
০১ জুন, ২০২৬ ১৫:২৮
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জিসান (১৭) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় রাব্বি (১৮) এবং আবির (১৬) নামে আরও দুই কিশোর আহত হয়েছে। একই সঙ্গে মিম নামের এক পথচারীও গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুয়াকাটার লেম্বুরবন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জিসান শরীয়তপুর জেলার পালং থানার কাসাপুর গ্রামের আমির হোসেন শেখের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের সূত্রে জানা যায়, সকালে জিসান, রাব্বি এবং আবির মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় হঠাৎ এক পথচারী নারী রাস্তা পারাপার করছিলেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মোটরসাইকেলটি সড়কে ছিটকে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলে থাকা তিনজন গুরুতর আহত হন। একই সঙ্গে ওই পথচারী নারীও আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জিসানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত রাব্বি ও আবিরকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত পথচারী মিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ আব্দুল বাতেন বলেন, সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে জিসান নামের একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
মহিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) অনিমেষ হালদার বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে অবস্থান করছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জিসান (১৭) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় রাব্বি (১৮) এবং আবির (১৬) নামে আরও দুই কিশোর আহত হয়েছে। একই সঙ্গে মিম নামের এক পথচারীও গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুয়াকাটার লেম্বুরবন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জিসান শরীয়তপুর জেলার পালং থানার কাসাপুর গ্রামের আমির হোসেন শেখের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের সূত্রে জানা যায়, সকালে জিসান, রাব্বি এবং আবির মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় হঠাৎ এক পথচারী নারী রাস্তা পারাপার করছিলেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মোটরসাইকেলটি সড়কে ছিটকে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলে থাকা তিনজন গুরুতর আহত হন। একই সঙ্গে ওই পথচারী নারীও আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জিসানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত রাব্বি ও আবিরকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত পথচারী মিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ আব্দুল বাতেন বলেন, সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে জিসান নামের একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
মহিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) অনিমেষ হালদার বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে অবস্থান করছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

০২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৬
দুই ঘণ্টার মধ্যে সেনাবাহিনীর মেজর এবং থানার ওসিকে সরিয়ে দিয়েছেন, এমন দাবি করেছেন পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য (এমপি) শফিকুল ইসলাম মাসুদ। সংসদীয় এলাকা বাউফলে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘দুই ঘণ্টার মধ্যে সেনাবাহিনীর মেজরকে চেইঞ্জ করেছি এখান থেকে, দুই ঘণ্টার মধ্যে ওসিকে চেয়ার থেকে সরিয়েছি।’
গত শনিবার দুপুরে বাউফল উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। তার ওই বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিকমাধ্যমে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মাসুদ বলেন, 'অনেকে বলে— ভোটে এমপি হইছেন। আমি বলি, খালি ভোটে এমপি হই নাই, পাওয়ারেও এমপি হইছি। পাওয়ার দেখাইতে আসবেন না। পাওয়ার দেখাইবে পাঁচ লক্ষ মানুষ।'
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘শফিকুল ইসলাম মাসুদ কী জিনিস, এইটা বাউফলের মানুষকে দেখানোর দরকার নাই। শেখ হাসিনার কাছে জিজ্ঞেস কইরা জাইনা নিয়েন।’
