Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১১
পটুয়াখালী–৩ (দশমিনা–গলাচিপা) আসনের বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর মায়ের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস ইউনিয়নের নিজ বাড়ির সামনে অবস্থিত তার মায়ের কবরস্থানে জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাত করেন তিনি। এসময় তিনি মায়ের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবার দোয়া চান।
মায়ের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরুকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এলাকাবাসী। তারা জানান, নুর তাদের এলাকার গর্ব। তিনি গলাচিপা-দশমিনা আসন থেকে নির্বাচন করছেন, এতে তারা আনন্দিত।
এসময় নুরের সঙ্গে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আবু নাঈম, গণঅধিকার পরিষদ পটুয়াখালী জেলা শাখার সাবেক সদস্যসচিব শাহ আলম সরদার, চর বিশ্বাস ইউনিয়ন গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মো. জুয়েল হাওলাদার, তার পরিবারের সদস্যরাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা আরও বলেন, ধর্মীয় ও পারিবারিক আবহে মায়ের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করায় বিষয়টি তাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে। তারা নুরের সুস্থতা ও নির্বাচনি সফলতা কামনা করেন।
আসনটিতে নুরুল হক নুর ও বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান মামুন ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহম্মদ শাহ আলম ও ইসলামী আন্দোলনের মু. আবু বক্কর ছিদ্দিকী।
পটুয়াখালী–৩ (দশমিনা–গলাচিপা) আসনের বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর মায়ের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস ইউনিয়নের নিজ বাড়ির সামনে অবস্থিত তার মায়ের কবরস্থানে জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাত করেন তিনি। এসময় তিনি মায়ের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবার দোয়া চান।
মায়ের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরুকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এলাকাবাসী। তারা জানান, নুর তাদের এলাকার গর্ব। তিনি গলাচিপা-দশমিনা আসন থেকে নির্বাচন করছেন, এতে তারা আনন্দিত।
এসময় নুরের সঙ্গে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আবু নাঈম, গণঅধিকার পরিষদ পটুয়াখালী জেলা শাখার সাবেক সদস্যসচিব শাহ আলম সরদার, চর বিশ্বাস ইউনিয়ন গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মো. জুয়েল হাওলাদার, তার পরিবারের সদস্যরাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা আরও বলেন, ধর্মীয় ও পারিবারিক আবহে মায়ের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করায় বিষয়টি তাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে। তারা নুরের সুস্থতা ও নির্বাচনি সফলতা কামনা করেন।
আসনটিতে নুরুল হক নুর ও বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান মামুন ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহম্মদ শাহ আলম ও ইসলামী আন্দোলনের মু. আবু বক্কর ছিদ্দিকী।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২১
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৫
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে এসে বখতিয়ার (৫৫) নামের এক কীটনাশক ব্যবসায়ীর আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে উপজেলা মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুয়েল কার্ড বিতরণ করা হচ্ছিল। সকাল থেকেই উপজেলা মাঠে মানুষের ব্যাপক ভিড় ছিল। ওই ভিড়ের মধ্যেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বখতিয়ার। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বখতিয়ার আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের ভেদামারি গ্রামের মৃত রফি উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় কীটনাশক ব্যবসায়ী ছিলেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার জানান, তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের সদস্যদের বরাতে তিনি বলেন, বখতিয়ার আগে থেকেই বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:২১
স্ত্রী বাবার বাড়িতে গেলে প্রেমিকা পলিপল্লি মৌনিকার সঙ্গে বাসায় সময় কাটাতেন চিন্তাদা রবীন্দ্র নামে এক যুবক। কিন্তু এবার সেই সাক্ষাৎ মৌনিকারের জন্য হয়ে ওঠে মৃত্যুর ফাঁদ।
দুজনের মধ্যে ঝগড়া বাধে, যা শেষ হয় মৌনিকাকে হত্যা করে তার দেহ টুকরো করার মাধ্যমে। রোববার (২৯ মার্চ) ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এই ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ জানায়, তারা প্রায়ই বিশাখাপত্তনমের বিভিন্ন জায়গায় যেমন পার্ক ও সিনেমা হলে দেখা করতেন। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কয়েক সপ্তাহ আগে রবীন্দ্রর স্ত্রী ভিজিয়ানাগরমে তার বাবার বাড়িতে যান।
সুযোগ বুঝে রোববার দুপুরে মৌনিকাকে বাসায় ডাকেন রবীন্দ। সন্ধ্যার দিকে তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয় এবং অভিযোগ অনুযায়ী রবীন্দ্র শ্বাসরোধ করে মৌনিকাকে হত্যা করেন। এরপর তিনি অনলাইন ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম থেকে একটি ছুরি কিনে দেহ টুকরো করেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি মাথা, হাত-পা শরীর থেকে আলাদা করেন। পা ও কোমরের অংশ একটি ট্রলি ব্যাগে ভরে রাখেন, শরীরের মূল অংশ ফ্রিজে রাখেন এবং মাথা ও হাত অন্য একটি স্থানে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন। এরপর রবীন্দ্র নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং অপরাধ স্বীকার করেন।
অভিযুক্ত দাবি করেছেন, সম্পর্ক চলাকালে মৌনিকা তার কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ রুপি নিয়েছিলেন এবং প্রায়ই তাদের সম্পর্ক স্ত্রীকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। এই কারণেই তাদের মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া হতো।
তদন্তে আরও জানা গেছে, ২০২৪ সালে অন্য একজনকে বিয়ে করার পর থেকেই মৌনিকারের হুমকি ও চাপের কারণে বিরক্ত হয়ে রবীন্দ্র এই হত্যার পরিকল্পনা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির ভেতর ও ফ্রিজে দেহের টুকরো অংশ উদ্ধার করে। তবে মৌনিকারের মাথা পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ধারণা করছে, সেটি অন্য কোথাও ফেলে দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ দেহাংশ উদ্ধারে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
এই ঘটনা ২০২২ সালের ১৮ মে দিল্লিতে ঘটে যাওয়া শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের কথা মনে করিয়ে দেয়। ওই ঘটনায় তার সঙ্গী আফতাব আমিন পুনাওয়ালা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে দেহ টুকরো করে ফ্রিজে রাখে এবং পরে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে এসে বখতিয়ার (৫৫) নামের এক কীটনাশক ব্যবসায়ীর আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে উপজেলা মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুয়েল কার্ড বিতরণ করা হচ্ছিল। সকাল থেকেই উপজেলা মাঠে মানুষের ব্যাপক ভিড় ছিল। ওই ভিড়ের মধ্যেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বখতিয়ার। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বখতিয়ার আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের ভেদামারি গ্রামের মৃত রফি উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় কীটনাশক ব্যবসায়ী ছিলেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার জানান, তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের সদস্যদের বরাতে তিনি বলেন, বখতিয়ার আগে থেকেই বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।
স্ত্রী বাবার বাড়িতে গেলে প্রেমিকা পলিপল্লি মৌনিকার সঙ্গে বাসায় সময় কাটাতেন চিন্তাদা রবীন্দ্র নামে এক যুবক। কিন্তু এবার সেই সাক্ষাৎ মৌনিকারের জন্য হয়ে ওঠে মৃত্যুর ফাঁদ।
দুজনের মধ্যে ঝগড়া বাধে, যা শেষ হয় মৌনিকাকে হত্যা করে তার দেহ টুকরো করার মাধ্যমে। রোববার (২৯ মার্চ) ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এই ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ জানায়, তারা প্রায়ই বিশাখাপত্তনমের বিভিন্ন জায়গায় যেমন পার্ক ও সিনেমা হলে দেখা করতেন। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কয়েক সপ্তাহ আগে রবীন্দ্রর স্ত্রী ভিজিয়ানাগরমে তার বাবার বাড়িতে যান।
সুযোগ বুঝে রোববার দুপুরে মৌনিকাকে বাসায় ডাকেন রবীন্দ। সন্ধ্যার দিকে তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয় এবং অভিযোগ অনুযায়ী রবীন্দ্র শ্বাসরোধ করে মৌনিকাকে হত্যা করেন। এরপর তিনি অনলাইন ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম থেকে একটি ছুরি কিনে দেহ টুকরো করেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি মাথা, হাত-পা শরীর থেকে আলাদা করেন। পা ও কোমরের অংশ একটি ট্রলি ব্যাগে ভরে রাখেন, শরীরের মূল অংশ ফ্রিজে রাখেন এবং মাথা ও হাত অন্য একটি স্থানে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন। এরপর রবীন্দ্র নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং অপরাধ স্বীকার করেন।
অভিযুক্ত দাবি করেছেন, সম্পর্ক চলাকালে মৌনিকা তার কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ রুপি নিয়েছিলেন এবং প্রায়ই তাদের সম্পর্ক স্ত্রীকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। এই কারণেই তাদের মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া হতো।
তদন্তে আরও জানা গেছে, ২০২৪ সালে অন্য একজনকে বিয়ে করার পর থেকেই মৌনিকারের হুমকি ও চাপের কারণে বিরক্ত হয়ে রবীন্দ্র এই হত্যার পরিকল্পনা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির ভেতর ও ফ্রিজে দেহের টুকরো অংশ উদ্ধার করে। তবে মৌনিকারের মাথা পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ধারণা করছে, সেটি অন্য কোথাও ফেলে দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ দেহাংশ উদ্ধারে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
এই ঘটনা ২০২২ সালের ১৮ মে দিল্লিতে ঘটে যাওয়া শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের কথা মনে করিয়ে দেয়। ওই ঘটনায় তার সঙ্গী আফতাব আমিন পুনাওয়ালা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে দেহ টুকরো করে ফ্রিজে রাখে এবং পরে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।