
১১ মে, ২০২৬ ১২:৪২
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পদ থেকে অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদের পদত্যাগের পর এবার সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব ছাড়লেন শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী।
সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ফেসবুক পোস্টে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া লিখেছেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রোক্টর পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছি।
তিনি লেখেন, শিক্ষকতা পেশার সাত বছরে কখনো প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা ছিল না তার। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলেও প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার কথা ভাবেননি কখনো।
তবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের ফোন পাওয়ার পর দায়িত্বটি নিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন বলে জানান তিনি। পোস্টে তিনি লেখেন, আমি সামান্য লেকচারার, তার চেয়েও সামান্য একজন মানুষ, এতো বড় দায়িত্ব যা সচরাচর একটু সিনিয়র শিক্ষকরা পান, সেই দায়িত্বে আমি!!
তিনি আরও লেখেন, একে তো নতুন বাংলাদেশ অনেক আশা, অনেক স্বপ্ন আমাদের সবার চোখে। নিজের দেশ, নিজের আলমা ম্যাটারের জন্য যদি ভালো কিছু করতে পারি, তবে এর চেয়ে সৌভাগ্যের কি হতে পারে! তার ওপর আমার ডিপার্ট্মেন্টের বড় ভাই -স্যার, আমি মানা করব!???
সাবেক প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের প্রশংসা করে তিনি লেখেন, গত দুটি বছর আমি সাইফুদ্দীন স্যারের কাছে থেকে শিখেছে, কিভাবে একজন প্রক্টরকে, অতিমানব মাত্রার ধৈর্য ধরতে হয়, উত্তপ্ত পরিস্থিতি কিভাবে হাসিমুখে নির্বিকার থেকে ট্যেকেল দিতে হয় আর সর্বপরি কিভাবে নিজের আত্মসম্মান সমুন্নত রাখতে হয়।
তিনি আরও লেখেন, ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা ও মমতায় তিনি শিক্ষার্থীদের আগলে রেখেছিলেন, ওনার টিম মেম্বার হিসেবে আমরাও তাই করার চেষ্টা করেছি, করছি।
নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া বলেন, আমার টেনিউরে আমি কি করতে পেরেছি, কতটা সফল ছিলাম এসব হিসাব করব না। আমি জানিও না ট বি ট্রু।
তিনি লেখেন, আমি কেবল জানি একজন অসাধারণ মানুষের নেতৃত্ব, চমৎকার একটি টিমের সঙ্গে একটা অভাবনীয় অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে।
জুলাই আন্দোলন ও পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, জুলাই এবং জুলাই পরবর্তী এমন সময় আর সিচুয়েশন আদোও এই দেশে আর আসবে কিনা আমি জানিনা। সম্ভবত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনো প্রক্টর ও তার টিম এমন সিচুয়েশন ফেস করেনি, প্রবাব্লি, করবেও নাহ।
নতুন প্রক্টর ও তার টিমকে শুভকামনা জানিয়ে পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, আমার দলের সঙ্গে এবং আমাদের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ স্যারের নেতৃত্বে কাজ করা আমার জন্য পরম সম্মানের বিষয় ছিল। আমাদের নতুন প্রোক্টর এবং তাদের দলকে অভিনন্দন। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে দলটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।
ছবি- সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পদ থেকে অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদের পদত্যাগের পর এবার সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব ছাড়লেন শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী।
সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ফেসবুক পোস্টে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া লিখেছেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রোক্টর পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছি।
তিনি লেখেন, শিক্ষকতা পেশার সাত বছরে কখনো প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা ছিল না তার। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলেও প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার কথা ভাবেননি কখনো।
তবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের ফোন পাওয়ার পর দায়িত্বটি নিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন বলে জানান তিনি। পোস্টে তিনি লেখেন, আমি সামান্য লেকচারার, তার চেয়েও সামান্য একজন মানুষ, এতো বড় দায়িত্ব যা সচরাচর একটু সিনিয়র শিক্ষকরা পান, সেই দায়িত্বে আমি!!
তিনি আরও লেখেন, একে তো নতুন বাংলাদেশ অনেক আশা, অনেক স্বপ্ন আমাদের সবার চোখে। নিজের দেশ, নিজের আলমা ম্যাটারের জন্য যদি ভালো কিছু করতে পারি, তবে এর চেয়ে সৌভাগ্যের কি হতে পারে! তার ওপর আমার ডিপার্ট্মেন্টের বড় ভাই -স্যার, আমি মানা করব!???
