
৩০ জুন, ২০২৫ ১৭:১৯
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ৯ নম্বর দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভবন বেশ কয়েক দিন ধরে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে তালা ঝুলিয়ে বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাজমুল আহসান নান্টু মল্লিকের বিরুদ্ধে। যদিও তিনি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এদিকে, ১০ দিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদ তালাবদ্ধ থাকায় ইউনিয়নবাসী সেবা থেকে বঞ্ছিত হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন, এমনকি বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা।
তিনি জানান, এরপরও তিনি প্রতিকার পাচ্ছেন না। তিনি আরো অভিযোগ করেন, চাঁদা না দিলে ‘মবসৃষ্টি করে’ তাকে প্রাণনাশের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এরপর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাজমুল আহসান নান্টু মল্লিকেরসহ আট জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা বলেন, ‘‘২০ জুন তারা আমার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন।
প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন চাঁদা না দিলে রাস্তাঘাটে আমাকে পেলে মেরে ফেলবেন, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেবেন। গত ২২ জুন অস্ত্রশস্ত্রসহ তারা দলবল নিয়ে মহড়া দেন এবং ২৩ জুন ইউনিয়ন পরিষদে তালা ঝুলিয়ে দেন। স্থানীয়রা আপত্তি জানালে তাদের দেখে নেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে।’’
অন্য অভিযুক্তরা হলেন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ভাই ইকবাল মল্লিক, তাদের সহযোগী রিপমন মল্লিক, উজ্জল মল্লিক এবং জসিম হাওলাদার। দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ড মেম্বার আয়শা আক্তার রিনা বলেন, ‘‘আমি জেনেছি বিএনপির লোকজন পরিষদে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। এতে ইউনিয়ন পরিষদের জনস্বার্থের কাজ বন্ধ রয়েছে।’’
ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার হারুন খন্দকার বলেন, ‘‘ইউনিয়ন পরিষদ তালাবদ্ধ থাকায় লোকজন সেবা পাচ্ছেন না। কী জন্য তালা ঝুলিয়েছেন তা জানি না। এ সব নিয়ে কথা বলতে যাওয়াটাও ঝুঁকিপূর্ণ। স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির কিছু লোকজন মিলে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।’’
অভিযোগের বিষয়ে দপদপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নান্টু মল্লিক বলেন, ‘‘ইউনিয়ন পরিষদ পাবলিক অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। বিনা ভোটের চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর সারা বাংলায় একজনও নেই, উনি থাকবেন কিসের জন্য?’’
চেয়ারম্যানের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‘অসম্ভব। আমার এলাকায় এসে জিজ্ঞেস করেন, প্রশাসনের কাছে জিজ্ঞেস করেন, ৫ আগস্টের পরে কোনো ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে একটি টাকার বিষয়েও অভিযোগ আনতে পারবেন না।’’
নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান হেলাল খান বলেন, ‘‘কিছু ফ্যাসিস্ট তাড়াতে কিছু ত্যাগ করতে হয়। দপদপিয়া ইউনিয়নের বিষয়টি প্রশাসনিক ব্যাপার, এটি প্রশাসন দ্রুত সমাধান করবে বলে আশা করি।’’
নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমি লিখিতভাবে অভিযোগ পাইনি। তবে মৌখিকভাবে খবর পেয়েছি, কিছু লোক ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় তালাবদ্ধ করে রেখেছেন।
সেবা প্রত্যাশী বা অন্য কারো লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’ এ দিকে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধার অভিযোগপত্র দপ্তর গ্রহণ করেছে।
এর আগে গত ২২ জুন সকালে দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে অপসারণ এবং গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের জিরো পয়েন্ট এলাকা অবরোধ করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এর পরপরই তারা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দপদপিয়া ইউনিয়নের সভাপতি।’
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ৯ নম্বর দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভবন বেশ কয়েক দিন ধরে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে তালা ঝুলিয়ে বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাজমুল আহসান নান্টু মল্লিকের বিরুদ্ধে। যদিও তিনি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এদিকে, ১০ দিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদ তালাবদ্ধ থাকায় ইউনিয়নবাসী সেবা থেকে বঞ্ছিত হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন, এমনকি বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা।
তিনি জানান, এরপরও তিনি প্রতিকার পাচ্ছেন না। তিনি আরো অভিযোগ করেন, চাঁদা না দিলে ‘মবসৃষ্টি করে’ তাকে প্রাণনাশের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এরপর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাজমুল আহসান নান্টু মল্লিকেরসহ আট জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা বলেন, ‘‘২০ জুন তারা আমার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন।
