
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:৪৬
রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে জনপ্রিয় ব্যান্ড শিরোনামহীনের পারফর্ম করার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হয়। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে নিরাপত্তাজনিত কারণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ ঘটনার পর সমাবর্তনে উপস্থিত অতিথিদের একাংশের মধ্যে অভিযোগ ওঠে—শিরোনামহীন নাকি ইচ্ছাকৃতভাবেই কনসার্টে অংশ নেয়নি। অভিযোগটি ঘিরে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির প্রেক্ষিতে এবার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ব্যান্ডটি।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) ব্যান্ডটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে পারফর্ম করার জন্য তারা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল। এমনকি আয়োজকদের কাছ থেকে সম্মানীর ৩০ শতাংশ অগ্রিমও গ্রহণ করা হয়েছিল।
বিবৃতিতে শিরোনামহীন জানায়, ‘গতকাল রাত আনুমানিক ৯টার দিকে আমাদের জানানো হয় যে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রশাসন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না। সে কারণেই কনভোকেশনের দ্বিতীয় অংশ—সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।
ব্যান্ডটির পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠান হওয়ায় নিয়মের ব্যতিক্রম করে পূর্ণ সম্মানী পরিশোধ না হওয়া সত্ত্বেও তারা পারফর্ম করতে সম্মত ছিল। এমনকি একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য স্টেট ইউনিভার্সিটির কনভোকেশন কনসার্ট বাতিল করেও রাজশাহীতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল শিরোনামহীন।
উল্লেখ্য, স্টেট ইউনিভার্সিটির অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় শোক দিবসের কারণে ২০ থেকে ২১ ডিসেম্বর পুনর্নির্ধারিত হয়েছিল।
বিবৃতির শেষাংশে ব্যান্ডটি জানায়, ‘কনসার্টটি শেষপর্যন্ত বাতিল হওয়ায় আগত অতিথিদের মতো আমরাও দুঃখ পেয়েছি এবং আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
তবে অতিথিদের একাংশের যে ধারণা—শিরোনামহীন ইচ্ছাকৃতভাবে এই কনসার্ট বাতিল করেছে, তা সম্পূর্ণ সত্য নয়।’
উল্লেখ্য, শিরোনামহীনের পাশাপাশি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী পড়শীর পারফর্ম করার কথা ছিল। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে পুরো সাংস্কৃতিক আয়োজনই বাতিল করা হয়েছে।
রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে জনপ্রিয় ব্যান্ড শিরোনামহীনের পারফর্ম করার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হয়। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে নিরাপত্তাজনিত কারণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ ঘটনার পর সমাবর্তনে উপস্থিত অতিথিদের একাংশের মধ্যে অভিযোগ ওঠে—শিরোনামহীন নাকি ইচ্ছাকৃতভাবেই কনসার্টে অংশ নেয়নি। অভিযোগটি ঘিরে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির প্রেক্ষিতে এবার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ব্যান্ডটি।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) ব্যান্ডটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে পারফর্ম করার জন্য তারা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল। এমনকি আয়োজকদের কাছ থেকে সম্মানীর ৩০ শতাংশ অগ্রিমও গ্রহণ করা হয়েছিল।
বিবৃতিতে শিরোনামহীন জানায়, ‘গতকাল রাত আনুমানিক ৯টার দিকে আমাদের জানানো হয় যে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রশাসন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না। সে কারণেই কনভোকেশনের দ্বিতীয় অংশ—সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।
ব্যান্ডটির পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠান হওয়ায় নিয়মের ব্যতিক্রম করে পূর্ণ সম্মানী পরিশোধ না হওয়া সত্ত্বেও তারা পারফর্ম করতে সম্মত ছিল। এমনকি একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য স্টেট ইউনিভার্সিটির কনভোকেশন কনসার্ট বাতিল করেও রাজশাহীতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল শিরোনামহীন।
উল্লেখ্য, স্টেট ইউনিভার্সিটির অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় শোক দিবসের কারণে ২০ থেকে ২১ ডিসেম্বর পুনর্নির্ধারিত হয়েছিল।
বিবৃতির শেষাংশে ব্যান্ডটি জানায়, ‘কনসার্টটি শেষপর্যন্ত বাতিল হওয়ায় আগত অতিথিদের মতো আমরাও দুঃখ পেয়েছি এবং আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
