পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ ও মাছের ঘের
মৌসুমি নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা ৭ দিনের ভারী বৃষ্টিতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধতায় প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল, তলিয়ে গেছে আমনের বীজতলা, সবজি ক্ষেত ও মাছের ঘের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, কৃষক ও মৎস্যচাষিরা।
জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় পটুয়াখালী জেলায় ৫৯ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার নিচু এলাকা ছাড়াও কালিশুরী, বগা, কালাইয়া, ধুলিয়া, দাসপাড়া, চন্দ্রদ্বীপ ও কনকদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পানি জমে গেছে। অনেক গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। টানা বৃষ্টির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থবিরতা নেমে এসেছে।
অতিরিক্ত বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন মাছের ঘের ও পুকুরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। অনেক চাষির মাছ বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পুকুর ও ঘেরের চারপাশে জাল দিয়ে সুরক্ষার ব্যবস্থা করছেন।
স্থানীয় মৎস্য চাষি ও মৃত্তিকা অ্যাগ্রোর মালিক এম এ হান্নান বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তার একাধিক পুকুরের পানি উপচে পড়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। তাই চারপাশে নেট জাল লাগানো হয়েছে। বৃষ্টি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকলে মাছ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এ এম পারভেজ বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো মাছচাষি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েননি। তবে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে পুকুর ও ঘেরের চারপাশে উঁচু করে নেট বসানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভারী বর্ষণে উপজেলার নিচু এলাকার আমন ধানের বীজতলা ও শরৎকালীন সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকদের আশঙ্কা, দ্রুত পানি না নামলে বীজতলা পচে নষ্ট হতে পারে, যা আগামী আমন মৌসুমে উৎপাদনে প্রভাব ফেলবে।
শৌলা চর এলাকার কৃষক নুরহেসেন বলেন, তিনি ১২ শতক জমিতে আমনের বীজতলা তৈরি করেছিলেন। টানা বৃষ্টিতে পুরো বীজতলাই পানির নিচে চলে গেছে। আরও কয়েকদিন এ অবস্থা থাকলে বীজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মিলন জানান, উপজেলায় ২ হাজার ৬০৮ হেক্টর জমিতে আউশ এবং ৫৮০ হেক্টর জমিতে আমনের বীজতলা রয়েছে। এর বেশিরভাগই পানিতে ডুবে থাকলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কৃষকদের দ্রুত জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখি জানান, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেব কারণে আরও কিছুদিন ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।’
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:০৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৮
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:২১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আইকনিক পরিবহনের একটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১২৪৫৫৫) ঢাকা থেকে ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটক নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে খলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অগভীর পুকুরে পড়ে যায়। এতে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন এবং গুরুতর ৬ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে পাঠান। বাসটিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১ ও ২০২৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা ছিলেন। কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য তারা বাসটি রিজার্ভ নিয়েছিলেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আইকনিক পরিবহনের একটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১২৪৫৫৫) ঢাকা থেকে ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটক নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে খলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অগভীর পুকুরে পড়ে যায়। এতে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন এবং গুরুতর ৬ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে পাঠান। বাসটিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১ ও ২০২৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা ছিলেন। কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য তারা বাসটি রিজার্ভ নিয়েছিলেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২১ জুলাই, ২০২৬ ০০:৩২
পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ ও মাছের ঘের
মৌসুমি নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা ৭ দিনের ভারী বৃষ্টিতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধতায় প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল, তলিয়ে গেছে আমনের বীজতলা, সবজি ক্ষেত ও মাছের ঘের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, কৃষক ও মৎস্যচাষিরা।
জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় পটুয়াখালী জেলায় ৫৯ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার নিচু এলাকা ছাড়াও কালিশুরী, বগা, কালাইয়া, ধুলিয়া, দাসপাড়া, চন্দ্রদ্বীপ ও কনকদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পানি জমে গেছে। অনেক গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। টানা বৃষ্টির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থবিরতা নেমে এসেছে।
অতিরিক্ত বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন মাছের ঘের ও পুকুরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। অনেক চাষির মাছ বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পুকুর ও ঘেরের চারপাশে জাল দিয়ে সুরক্ষার ব্যবস্থা করছেন।
স্থানীয় মৎস্য চাষি ও মৃত্তিকা অ্যাগ্রোর মালিক এম এ হান্নান বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তার একাধিক পুকুরের পানি উপচে পড়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। তাই চারপাশে নেট জাল লাগানো হয়েছে। বৃষ্টি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকলে মাছ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এ এম পারভেজ বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো মাছচাষি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েননি। তবে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে পুকুর ও ঘেরের চারপাশে উঁচু করে নেট বসানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভারী বর্ষণে উপজেলার নিচু এলাকার আমন ধানের বীজতলা ও শরৎকালীন সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকদের আশঙ্কা, দ্রুত পানি না নামলে বীজতলা পচে নষ্ট হতে পারে, যা আগামী আমন মৌসুমে উৎপাদনে প্রভাব ফেলবে।
শৌলা চর এলাকার কৃষক নুরহেসেন বলেন, তিনি ১২ শতক জমিতে আমনের বীজতলা তৈরি করেছিলেন। টানা বৃষ্টিতে পুরো বীজতলাই পানির নিচে চলে গেছে। আরও কয়েকদিন এ অবস্থা থাকলে বীজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মিলন জানান, উপজেলায় ২ হাজার ৬০৮ হেক্টর জমিতে আউশ এবং ৫৮০ হেক্টর জমিতে আমনের বীজতলা রয়েছে। এর বেশিরভাগই পানিতে ডুবে থাকলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কৃষকদের দ্রুত জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখি জানান, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেব কারণে আরও কিছুদিন ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