প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন চাঁদা না দিলে রাস্তাঘাটে আমাকে পেলে মেরে ফেলবেন, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেবেন। গত ২২ জুন অস্ত্রশস্ত্রসহ তারা দলবল নিয়ে মহড়া দেন এবং ২৩ জুন ইউনিয়ন পরিষদে তালা ঝুলিয়ে দেন। স্থানীয়রা আপত্তি জানালে তাদের দেখে নেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে।’’
অন্য অভিযুক্তরা হলেন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ভাই ইকবাল মল্লিক, তাদের সহযোগী রিপমন মল্লিক, উজ্জল মল্লিক এবং জসিম হাওলাদার। দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ড মেম্বার আয়শা আক্তার রিনা বলেন, ‘‘আমি জেনেছি বিএনপির লোকজন পরিষদে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। এতে ইউনিয়ন পরিষদের জনস্বার্থের কাজ বন্ধ রয়েছে।’’
ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার হারুন খন্দকার বলেন, ‘‘ইউনিয়ন পরিষদ তালাবদ্ধ থাকায় লোকজন সেবা পাচ্ছেন না। কী জন্য তালা ঝুলিয়েছেন তা জানি না। এ সব নিয়ে কথা বলতে যাওয়াটাও ঝুঁকিপূর্ণ। স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির কিছু লোকজন মিলে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।’’
অভিযোগের বিষয়ে দপদপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নান্টু মল্লিক বলেন, ‘‘ইউনিয়ন পরিষদ পাবলিক অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। বিনা ভোটের চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর সারা বাংলায় একজনও নেই, উনি থাকবেন কিসের জন্য?’’
চেয়ারম্যানের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‘অসম্ভব। আমার এলাকায় এসে জিজ্ঞেস করেন, প্রশাসনের কাছে জিজ্ঞেস করেন, ৫ আগস্টের পরে কোনো ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে একটি টাকার বিষয়েও অভিযোগ আনতে পারবেন না।’’
নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান হেলাল খান বলেন, ‘‘কিছু ফ্যাসিস্ট তাড়াতে কিছু ত্যাগ করতে হয়। দপদপিয়া ইউনিয়নের বিষয়টি প্রশাসনিক ব্যাপার, এটি প্রশাসন দ্রুত সমাধান করবে বলে আশা করি।’’
নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমি লিখিতভাবে অভিযোগ পাইনি। তবে মৌখিকভাবে খবর পেয়েছি, কিছু লোক ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় তালাবদ্ধ করে রেখেছেন।
সেবা প্রত্যাশী বা অন্য কারো লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’ এ দিকে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধার অভিযোগপত্র দপ্তর গ্রহণ করেছে।
এর আগে গত ২২ জুন সকালে দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে অপসারণ এবং গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের জিরো পয়েন্ট এলাকা অবরোধ করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এর পরপরই তারা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দপদপিয়া ইউনিয়নের সভাপতি।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০০
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:২২
ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে রাজা ইলিশ। মাছটির ওজন দুই কেজি ৮০০ গ্রাম। মাছটি নিলামে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে বিক্রি করা হয়।
আড়তের ম্যানেজার নাহিদ বলেন, শনিবার সকালে কলাতলীচর আবাসন খালের কামাল মাঝিসহ সঙ্গীয় জেলেরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিল। এই সময় জারে ওঠে আসে রাজা ইলিশ মাছটি। উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।
মৎস্য ঘাটের বেপারি আইয়ুব পাটোয়ারী বলেন, আমিসহ অন্য বেপারির উপস্থিতিতে মাছটি আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্চ দাম ৯ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী।
ব্যবসায়ী রাজিব চৌধুরী বলেন, ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। ঢাকার পাইকারি আড়তে বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারব বলে আশাবাদী।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, প্রতিবছর ইলিশ প্রজনন মৌসুম সফল হওয়ায় জেলের জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়েছে। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশাবাদী।
ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে রাজা ইলিশ। মাছটির ওজন দুই কেজি ৮০০ গ্রাম। মাছটি নিলামে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে বিক্রি করা হয়।
আড়তের ম্যানেজার নাহিদ বলেন, শনিবার সকালে কলাতলীচর আবাসন খালের কামাল মাঝিসহ সঙ্গীয় জেলেরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিল। এই সময় জারে ওঠে আসে রাজা ইলিশ মাছটি। উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।
মৎস্য ঘাটের বেপারি আইয়ুব পাটোয়ারী বলেন, আমিসহ অন্য বেপারির উপস্থিতিতে মাছটি আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্চ দাম ৯ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী।
ব্যবসায়ী রাজিব চৌধুরী বলেন, ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। ঢাকার পাইকারি আড়তে বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারব বলে আশাবাদী।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, প্রতিবছর ইলিশ প্রজনন মৌসুম সফল হওয়ায় জেলের জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়েছে। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশাবাদী।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৫
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.