তবে অতিথিদের একাংশের যে ধারণা—শিরোনামহীন ইচ্ছাকৃতভাবে এই কনসার্ট বাতিল করেছে, তা সম্পূর্ণ সত্য নয়।’
উল্লেখ্য, শিরোনামহীনের পাশাপাশি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী পড়শীর পারফর্ম করার কথা ছিল। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে পুরো সাংস্কৃতিক আয়োজনই বাতিল করা হয়েছে।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৩
‘২০২৬ সালে হজ প্যাকেজ-১-এর হজযাত্রীদের মক্কা ও মদিনায় হোটেলভাড়া সব মিলিয়ে ১০০০ সৌদি রিয়ালের কাছাকাছি কমানো হয়েছে। হজযাত্রীপ্রতি পরিবহনভাড়া ১০০ সৌদি রিয়াল কমানো সম্ভব হয়েছে। ২০২৬ সালের হজ শেষে প্যাকেজ-১ ও ২-এর হজযাত্রীরা ৩ কোটির বেশি টাকা ফেরত পাবেন।’
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ শীর্ষক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। এ ছাড়া ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের হজে বিমানভাড়া প্রায় ২৭ হাজার টাকা কমানো এবং গত দুই বছরে পর্যায়ক্রমে ৪০ হাজার টাকা বিমানভাড়া কমানোর বিষয়টিকে উল্লেখ করার মতো অর্জন হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শূন্যপদে ১৬৩ জনকে নিয়োগ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে খালিদ হোসেন বলেন, ‘গত দেড় বছর স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোকে সক্রিয়, গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার চেষ্টা করেছি। এর ফলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘মামলাজনিত কারণে ১৯৭ জনের নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তবে দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তি সাপেক্ষে এই নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এ ছাড়া নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের ২৯ জন এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের ৩২ জনকে বিধিমোতাবেক পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।’
‘২০২৬ সালে হজ প্যাকেজ-১-এর হজযাত্রীদের মক্কা ও মদিনায় হোটেলভাড়া সব মিলিয়ে ১০০০ সৌদি রিয়ালের কাছাকাছি কমানো হয়েছে। হজযাত্রীপ্রতি পরিবহনভাড়া ১০০ সৌদি রিয়াল কমানো সম্ভব হয়েছে। ২০২৬ সালের হজ শেষে প্যাকেজ-১ ও ২-এর হজযাত্রীরা ৩ কোটির বেশি টাকা ফেরত পাবেন।’
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ শীর্ষক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। এ ছাড়া ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের হজে বিমানভাড়া প্রায় ২৭ হাজার টাকা কমানো এবং গত দুই বছরে পর্যায়ক্রমে ৪০ হাজার টাকা বিমানভাড়া কমানোর বিষয়টিকে উল্লেখ করার মতো অর্জন হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শূন্যপদে ১৬৩ জনকে নিয়োগ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে খালিদ হোসেন বলেন, ‘গত দেড় বছর স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোকে সক্রিয়, গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার চেষ্টা করেছি। এর ফলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘মামলাজনিত কারণে ১৯৭ জনের নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তবে দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তি সাপেক্ষে এই নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এ ছাড়া নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের ২৯ জন এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের ৩২ জনকে বিধিমোতাবেক পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।’

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৩
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “ভয়কে পেছনে রেখে, সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান। আপনার একটি ভোট শুধু একটি সরকার নির্বাচন করবে না, এটি ১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে, বাধাহীন ফ্যাসিবাদের জবাব দেবে, জাতিকে নতুনভাবে গঠিত করবে এবং প্রমাণ করবে— এই দেশ তার তরুণ ও নারী এবং সংগ্রামী জনতার কণ্ঠ আর কোনোদিন হারাতে দেবে না।”
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট বিষয়ে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আজ আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি এক অতি তাৎপর্যপূর্ণ, ঐতিহাসিক ও ভবিষ্যৎ-নির্ধারক মুহূর্তে। আর মাত্র একদিন পরই সারাদেশে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং তার সাথে জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট। জাতির বহু বছরের আকাঙ্ক্ষার দিন।”
মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সব শহীদকে স্মরণ করে তিনি বলেন, “যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি এবং স্বৈরাচারবিরোধী দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের সাফল্যের পর আজ আবার গণতান্ত্রিক উত্তরণের যুগসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। আপামর জনগণের—বিশেষ করে জুলাইয়ের যোদ্ধাদের—আত্মত্যাগ ছাড়া এই নির্বাচন, এই গণভোট কোনোটিই সম্ভব হতো না।
সমগ্র জাতি তাই তাদের কাছে চিরঋণী। প্রত্যেক জাতির জীবনে এমন কিছু দিন আসে, যার তাৎপর্য থাকে সুদূরপ্রসারী, যেদিন নির্ধারিত হয় রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা, গণতন্ত্রের চরিত্র এবং স্থায়িত্ব ও আগামী প্রজন্মের ভাগ্য। আগামী পরশু ঠিক তেমনই একটি দিন, যেদিন দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আমরা সবাই মিলে নতুন সরকার গঠনের নির্বাচন করব এবং পাশাপাশি গণভোটের মাধ্যমে আমাদের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণ করব।”
“ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়ে গেছে। এখন আমাদের সবার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন নাগরিক হিসেবে আপনাদের সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা ভাগ করে নেওয়াকে আমি আমার নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব মনে করেছি।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এবারের নির্বাচনকে ঘিরে সার্বিক প্রচার-প্রচারণা পূর্ববর্তী যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে শান্তিপূর্ণ হয়েছে। মত ও আদর্শের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক দলগুলো সংযম দেখিয়েছে, প্রার্থীরা দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন এবং সাধারণ মানুষ সচেতন থেকেছেন। এই পরিবেশ হঠাৎ করে তৈরি হয়নি, এটি সম্মিলিত দায়িত্ববোধের ফল।
এজন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই দেশের সব রাজনৈতিক দল, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, ভোটার, নির্বাচন কমিশন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী এবং নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের প্রতিটি সদস্যকে। আপনাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি আশাব্যঞ্জক পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে পেরেছি।”
‘তবে এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যেও আমাদের হৃদয়ে গভীর বেদনার ছায়া রয়েছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এবং প্রচার-প্রচারণাকালে সংঘটিত কয়েকটি সহিংস ঘটনায় আমরা কিছু মূল্যবান প্রাণ হারিয়েছি। এই সহিংসতা জাতীয় বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। গণতন্ত্রের চর্চায় কোনো প্রাণ ঝরে যাওয়া— কোনো সভ্য রাষ্ট্রের জন্যই গ্রহণযোগ্য নয়।’
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এবারের নির্বাচনে ৫১টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, যা এ যাবৎকালের যেকোনো নির্বাচনের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ। স্বতন্ত্রসহ মোট প্রার্থীর সংখ্যা দুই হাজারেরও বেশি। আগের জাতীয় নির্বাচনগুলোতে এর চেয়ে বেশি প্রার্থী প্রায় কখনোই দেখা যায়নি।
এবারের নির্বাচন শুধু আরেকটি নিয়মিত নির্বাচন নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, এটি একটি গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা ক্ষোভ, বৈষম্য, বঞ্চনা ও অবিচারের বিরুদ্ধে জনগণের যে জাগরণ আমরা দেখেছি, এই নির্বাচন তার সাংবিধানিক প্রকাশ। রাজপথের সেই দাবি আজ আপনাদের ব্যালটের মাধ্যমে উচ্চারিত হতে যাচ্ছে। তাই এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।
“এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করছি না একই সঙ্গে আমরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছি, বাংলাদেশ কোন পথে এগোবে। আমরা কি একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়তে পারব, নাকি আবারও পুরোনো ক্ষমতাকেন্দ্রিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃত্তে ফিরে যাব— এই প্রশ্নের উত্তর দেবে গণভোট। আমি সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাই, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতির বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দিন। বিজয় যেমন গণতন্ত্রের অংশ, তেমনি পরাজয়ও গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য সত্য। নির্বাচনের পর সবাই মিলে একটি নতুন, ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আজ আমি বিশেষভাবে কথা বলতে চাই আমাদের তরুণ ভোটার ও নারী ভোটারদের সঙ্গে। আপনারাই সেই প্রজন্ম, যারা গত ১৭ বছর ধরে ভোটাধিকার থাকা সত্ত্বেও ভোট দিতে পারেননি। আপনারা বড় হয়েছেন এমন এক বাস্তবতায়, যেখানে ভোটের মুখোশ ছিল কিন্তু ভোট ছিল না; ব্যালট ছিল কিন্তু ভোটার ছিল না। এই দীর্ঘ সময়ের বঞ্চনা ও অবদমনের সবচেয়ে বড় মূল্য জাতিকে প্রতিদিন দিতে হয়েছে। তবু আপনারা আশা ছাড়েননি। অন্যায়ের সামনে মাথা নত করেননি। আন্দোলনে, প্রতিবাদে, চিন্তায় ও স্বপ্নে আপনারা একটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা লালন করেছেন। আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ইতিহাসের গতিপথ বদলানোর সেই দিনটি এসেছে। বিশেষ করে আমাদের নারীরা-মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সবকটি গণআন্দোলন, পরিবার থেকে রাষ্ট্র—সবখানেই শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, নারীরাই ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা। নারীরাই এ দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের শক্ত ভিত। ক্ষুদ্রঋণ, কুটির শিল্প, নারী উদ্যোক্তা— এই শব্দগুলোর পেছনে আছে পরিবর্তনের গল্প, পরিবার ও সমাজে স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প। আপনারা ঘরে, রাজপথে সমানভাবে সংগ্রাম করেছেন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ আগলে রেখেছেন, সমাজকে টিকিয়ে রেখেছেন, অথচ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে নিজেদের মত প্রকাশের সুযোগ থেকে দীর্ঘদিন বঞ্চিত হয়েছেন। এই নির্বাচন আপনাদের জন্য এক নতুন সূচনা। আর আমাদের তরুণরা— যাদের স্বপ্ন, মেধা ও শক্তিই আগামী বাংলাদেশের ভিত্তি এই ভোট আপনাদের প্রথম সত্যিকারের রাজনৈতিক উচ্চারণ।”
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “ভয়কে পেছনে রেখে, সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান। আপনার একটি ভোট শুধু একটি সরকার নির্বাচন করবে না, এটি ১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে, বাধাহীন ফ্যাসিবাদের জবাব দেবে, জাতিকে নতুনভাবে গঠিত করবে এবং প্রমাণ করবে— এই দেশ তার তরুণ ও নারী এবং সংগ্রামী জনতার কণ্ঠ আর কোনোদিন হারাতে দেবে না।”
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট বিষয়ে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আজ আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি এক অতি তাৎপর্যপূর্ণ, ঐতিহাসিক ও ভবিষ্যৎ-নির্ধারক মুহূর্তে। আর মাত্র একদিন পরই সারাদেশে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং তার সাথে জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট। জাতির বহু বছরের আকাঙ্ক্ষার দিন।”
মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সব শহীদকে স্মরণ করে তিনি বলেন, “যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি এবং স্বৈরাচারবিরোধী দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের সাফল্যের পর আজ আবার গণতান্ত্রিক উত্তরণের যুগসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। আপামর জনগণের—বিশেষ করে জুলাইয়ের যোদ্ধাদের—আত্মত্যাগ ছাড়া এই নির্বাচন, এই গণভোট কোনোটিই সম্ভব হতো না।
সমগ্র জাতি তাই তাদের কাছে চিরঋণী। প্রত্যেক জাতির জীবনে এমন কিছু দিন আসে, যার তাৎপর্য থাকে সুদূরপ্রসারী, যেদিন নির্ধারিত হয় রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা, গণতন্ত্রের চরিত্র এবং স্থায়িত্ব ও আগামী প্রজন্মের ভাগ্য। আগামী পরশু ঠিক তেমনই একটি দিন, যেদিন দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আমরা সবাই মিলে নতুন সরকার গঠনের নির্বাচন করব এবং পাশাপাশি গণভোটের মাধ্যমে আমাদের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণ করব।”
“ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়ে গেছে। এখন আমাদের সবার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন নাগরিক হিসেবে আপনাদের সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা ভাগ করে নেওয়াকে আমি আমার নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব মনে করেছি।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এবারের নির্বাচনকে ঘিরে সার্বিক প্রচার-প্রচারণা পূর্ববর্তী যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে শান্তিপূর্ণ হয়েছে। মত ও আদর্শের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক দলগুলো সংযম দেখিয়েছে, প্রার্থীরা দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন এবং সাধারণ মানুষ সচেতন থেকেছেন। এই পরিবেশ হঠাৎ করে তৈরি হয়নি, এটি সম্মিলিত দায়িত্ববোধের ফল।
