ভোলার মনপুরা উপজেলায় এবারের এইচএসসি সমমান পরীক্ষার ফলাফলে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজ। কলেজটি বিগত কয়েক বছর ধরে ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত রেখেছে। এবারের ফলাফলে উপজেলার আর কোন প্রতিষ্ঠানে জিপিও ৫ (A+) না পাওয়ায় প্রশংসায় ভাসছে অত্র কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বরিশাল বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।
এবারের এইচএসসি'র ফলাফলে মনোয়ারা বেগম মহিলা থেকে ৫৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৫১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। তন্মধ্যে ৫ জন জিপিএ ৫ (A+) পেয়ে উত্তীর্ন হয়েছে। এতে ২ জন অনুপস্থিত ও ১ আংশিক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে। মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে ২ জন ও বিজ্ঞান বিভাগে ৩ জন ছাত্রী জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।
এছাড়াও উপজেলার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মনপুরা সরকারি কলেজ থেকে ১৬৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ১৩৯ জন উত্তীর্ণ ও ৩৩ জন অকৃতকার্জ হয়েছে। সাকুচিয়া মহাবিদ্যালয় থেকে ১২৮ জনে ৯৫ জন উত্তীর্ণ ও ৩৭ অকৃতকার্জ হয়েছে। মনপুরা ফাজিল/ডিগ্রী মাদ্রাসা থেকে ৩৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২৯ জন উত্তীর্ণ ও ৫ অকৃতকার্জ হয়েছে। হাজীর হাট হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৭ জন পরিক্ষায় অংশগ্রহন করে ১৬ জন উত্তীর্ণ ও ১ জন অকৃতকার্য হয়েছে।
ভালো ফলাফলের ব্যাপারে মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবুল আলম বলেন, বিগত বছরের ন্যায় এবারও আমাদের কলেজের শিক্ষার্থীরা ফলাফল উপজেলায় সেরা হয়েছে। আমাদের কলেজের শিক্ষকরা আন্তরিকতার সহিত নিয়মিত পাঠদান করে থাকেন। এবং শিক্ষক/শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতের মাধ্যমে কলেজটি পরিচালিত হয়ে আসছে। আশা করি আগামী দিনেও আমাদের শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত থাকবে।

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।

১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:৪৯
ভোলার মনপুরা উপজেলায় এবারের এইচএসসি সমমান পরীক্ষার ফলাফলে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজ। কলেজটি বিগত কয়েক বছর ধরে ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত রেখেছে। এবারের ফলাফলে উপজেলার আর কোন প্রতিষ্ঠানে জিপিও ৫ (A+) না পাওয়ায় প্রশংসায় ভাসছে অত্র কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বরিশাল বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।
এবারের এইচএসসি'র ফলাফলে মনোয়ারা বেগম মহিলা থেকে ৫৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৫১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। তন্মধ্যে ৫ জন জিপিএ ৫ (A+) পেয়ে উত্তীর্ন হয়েছে। এতে ২ জন অনুপস্থিত ও ১ আংশিক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে। মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে ২ জন ও বিজ্ঞান বিভাগে ৩ জন ছাত্রী জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।
এছাড়াও উপজেলার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মনপুরা সরকারি কলেজ থেকে ১৬৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ১৩৯ জন উত্তীর্ণ ও ৩৩ জন অকৃতকার্জ হয়েছে। সাকুচিয়া মহাবিদ্যালয় থেকে ১২৮ জনে ৯৫ জন উত্তীর্ণ ও ৩৭ অকৃতকার্জ হয়েছে। মনপুরা ফাজিল/ডিগ্রী মাদ্রাসা থেকে ৩৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২৯ জন উত্তীর্ণ ও ৫ অকৃতকার্জ হয়েছে। হাজীর হাট হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৭ জন পরিক্ষায় অংশগ্রহন করে ১৬ জন উত্তীর্ণ ও ১ জন অকৃতকার্য হয়েছে।
ভালো ফলাফলের ব্যাপারে মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবুল আলম বলেন, বিগত বছরের ন্যায় এবারও আমাদের কলেজের শিক্ষার্থীরা ফলাফল উপজেলায় সেরা হয়েছে। আমাদের কলেজের শিক্ষকরা আন্তরিকতার সহিত নিয়মিত পাঠদান করে থাকেন। এবং শিক্ষক/শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতের মাধ্যমে কলেজটি পরিচালিত হয়ে আসছে। আশা করি আগামী দিনেও আমাদের শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত থাকবে।