
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:১১
বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এসব নিশ্চিত করেছে।
এতে বলা হয়, ‘২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকরভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করেছে। যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ব্যয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।’
বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এসব নিশ্চিত করেছে।
এতে বলা হয়, ‘২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকরভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করেছে। যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ব্যয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।’

০২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুসহ ছয়জনকে হুইপ নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সোমবার (২ মার্চ) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ হুইপ অধ্যাদেশ ১৯৭২-এর আর্টিকেল ৩(১)-এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিম্নবর্ণিত সংসদ সদস্যগণকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ নিয়োগ করলেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত হুইপরা হলেন, আলহাজ মো. জি কে গউছ (২৪১ হবিগঞ্জ-৩), রফিকুল ইসলাম (১০১ খুলনা-৩), মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ (২২৩ শরীয়তপুর-৩), এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (৫৯ নাটোর-২), মো. আখতারুজ্জামান মিয়া (৯ দিনাজপুর-৪), এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (২৭৭ লক্ষ্মীপুর-৪)।
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুসহ ছয়জনকে হুইপ নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সোমবার (২ মার্চ) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ হুইপ অধ্যাদেশ ১৯৭২-এর আর্টিকেল ৩(১)-এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিম্নবর্ণিত সংসদ সদস্যগণকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ নিয়োগ করলেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত হুইপরা হলেন, আলহাজ মো. জি কে গউছ (২৪১ হবিগঞ্জ-৩), রফিকুল ইসলাম (১০১ খুলনা-৩), মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ (২২৩ শরীয়তপুর-৩), এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (৫৯ নাটোর-২), মো. আখতারুজ্জামান মিয়া (৯ দিনাজপুর-৪), এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (২৭৭ লক্ষ্মীপুর-৪)।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা আবেদন করেছেন।
এই চার প্রার্থী হলেন, বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিএনপির রংপুর-৬ আসনের মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং বিএনপির রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন।
সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছ।
এর আগে রোববার বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। যে চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো হলো-শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা-৪।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন, শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লাহ এবং গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী অনিয়মের বিরুদ্ধে আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা আবেদন করেছেন।
এই চার প্রার্থী হলেন, বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিএনপির রংপুর-৬ আসনের মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং বিএনপির রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন।
সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছ।
এর আগে রোববার বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। যে চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো হলো-শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা-৪।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন, শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লাহ এবং গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী অনিয়মের বিরুদ্ধে আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)।

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৫
রমজানকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল, তা কিছুটা কমেছে। তবে বাজারে রীতিমত উত্তাপ ছড়াচ্ছে ফলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে বাজারে এসে রীতিমতো হা-হুতাশ করছে সাধারণ ক্রেতারা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালী ও কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মাল্টা ৩১০ থেকে ৩৪০ টাকা, আপেল ৩৩০ থেকে ৪০০ টাকা, সবুজ আঙুর ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা, কালো আঙুর প্রায় ৫৫০ টাকা কেজি, তরমুজ আকার ও মানভেদে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, খেজুরের বাজারও অস্থির, মানভেদে প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। লেবুর দাম কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়ে সাধারণ মানের লেবু ৬০ থেকে ৮০ টাকা হালি এবং বড় লেবু ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন কেজিতে ১০০ থেকে ১৪০ টাকা এবং দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের ফল বিক্রেতা আমজাদ আলী বলেন, তরমুজের মৌসুম এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি, সরবরাহ কম থাকায় আগাম তরমুজের দাম কিছুটা বেশি। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দাম স্বাভাবিক হওয়ার আশা আছে। আর অন্যান্য ফলের দাম রোজার আগে থেকে বেশি। রোজার মাস জুড়েই দাম বাড়তি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
রামপুরা বাজারে ফল কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, রমজান এলেই পণ্যের দাম বেড়ে যায়, যা এখন প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অনেক ফলের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে অভিযোগ তাদের। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ইফতারের প্রয়োজনীয় ফল কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
রমজানকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল, তা কিছুটা কমেছে। তবে বাজারে রীতিমত উত্তাপ ছড়াচ্ছে ফলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে বাজারে এসে রীতিমতো হা-হুতাশ করছে সাধারণ ক্রেতারা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালী ও কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মাল্টা ৩১০ থেকে ৩৪০ টাকা, আপেল ৩৩০ থেকে ৪০০ টাকা, সবুজ আঙুর ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা, কালো আঙুর প্রায় ৫৫০ টাকা কেজি, তরমুজ আকার ও মানভেদে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, খেজুরের বাজারও অস্থির, মানভেদে প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। লেবুর দাম কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়ে সাধারণ মানের লেবু ৬০ থেকে ৮০ টাকা হালি এবং বড় লেবু ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন কেজিতে ১০০ থেকে ১৪০ টাকা এবং দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের ফল বিক্রেতা আমজাদ আলী বলেন, তরমুজের মৌসুম এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি, সরবরাহ কম থাকায় আগাম তরমুজের দাম কিছুটা বেশি। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দাম স্বাভাবিক হওয়ার আশা আছে। আর অন্যান্য ফলের দাম রোজার আগে থেকে বেশি। রোজার মাস জুড়েই দাম বাড়তি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
রামপুরা বাজারে ফল কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, রমজান এলেই পণ্যের দাম বেড়ে যায়, যা এখন প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অনেক ফলের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে অভিযোগ তাদের। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ইফতারের প্রয়োজনীয় ফল কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