
২৪ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫৪
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করেছেন, যা কিছুটা আশা জাগিয়েছে যে যুদ্ধ সম্ভবত এড়ানো যেতে পারে। তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় যুবরাজ ইরানের ওপর ধারাবাহিক চাপ বজায় রাখার পক্ষে জোর দিয়েছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে গড়ার এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
যুবরাজ আরও বলেছেন, ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি, এবং এই হুমকি মোকাবিলা করা সম্ভব শুধুমাত্র দেশটির বর্তমান সরকারকে অপসারণের মাধ্যমে।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সৌদি আরব সরকার জানিয়েছে, সৌদি আরব সংঘাত শুরু হওয়ার আগে থেকেই এর শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ছিল। আজ আমাদের প্রধান উদ্বেগ হলো জনগণ এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর প্রতিদিনের হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করা। ইরান গুরুতর কূটনৈতিক সমাধানের পরিবর্তে বিপজ্জনক চরমপন্থা বেছে নিয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি পক্ষের ক্ষতি করে, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ইরানের নিজস্ব।
চলমান যুদ্ধ এরই মধ্যে সৌদি আরবের জন্য গুরুতর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা তেলের বাজারকে ব্যাহত করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হুমকি সৃষ্টি করেছে। হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর রপ্তানি প্রভাবিত হয়েছে।
ট্রাম্প একদিকে সম্ভাব্য উত্তেজনা হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন, অন্যদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার আভাসও দিয়েছেন। সম্প্রতি তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, আমাদের শত্রুতার একটি সম্পূর্ণ ও সার্বিক সমাধানের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
তবে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুবরাজ মোহাম্মদ আরও কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং তেহরান সরকারের ওপর স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা।
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করেছেন, যা কিছুটা আশা জাগিয়েছে যে যুদ্ধ সম্ভবত এড়ানো যেতে পারে। তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় যুবরাজ ইরানের ওপর ধারাবাহিক চাপ বজায় রাখার পক্ষে জোর দিয়েছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে গড়ার এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
যুবরাজ আরও বলেছেন, ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি, এবং এই হুমকি মোকাবিলা করা সম্ভব শুধুমাত্র দেশটির বর্তমান সরকারকে অপসারণের মাধ্যমে।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সৌদি আরব সরকার জানিয়েছে, সৌদি আরব সংঘাত শুরু হওয়ার আগে থেকেই এর শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ছিল। আজ আমাদের প্রধান উদ্বেগ হলো জনগণ এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর প্রতিদিনের হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করা। ইরান গুরুতর কূটনৈতিক সমাধানের পরিবর্তে বিপজ্জনক চরমপন্থা বেছে নিয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি পক্ষের ক্ষতি করে, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ইরানের নিজস্ব।
চলমান যুদ্ধ এরই মধ্যে সৌদি আরবের জন্য গুরুতর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা তেলের বাজারকে ব্যাহত করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হুমকি সৃষ্টি করেছে। হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর রপ্তানি প্রভাবিত হয়েছে।
ট্রাম্প একদিকে সম্ভাব্য উত্তেজনা হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন, অন্যদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার আভাসও দিয়েছেন। সম্প্রতি তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, আমাদের শত্রুতার একটি সম্পূর্ণ ও সার্বিক সমাধানের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
তবে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুবরাজ মোহাম্মদ আরও কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং তেহরান সরকারের ওপর স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা।

০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০
ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় চমক দেখিয়েছে বিজয় থালাপতির দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি দলটি। ফলে জোট নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তার দলের ১০৭ এমপি একযোগে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (ডিএমকে) বা সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (এআইএডিএমকে) সরকার গঠনের চেষ্টা করলে দলের ১০৭ এমপি পদত্যাগ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে। দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকের শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এম কে স্টালিনের ডিএমকে এবং ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুই দলের জোট হলে সর্বাধিক জনসমর্থন পাওয়া দল টিভিকে পিছিয়ে পড়তে পারে।
১০৭টি আসন জিতে টিভিকে দাবি করছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের জন্য গভর্নরের উচিত তাদের আমন্ত্রণ জানানো। তবে তামিলনাড়ুর গভর্নর আর ভি আর্লেকার বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানাতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, বিজয়ের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য বিজয় যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, তা-ও তিনি গ্রহণ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকেও গভর্নর জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১১৮ এমপির সমর্থনের চিঠি জমা দিতে হবে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে টিভিকের আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। এরই মধ্যে কংগ্রেসের ৫ এমপি তাদের সমর্থন দিয়েছে। বাম দল এবং কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে বাকি সমর্থন জোগাড়ে আলোচনা চলছে। সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে টিভিকে।

০২ মে, ২০২৬ ১২:১৭
কুয়েত সিটির ফারওয়ানিয়া গভর্নরেটে বাসযাত্রীদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ডাকাতির ঘটনায় তিন সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তাররা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। জেলিব আল-শুয়ুখ পুলিশ স্টেশনের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। একটি গণপরিবহন কোম্পানির টিকিট পরিদর্শকের অভিযোগের পর এ অভিযান শুরু হয়। ওই পরিদর্শক জানান, বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে বারবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছিল।
অভিযোগ পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী নজরদারি বাড়ায় এবং যাচাই-বাছাই শুরু করে। বাসের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয় এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৩৩৩ কুয়েতি দিনার উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো ডাকাতির অর্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জব্দকৃত অর্থসহ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। একই সঙ্গে জনগণকে যে কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য জরুরি নম্বর ১১২-এ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র : আরব টাইমস

