Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০১
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৪
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৩

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৪৮
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে সমন্বিত কৃষি উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষির টেকসই উন্নয়নে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং বিশ্বব্যাংক ও ইফাদের সহায়তায় বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি ভবন মিলনায়তনে দিনব্যাপী ওই পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
'প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত ওই কংগ্রেসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ মোঃ শহিদুল ইসলাম। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে পার্টনার কংগ্রেসে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রোমানা শারমিন রিপার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্টনার প্রকল্পের বরিশাল অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক এবিএম মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, চাঁদপাশা ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন রাঢ়ী, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, পার্টনার এনজিও প্রতিনিধি সাইদুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আতিকুর রহমান সুমন, সফল চাষী রুম্মন হোসেন, ঝর্ণা রাণী প্রমুখ।
পার্টনার কংগ্রেসে বিশেষ অতিথি হিসেবে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এএফএম নাজমুস সালেহীন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু খান, রহমতপুর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান সুমন সিকদার, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম ওমর, রফিকুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান সুরুজ, বিবি হাজেরা রিমি, রেশমা আক্তার প্রমুখ। এসময় পার্টনার প্রকল্পের স্টেক হোল্ডাররা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।
পার্টনার প্রকল্প সম্পর্কে বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেমিক্যাল ও পেস্টিসাইডমুক্ত আধুনিক, নিরাপদ এবং সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ করাই এই পার্টনার প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পটি কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করবে। এছাড়াও নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদনসহ কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। এতে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একদিকে যেমন কৃষকদের কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা যাবে তেমনি প্রান্তিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে। #
বরিশালের বাবুগঞ্জে সমন্বিত কৃষি উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষির টেকসই উন্নয়নে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং বিশ্বব্যাংক ও ইফাদের সহায়তায় বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি ভবন মিলনায়তনে দিনব্যাপী ওই পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
'প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত ওই কংগ্রেসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ মোঃ শহিদুল ইসলাম। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে পার্টনার কংগ্রেসে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রোমানা শারমিন রিপার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্টনার প্রকল্পের বরিশাল অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক এবিএম মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, চাঁদপাশা ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন রাঢ়ী, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, পার্টনার এনজিও প্রতিনিধি সাইদুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আতিকুর রহমান সুমন, সফল চাষী রুম্মন হোসেন, ঝর্ণা রাণী প্রমুখ।
পার্টনার কংগ্রেসে বিশেষ অতিথি হিসেবে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এএফএম নাজমুস সালেহীন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু খান, রহমতপুর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান সুমন সিকদার, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম ওমর, রফিকুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান সুরুজ, বিবি হাজেরা রিমি, রেশমা আক্তার প্রমুখ। এসময় পার্টনার প্রকল্পের স্টেক হোল্ডাররা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।
পার্টনার প্রকল্প সম্পর্কে বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেমিক্যাল ও পেস্টিসাইডমুক্ত আধুনিক, নিরাপদ এবং সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ করাই এই পার্টনার প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পটি কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করবে। এছাড়াও নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদনসহ কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। এতে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একদিকে যেমন কৃষকদের কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা যাবে তেমনি প্রান্তিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে। #
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করে গাঁঢাকা দিয়েছেন ডিডাব্লিউএফ নামক বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। শিক্ষার্থীরা তার সাথে দেখা করতে চাইলেও সামনে আসছেন না তিনি। প্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ রেখে দিনভর বিক্ষোভ শেষে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে নার্সিং কলেজে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিনভর বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নাম করে প্রতারণা করে তাদের ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান, দুর্নীতিবাজ জহিরুল ইসলাম জহির। প্রতারণা ধরা পড়ায় শিক্ষার্থীদের সামনে না এসে গাঁঢাকা দিয়েছেন প্রতারক জহির।
শুধু অর্থ আত্মসাত নয়, ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজে অদক্ষ অধ্যক্ষ নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা “দুর্নীতিবাজ জহিরের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
