বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র জিয়াদ হাসান জিম সংগঠনের সকল পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। গত ২০ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্রের পদসহ টাঙ্গাইল জেলা ও মধুপুর উপজেলার সকল সাংগঠনিক কমিটি থেকে পদত্যাগের এই ঘোষণা দেন ।
ভিডিও বার্তায় জিয়াদ হাসান জিম জানান, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতৃত্বের একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য তাকে ব্যথিত করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে জুলাই আন্দোলনকারীদের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের (এনসিপি) কথা বলেছেন । জিমের মতে, একটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের অভিভাবক হিসেবে এ ধরনের মন্তব্য করা অনুচিত, কারণ এতে সাধারণ ও অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীদের আবেগে আঘাত লাগে ।
পদত্যাগের পেছনে স্থানীয় ও সাংগঠনিক অসহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। জিম অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে তার নিজ উপজেলা মধুপুরে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি । এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ‘ট্যাগ’ বা তকমা সইতে হয়েছে । এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস ক্লাব থেকেও তাকে এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, যা তার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রেখেছে।
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জিয়াদ হাসান জিম বলেন, "আমি মানুষের জন্য এবং ন্যায়ের পক্ষে কাজ করতে চাই। এর জন্য কোনো বিশেষ প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন নেই। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবেও বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো সম্ভব"। তিনি আরও যোগ করেন যে, কোনো বিশেষ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে তিনি কাজ করতে আগ্রহী নন।
পদত্যাগের ঘোষণার পাশাপাশি তিনি কিছু জনগুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাকে পূর্ণাঙ্গ জেলায় উন্নীত করা এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট নিরসন, লাইব্রেরি সুবিধার আধুনিকায়ন ও হলের খাবারের মান নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে হাসিব আল ইসলাম, রিফাত রশিদ ও মুইনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জিয়াদ হাসান জিমকে মুখপাত্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল । দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য ও আদর্শিক কারণে তিনি এই পদত্যাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন ।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১০
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র জিয়াদ হাসান জিম সংগঠনের সকল পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। গত ২০ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্রের পদসহ টাঙ্গাইল জেলা ও মধুপুর উপজেলার সকল সাংগঠনিক কমিটি থেকে পদত্যাগের এই ঘোষণা দেন ।
ভিডিও বার্তায় জিয়াদ হাসান জিম জানান, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতৃত্বের একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য তাকে ব্যথিত করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে জুলাই আন্দোলনকারীদের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের (এনসিপি) কথা বলেছেন । জিমের মতে, একটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের অভিভাবক হিসেবে এ ধরনের মন্তব্য করা অনুচিত, কারণ এতে সাধারণ ও অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীদের আবেগে আঘাত লাগে ।
পদত্যাগের পেছনে স্থানীয় ও সাংগঠনিক অসহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। জিম অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে তার নিজ উপজেলা মধুপুরে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি । এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ‘ট্যাগ’ বা তকমা সইতে হয়েছে । এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস ক্লাব থেকেও তাকে এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, যা তার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রেখেছে।
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জিয়াদ হাসান জিম বলেন, "আমি মানুষের জন্য এবং ন্যায়ের পক্ষে কাজ করতে চাই। এর জন্য কোনো বিশেষ প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন নেই। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবেও বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো সম্ভব"। তিনি আরও যোগ করেন যে, কোনো বিশেষ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে তিনি কাজ করতে আগ্রহী নন।
পদত্যাগের ঘোষণার পাশাপাশি তিনি কিছু জনগুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাকে পূর্ণাঙ্গ জেলায় উন্নীত করা এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট নিরসন, লাইব্রেরি সুবিধার আধুনিকায়ন ও হলের খাবারের মান নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে হাসিব আল ইসলাম, রিফাত রশিদ ও মুইনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জিয়াদ হাসান জিমকে মুখপাত্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল । দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য ও আদর্শিক কারণে তিনি এই পদত্যাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন ।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১