
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:২১
ঝালকাঠিতে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় কারাগারে থাকা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীম (৪০) নির্দোষ দাবি করে তার জামিনের পক্ষে আদালতে হলফনামা (এফিডেভিট) দাখিল করেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা। পুলিশের প্রতিবেদনে শামীমকে যুবলীগ নেতা ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ক্যাডার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, বিএনপি নেতারা আদালতে দেওয়া হলফনামায় সুপারিশ করেছেন, তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী এবং মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
গত বুধবার (১ জুলাই) ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শামীমের জামিন শুনানির সময় বিষয়টি সামনে আসে। তবে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এই সুপারিশের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জামিন শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনকে আদালত ভর্ৎসনা করেন বলে জানা গেছে। এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মাহেব হোসেন জামিন শুনানির সময় হলফনামা দাখিল এবং আইনজীবীকে ভর্ৎসনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আদালতপাড়া ও শহরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল।
মামলায় জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল শরীফ এবং জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তরুণ কর্মকার, থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদসহ ১৪৬ জনকে আসামি করা হয়।
গত ১৬ জুন ঝালকাঠি থানা পুলিশ মামলাটিতে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীমকে গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় আটক শামীম বিএনপি নেতা ও এপিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনের ভগ্নিপতি বলে জানা গেছে।
জাকির হোসেন শামীমকে নির্দোষ দাবি করে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে, তাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন খোকন, সহসভাপতি আনিচুজ্জামান চপল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম, শহর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান এবং জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা স্বাক্ষর করেছেন।
হলফনামায় স্বাক্ষরকারীরা নিজেদের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা ও পৌর শাখার নেতা এবং ওই মামলার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তারা হলফনামায় দাবি করেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাকির হোসেন শামীমকে ঘটনাস্থলে বা আশপাশে কেউ দেখেননি। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে দেখা যায়নি।
হলফনামায় আরও বলা হয়, শামীমের বিরুদ্ধে ওই ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য তাদের জানা নেই। যদি তার সম্পৃক্ততা থাকত, তাহলে তারা বাদীকে বিষয়টি জানাতেন এবং এজাহারে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
এতে দাবি করা হয়, তদন্তকারী কর্মকর্তা শামীমকে গ্রেপ্তারের আগে কোনো সাক্ষী বা বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি এবং তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, শামীম ঝালকাঠি শহরের সিটি পার্ক রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতান হোসেন খানের ছেলে। তার ছোট ভাই শাহীন খান পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, মা খাদিজা বেগম পৌর মহিলা দলের সাবেক সভাপতি এবং শামীম বর্তমানে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মামলার সাক্ষী হিসেবে একজন নির্দোষ ব্যক্তির বিষয়ে এফিডেভিট দিয়েছি।
তবে মামলার বাদী ও পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল বলেন, জাকির হোসেন শামীম আমার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুনেছি, তিনি আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিং ও কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতার সঙ্গে তার ছবিও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদিও তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটির সদস্য ছিলেন না, তবুও দলটির রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল।’
ঝালকাঠিতে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় কারাগারে থাকা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীম (৪০) নির্দোষ দাবি করে তার জামিনের পক্ষে আদালতে হলফনামা (এফিডেভিট) দাখিল করেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা। পুলিশের প্রতিবেদনে শামীমকে যুবলীগ নেতা ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ক্যাডার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, বিএনপি নেতারা আদালতে দেওয়া হলফনামায় সুপারিশ করেছেন, তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী এবং মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
গত বুধবার (১ জুলাই) ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শামীমের জামিন শুনানির সময় বিষয়টি সামনে আসে। তবে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এই সুপারিশের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জামিন শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনকে আদালত ভর্ৎসনা করেন বলে জানা গেছে। এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মাহেব হোসেন জামিন শুনানির সময় হলফনামা দাখিল এবং আইনজীবীকে ভর্ৎসনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আদালতপাড়া ও শহরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল।