নিজের রাজনৈতিক অতীত ও সাংগঠনিক কর্ম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জাইনেন, ওখানকার সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসীর কাছে জিজ্ঞেস কইরেন, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কী জিনিস। উল্টাপাল্টা কথা বইলা মটকা গরম করবেন না। মটকা বোঝেন? মটকা গরম করবেন না, সামলাইতে পারবেন না।’
বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা উন্নয়ন তো কম করে নাই; সেতু, সড়কসহ নানা উন্নয়ন... তারপরও পালাতে হয়েছে কেন? উন্নয়ন করে যদি কেউ টিকে থাকতে পারত, তাহলে বাংলাদেশে একমাত্র শেখ হাসিনার টিকে থাকার কথা। কিন্তু পারে নাই কেন? রাস্তা দিছে, ঘাট দিছে, সেতু দিছে—এইটা করছে, ওইটা করছে, কিন্তু মানুষের মনে কোনো আনন্দ ছিল না। মানুষের অধিকার ছিল না।’
জনগণের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করা সম্ভব নয়, মন্তব্য করেন তিনি।
উপজেলা জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সম্পাদক খালিদুজ্জামান।;

০১ জুন, ২০২৬ ১১:১১

০১ জুন, ২০২৬ ০০:২৭
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
দুই ঘণ্টার মধ্যে সেনাবাহিনীর মেজর এবং থানার ওসিকে সরিয়ে দিয়েছেন, এমন দাবি করেছেন পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য (এমপি) শফিকুল ইসলাম মাসুদ। সংসদীয় এলাকা বাউফলে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘দুই ঘণ্টার মধ্যে সেনাবাহিনীর মেজরকে চেইঞ্জ করেছি এখান থেকে, দুই ঘণ্টার মধ্যে ওসিকে চেয়ার থেকে সরিয়েছি।’
গত শনিবার দুপুরে বাউফল উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। তার ওই বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিকমাধ্যমে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মাসুদ বলেন, 'অনেকে বলে— ভোটে এমপি হইছেন। আমি বলি, খালি ভোটে এমপি হই নাই, পাওয়ারেও এমপি হইছি। পাওয়ার দেখাইতে আসবেন না। পাওয়ার দেখাইবে পাঁচ লক্ষ মানুষ।'
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘শফিকুল ইসলাম মাসুদ কী জিনিস, এইটা বাউফলের মানুষকে দেখানোর দরকার নাই। শেখ হাসিনার কাছে জিজ্ঞেস কইরা জাইনা নিয়েন।’
নিজের রাজনৈতিক অতীত ও সাংগঠনিক কর্ম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জাইনেন, ওখানকার সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসীর কাছে জিজ্ঞেস কইরেন, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কী জিনিস। উল্টাপাল্টা কথা বইলা মটকা গরম করবেন না। মটকা বোঝেন? মটকা গরম করবেন না, সামলাইতে পারবেন না।’
বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা উন্নয়ন তো কম করে নাই; সেতু, সড়কসহ নানা উন্নয়ন... তারপরও পালাতে হয়েছে কেন? উন্নয়ন করে যদি কেউ টিকে থাকতে পারত, তাহলে বাংলাদেশে একমাত্র শেখ হাসিনার টিকে থাকার কথা। কিন্তু পারে নাই কেন? রাস্তা দিছে, ঘাট দিছে, সেতু দিছে—এইটা করছে, ওইটা করছে, কিন্তু মানুষের মনে কোনো আনন্দ ছিল না। মানুষের অধিকার ছিল না।’
জনগণের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করা সম্ভব নয়, মন্তব্য করেন তিনি।
উপজেলা জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সম্পাদক খালিদুজ্জামান।;
জীবনের দীর্ঘ সংগ্রাম, অভিমানে ভরা হৃদয়বিদারক কিছু কষ্টের কথা ফেসবুকে লিখে না ফেরার দেশে চলে গেলেন পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার তরুণ সাংবাদিক রাকিব হোসেন (৩৫)। কৃষিপণ্যে ব্যবহৃত অত্যন্ত বিষাক্ত অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড সেবনের পর রোববার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর আগে রাকিব সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দিয়ে যায় আবেগঘন বিদায়বার্তা। রাকিব হোসেন ছিলেন দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার দশমিনা উপজেলা প্রতিনিধি এবং তিনি দশমিনা বাজারে একটি ফার্মেসি ব্যাবসা পরিচালনা করতেন।
জানা যায়, গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোক্তার হোসেনের মেজো ছেলে রাকিব শৈশব থেকেই জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন।
২০০১ সালে মায়ের মৃত্যুর পর তিনি ও তার বোন দশমিনায় নানার বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানেই বেড়ে ওঠা, লেখাপড়া এবং পরবর্তীকালে কর্মজীবনের পথচলা।
মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে সকাল ৫টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক হৃদয়স্পর্শী পোস্টে রাকিব লেখেন, একটা মানুষ জীবনে কত যুদ্ধ করতে পারে? যুদ্ধ করতে করতে আজ আমি ক্লান্ত। আপন বলা মানুষগুলো ভালো থাকুক। আফসোস, রক্তের সম্পর্কের মানুষগুলো আমাকে চিনতে পারল না।
পোস্টে তিনি মৃত্যুর পর মায়ের কবরের পাশে শায়িত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ছোট বোন জান্নাতুল ফেরদৌসের কাছে নিজের ব্যাবসায়িক ও আর্থিক বিষয়গুলো বুঝিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে ব্যাবসায়িক অংশীদার গৌতমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাকে কোনো ধরনের হয়রানি না করার আহ্বানও জানান।
পোস্টের একপর্যায়ে রাকিব লেখেন, ছোটবেলা থেকেই পরিবার ছাড়া বড় হয়েছি। রক্তের মানুষগুলোর কাছ থেকে কখনো কিছু পাইনি, পেয়েছি শুধু অবহেলা। জীবনে যাদের কাছ থেকে ভালোবাসা পেয়েছি, তাদের সঙ্গে আমার কোনো রক্তের সম্পর্ক নেই। আজ বিদায়ের সময় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
সবশেষে সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি লেখেন, চলার পথে যদি কেউ আমার আচরণে কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। তার এই কথাগুলো এখন স্বজন, বন্ধু, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের হৃদয়ে গভীর বেদনার রেখা এঁকে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার গভীর রাতে রাকিব চারটি অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড ট্যাবলেট সেবন করেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি তার ছোট বোনকে ফোন করেন। খবর পেয়ে বোন ও কয়েকজন বন্ধু দ্রুত তার ভাড়া বাসায় ছুটে যান। পরে তাকে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অ্যাম্বুলেন্স কিছু পথ যাওয়ার পর সকাল ৬টার দিকে তার জীবনপ্রদীপ নিভে যায়।
নিহতের বোন জান্নাতুল ফেরদৌস কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, মা মারা যাওয়ার পর তিনি ও রাকিব নানার বাড়িতে বড় হয়েছেন। ভাইটি সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন, নিজের চেষ্টায় দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে আর ধরে রাখা গেল না।
রোববার দশমিনা মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় রাজনৈতিক সহকর্মী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ অংশ নেন। পরে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী গলাচিপা উপজেলার নিজ এলাকায় মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজা শেষে অনেকের চোখেই ছিল অশ্রু। কেউ হারিয়েছেন সহকর্মী, কেউ বন্ধু, কেউ রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। আর একজন মা-হারা সন্তানের জীবনের দীর্ঘ অভিমান, কষ্ট আর নীরব যুদ্ধের গল্প শেষ হলো মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়ার মধ্য দিয়ে।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. রাহুল বিন হালিম জানান, অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড অত্যন্ত বিষাক্ত একটি রাসায়নিক পদার্থ। এর নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই এবং সামান্য পরিমাণ সেবনও প্রাণঘাতী হতে পারে। দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও রাকিবকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিষাক্ত ওষুধ সেবনের ঘটনায় রাকিব হোসেনের মৃত্যুর খবর পুলিশ পেয়েছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’
জীবনের দীর্ঘ সংগ্রাম, অভিমানে ভরা হৃদয়বিদারক কিছু কষ্টের কথা ফেসবুকে লিখে না ফেরার দেশে চলে গেলেন পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার তরুণ সাংবাদিক রাকিব হোসেন (৩৫)। কৃষিপণ্যে ব্যবহৃত অত্যন্ত বিষাক্ত অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড সেবনের পর রোববার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর আগে রাকিব সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দিয়ে যায় আবেগঘন বিদায়বার্তা। রাকিব হোসেন ছিলেন দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার দশমিনা উপজেলা প্রতিনিধি এবং তিনি দশমিনা বাজারে একটি ফার্মেসি ব্যাবসা পরিচালনা করতেন।
