
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৮
ফরিদপুরের মধুখালীতে ছাগল চোরের হেদায়েতের জন্য চুরির দুই মাস পর মসজিদ প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছেন এক ছাগলের মালিক। চোরকে খুঁজে বের করা বা আইনি ব্যবস্থার চেষ্টা না করে চোরের হেদায়েতের জন্য গতকাল শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন তিনি।
চুরি যাওয়া ওই ছাগলের মালিকের নাম আলামিন জমাদ্দার ওরফে সবুজ (৩৬)। তিনি মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম জমাদ্দারের ছেলে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে ওই গ্রামের বাসিন্দা আলামিন জমাদ্দারের দুটি ছাগল চুরি হয়ে যায়। এখনো ছাগল দুটি উদ্ধার হয়নি। তবে এ ব্যাপারে তিনি মধুখালী থানায় কোন অভিযোগ না করে নিজে চুরি যাওয়া ছাগল খোঁজাখুঁজি করেন। চুরি যাওয়া ছাগলের খোঁজ না পেয়ে আজ শুক্রবার তিনি চোরের হেদায়েতের জন্য মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন।
শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নামাজ শেষে এলাকার আলামিন জমাদ্দার বাড়ির পাশের মসজিদে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, ছাগল দুটি চুরির পর ছাগলের মালিক দুশ্চিন্তায় পড়লেও পরে তিনি ভিন্নধর্মী চিন্তা করেন।
তার বিশ্বাস, মানুষ কখনো অভাবে আবার কখনো লোভের কারণে অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। তাই চোরের প্রতি শত্রুতা না করে বরং আল্লাহর কাছে দোয়া করা উচিত, যাতে সে তার ভুল বুঝতে পারে এবং সঠিক পথে ফিরে আসে।
চোরের হেদায়েতের জন্য এ মিলাদ মাহফিল আয়োজন উপলক্ষে এলাকায় মাইকিং করে গ্রামবাসীকে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আমন্ত্রণ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, মাদরাসার শিক্ষার্থী ও অসংখ্য মুসল্লি অংশ নেন। পরে উপস্থিতিদের তোবারক হিসেবে তেহারি পরিবেশন করা হয়।
ছাগলের মালিক আলামিন জমাদ্দার বলেন, চোর হয়তো অভাবে কিংবা লোভের বশবর্তী হয়ে চুরির মতো অপরাধে জড়িয়েছে। আমি যদি তাকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করি তবে আমার আর তার মধ্যে পার্থক্য থাকলো কোথায়। আমি চাই সে তার ভুল বুঝতে পেরে এই চুরির পথ থেকে ফিরে আসুক।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন মিয়া বলেন, আলামিন ঢাকায় নাটক করে। দুই মাস আগে তার ছাগল চুরি হয়েছিল। আজ কি মনে করে সে ছাগল চোরের হেদায়েতের জন্য মসজিদ প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করলো তা জানি না।
ফরিদপুরের মধুখালীতে ছাগল চোরের হেদায়েতের জন্য চুরির দুই মাস পর মসজিদ প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছেন এক ছাগলের মালিক। চোরকে খুঁজে বের করা বা আইনি ব্যবস্থার চেষ্টা না করে চোরের হেদায়েতের জন্য গতকাল শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন তিনি।
চুরি যাওয়া ওই ছাগলের মালিকের নাম আলামিন জমাদ্দার ওরফে সবুজ (৩৬)। তিনি মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম জমাদ্দারের ছেলে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে ওই গ্রামের বাসিন্দা আলামিন জমাদ্দারের দুটি ছাগল চুরি হয়ে যায়। এখনো ছাগল দুটি উদ্ধার হয়নি। তবে এ ব্যাপারে তিনি মধুখালী থানায় কোন অভিযোগ না করে নিজে চুরি যাওয়া ছাগল খোঁজাখুঁজি করেন। চুরি যাওয়া ছাগলের খোঁজ না পেয়ে আজ শুক্রবার তিনি চোরের হেদায়েতের জন্য মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন।
শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নামাজ শেষে এলাকার আলামিন জমাদ্দার বাড়ির পাশের মসজিদে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, ছাগল দুটি চুরির পর ছাগলের মালিক দুশ্চিন্তায় পড়লেও পরে তিনি ভিন্নধর্মী চিন্তা করেন।
তার বিশ্বাস, মানুষ কখনো অভাবে আবার কখনো লোভের কারণে অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। তাই চোরের প্রতি শত্রুতা না করে বরং আল্লাহর কাছে দোয়া করা উচিত, যাতে সে তার ভুল বুঝতে পারে এবং সঠিক পথে ফিরে আসে।
চোরের হেদায়েতের জন্য এ মিলাদ মাহফিল আয়োজন উপলক্ষে এলাকায় মাইকিং করে গ্রামবাসীকে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আমন্ত্রণ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, মাদরাসার শিক্ষার্থী ও অসংখ্য মুসল্লি অংশ নেন। পরে উপস্থিতিদের তোবারক হিসেবে তেহারি পরিবেশন করা হয়।
ছাগলের মালিক আলামিন জমাদ্দার বলেন, চোর হয়তো অভাবে কিংবা লোভের বশবর্তী হয়ে চুরির মতো অপরাধে জড়িয়েছে। আমি যদি তাকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করি তবে আমার আর তার মধ্যে পার্থক্য থাকলো কোথায়। আমি চাই সে তার ভুল বুঝতে পেরে এই চুরির পথ থেকে ফিরে আসুক।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন মিয়া বলেন, আলামিন ঢাকায় নাটক করে। দুই মাস আগে তার ছাগল চুরি হয়েছিল। আজ কি মনে করে সে ছাগল চোরের হেদায়েতের জন্য মসজিদ প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করলো তা জানি না।
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৩০
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৭
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৬

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৭
হাম ও অন্যান্য রোগের টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তপূর্বক সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ দুদক চেয়ারম্যানের কাছে এ আবেদন দাখিল করেন।
স্বাস্থ্যখাতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের স্বাস্থ্য ও অর্থ খাত রক্ষা এবং শিশুদের জীবন রক্ষায় জনস্বার্থে এ জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক তদন্ত করা আবশ্যক।
