ঝালকাঠিতে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় কারাগারে থাকা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীম (৪০) নির্দোষ দাবি করে তার জামিনের পক্ষে আদালতে হলফনামা (এফিডেভিট) দাখিল করেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা। পুলিশের প্রতিবেদনে শামীমকে যুবলীগ নেতা ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ক্যাডার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, বিএনপি নেতারা আদালতে দেওয়া হলফনামায় সুপারিশ করেছেন, তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী এবং মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
গত বুধবার (১ জুলাই) ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শামীমের জামিন শুনানির সময় বিষয়টি সামনে আসে। তবে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এই সুপারিশের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জামিন শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনকে আদালত ভর্ৎসনা করেন বলে জানা গেছে। এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মাহেব হোসেন জামিন শুনানির সময় হলফনামা দাখিল এবং আইনজীবীকে ভর্ৎসনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আদালতপাড়া ও শহরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল।
মামলায় জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল শরীফ এবং জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তরুণ কর্মকার, থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদসহ ১৪৬ জনকে আসামি করা হয়।
গত ১৬ জুন ঝালকাঠি থানা পুলিশ মামলাটিতে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীমকে গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় আটক শামীম বিএনপি নেতা ও এপিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনের ভগ্নিপতি বলে জানা গেছে।
জাকির হোসেন শামীমকে নির্দোষ দাবি করে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে, তাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন খোকন, সহসভাপতি আনিচুজ্জামান চপল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম, শহর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান এবং জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা স্বাক্ষর করেছেন।
হলফনামায় স্বাক্ষরকারীরা নিজেদের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা ও পৌর শাখার নেতা এবং ওই মামলার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তারা হলফনামায় দাবি করেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাকির হোসেন শামীমকে ঘটনাস্থলে বা আশপাশে কেউ দেখেননি। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে দেখা যায়নি।
হলফনামায় আরও বলা হয়, শামীমের বিরুদ্ধে ওই ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য তাদের জানা নেই। যদি তার সম্পৃক্ততা থাকত, তাহলে তারা বাদীকে বিষয়টি জানাতেন এবং এজাহারে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
এতে দাবি করা হয়, তদন্তকারী কর্মকর্তা শামীমকে গ্রেপ্তারের আগে কোনো সাক্ষী বা বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি এবং তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, শামীম ঝালকাঠি শহরের সিটি পার্ক রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতান হোসেন খানের ছেলে। তার ছোট ভাই শাহীন খান পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, মা খাদিজা বেগম পৌর মহিলা দলের সাবেক সভাপতি এবং শামীম বর্তমানে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মামলার সাক্ষী হিসেবে একজন নির্দোষ ব্যক্তির বিষয়ে এফিডেভিট দিয়েছি।
তবে মামলার বাদী ও পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল বলেন, জাকির হোসেন শামীম আমার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুনেছি, তিনি আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিং ও কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতার সঙ্গে তার ছবিও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদিও তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটির সদস্য ছিলেন না, তবুও দলটির রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল।’

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৫
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীরে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভার বিরুদ্ধে। নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ঝালকাঠি শহরের মেঘনা তেলের ডিপোসংলগ্ন স্থানে সুগন্ধা নদীর পাড় ও নলছিটি পৌর এলাকার কলবাড়ীসহ নদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। এসব স্তূপে গৃহস্থালি বর্জ্য, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা রয়েছে। বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। এর একটি অংশ নির্দিষ্ট স্থানে না নিয়ে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। পরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্যের একটি অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা এইচ এম সিজার বলেন,পৌরসভার যত বর্জ্য আছে, সেগুলো নিয়ে এসে কলবাড়ী এলাকার সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে ময়লা নদীতেও মিশে যাচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন।
ঝালকাঠি পৌর শহরে বাসিন্দা মাহবুব হোসেন সৈকত বলেন,নদীর পাশে ময়লা ফেলায় সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। বৃষ্টি হলে ময়লা পানিতে মিশে নদীতে চলে যায়। দ্রুত এভাবে ময়লা ফেলা বন্ধ করা দরকার।
সুজন ও ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি ইসমাঈল মুসাফির বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌর এলাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হয় তা সংগ্রহ ও অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অনেক কিন্তু বাস্তবে কম। দুটি পৌরসভার বর্জ্যই সুগন্ধা নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এগুলোর গলিত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে চলে যাচ্ছে। জোয়ার ও বৃষ্টিতে আশপাশের কৃষিজমি ও নদীনালায় যাচ্ছে। অনেক সময় বর্জ্য পুড়িয়ে দিলেও বাতাস দূষিত হচ্ছে। সভ্য কোনো দেশে এভাবে নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা হয় না।
পৌর রাজস্ব বাজেটের অনেকটাই খরচ হওয়ার কথা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। রাতের অন্ধকারে সড়কের পাশে, নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন তৈরি করতে পারলে ময়লা ধ্বংস বা রিসাইকেল করা যাবে- যা স্থায়ী সমাধান।
ঝালকাঠির কুনিহারীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাইট ক্লিয়ারেন্স ও পরিবেশের ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়নি। অন্যদিকে নলছিটি পৌরসভার ক্ষেত্রেও এমন উদ্যোগ নিতে হবে।
নলছিটি পৌর প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেন, এর আগে ডাম্পিং স্টেশন ছিল না। বর্তমানে পৌরসভার জন্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরে যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ মমিন উদ্দিন বলেন,পৌরসভার প্রশাসকদের আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নদীর তীরে ময়লা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি নদীতে ময়লা ফেলা হয়, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীরে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভার বিরুদ্ধে। নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ঝালকাঠি শহরের মেঘনা তেলের ডিপোসংলগ্ন স্থানে সুগন্ধা নদীর পাড় ও নলছিটি পৌর এলাকার কলবাড়ীসহ নদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। এসব স্তূপে গৃহস্থালি বর্জ্য, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা রয়েছে। বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। এর একটি অংশ নির্দিষ্ট স্থানে না নিয়ে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। পরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্যের একটি অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা এইচ এম সিজার বলেন,পৌরসভার যত বর্জ্য আছে, সেগুলো নিয়ে এসে কলবাড়ী এলাকার সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে ময়লা নদীতেও মিশে যাচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন।