জানা যায়, গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোক্তার হোসেনের মেজো ছেলে রাকিব শৈশব থেকেই জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন।
২০০১ সালে মায়ের মৃত্যুর পর তিনি ও তার বোন দশমিনায় নানার বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানেই বেড়ে ওঠা, লেখাপড়া এবং পরবর্তীকালে কর্মজীবনের পথচলা।
মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে সকাল ৫টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক হৃদয়স্পর্শী পোস্টে রাকিব লেখেন, একটা মানুষ জীবনে কত যুদ্ধ করতে পারে? যুদ্ধ করতে করতে আজ আমি ক্লান্ত। আপন বলা মানুষগুলো ভালো থাকুক। আফসোস, রক্তের সম্পর্কের মানুষগুলো আমাকে চিনতে পারল না।
পোস্টে তিনি মৃত্যুর পর মায়ের কবরের পাশে শায়িত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ছোট বোন জান্নাতুল ফেরদৌসের কাছে নিজের ব্যাবসায়িক ও আর্থিক বিষয়গুলো বুঝিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে ব্যাবসায়িক অংশীদার গৌতমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাকে কোনো ধরনের হয়রানি না করার আহ্বানও জানান।
পোস্টের একপর্যায়ে রাকিব লেখেন, ছোটবেলা থেকেই পরিবার ছাড়া বড় হয়েছি। রক্তের মানুষগুলোর কাছ থেকে কখনো কিছু পাইনি, পেয়েছি শুধু অবহেলা। জীবনে যাদের কাছ থেকে ভালোবাসা পেয়েছি, তাদের সঙ্গে আমার কোনো রক্তের সম্পর্ক নেই। আজ বিদায়ের সময় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
সবশেষে সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি লেখেন, চলার পথে যদি কেউ আমার আচরণে কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। তার এই কথাগুলো এখন স্বজন, বন্ধু, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের হৃদয়ে গভীর বেদনার রেখা এঁকে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার গভীর রাতে রাকিব চারটি অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড ট্যাবলেট সেবন করেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি তার ছোট বোনকে ফোন করেন। খবর পেয়ে বোন ও কয়েকজন বন্ধু দ্রুত তার ভাড়া বাসায় ছুটে যান। পরে তাকে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অ্যাম্বুলেন্স কিছু পথ যাওয়ার পর সকাল ৬টার দিকে তার জীবনপ্রদীপ নিভে যায়।
নিহতের বোন জান্নাতুল ফেরদৌস কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, মা মারা যাওয়ার পর তিনি ও রাকিব নানার বাড়িতে বড় হয়েছেন। ভাইটি সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন, নিজের চেষ্টায় দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে আর ধরে রাখা গেল না।
রোববার দশমিনা মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় রাজনৈতিক সহকর্মী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ অংশ নেন। পরে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী গলাচিপা উপজেলার নিজ এলাকায় মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজা শেষে অনেকের চোখেই ছিল অশ্রু। কেউ হারিয়েছেন সহকর্মী, কেউ বন্ধু, কেউ রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। আর একজন মা-হারা সন্তানের জীবনের দীর্ঘ অভিমান, কষ্ট আর নীরব যুদ্ধের গল্প শেষ হলো মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়ার মধ্য দিয়ে।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. রাহুল বিন হালিম জানান, অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড অত্যন্ত বিষাক্ত একটি রাসায়নিক পদার্থ। এর নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই এবং সামান্য পরিমাণ সেবনও প্রাণঘাতী হতে পারে। দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও রাকিবকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিষাক্ত ওষুধ সেবনের ঘটনায় রাকিব হোসেনের মৃত্যুর খবর পুলিশ পেয়েছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বাউফলে এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘মটকা গরম কইরেন না, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করেন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যায়ের সবচেয়ে বড় মাস্তানকে জিজ্ঞেস করেন।’