হাম ও অন্যান্য রোগের টিকা ক্রয় এবং প্রদানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আবেদনে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবে প্রায় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি রাষ্ট্রের একজন সচেতন নাগরিক ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে আমাকে মারাত্মক ব্যথিত, উদ্বিগ্ন এবং চিন্তিত করেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, সরকারিভাবে শিশুদের হামসহ অন্যান্য জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রোগের টিকার সংকট এবং এর ফলে সৃষ্ট হাম রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়া ও শিশুর মৃত্যুর সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে, যা সত্যিই উদ্বেগজনক। হামে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমের দায় রয়েছে বলে রাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিক এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মতামত ব্যক্ত করেছেন।
এছাড়াও বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হামের টিকা এবং সিরিঞ্জের অভাবকে পূর্ববর্তী সরকারের সৃষ্ট সমস্যা বলে মন্তব্য করছে।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকার টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিতে কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই পরিবর্তন আনে। স্বাস্থ্যখাতে যথেষ্ট (প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা) বাজেট থাকা সত্ত্বেও তারা সময়মতো হামসহ অন্যান্য রোগের টিকা ক্রয় এবং শিশুদের টিকা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়।
ফলে বর্তমানে হামের প্রকোপ বেড়ে গেছে, যা একটি মহামারি আকার ধারণ করছে।
বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা যায় যে, এরই মধ্যে শতাধিক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এবং হাজার হাজার শিশু অপ্রতুল প্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। হাম একটি সংক্রামক ব্যাধি যা দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা ক্রয়ে নতুন পদ্ধতি গ্রহণ এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয় না করার বিষয়টি সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা এবং স্বাস্থ্যখাতে যথেষ্ট বাজেট থাকা সত্ত্বেও অর্থের সঠিক ব্যবহার না করা দুর্নীতি ও অনিয়মের ইঙ্গিত প্রদান করে। বিভিন্ন সংবাদপত্র এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে এরই মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে সরাসরি অনিয়মের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
হাম ও অন্যান্য রোগের টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তপূর্বক সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ দুদক চেয়ারম্যানের কাছে এ আবেদন দাখিল করেন।
স্বাস্থ্যখাতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের স্বাস্থ্য ও অর্থ খাত রক্ষা এবং শিশুদের জীবন রক্ষায় জনস্বার্থে এ জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক তদন্ত করা আবশ্যক।
হাম ও অন্যান্য রোগের টিকা ক্রয় এবং প্রদানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আবেদনে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবে প্রায় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি রাষ্ট্রের একজন সচেতন নাগরিক ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে আমাকে মারাত্মক ব্যথিত, উদ্বিগ্ন এবং চিন্তিত করেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, সরকারিভাবে শিশুদের হামসহ অন্যান্য জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রোগের টিকার সংকট এবং এর ফলে সৃষ্ট হাম রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়া ও শিশুর মৃত্যুর সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে, যা সত্যিই উদ্বেগজনক। হামে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমের দায় রয়েছে বলে রাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিক এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মতামত ব্যক্ত করেছেন।
এছাড়াও বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হামের টিকা এবং সিরিঞ্জের অভাবকে পূর্ববর্তী সরকারের সৃষ্ট সমস্যা বলে মন্তব্য করছে।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকার টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিতে কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই পরিবর্তন আনে। স্বাস্থ্যখাতে যথেষ্ট (প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা) বাজেট থাকা সত্ত্বেও তারা সময়মতো হামসহ অন্যান্য রোগের টিকা ক্রয় এবং শিশুদের টিকা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়।
ফলে বর্তমানে হামের প্রকোপ বেড়ে গেছে, যা একটি মহামারি আকার ধারণ করছে।
বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা যায় যে, এরই মধ্যে শতাধিক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এবং হাজার হাজার শিশু অপ্রতুল প্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। হাম একটি সংক্রামক ব্যাধি যা দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা ক্রয়ে নতুন পদ্ধতি গ্রহণ এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয় না করার বিষয়টি সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা এবং স্বাস্থ্যখাতে যথেষ্ট বাজেট থাকা সত্ত্বেও অর্থের সঠিক ব্যবহার না করা দুর্নীতি ও অনিয়মের ইঙ্গিত প্রদান করে। বিভিন্ন সংবাদপত্র এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে এরই মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে সরাসরি অনিয়মের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান আলীর (রা.) মাজারসংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের মুখে কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ বলে অবহিত করেছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গায়িকা।