স্বর্ণা দাস, অন্তু বিশ্বাস, মিম আক্তারসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের অনুমতি পেতে হাসপাতাল পরিচালককে দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২৭ লাখ টাকা আদায় করে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বেসরকারি ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীরা জানান, পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন তাদের কাছ থেকে আদায় করা ২৭ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করেছেন কলেজটির চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। কিন্তু তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় টাকা ফেরত চেয়েও ব্যর্থ হন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী আত্মসাতকৃত ২৭ লাখ টাকা ফেরত পেতে আন্দোলনে নামে ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ শিক্ষার্থীরা। এর প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনী এবং পুলিশের মধ্যস্ততায় শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় নার্সিং কলেজ প্রশাসন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি না রেখে প্রায় দুই বছর ধরে টাকা ফেরত দেয়ার নামে নয়ছয় করছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইতোপূর্বে টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলে এখন তা অস্বীকার করছে। এমনকি টাকা ফেরত না দিয়ে তা সমতার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলছে। আমরা সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে আমরা কলেজ প্রশাসনের কাছে লিখিত চেয়েছি। সেটা তারা দিচ্ছে না।
আজ (সোমবার) যখন এ বিষয়ে লিখিত চাইলাম তখন অধ্যক্ষ আমাদের সাথে নানাভাবে টালবাহানা শুরু করে। আমরা প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামকে এনে দিতে বলেছি, কিন্তু সেও আমাদের কাছে আসছে না। শিক্ষার্থীদের ধারনা পাওনা ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করতেই কলেজ কর্তৃপক্ষ এমন নয়ছয় শুরু করেছে। তাই বিকেল সাড়ে টার দিকে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে কলেজের একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
বরিশাল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মোসা. মমতাজ বলেন, ভর্তির সময় ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের জন্য একটা টাকা নেয়া হয়েছিল। এটা শিক্ষার্থীরা দেখে শুনেই দিয়েছিল। এখন সেই টাকা ফেরত চাচ্ছে। গত তিনদিন আগে তাদের পাওনার বিষয়টি সমতা করা হয়েছে। তারা এখন প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে চায়। শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে সেটাই জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে বরিশাল ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন শ্রমিকলীগের নেতা। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে।
তাছাড়া ইতোপূর্বে চেক জালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল জহির ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নিজের মালিকানাধীন রাজধানী নার্সিং কলেজের শিক্ষিকার সাথে পরকিয়া করে বিয়ে করেন তিনি। সেই ঘটনায় শিক্ষিকার স্বামী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঝালকাঠি আদালতে।’
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করে গাঁঢাকা দিয়েছেন ডিডাব্লিউএফ নামক বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। শিক্ষার্থীরা তার সাথে দেখা করতে চাইলেও সামনে আসছেন না তিনি। প্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ রেখে দিনভর বিক্ষোভ শেষে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে নার্সিং কলেজে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিনভর বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নাম করে প্রতারণা করে তাদের ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান, দুর্নীতিবাজ জহিরুল ইসলাম জহির। প্রতারণা ধরা পড়ায় শিক্ষার্থীদের সামনে না এসে গাঁঢাকা দিয়েছেন প্রতারক জহির।
শুধু অর্থ আত্মসাত নয়, ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজে অদক্ষ অধ্যক্ষ নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা “দুর্নীতিবাজ জহিরের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
স্বর্ণা দাস, অন্তু বিশ্বাস, মিম আক্তারসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের অনুমতি পেতে হাসপাতাল পরিচালককে দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২৭ লাখ টাকা আদায় করে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বেসরকারি ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীরা জানান, পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন তাদের কাছ থেকে আদায় করা ২৭ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করেছেন কলেজটির চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। কিন্তু তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় টাকা ফেরত চেয়েও ব্যর্থ হন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী আত্মসাতকৃত ২৭ লাখ টাকা ফেরত পেতে আন্দোলনে নামে ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ শিক্ষার্থীরা। এর প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনী এবং পুলিশের মধ্যস্ততায় শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় নার্সিং কলেজ প্রশাসন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি না রেখে প্রায় দুই বছর ধরে টাকা ফেরত দেয়ার নামে নয়ছয় করছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইতোপূর্বে টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলে এখন তা অস্বীকার করছে। এমনকি টাকা ফেরত না দিয়ে তা সমতার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলছে। আমরা সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে আমরা কলেজ প্রশাসনের কাছে লিখিত চেয়েছি। সেটা তারা দিচ্ছে না।
আজ (সোমবার) যখন এ বিষয়ে লিখিত চাইলাম তখন অধ্যক্ষ আমাদের সাথে নানাভাবে টালবাহানা শুরু করে। আমরা প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামকে এনে দিতে বলেছি, কিন্তু সেও আমাদের কাছে আসছে না। শিক্ষার্থীদের ধারনা পাওনা ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করতেই কলেজ কর্তৃপক্ষ এমন নয়ছয় শুরু করেছে। তাই বিকেল সাড়ে টার দিকে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে কলেজের একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
বরিশাল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মোসা. মমতাজ বলেন, ভর্তির সময় ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের জন্য একটা টাকা নেয়া হয়েছিল। এটা শিক্ষার্থীরা দেখে শুনেই দিয়েছিল। এখন সেই টাকা ফেরত চাচ্ছে। গত তিনদিন আগে তাদের পাওনার বিষয়টি সমতা করা হয়েছে। তারা এখন প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে চায়। শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে সেটাই জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে বরিশাল ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন শ্রমিকলীগের নেতা। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে।
তাছাড়া ইতোপূর্বে চেক জালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল জহির ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নিজের মালিকানাধীন রাজধানী নার্সিং কলেজের শিক্ষিকার সাথে পরকিয়া করে বিয়ে করেন তিনি। সেই ঘটনায় শিক্ষিকার স্বামী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঝালকাঠি আদালতে।’