শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে রাতেই গ্রেপ্তার
বরিশালে পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়া সেই বাচ্চু খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরের দিকে মুলাদী উপজেলার মৃধারহাট-ভেদুরিয়া খেয়াঘাট এলাকায় জয়ন্তী নদী পার হওয়ার প্রাক্কালে পুলিশের নৌযান থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় চাউর হয়ে গেলে পুলিশ চাপের মুখে পড়ে এবং পালিয়ে যাওয়া আসামি বাচ্চুকে বাগে আনতে শনিবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালায়। একপর্যায়ে পুলিশ এই অভিযানে সফলতা পায়, গ্রেপ্তার করা হয় আলোচিত বাচ্চু খানকে।
পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুলাদীতে জনৈক সালাম মুন্সির বাড়িতে শনিবার সকালে হামলা-ভাঙচুর-লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সেই হামলার খবর পেয়ে মুলাদী থানার পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. মমিন উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এবং সেখান থেকে বাচ্চু খানকে আটক করতেও সক্ষম হয় পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানিয়েছে, বাচ্চু খানকে নিয়ে পুলিশ জয়ন্ত নদী পার হচ্ছিল, তখন তাদের ট্রলারটিকে চারদিক থেকে থেকে অসংখ্য মানুষ নদীর মাঝেই ঘিরে ধরেন। এবং একপর্যায়ে তারা জোরপূর্বক পুলিশের কাছ থেকে বাচ্চুকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেয়। এই ছিনতাইয়ে বিশালাকায় অন্তত চারটি ট্রলারযোগে শতাধিক লোক অংশ নেয়।
পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনতাইয়ের এই ঘটনায় চাউর হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটির ভেতরে কানাঘুষা হয়। এবং ছিনিয়ে নেওয়া বাচ্চুকে অতিসত্ত্বর গ্রেপ্তার করাসহ ছিনতাইয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করতে বরিশাল জেলা পুলিশের উচ্চমহল থেকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলশ্রুতিতে এক ধরনের চাপে পড়ে যায় মুলাদী থানা পুলিশ, বিশেষ করে যাদের কাছ থেকে আসামি পালিয়ে যায়, তারা ছিলেন চাকরি হারানোর আতঙ্কে।
ওই অভিযানে অংশ নেওয়া এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শনিবার সকালে মাঝনদীতে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে নিয়েছিলেন। এবং তাদের তরফ থেকে পালিয়ে যাওয়া বাচ্চুকে ফের গ্রেপ্তারে একদিন সময় বেধে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যেই মুলাদী থানা পুলিশ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়, যা হাফ ছেড়ে বাঁচার ন্যায়।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরাফাত জাহান চৌধুরী শনিবার রাতে স্থানীয় চরকালেখান গ্রামের একটি বাসা থেকে বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা আমির হোসেন খানের ছেলে বাচ্চুকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু তাকে থানায় নিয়ে আসার আগেই পথে মাঝনদীতে পুলিশের ট্রলার থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাতে বাচ্চুকে ফের গ্রেপ্তারের পরপরই সালাম মুন্সির বাসায় হামলা-ভাঙচুর-লুটপাট-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় একটি মামলা হয়। সেই মামলায় বাচ্চুসহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে ৪৫ জনের বিরুদ্ধে সালাম মুন্সির স্ত্রী রাশিদা বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন। রোববার তাকে আদালতে পাঠালে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
এদিকে পুলিশ মামলার বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করাসহ মাঝনদীতে বাচ্চুকে ছিনতাইয়ে জড়িতদের শনাক্ত করতে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এজেডএম মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। এবং জেলা পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, দুটি ঘটনায় মুলাদী থানা পুলিশকে শক্ত পদক্ষেপ রাখতে বলা হয়েছে, যা উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পর্যবেক্ষক করছিলেন। শনিবার রাতে খবর পাওয়া যায়, ছিনিয়ে নেওয়া বাচ্চুকে মুলাদী পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এবং পরবর্তীতে দুটি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়।’

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৫
বরিশালসহ দেশের পাঁচটি জেলা শহরে শত শত পুকুর ভরাট ও অবৈধ দখল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি নোটিস পাঠিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এইচআরপিবির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন— বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক।
নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের পরিবেশ সুরক্ষা বিবেচনায় সরকার ২০০০ সালে ‘জলাধার সংরক্ষণ আইন’ পাস করে। এই আইন অনুযায়ী শহর এলাকায় পুকুর বা জলাধার ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরাট ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।’
বরিশালসহ দেশের পাঁচটি জেলা শহরে শত শত পুকুর ভরাট ও অবৈধ দখল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি নোটিস পাঠিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এইচআরপিবির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন— বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক।
নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের পরিবেশ সুরক্ষা বিবেচনায় সরকার ২০০০ সালে ‘জলাধার সংরক্ষণ আইন’ পাস করে। এই আইন অনুযায়ী শহর এলাকায় পুকুর বা জলাধার ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরাট ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।’

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪৭
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ১৭ আটক হয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার পবিত্র কুমার হালদার এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তার নেতৃত্বে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা ভাটিখানা এলাকার পান্থ সড়ক, রোকেয়া আজিম সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চিহ্নিত মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের লক্ষ্য করা হয়। অভিযানকালে এলাকাবাসী অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন। এ সময় অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং মাদক সেবনের অভিযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে ৯জনকে আটক করা হয়।