এজন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই দেশের সব রাজনৈতিক দল, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, ভোটার, নির্বাচন কমিশন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী এবং নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের প্রতিটি সদস্যকে। আপনাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি আশাব্যঞ্জক পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে পেরেছি।”
‘তবে এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যেও আমাদের হৃদয়ে গভীর বেদনার ছায়া রয়েছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এবং প্রচার-প্রচারণাকালে সংঘটিত কয়েকটি সহিংস ঘটনায় আমরা কিছু মূল্যবান প্রাণ হারিয়েছি। এই সহিংসতা জাতীয় বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। গণতন্ত্রের চর্চায় কোনো প্রাণ ঝরে যাওয়া— কোনো সভ্য রাষ্ট্রের জন্যই গ্রহণযোগ্য নয়।’
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এবারের নির্বাচনে ৫১টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, যা এ যাবৎকালের যেকোনো নির্বাচনের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ। স্বতন্ত্রসহ মোট প্রার্থীর সংখ্যা দুই হাজারেরও বেশি। আগের জাতীয় নির্বাচনগুলোতে এর চেয়ে বেশি প্রার্থী প্রায় কখনোই দেখা যায়নি।
এবারের নির্বাচন শুধু আরেকটি নিয়মিত নির্বাচন নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, এটি একটি গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা ক্ষোভ, বৈষম্য, বঞ্চনা ও অবিচারের বিরুদ্ধে জনগণের যে জাগরণ আমরা দেখেছি, এই নির্বাচন তার সাংবিধানিক প্রকাশ। রাজপথের সেই দাবি আজ আপনাদের ব্যালটের মাধ্যমে উচ্চারিত হতে যাচ্ছে। তাই এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।
“এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করছি না একই সঙ্গে আমরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছি, বাংলাদেশ কোন পথে এগোবে। আমরা কি একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়তে পারব, নাকি আবারও পুরোনো ক্ষমতাকেন্দ্রিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃত্তে ফিরে যাব— এই প্রশ্নের উত্তর দেবে গণভোট। আমি সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাই, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতির বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দিন। বিজয় যেমন গণতন্ত্রের অংশ, তেমনি পরাজয়ও গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য সত্য। নির্বাচনের পর সবাই মিলে একটি নতুন, ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আজ আমি বিশেষভাবে কথা বলতে চাই আমাদের তরুণ ভোটার ও নারী ভোটারদের সঙ্গে। আপনারাই সেই প্রজন্ম, যারা গত ১৭ বছর ধরে ভোটাধিকার থাকা সত্ত্বেও ভোট দিতে পারেননি। আপনারা বড় হয়েছেন এমন এক বাস্তবতায়, যেখানে ভোটের মুখোশ ছিল কিন্তু ভোট ছিল না; ব্যালট ছিল কিন্তু ভোটার ছিল না। এই দীর্ঘ সময়ের বঞ্চনা ও অবদমনের সবচেয়ে বড় মূল্য জাতিকে প্রতিদিন দিতে হয়েছে। তবু আপনারা আশা ছাড়েননি। অন্যায়ের সামনে মাথা নত করেননি। আন্দোলনে, প্রতিবাদে, চিন্তায় ও স্বপ্নে আপনারা একটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা লালন করেছেন। আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ইতিহাসের গতিপথ বদলানোর সেই দিনটি এসেছে। বিশেষ করে আমাদের নারীরা-মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সবকটি গণআন্দোলন, পরিবার থেকে রাষ্ট্র—সবখানেই শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, নারীরাই ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা। নারীরাই এ দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের শক্ত ভিত। ক্ষুদ্রঋণ, কুটির শিল্প, নারী উদ্যোক্তা— এই শব্দগুলোর পেছনে আছে পরিবর্তনের গল্প, পরিবার ও সমাজে স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প। আপনারা ঘরে, রাজপথে সমানভাবে সংগ্রাম করেছেন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ আগলে রেখেছেন, সমাজকে টিকিয়ে রেখেছেন, অথচ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে নিজেদের মত প্রকাশের সুযোগ থেকে দীর্ঘদিন বঞ্চিত হয়েছেন। এই নির্বাচন আপনাদের জন্য এক নতুন সূচনা। আর আমাদের তরুণরা— যাদের স্বপ্ন, মেধা ও শক্তিই আগামী বাংলাদেশের ভিত্তি এই ভোট আপনাদের প্রথম সত্যিকারের রাজনৈতিক উচ্চারণ।”

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৫