০১ মে, ২০২৬ ১৪:৩০
উনিশ শতকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন দ্রুত এগোলেও শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য তেমন কোনো নিয়মকানুন ছিল না। ফলে সেই সময়ের শ্রমিকদের শোচনীয় মজুরি ও দীর্ঘ, ক্লান্তিকর কর্মঘণ্টা সহ্য করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসে পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে, যখন হাজার হাজার শ্রমিক দৈনিক কাজের সময় নির্দিষ্ট ও মানবিক সীমায় আনার দাবিতে শিকাগোর রাস্তায় নেমে আসে।
হেমার্কেট দাঙ্গার সময় একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা ব্যাপক দমনপীড়নের সূচনা করে। এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষেরই প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত করে।
উত্তর আমেরিকায় তারিখ ভিন্ন কেন?
একটি বৈপরীত্য হলো, যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আন্দোলনের সূচনা, সেই দেশেই ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রমিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবারকে বেছে নিয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ১৮৮৬ সালের তুলনামূলকভাবে সংগ্রামী শ্রমিক আন্দোলনের আদর্শ থেকে দূরে রাখা।
অন্যদিকে, ফ্রান্স বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশগুলো ১ মে-কে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গ্রহণ করে, যেখানে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিন্তু উত্তর আমেরিকায় এই তারিখটিকে দীর্ঘদিন ধরে তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের আলোচনা নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান শ্রমবাজারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
যদিও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের মতো ঐতিহাসিক অর্জন এখনো বিদ্যমান, তবুও মজুরির বৈষম্য এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত ও আধুনিক উদ্যোগ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় চমক দেখিয়েছে বিজয় থালাপতির দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি দলটি। ফলে জোট নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তার দলের ১০৭ এমপি একযোগে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (ডিএমকে) বা সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (এআইএডিএমকে) সরকার গঠনের চেষ্টা করলে দলের ১০৭ এমপি পদত্যাগ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে। দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকের শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এম কে স্টালিনের ডিএমকে এবং ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুই দলের জোট হলে সর্বাধিক জনসমর্থন পাওয়া দল টিভিকে পিছিয়ে পড়তে পারে।
১০৭টি আসন জিতে টিভিকে দাবি করছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের জন্য গভর্নরের উচিত তাদের আমন্ত্রণ জানানো। তবে তামিলনাড়ুর গভর্নর আর ভি আর্লেকার বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানাতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, বিজয়ের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য বিজয় যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, তা-ও তিনি গ্রহণ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকেও গভর্নর জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১১৮ এমপির সমর্থনের চিঠি জমা দিতে হবে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে টিভিকের আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। এরই মধ্যে কংগ্রেসের ৫ এমপি তাদের সমর্থন দিয়েছে। বাম দল এবং কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে বাকি সমর্থন জোগাড়ে আলোচনা চলছে। সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে টিভিকে।
কুয়েত সিটির ফারওয়ানিয়া গভর্নরেটে বাসযাত্রীদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ডাকাতির ঘটনায় তিন সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তাররা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। জেলিব আল-শুয়ুখ পুলিশ স্টেশনের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। একটি গণপরিবহন কোম্পানির টিকিট পরিদর্শকের অভিযোগের পর এ অভিযান শুরু হয়। ওই পরিদর্শক জানান, বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে বারবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছিল।
অভিযোগ পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী নজরদারি বাড়ায় এবং যাচাই-বাছাই শুরু করে। বাসের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয় এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৩৩৩ কুয়েতি দিনার উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো ডাকাতির অর্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জব্দকৃত অর্থসহ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। একই সঙ্গে জনগণকে যে কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য জরুরি নম্বর ১১২-এ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র : আরব টাইমস
উনিশ শতকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন দ্রুত এগোলেও শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য তেমন কোনো নিয়মকানুন ছিল না। ফলে সেই সময়ের শ্রমিকদের শোচনীয় মজুরি ও দীর্ঘ, ক্লান্তিকর কর্মঘণ্টা সহ্য করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসে পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে, যখন হাজার হাজার শ্রমিক দৈনিক কাজের সময় নির্দিষ্ট ও মানবিক সীমায় আনার দাবিতে শিকাগোর রাস্তায় নেমে আসে।
হেমার্কেট দাঙ্গার সময় একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা ব্যাপক দমনপীড়নের সূচনা করে। এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষেরই প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত করে।
উত্তর আমেরিকায় তারিখ ভিন্ন কেন?
একটি বৈপরীত্য হলো, যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আন্দোলনের সূচনা, সেই দেশেই ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রমিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবারকে বেছে নিয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ১৮৮৬ সালের তুলনামূলকভাবে সংগ্রামী শ্রমিক আন্দোলনের আদর্শ থেকে দূরে রাখা।
অন্যদিকে, ফ্রান্স বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশগুলো ১ মে-কে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গ্রহণ করে, যেখানে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিন্তু উত্তর আমেরিকায় এই তারিখটিকে দীর্ঘদিন ধরে তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের আলোচনা নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান শ্রমবাজারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
যদিও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের মতো ঐতিহাসিক অর্জন এখনো বিদ্যমান, তবুও মজুরির বৈষম্য এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত ও আধুনিক উদ্যোগ।