মামলায় জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল শরীফ এবং জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তরুণ কর্মকার, থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদসহ ১৪৬ জনকে আসামি করা হয়।
গত ১৬ জুন ঝালকাঠি থানা পুলিশ মামলাটিতে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীমকে গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় আটক শামীম বিএনপি নেতা ও এপিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনের ভগ্নিপতি বলে জানা গেছে।
জাকির হোসেন শামীমকে নির্দোষ দাবি করে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে, তাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন খোকন, সহসভাপতি আনিচুজ্জামান চপল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম, শহর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান এবং জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা স্বাক্ষর করেছেন।
হলফনামায় স্বাক্ষরকারীরা নিজেদের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা ও পৌর শাখার নেতা এবং ওই মামলার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তারা হলফনামায় দাবি করেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাকির হোসেন শামীমকে ঘটনাস্থলে বা আশপাশে কেউ দেখেননি। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে দেখা যায়নি।
হলফনামায় আরও বলা হয়, শামীমের বিরুদ্ধে ওই ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য তাদের জানা নেই। যদি তার সম্পৃক্ততা থাকত, তাহলে তারা বাদীকে বিষয়টি জানাতেন এবং এজাহারে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
এতে দাবি করা হয়, তদন্তকারী কর্মকর্তা শামীমকে গ্রেপ্তারের আগে কোনো সাক্ষী বা বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি এবং তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, শামীম ঝালকাঠি শহরের সিটি পার্ক রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতান হোসেন খানের ছেলে। তার ছোট ভাই শাহীন খান পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, মা খাদিজা বেগম পৌর মহিলা দলের সাবেক সভাপতি এবং শামীম বর্তমানে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মামলার সাক্ষী হিসেবে একজন নির্দোষ ব্যক্তির বিষয়ে এফিডেভিট দিয়েছি।
তবে মামলার বাদী ও পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল বলেন, জাকির হোসেন শামীম আমার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুনেছি, তিনি আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিং ও কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতার সঙ্গে তার ছবিও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদিও তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটির সদস্য ছিলেন না, তবুও দলটির রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল।’

০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ঝালকাঠির পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে যোগদানের মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) থেকে আসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লাকে। পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) জরুরি তলবে সোমবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় তিনি ঢাকা ফিরে যান। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।
এর আগে ৫ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই প্রজ্ঞাপনের আলোকে তিনি সোমবার বিকালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিকে,সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বদরুল আলম মোল্লার একটি কথোপকথনের অডিও ছড়িয়ে পড়ে। সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, পুলিশ সুপার পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের বিষয় ওই অডিওতে উঠে এসেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার করে বদরুল আলম মোল্লা বললেন, ‘তার বদলি সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্তে হয়েছে।এতে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন হয়নি। ভাইরাল হওয়া কল রেকর্ড বিকৃত ও বিভ্রান্তিকর এবং তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই এটি প্রচার করা হয়েছে।’
দৈনিক দেশ রূপান্তরের ঢাকা অফিসের সাংবাদিক হামিদের সঙ্গে তার কথোপকথনের একটি অংশ বিকৃতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বর্তমানে ঝালকাঠির দায়িত্বে আছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, ‘আমাকে আপাতত ওয়েটিংয়ে রাখা হয়েছে। পরে জানানো হবে, কোন জেলায় দায়িত্ব দেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠির পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে যোগদানের মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) থেকে আসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লাকে। পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) জরুরি তলবে সোমবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় তিনি ঢাকা ফিরে যান। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।