শনিবার (৩০ মে) বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নে আয়োজিত এক সভায় দেওয়া তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।
ভিডিওতে শফিকুল ইসলাম মাসুদকে বলতে শোনা যায়, ‘মটকা গরম কইরেন না, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করেন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় মাস্তানকে জিজ্ঞেস করেন।’
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘পাওয়ার তো দেখায় ডাকাত, পাওয়ার তো দেখায় চোর, পাওয়ার তো দেখায় ছিনতাইকারী, পাওয়ার তো দেখায় পকেটমার। শফিকুল ইসলাম মাসুদ পকেটমার এমপি না, ডাকাত থেকে এমপি হয় নাই। মাসুদ এমপি হয়েছে বাউফলের মানুষকে ক্ষমতাবান করার জন্য।’
তিনি দাবি করেন, বাউফলের মানুষের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা বাউফলের মানুষকে দেখানোর দরকার নাই। সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করে জাইনা নিয়েন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় যে সন্ত্রাসী তার কাছে জিজ্ঞেস করেন। ৯ তারিখ বাউফল থানার সামনে দাঁড়িয়ে আমি দেখিয়েছি আমি কি জিনিস।’
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারিও দেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, ‘উল্টা-পাল্টা কথা বইলা মটকা গরম করবেন না। মটকা গরম করলে সামলাইতে পারবেন না।’ একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বাউফল ডাকাতি ও চাঁদাবাজির কবলে ছিল এবং সেই পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
অপর এক বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘যতই তাউরাসগিরি যারা যারা করেন, সেকেন্ডের মধ্যে সব গোলাইয়া ফালই দেব। আমাদের মটকা যেন কেউ গরম না করান। আমরা শক্তের ভক্ত, নরমের যম।’
ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। এদিকে তার বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।’
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বাউফলে এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘মটকা গরম কইরেন না, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করেন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যায়ের সবচেয়ে বড় মাস্তানকে জিজ্ঞেস করেন।’
শনিবার (৩০ মে) বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নে আয়োজিত এক সভায় দেওয়া তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।
ভিডিওতে শফিকুল ইসলাম মাসুদকে বলতে শোনা যায়, ‘মটকা গরম কইরেন না, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করেন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় মাস্তানকে জিজ্ঞেস করেন।’
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘পাওয়ার তো দেখায় ডাকাত, পাওয়ার তো দেখায় চোর, পাওয়ার তো দেখায় ছিনতাইকারী, পাওয়ার তো দেখায় পকেটমার। শফিকুল ইসলাম মাসুদ পকেটমার এমপি না, ডাকাত থেকে এমপি হয় নাই। মাসুদ এমপি হয়েছে বাউফলের মানুষকে ক্ষমতাবান করার জন্য।’
তিনি দাবি করেন, বাউফলের মানুষের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা বাউফলের মানুষকে দেখানোর দরকার নাই। সেটা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করে জাইনা নিয়েন। শফিকুল ইসলাম মাসুদ কি জিনিস সেটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় যে সন্ত্রাসী তার কাছে জিজ্ঞেস করেন। ৯ তারিখ বাউফল থানার সামনে দাঁড়িয়ে আমি দেখিয়েছি আমি কি জিনিস।’
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারিও দেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, ‘উল্টা-পাল্টা কথা বইলা মটকা গরম করবেন না। মটকা গরম করলে সামলাইতে পারবেন না।’ একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বাউফল ডাকাতি ও চাঁদাবাজির কবলে ছিল এবং সেই পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
অপর এক বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘যতই তাউরাসগিরি যারা যারা করেন, সেকেন্ডের মধ্যে সব গোলাইয়া ফালই দেব। আমাদের মটকা যেন কেউ গরম না করান। আমরা শক্তের ভক্ত, নরমের যম।’
ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। এদিকে তার বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।’
০২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৬
০২ জুন, ২০২৬ ১৩:৪০
০২ জুন, ২০২৬ ১৩:০৫
০১ জুন, ২০২৬ ২১:৫৭