
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১০:১৯
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও প্রশাসন, সাংবাদিক, শিক্ষক, সুশীল সমাজ ও এতিম শিক্ষার্থীদের সম্মানে এক অনন্য এবং অনুকরণীয় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন ছাত্রদল নেতা আজিজুল হক। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তবে ওই দোয়া ও ইফতার মাহফিলে এবার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক ছিল বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন নির্বাচিত হওয়ার পরে বাবুগঞ্জে এসে প্রথম কোনো জনসমাবেশে ভাষণ দেওয়া এবং বাবুগঞ্জ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের ওই ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ। একই সাথে ছাত্রদল নেতা আজিজুল হককে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'বাবুগঞ্জ-মুলাদীতে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই হবে না। এলাকায় থাকতে চাইলে মাদক ব্যবসা ছাড়তে হবে। কোনো অবস্থাতেই কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমার নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজিসহ কোনো অসামাজিক কার্যকলাপ চলতে দেওয়া হবে না। মাদক নিয়ে কেউ ধরা পড়লে যদি কোনো বিএনপি নেতা তদবিরে যায় তার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
এসময় অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'আমাদের সকল নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করা হবে। আমাদের নেতা মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এক ক্লিকে ৩৭ হাজার দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে ভাতা বিতরণ করেছেন। হাতে ভোটের কালি মুছে যাবার আগেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা দেশের সকল অঞ্চলের মানুষ পাবেন। এছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকা বাবুগঞ্জ এবং মুলাদীতে ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে হাসপাতাল নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেটাও বাস্তবায়ন করা হবে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার ১৩৩টি অর্ডিন্যান্স পাশ করেছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মূল দায়িত্ব পড়েছে আমার কাঁধে। এই কারণে আমি এতদিন আপনাদের মাঝে আসতে না পারলেও খুব দ্রুতই আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব শেষ করে আপনাদের কাছে ফিরে আসবো।'
আয়োজক বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হকের সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রীমকোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী রবী, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের অ্যাডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন।
ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি যুগ্ম-আহবায়ক সামসুল আলম ফকির, আলমগীর হোসেন স্বপন, দুলাল চন্দ্র সাহা, নজরুল ইসলাম বাদশা, মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, আহবায়ক কমিটির সদস্য রাজন সিকদার, আবদুল মালেক সিকদার, মোশারফ হোসেন, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম মিঠু, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রেশমা রহমান, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ফরিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা, যুবদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, শ্রমিকদল নেতা মান্নান হাওলাদার প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। ঐতিহাসিক ওই ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নানান শ্রেণিপেশার সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। #

বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও প্রশাসন, সাংবাদিক, শিক্ষক, সুশীল সমাজ ও এতিম শিক্ষার্থীদের সম্মানে এক অনন্য এবং অনুকরণীয় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন ছাত্রদল নেতা আজিজুল হক। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তবে ওই দোয়া ও ইফতার মাহফিলে এবার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক ছিল বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন নির্বাচিত হওয়ার পরে বাবুগঞ্জে এসে প্রথম কোনো জনসমাবেশে ভাষণ দেওয়া এবং বাবুগঞ্জ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের ওই ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ। একই সাথে ছাত্রদল নেতা আজিজুল হককে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'বাবুগঞ্জ-মুলাদীতে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই হবে না। এলাকায় থাকতে চাইলে মাদক ব্যবসা ছাড়তে হবে। কোনো অবস্থাতেই কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমার নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজিসহ কোনো অসামাজিক কার্যকলাপ চলতে দেওয়া হবে না। মাদক নিয়ে কেউ ধরা পড়লে যদি কোনো বিএনপি নেতা তদবিরে যায় তার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
এসময় অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'আমাদের সকল নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করা হবে। আমাদের নেতা মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এক ক্লিকে ৩৭ হাজার দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে ভাতা বিতরণ করেছেন। হাতে ভোটের কালি মুছে যাবার আগেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা দেশের সকল অঞ্চলের মানুষ পাবেন। এছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকা বাবুগঞ্জ এবং মুলাদীতে ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে হাসপাতাল নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেটাও বাস্তবায়ন করা হবে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার ১৩৩টি অর্ডিন্যান্স পাশ করেছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মূল দায়িত্ব পড়েছে আমার কাঁধে। এই কারণে আমি এতদিন আপনাদের মাঝে আসতে না পারলেও খুব দ্রুতই আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব শেষ করে আপনাদের কাছে ফিরে আসবো।'
আয়োজক বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হকের সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রীমকোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী রবী, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের অ্যাডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন।
ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি যুগ্ম-আহবায়ক সামসুল আলম ফকির, আলমগীর হোসেন স্বপন, দুলাল চন্দ্র সাহা, নজরুল ইসলাম বাদশা, মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, আহবায়ক কমিটির সদস্য রাজন সিকদার, আবদুল মালেক সিকদার, মোশারফ হোসেন, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম মিঠু, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রেশমা রহমান, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ফরিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা, যুবদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, শ্রমিকদল নেতা মান্নান হাওলাদার প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। ঐতিহাসিক ওই ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নানান শ্রেণিপেশার সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। #


১৩ মে, ২০২৬ ২০:৫৪

১৩ মে, ২০২৬ ২০:০৮
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় সহযোগিতা করে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এক বিএনপি নেতাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মাসিক সভায় এ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম।
সম্মাননা ক্রেস্ট পাওয়া মো. জামাল উদ্দিন ফকির নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইউএনও মো. ইব্রাহীম মাদক নির্মূল কার্যক্রমকে আরও কার্যকরী ও জনমুখী করতে এ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদক সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানকারীদের ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কারের আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আরও সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন এলাকায় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ৫৩ পিস ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।
ইউএনও মো. ইব্রাহীম বলেন, মাদক নির্মূল শুধু প্রশাসনের একক দায়িত্ব নয়। এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে মাদক নির্মূলে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবার থেকেই সন্তানদের সচেতন করে তুলতে হবে। তাহলেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

১৩ মে, ২০২৬ ১৭:৩৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ আটক ইসরাফিল (২০) ও রিফাত সরদার(২৩) নামের দুই যুবককে পুলিশ আটক করার পরে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ইসরাফিলকে তিন মাস জেল ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং রিফাত সরদারকে ১৫ দিনের জেল ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বুধবার (১৩ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এসময় আটককৃত রাজশাহীর গােদাগাড়ী থানার কেশবপুর গ্রামের মুনিরুল ইসলামের ছেলে ইসরাফিলের কাছ থেকে তিন পুড়িয়া ও বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রামের রফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে .মোঃরিফাত সরদারের কাছ থেকে এক পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের এ সাজা দেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে বুধবার (১৩ মে) সকালে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের সীমাহীন দুর্নীতি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার অভিযোগে নিজ কার্যালয়ের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনত্র ও বিভিন্ন শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৬ কর্মচারীকে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করা হয়। এর আগে তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার আশংকায় শুরুতেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৫ কর্মকর্তাকে অনত্র বদলি করে দেন জেলা প্রশাসক। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অস্তিরতা ও বদলি আতংক বিরাজ করছে।
ঈদের ৫/৬ কর্মদিবসের আগে এমন বদলিকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের হিজলা-মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ- এ তিনটি উপজেলায় অতিরিক্ত অস্থায়ী ভোট কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ ভোটকেন্দ্র দেখিয়ে ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে।
শুধু অতিরিক্ত কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ কেন্দ্র দেখিয়েই টাকা আত্মসাৎ করা নয়, রিটার্নিং অফিসারের কন্ট্রোল রুম, ফলাফল সংগ্রহ, পরিবেশন, রিটার্নিং অফিসার ও তার দপ্তর, নির্বাচন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত পর্যবেক্ষক টিমসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত ১৪ লক্ষাধিক টাকার কানাকড়িও খরচ করেননি বলেও অভিযোগ উঠে ।
এছাড়া বিভিন্ন খাতে এসব খাতে বরাদ্দকৃত টাকার ভুয়া বিল-ভাউচার করে নিজেই তা আত্মসাৎ করেছেন- এমন আলোচনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়জুড়েই।
একইভাবে বরিশাল সদর উপজেলাসহ ১০টি উপজেলায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আপ্যায়ন বাবদ বিপুল অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে গত ৭ মে বৃহস্পতিবার আমার দেশ-এ জেলা প্রশাসকের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরপরই বরিশালসহ সর্বত্র ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার সন্দেহে শুরুতেই নির্বাচনকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার হালদারকে সাধারণ শাখা থেকে সরিয়ে জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখায় বদলি করা হয়।
এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুজি কান্ত হাজংকে মানবসম্পদ ও উন্নয়ন শাখায় বদলি করেন। পথের কাঁটা সরাতে সম্প্রতি তাকে জোর করে নৌপরিবহন মন্ত্রাণালয়ে বদলি করতে ভূমিকা রাখেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম ।
এছাড়া সহকারী কমিশনার হাসিবুল আজমকে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনে বদলি করা হয়েছে । এডিসি জেনারেল সুফল চন্দ্র গোলদারকে ওএসডি করে মানব সম্পদ শাখায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করেন। পরে তাকে রেল মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া এনডিসি আশ্রাফুল ইসলামকে তাকে সরিয়ে দিয়ে ৫ মাসের ট্রেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সাকলাইনকে এনডিসি থেকে সরিয়ে একটি শাখায় বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটকে কম গুরুত্বপূর্ণ শাখায় সরিয়ে জুনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটদের গুরুত্বপূর্ণ শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ গতকাল অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মাহফুজুর রহমান খানকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে, খাদিজা বেগমকে আইসিটি শাখায়, আনিছুর রহমানকে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে, মহিউদ্দীন খানকে নেজারত শাখায়, সার্টিফিকেট সহকারী সুবেকা সাদেকীনকে বাবুগঞ্জে এবং হিসাব সহকারী শফিকুল ইসলামকে বাকেরগঞ্জ বদলি করা হয়েছে।
