তেলজাতীয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধির জন্য। এজন্যে কৃষি প্রনোদনার আওতায় কৃষকদের সার এবং বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বীজ,কীটনাশক দিয়ে থাকি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি এবছরের চেয়েও আগামী বছর দুমকিতে আরও বেশি সূর্যমুখী আবাদ বাড়বে এবং সরকারি সরবরাহ অনুযায়ী কৃষকদের যথাসাধ্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এদিকে, সূর্যমুখী ক্ষেতের সৌন্দর্য দেখতে অনেক দর্শনার্থীও ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় সূর্যমুখী ফুলের চাষীদের এমন সফলতা দেখে আরও অনেক তরুন উদ্যোক্তা কৃষকেরাও আগ্রহী হচ্ছেন এই তেলবীজ চাষে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে আরও সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দিলে আমাদের উপজেলা ব্যপক আকারে ছড়িয়ে যাবে লাভজনক এই ফসলের আবাদ।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দুমকিতে সূর্যমুখী চাষ দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৩
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৮
নির্বাচনি পরীক্ষায় (টেস্ট) সব বিষয়ে ফেল তারপরও এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূর্ণ না করে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে আসিকুর রহমান। এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছে গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর ফরমপূর্ণ করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্ত শিক্ষা বোর্ড কিভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া শুধুমাত্র আশিকুর রহমানের প্রবেশপত্র ছাড় করলেন এ মর্মে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিলেন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
জানা গেছে, গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে (৩৫১) উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০৩ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনী পরীক্ষায় ১৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিলে কৃতকার্যের সাথে ফরম পূর্ণ করে ১০২ জন।
যার মধ্যে আসিকুর রহমানের নাম নেই। বাবার নাম : জামাল হোসেন, মাতার নাম : নার্গিস পারভিন। বোর্ডের অনলাইন চালু থাকার পর কিভাবে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ম্যানুয়ালে পদ্ধতিতে ফরম পূর্ণ করে আসিক তা অধ্যক্ষের বোধগম্য নয় এবং তিনি কাগজপত্র দেননি তা বোর্ডের অভিযোগে উল্লেখ করেন।
আসিকুর রহমান যখন বোর্ড থেকে হাতে হাতে প্রবেশপত্র আনে তখন আ: লতিফ মিয়াসহ ৪৪ জন অকৃতকার্যের অভিভাবকরা বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। এতে তোপের মুখে পড়েন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
এ ব্যাপারে গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হোসেন জানান, উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে আসিকুর রহমান মানবিক শাখা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তার রোল নম্বর ৯৯০০৩২, তার রেজি : ২৩১৫১৯৪৭১৪, বোর্ড থেকে নামের হাজিরা সিটে তার নাম নাই। কিন্তু তার প্রবেশপত্র ও রেজিষ্ট্রশন কার্ড আছে বিধায় হাজিরা সীট তৈরী করে স্বাক্ষর নিচ্ছি।
উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো: মাহফুজুর রহমান বলেন, বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ওই ছাত্রকে নিয়ে আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জি এম সহিদুল ইসলাম জানান, পরীক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খতিয়ে দেখার জন্য অভিভাবকসহ আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছি। অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নির্বাচনি পরীক্ষায় (টেস্ট) সব বিষয়ে ফেল তারপরও এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূর্ণ না করে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে আসিকুর রহমান। এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছে গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর ফরমপূর্ণ করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্ত শিক্ষা বোর্ড কিভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া শুধুমাত্র আশিকুর রহমানের প্রবেশপত্র ছাড় করলেন এ মর্মে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিলেন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
জানা গেছে, গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে (৩৫১) উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০৩ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনী পরীক্ষায় ১৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিলে কৃতকার্যের সাথে ফরম পূর্ণ করে ১০২ জন।
যার মধ্যে আসিকুর রহমানের নাম নেই। বাবার নাম : জামাল হোসেন, মাতার নাম : নার্গিস পারভিন। বোর্ডের অনলাইন চালু থাকার পর কিভাবে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ম্যানুয়ালে পদ্ধতিতে ফরম পূর্ণ করে আসিক তা অধ্যক্ষের বোধগম্য নয় এবং তিনি কাগজপত্র দেননি তা বোর্ডের অভিযোগে উল্লেখ করেন।
আসিকুর রহমান যখন বোর্ড থেকে হাতে হাতে প্রবেশপত্র আনে তখন আ: লতিফ মিয়াসহ ৪৪ জন অকৃতকার্যের অভিভাবকরা বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। এতে তোপের মুখে পড়েন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
এ ব্যাপারে গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হোসেন জানান, উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে আসিকুর রহমান মানবিক শাখা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তার রোল নম্বর ৯৯০০৩২, তার রেজি : ২৩১৫১৯৪৭১৪, বোর্ড থেকে নামের হাজিরা সিটে তার নাম নাই। কিন্তু তার প্রবেশপত্র ও রেজিষ্ট্রশন কার্ড আছে বিধায় হাজিরা সীট তৈরী করে স্বাক্ষর নিচ্ছি।
উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো: মাহফুজুর রহমান বলেন, বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ওই ছাত্রকে নিয়ে আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জি এম সহিদুল ইসলাম জানান, পরীক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খতিয়ে দেখার জন্য অভিভাবকসহ আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছি। অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.