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস খাত বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
নির্বাচনের সময় অর্থের অবৈধ ব্যবহার রোধে বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে এই নতুন নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত টানা ৯৬ ঘণ্টা এই কড়াকড়ি বহাল থাকবে।
এই সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগত বা পারসোনাল অ্যাকাউন্ট থেকে সব ধরনের ক্যাশ-ইন এবং ক্যাশ-আউট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে গ্রাহকরা কোনো এজেন্ট পয়েন্ট থেকে টাকা জমা দিতে বা উত্তোলন করতে পারবেন না।
নির্বাচনী মাঠে ভোট কেনাবেচা কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে অর্থের জোগান বন্ধ করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অ্যাপে প্রবেশ করলে গ্রাহকরা বর্তমানে ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট অপশনগুলো নিষ্ক্রিয় বা ভিন্ন রঙে দেখতে পাচ্ছেন, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনারই প্রতিফলন।
লেনদেনের ক্ষেত্রে ‘সেন্ড মানি’ সুবিধাও সীমিত করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে একজন গ্রাহক একে অপরকে টাকা পাঠাতে পারলেও তা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে।
নতুন নিয়মে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা পাঠানো যাবে। দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার এভাবে টাকা পাঠানো সম্ভব হবে, অর্থাৎ একজন গ্রাহক সারা দিনে ১০ হাজার টাকার বেশি সেন্ড মানি করতে পারবেন না।
তবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনে যেন ব্যাঘাত না ঘটে, সেদিকেও লক্ষ রাখা হয়েছে। মোবাইল রিচার্জ, ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি) পরিশোধ এবং কেনাকাটার পেমেন্ট বা মার্চেন্ট পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন ও সরকারি বিভিন্ন ফি পরিশোধের ক্ষেত্রেও কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি।
এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, সরকারি নির্দেশনা মেনে এই সাময়িক নিয়ন্ত্রক আরোপ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতের পর থেকে সব ধরনের লেনদেন পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস খাত বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
নির্বাচনের সময় অর্থের অবৈধ ব্যবহার রোধে বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে এই নতুন নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত টানা ৯৬ ঘণ্টা এই কড়াকড়ি বহাল থাকবে।
এই সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগত বা পারসোনাল অ্যাকাউন্ট থেকে সব ধরনের ক্যাশ-ইন এবং ক্যাশ-আউট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে গ্রাহকরা কোনো এজেন্ট পয়েন্ট থেকে টাকা জমা দিতে বা উত্তোলন করতে পারবেন না।
নির্বাচনী মাঠে ভোট কেনাবেচা কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে অর্থের জোগান বন্ধ করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অ্যাপে প্রবেশ করলে গ্রাহকরা বর্তমানে ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট অপশনগুলো নিষ্ক্রিয় বা ভিন্ন রঙে দেখতে পাচ্ছেন, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনারই প্রতিফলন।
লেনদেনের ক্ষেত্রে ‘সেন্ড মানি’ সুবিধাও সীমিত করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে একজন গ্রাহক একে অপরকে টাকা পাঠাতে পারলেও তা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে।
নতুন নিয়মে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা পাঠানো যাবে। দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার এভাবে টাকা পাঠানো সম্ভব হবে, অর্থাৎ একজন গ্রাহক সারা দিনে ১০ হাজার টাকার বেশি সেন্ড মানি করতে পারবেন না।
তবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনে যেন ব্যাঘাত না ঘটে, সেদিকেও লক্ষ রাখা হয়েছে। মোবাইল রিচার্জ, ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি) পরিশোধ এবং কেনাকাটার পেমেন্ট বা মার্চেন্ট পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন ও সরকারি বিভিন্ন ফি পরিশোধের ক্ষেত্রেও কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি।
এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, সরকারি নির্দেশনা মেনে এই সাময়িক নিয়ন্ত্রক আরোপ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতের পর থেকে সব ধরনের লেনদেন পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৩
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