এর আগে নগরীর পলাশপুর, মোহাম্মদপুর ও আল মাদানী সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় কাউনিয়া থানা পুলিশ। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উত্তর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন।
অভিযানে ১০৫ পিস ইয়াবা, ২০০ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রির ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ টাকা ও তিনটি মোটরসাইকেলসহ আটজনকে আটক করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন। তিনি বলেন, বরিশাল মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে বিএমপি কমিশনারের নির্দেশে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে স্থানীয় নাগরিকদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করছেন। মহানগরীকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ১৭ আটক হয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার পবিত্র কুমার হালদার এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তার নেতৃত্বে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা ভাটিখানা এলাকার পান্থ সড়ক, রোকেয়া আজিম সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চিহ্নিত মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের লক্ষ্য করা হয়। অভিযানকালে এলাকাবাসী অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন। এ সময় অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং মাদক সেবনের অভিযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে ৯জনকে আটক করা হয়।
এর আগে নগরীর পলাশপুর, মোহাম্মদপুর ও আল মাদানী সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় কাউনিয়া থানা পুলিশ। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উত্তর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন।
অভিযানে ১০৫ পিস ইয়াবা, ২০০ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রির ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ টাকা ও তিনটি মোটরসাইকেলসহ আটজনকে আটক করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন। তিনি বলেন, বরিশাল মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে বিএমপি কমিশনারের নির্দেশে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে স্থানীয় নাগরিকদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করছেন। মহানগরীকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩০
শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে রাতেই গ্রেপ্তার
বরিশালে পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়া সেই বাচ্চু খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরের দিকে মুলাদী উপজেলার মৃধারহাট-ভেদুরিয়া খেয়াঘাট এলাকায় জয়ন্তী নদী পার হওয়ার প্রাক্কালে পুলিশের নৌযান থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় চাউর হয়ে গেলে পুলিশ চাপের মুখে পড়ে এবং পালিয়ে যাওয়া আসামি বাচ্চুকে বাগে আনতে শনিবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালায়। একপর্যায়ে পুলিশ এই অভিযানে সফলতা পায়, গ্রেপ্তার করা হয় আলোচিত বাচ্চু খানকে।
পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুলাদীতে জনৈক সালাম মুন্সির বাড়িতে শনিবার সকালে হামলা-ভাঙচুর-লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সেই হামলার খবর পেয়ে মুলাদী থানার পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. মমিন উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এবং সেখান থেকে বাচ্চু খানকে আটক করতেও সক্ষম হয় পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানিয়েছে, বাচ্চু খানকে নিয়ে পুলিশ জয়ন্ত নদী পার হচ্ছিল, তখন তাদের ট্রলারটিকে চারদিক থেকে থেকে অসংখ্য মানুষ নদীর মাঝেই ঘিরে ধরেন। এবং একপর্যায়ে তারা জোরপূর্বক পুলিশের কাছ থেকে বাচ্চুকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেয়। এই ছিনতাইয়ে বিশালাকায় অন্তত চারটি ট্রলারযোগে শতাধিক লোক অংশ নেয়।
পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনতাইয়ের এই ঘটনায় চাউর হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটির ভেতরে কানাঘুষা হয়। এবং ছিনিয়ে নেওয়া বাচ্চুকে অতিসত্ত্বর গ্রেপ্তার করাসহ ছিনতাইয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করতে বরিশাল জেলা পুলিশের উচ্চমহল থেকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলশ্রুতিতে এক ধরনের চাপে পড়ে যায় মুলাদী থানা পুলিশ, বিশেষ করে যাদের কাছ থেকে আসামি পালিয়ে যায়, তারা ছিলেন চাকরি হারানোর আতঙ্কে।
ওই অভিযানে অংশ নেওয়া এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শনিবার সকালে মাঝনদীতে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে নিয়েছিলেন। এবং তাদের তরফ থেকে পালিয়ে যাওয়া বাচ্চুকে ফের গ্রেপ্তারে একদিন সময় বেধে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যেই মুলাদী থানা পুলিশ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়, যা হাফ ছেড়ে বাঁচার ন্যায়।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরাফাত জাহান চৌধুরী শনিবার রাতে স্থানীয় চরকালেখান গ্রামের একটি বাসা থেকে বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা আমির হোসেন খানের ছেলে বাচ্চুকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু তাকে থানায় নিয়ে আসার আগেই পথে মাঝনদীতে পুলিশের ট্রলার থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাতে বাচ্চুকে ফের গ্রেপ্তারের পরপরই সালাম মুন্সির বাসায় হামলা-ভাঙচুর-লুটপাট-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় একটি মামলা হয়। সেই মামলায় বাচ্চুসহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে ৪৫ জনের বিরুদ্ধে সালাম মুন্সির স্ত্রী রাশিদা বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন। রোববার তাকে আদালতে পাঠালে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
এদিকে পুলিশ মামলার বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করাসহ মাঝনদীতে বাচ্চুকে ছিনতাইয়ে জড়িতদের শনাক্ত করতে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এজেডএম মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। এবং জেলা পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, দুটি ঘটনায় মুলাদী থানা পুলিশকে শক্ত পদক্ষেপ রাখতে বলা হয়েছে, যা উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পর্যবেক্ষক করছিলেন। শনিবার রাতে খবর পাওয়া যায়, ছিনিয়ে নেওয়া বাচ্চুকে মুলাদী পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এবং পরবর্তীতে দুটি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