আসন্ন ঈদের ৫/৬ কর্ম দিবসের আগে এমন বদলীকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন বদলি হওয়া কর্মচারীরা। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তারা।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেন, বদলির বিষয়টি আমার জানা নেই।
বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের সীমাহীন দুর্নীতি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার অভিযোগে নিজ কার্যালয়ের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনত্র ও বিভিন্ন শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৬ কর্মচারীকে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করা হয়। এর আগে তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার আশংকায় শুরুতেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৫ কর্মকর্তাকে অনত্র বদলি করে দেন জেলা প্রশাসক। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অস্তিরতা ও বদলি আতংক বিরাজ করছে।
ঈদের ৫/৬ কর্মদিবসের আগে এমন বদলিকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের হিজলা-মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ- এ তিনটি উপজেলায় অতিরিক্ত অস্থায়ী ভোট কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ ভোটকেন্দ্র দেখিয়ে ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে।
শুধু অতিরিক্ত কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ কেন্দ্র দেখিয়েই টাকা আত্মসাৎ করা নয়, রিটার্নিং অফিসারের কন্ট্রোল রুম, ফলাফল সংগ্রহ, পরিবেশন, রিটার্নিং অফিসার ও তার দপ্তর, নির্বাচন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত পর্যবেক্ষক টিমসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত ১৪ লক্ষাধিক টাকার কানাকড়িও খরচ করেননি বলেও অভিযোগ উঠে ।
এছাড়া বিভিন্ন খাতে এসব খাতে বরাদ্দকৃত টাকার ভুয়া বিল-ভাউচার করে নিজেই তা আত্মসাৎ করেছেন- এমন আলোচনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়জুড়েই।
একইভাবে বরিশাল সদর উপজেলাসহ ১০টি উপজেলায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আপ্যায়ন বাবদ বিপুল অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে গত ৭ মে বৃহস্পতিবার আমার দেশ-এ জেলা প্রশাসকের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরপরই বরিশালসহ সর্বত্র ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার সন্দেহে শুরুতেই নির্বাচনকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার হালদারকে সাধারণ শাখা থেকে সরিয়ে জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখায় বদলি করা হয়।
এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুজি কান্ত হাজংকে মানবসম্পদ ও উন্নয়ন শাখায় বদলি করেন। পথের কাঁটা সরাতে সম্প্রতি তাকে জোর করে নৌপরিবহন মন্ত্রাণালয়ে বদলি করতে ভূমিকা রাখেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম ।
এছাড়া সহকারী কমিশনার হাসিবুল আজমকে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনে বদলি করা হয়েছে । এডিসি জেনারেল সুফল চন্দ্র গোলদারকে ওএসডি করে মানব সম্পদ শাখায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করেন। পরে তাকে রেল মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া এনডিসি আশ্রাফুল ইসলামকে তাকে সরিয়ে দিয়ে ৫ মাসের ট্রেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সাকলাইনকে এনডিসি থেকে সরিয়ে একটি শাখায় বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটকে কম গুরুত্বপূর্ণ শাখায় সরিয়ে জুনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটদের গুরুত্বপূর্ণ শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ গতকাল অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মাহফুজুর রহমান খানকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে, খাদিজা বেগমকে আইসিটি শাখায়, আনিছুর রহমানকে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে, মহিউদ্দীন খানকে নেজারত শাখায়, সার্টিফিকেট সহকারী সুবেকা সাদেকীনকে বাবুগঞ্জে এবং হিসাব সহকারী শফিকুল ইসলামকে বাকেরগঞ্জ বদলি করা হয়েছে।
আসন্ন ঈদের ৫/৬ কর্ম দিবসের আগে এমন বদলীকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন বদলি হওয়া কর্মচারীরা। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তারা।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেন, বদলির বিষয়টি আমার জানা নেই।
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় সহযোগিতা করে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এক বিএনপি নেতাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মাসিক সভায় এ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম।
সম্মাননা ক্রেস্ট পাওয়া মো. জামাল উদ্দিন ফকির নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইউএনও মো. ইব্রাহীম মাদক নির্মূল কার্যক্রমকে আরও কার্যকরী ও জনমুখী করতে এ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদক সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানকারীদের ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কারের আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আরও সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন এলাকায় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ৫৩ পিস ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।
ইউএনও মো. ইব্রাহীম বলেন, মাদক নির্মূল শুধু প্রশাসনের একক দায়িত্ব নয়। এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে মাদক নির্মূলে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবার থেকেই সন্তানদের সচেতন করে তুলতে হবে। তাহলেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
বরিশালের বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ আটক ইসরাফিল (২০) ও রিফাত সরদার(২৩) নামের দুই যুবককে পুলিশ আটক করার পরে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ইসরাফিলকে তিন মাস জেল ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং রিফাত সরদারকে ১৫ দিনের জেল ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বুধবার (১৩ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এসময় আটককৃত রাজশাহীর গােদাগাড়ী থানার কেশবপুর গ্রামের মুনিরুল ইসলামের ছেলে ইসরাফিলের কাছ থেকে তিন পুড়িয়া ও বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রামের রফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে .মোঃরিফাত সরদারের কাছ থেকে এক পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের এ সাজা দেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে বুধবার (১৩ মে) সকালে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।