সংশ্লিষ্ট একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কনকচাঁপা লিখেছেন, কুমির, কুকুর, হায়েনা, বাঘ-সিংহ কেউ না। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ।
পরে স্ট্যাটাসটি দ্রুতই সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থীদের কেউ কেউ ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি।
এতে মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারকা থেকে সাধারণ মানুষও। এ ঘটনাটি শুধু একটি প্রাণীর মৃত্যুই নয়; বরং সমাজের মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন ওঠে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে খানজাহান আলী (রা.) মাজারের দক্ষিণ পাশের প্রধান ঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মাজারসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি অসুস্থ কুকুর শিশুসহ কয়েকজনকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা লাঠি ছুড়ে কুকুরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি দৌড়ে মূল ঘাটের দিকে যায়। সেখানে মাজারের নিরাপত্তাপ্রহরী ফোরকানকে আঁচড় দিলে তিনি পা ঝাড়া দেন। এতে কুকুরটি দীঘির পানিতে পড়ে যায়। মুহূর্তেই কুমির এসে কুকুরটিকে ধরে পানির নিচে চলে যায়।
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান আলীর (রা.) মাজারসংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের মুখে কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ বলে অবহিত করেছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গায়িকা।
সংশ্লিষ্ট একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কনকচাঁপা লিখেছেন, কুমির, কুকুর, হায়েনা, বাঘ-সিংহ কেউ না। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ।
পরে স্ট্যাটাসটি দ্রুতই সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থীদের কেউ কেউ ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি।
এতে মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারকা থেকে সাধারণ মানুষও। এ ঘটনাটি শুধু একটি প্রাণীর মৃত্যুই নয়; বরং সমাজের মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন ওঠে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে খানজাহান আলী (রা.) মাজারের দক্ষিণ পাশের প্রধান ঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মাজারসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি অসুস্থ কুকুর শিশুসহ কয়েকজনকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা লাঠি ছুড়ে কুকুরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি দৌড়ে মূল ঘাটের দিকে যায়। সেখানে মাজারের নিরাপত্তাপ্রহরী ফোরকানকে আঁচড় দিলে তিনি পা ঝাড়া দেন। এতে কুকুরটি দীঘির পানিতে পড়ে যায়। মুহূর্তেই কুমির এসে কুকুরটিকে ধরে পানির নিচে চলে যায়।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫১
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তারা অনশন ভাঙেন। পরে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অনশনরত তিনজনের মধ্যে সাদিক মনোয়ার মুনেম ও সাকিবুর রহমানকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অনশনরত অন্যজন শেখ মুস্তাফিজ ঢামেক থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। এ সময় জুলাইয়ের শহীদ জাবিরের বাবা, শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের বাবা, শহীদ সৈকতের বাবাসহ একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিক মুনেম অনশনে বসেন। পরে সন্ধ্যায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং পরদিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শেখ মুস্তাফিজ অনশনে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তাদের সঙ্গে দেখা করে অনশন ভাঙার অনুরোধ করলেও তারা অনশন চালিয়ে যান।
অনশনে বসার পর তাদের সঙ্গে পাবনা-১ আসনের এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসেন, শেরপুর-১ আসনের এমপি রাশেদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী প্রমুখ সংহতি জানান।
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তারা অনশন ভাঙেন। পরে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অনশনরত তিনজনের মধ্যে সাদিক মনোয়ার মুনেম ও সাকিবুর রহমানকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অনশনরত অন্যজন শেখ মুস্তাফিজ ঢামেক থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। এ সময় জুলাইয়ের শহীদ জাবিরের বাবা, শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের বাবা, শহীদ সৈকতের বাবাসহ একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিক মুনেম অনশনে বসেন। পরে সন্ধ্যায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং পরদিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শেখ মুস্তাফিজ অনশনে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তাদের সঙ্গে দেখা করে অনশন ভাঙার অনুরোধ করলেও তারা অনশন চালিয়ে যান।
অনশনে বসার পর তাদের সঙ্গে পাবনা-১ আসনের এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসেন, শেরপুর-১ আসনের এমপি রাশেদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী প্রমুখ সংহতি জানান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.