সাবেক প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের প্রশংসা করে তিনি লেখেন, গত দুটি বছর আমি সাইফুদ্দীন স্যারের কাছে থেকে শিখেছে, কিভাবে একজন প্রক্টরকে, অতিমানব মাত্রার ধৈর্য ধরতে হয়, উত্তপ্ত পরিস্থিতি কিভাবে হাসিমুখে নির্বিকার থেকে ট্যেকেল দিতে হয় আর সর্বপরি কিভাবে নিজের আত্মসম্মান সমুন্নত রাখতে হয়।
তিনি আরও লেখেন, ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা ও মমতায় তিনি শিক্ষার্থীদের আগলে রেখেছিলেন, ওনার টিম মেম্বার হিসেবে আমরাও তাই করার চেষ্টা করেছি, করছি।
নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া বলেন, আমার টেনিউরে আমি কি করতে পেরেছি, কতটা সফল ছিলাম এসব হিসাব করব না। আমি জানিও না ট বি ট্রু।
তিনি লেখেন, আমি কেবল জানি একজন অসাধারণ মানুষের নেতৃত্ব, চমৎকার একটি টিমের সঙ্গে একটা অভাবনীয় অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে।
জুলাই আন্দোলন ও পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, জুলাই এবং জুলাই পরবর্তী এমন সময় আর সিচুয়েশন আদোও এই দেশে আর আসবে কিনা আমি জানিনা। সম্ভবত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনো প্রক্টর ও তার টিম এমন সিচুয়েশন ফেস করেনি, প্রবাব্লি, করবেও নাহ।
নতুন প্রক্টর ও তার টিমকে শুভকামনা জানিয়ে পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, আমার দলের সঙ্গে এবং আমাদের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ স্যারের নেতৃত্বে কাজ করা আমার জন্য পরম সম্মানের বিষয় ছিল। আমাদের নতুন প্রোক্টর এবং তাদের দলকে অভিনন্দন। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে দলটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।

২৪ জুন, ২০২৬ ১৮:৪৩
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় মুদি দোকানসহ ১৬ ব্যবসা খাত যুক্ত হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (২৪জুন) বিকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিনে জাতীয় বাজেট সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব তথ্য জানান। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে। এদিন সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
মহিলা আসন-৩৫ সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, বিগত অর্থ বছরে মূল্য সংযোজন কর ও ভ্যাট বাবদ প্রাপ্ত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ কত এবং নতুন কোনও প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনীবার পরিকল্পনা আছে কিনা, থাকলে, সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী?
জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।”
মন্ত্রী জানান, নতুন প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে। ব্যবসায়িক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। সেগুলো হলো— মুদির দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিকের ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং সেনিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্নিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভান্ডার ও রেস্টুরেন্ট।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:২১

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরব।
যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না, সেখানে আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় মুদি দোকানসহ ১৬ ব্যবসা খাত যুক্ত হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (২৪জুন) বিকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিনে জাতীয় বাজেট সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব তথ্য জানান। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে। এদিন সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
মহিলা আসন-৩৫ সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, বিগত অর্থ বছরে মূল্য সংযোজন কর ও ভ্যাট বাবদ প্রাপ্ত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ কত এবং নতুন কোনও প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনীবার পরিকল্পনা আছে কিনা, থাকলে, সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী?
জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।”
মন্ত্রী জানান, নতুন প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে। ব্যবসায়িক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। সেগুলো হলো— মুদির দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিকের ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং সেনিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্নিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভান্ডার ও রেস্টুরেন্ট।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ (রোববার) সরকারি সফরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীন সফরে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের সফরকে সামনে রেখে শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক, চুক্তি, কর্মপরিকল্পনা ও প্রোটোকল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক দলিলে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা তিস্তা প্রকল্পও আলোচনার অন্যতম বিষয় হবে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। তিনি জানান, সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলকে সীমিত রাখা হয়েছে এবং এতে প্রায় ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
চীন সফরের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা সামার দাভোস ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। এতে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২৬ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ (রোববার) সরকারি সফরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীন সফরে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের সফরকে সামনে রেখে শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক, চুক্তি, কর্মপরিকল্পনা ও প্রোটোকল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক দলিলে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা তিস্তা প্রকল্পও আলোচনার অন্যতম বিষয় হবে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। তিনি জানান, সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলকে সীমিত রাখা হয়েছে এবং এতে প্রায় ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
চীন সফরের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা সামার দাভোস ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। এতে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২৬ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরব।
যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না, সেখানে আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।