এর আগে ৫ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই প্রজ্ঞাপনের আলোকে তিনি সোমবার বিকালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিকে,সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বদরুল আলম মোল্লার একটি কথোপকথনের অডিও ছড়িয়ে পড়ে। সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, পুলিশ সুপার পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের বিষয় ওই অডিওতে উঠে এসেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার করে বদরুল আলম মোল্লা বললেন, ‘তার বদলি সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্তে হয়েছে।এতে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন হয়নি। ভাইরাল হওয়া কল রেকর্ড বিকৃত ও বিভ্রান্তিকর এবং তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই এটি প্রচার করা হয়েছে।’
দৈনিক দেশ রূপান্তরের ঢাকা অফিসের সাংবাদিক হামিদের সঙ্গে তার কথোপকথনের একটি অংশ বিকৃতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বর্তমানে ঝালকাঠির দায়িত্বে আছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, ‘আমাকে আপাতত ওয়েটিংয়ে রাখা হয়েছে। পরে জানানো হবে, কোন জেলায় দায়িত্ব দেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে গিয়ে বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। তবে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা দ্রুত বের হয়ে আসতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে। দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নলছিটি উপজেলার পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রো-১১-০০৭৩ নম্বরের নাহিদ সুপার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসকে ওভারটেক করার সময় দুই বাসের মাঝখানে একটি আলফা (থ্রি-হুইলার) চলে আসে। সেটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার সময় বাসটির সুপারভাইজার বাসের নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত সুপারভাইজারের পরিচয় জানা যায়নি।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বাসটি উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন যৌথভাবে কাজ করছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে গিয়ে বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। তবে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা দ্রুত বের হয়ে আসতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে। দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নলছিটি উপজেলার পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রো-১১-০০৭৩ নম্বরের নাহিদ সুপার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসকে ওভারটেক করার সময় দুই বাসের মাঝখানে একটি আলফা (থ্রি-হুইলার) চলে আসে। সেটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার সময় বাসটির সুপারভাইজার বাসের নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত সুপারভাইজারের পরিচয় জানা যায়নি।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বাসটি উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন যৌথভাবে কাজ করছে।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৫
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ফুটবল খেলা নিয়ে তর্কের জেরে এক যুবকের নাকের হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ( ৩ জুলাই) বিকেলে কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবকের নাম হাসিবুল ইসলাম (২০)।তিনি বারইকরন গ্রামের ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের ছেলে।
তাঁর পরিবারের অভিযোগ, ফুটবল খেলা নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পাশের সরই গ্রামের আক্কেল আলী মোল্লার নাতি শুভ হোসেন তাঁকে ঘুষি মারেন। এতে হাসিবুল ইসলামের নাকে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাঁকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।চিকিৎসক জানান, তাঁর নাকের হাড় ভেঙে গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আক্কেল আলী মোল্লার মেয়ের জামাই প্রবাসে থাকায় পরিবারটি আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে। তাঁদের দাবি, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে এসেছে।
এছাড়া অভিযুক্ত শুভর বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে মাদকসেবনের অভিযোগও রয়েছে বলে কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান জানান, বিষয়টি আমাদের অবগত করা হয়েছে। আগে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ফুটবল খেলা নিয়ে তর্কের জেরে এক যুবকের নাকের হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ( ৩ জুলাই) বিকেলে কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবকের নাম হাসিবুল ইসলাম (২০)।তিনি বারইকরন গ্রামের ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের ছেলে।
তাঁর পরিবারের অভিযোগ, ফুটবল খেলা নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পাশের সরই গ্রামের আক্কেল আলী মোল্লার নাতি শুভ হোসেন তাঁকে ঘুষি মারেন। এতে হাসিবুল ইসলামের নাকে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাঁকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।চিকিৎসক জানান, তাঁর নাকের হাড় ভেঙে গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আক্কেল আলী মোল্লার মেয়ের জামাই প্রবাসে থাকায় পরিবারটি আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে। তাঁদের দাবি, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে এসেছে।
এছাড়া অভিযুক্ত শুভর বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে মাদকসেবনের অভিযোগও রয়েছে বলে কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান জানান, বিষয়টি আমাদের অবগত করা হয়েছে। আগে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’