ঝালকাঠি পৌর শহরে বাসিন্দা মাহবুব হোসেন সৈকত বলেন,নদীর পাশে ময়লা ফেলায় সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। বৃষ্টি হলে ময়লা পানিতে মিশে নদীতে চলে যায়। দ্রুত এভাবে ময়লা ফেলা বন্ধ করা দরকার।
সুজন ও ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি ইসমাঈল মুসাফির বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌর এলাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হয় তা সংগ্রহ ও অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অনেক কিন্তু বাস্তবে কম। দুটি পৌরসভার বর্জ্যই সুগন্ধা নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এগুলোর গলিত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে চলে যাচ্ছে। জোয়ার ও বৃষ্টিতে আশপাশের কৃষিজমি ও নদীনালায় যাচ্ছে। অনেক সময় বর্জ্য পুড়িয়ে দিলেও বাতাস দূষিত হচ্ছে। সভ্য কোনো দেশে এভাবে নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা হয় না।
পৌর রাজস্ব বাজেটের অনেকটাই খরচ হওয়ার কথা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। রাতের অন্ধকারে সড়কের পাশে, নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন তৈরি করতে পারলে ময়লা ধ্বংস বা রিসাইকেল করা যাবে- যা স্থায়ী সমাধান।
ঝালকাঠির কুনিহারীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাইট ক্লিয়ারেন্স ও পরিবেশের ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়নি। অন্যদিকে নলছিটি পৌরসভার ক্ষেত্রেও এমন উদ্যোগ নিতে হবে।
নলছিটি পৌর প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেন, এর আগে ডাম্পিং স্টেশন ছিল না। বর্তমানে পৌরসভার জন্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরে যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ মমিন উদ্দিন বলেন,পৌরসভার প্রশাসকদের আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নদীর তীরে ময়লা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি নদীতে ময়লা ফেলা হয়, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৩৯
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।ঘড়ি কিনুন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কবির হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাজিব হাওলাদার (২৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদককারবারে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছের রায়হান বলেন, ‘এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।ঘড়ি কিনুন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কবির হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাজিব হাওলাদার (২৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদককারবারে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছের রায়হান বলেন, ‘এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:২৮
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:২১
ঝালকাঠিতে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় কারাগারে থাকা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীম (৪০) নির্দোষ দাবি করে তার জামিনের পক্ষে আদালতে হলফনামা (এফিডেভিট) দাখিল করেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা। পুলিশের প্রতিবেদনে শামীমকে যুবলীগ নেতা ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ক্যাডার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, বিএনপি নেতারা আদালতে দেওয়া হলফনামায় সুপারিশ করেছেন, তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী এবং মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
গত বুধবার (১ জুলাই) ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শামীমের জামিন শুনানির সময় বিষয়টি সামনে আসে। তবে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এই সুপারিশের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জামিন শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনকে আদালত ভর্ৎসনা করেন বলে জানা গেছে। এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মাহেব হোসেন জামিন শুনানির সময় হলফনামা দাখিল এবং আইনজীবীকে ভর্ৎসনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আদালতপাড়া ও শহরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল।
মামলায় জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল শরীফ এবং জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তরুণ কর্মকার, থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদসহ ১৪৬ জনকে আসামি করা হয়।
গত ১৬ জুন ঝালকাঠি থানা পুলিশ মামলাটিতে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীমকে গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় আটক শামীম বিএনপি নেতা ও এপিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনের ভগ্নিপতি বলে জানা গেছে।
জাকির হোসেন শামীমকে নির্দোষ দাবি করে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে, তাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন খোকন, সহসভাপতি আনিচুজ্জামান চপল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম, শহর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান এবং জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা স্বাক্ষর করেছেন।
হলফনামায় স্বাক্ষরকারীরা নিজেদের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা ও পৌর শাখার নেতা এবং ওই মামলার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তারা হলফনামায় দাবি করেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাকির হোসেন শামীমকে ঘটনাস্থলে বা আশপাশে কেউ দেখেননি। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে দেখা যায়নি।
হলফনামায় আরও বলা হয়, শামীমের বিরুদ্ধে ওই ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য তাদের জানা নেই। যদি তার সম্পৃক্ততা থাকত, তাহলে তারা বাদীকে বিষয়টি জানাতেন এবং এজাহারে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
এতে দাবি করা হয়, তদন্তকারী কর্মকর্তা শামীমকে গ্রেপ্তারের আগে কোনো সাক্ষী বা বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি এবং তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, শামীম ঝালকাঠি শহরের সিটি পার্ক রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতান হোসেন খানের ছেলে। তার ছোট ভাই শাহীন খান পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, মা খাদিজা বেগম পৌর মহিলা দলের সাবেক সভাপতি এবং শামীম বর্তমানে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মামলার সাক্ষী হিসেবে একজন নির্দোষ ব্যক্তির বিষয়ে এফিডেভিট দিয়েছি।
তবে মামলার বাদী ও পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল বলেন, জাকির হোসেন শামীম আমার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুনেছি, তিনি আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিং ও কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতার সঙ্গে তার ছবিও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদিও তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটির সদস্য ছিলেন না, তবুও দলটির রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল।’
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:২১
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৩:২০
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:৫০