Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৫
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই গ্রামের বাসিন্দারা। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর ও ছোট হামেরদী গ্রামে মধ্যে দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন লোক আহত হয়েছেন। এ সময় ৩০ থেকে ৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দুইপক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর হামলে পড়েন। এসময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলেও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এবং জিজ্ঞাসাবাদ জন্য দুজনকে আটক করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপিনাথপুর গ্ৰামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্ৰামের লিটন মাতুব্বরের লোকজনের দুই দিন আগে চা খাওয়ার সময় তর্কের জেরে ধরে মধ্য রাতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার জের ধরে দুই গ্রামের বাসিন্দা রাতভর দেশীয় অস্ত্র জোগাড় শুরু করে সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি নেয়।
পরে ঈদের নামাজ পড়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। থেমে থেমে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ গ্ৰামবাসী গুরুতর আহত হয়। সংঘর্ষে ৩০-৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সুযোগ সন্ধানীরা ১০১২টি গবাদি পশু, নগদ অর্থসহ দামি মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করেন। দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সড়কি, কালি ও ইটের আঘাতে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পর আজ ঈদের নামাজের পড়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।
তিনি বলেন, আমি সঙ্গীয় ফোর্স ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ভাঙ্গা সার্কেল) সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গ্ৰামের মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই গ্রামের বাসিন্দারা। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর ও ছোট হামেরদী গ্রামে মধ্যে দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন লোক আহত হয়েছেন। এ সময় ৩০ থেকে ৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দুইপক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর হামলে পড়েন। এসময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলেও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এবং জিজ্ঞাসাবাদ জন্য দুজনকে আটক করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপিনাথপুর গ্ৰামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্ৰামের লিটন মাতুব্বরের লোকজনের দুই দিন আগে চা খাওয়ার সময় তর্কের জেরে ধরে মধ্য রাতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার জের ধরে দুই গ্রামের বাসিন্দা রাতভর দেশীয় অস্ত্র জোগাড় শুরু করে সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি নেয়।
পরে ঈদের নামাজ পড়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। থেমে থেমে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ গ্ৰামবাসী গুরুতর আহত হয়। সংঘর্ষে ৩০-৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সুযোগ সন্ধানীরা ১০১২টি গবাদি পশু, নগদ অর্থসহ দামি মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করেন। দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সড়কি, কালি ও ইটের আঘাতে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পর আজ ঈদের নামাজের পড়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।
তিনি বলেন, আমি সঙ্গীয় ফোর্স ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ভাঙ্গা সার্কেল) সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গ্ৰামের মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

১৩ মে, ২০২৬ ২০:০৮
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় সহযোগিতা করে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এক বিএনপি নেতাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মাসিক সভায় এ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম।
সম্মাননা ক্রেস্ট পাওয়া মো. জামাল উদ্দিন ফকির নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইউএনও মো. ইব্রাহীম মাদক নির্মূল কার্যক্রমকে আরও কার্যকরী ও জনমুখী করতে এ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদক সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানকারীদের ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কারের আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আরও সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন এলাকায় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ৫৩ পিস ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।
ইউএনও মো. ইব্রাহীম বলেন, মাদক নির্মূল শুধু প্রশাসনের একক দায়িত্ব নয়। এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে মাদক নির্মূলে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবার থেকেই সন্তানদের সচেতন করে তুলতে হবে। তাহলেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

১৩ মে, ২০২৬ ১৭:৩৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ আটক ইসরাফিল (২০) ও রিফাত সরদার(২৩) নামের দুই যুবককে পুলিশ আটক করার পরে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ইসরাফিলকে তিন মাস জেল ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং রিফাত সরদারকে ১৫ দিনের জেল ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বুধবার (১৩ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এসময় আটককৃত রাজশাহীর গােদাগাড়ী থানার কেশবপুর গ্রামের মুনিরুল ইসলামের ছেলে ইসরাফিলের কাছ থেকে তিন পুড়িয়া ও বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রামের রফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে .মোঃরিফাত সরদারের কাছ থেকে এক পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের এ সাজা দেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে বুধবার (১৩ মে) সকালে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

১৩ মে, ২০২৬ ১৫:৫৪
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় সহযোগিতা করে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এক বিএনপি নেতাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মাসিক সভায় এ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম।
সম্মাননা ক্রেস্ট পাওয়া মো. জামাল উদ্দিন ফকির নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইউএনও মো. ইব্রাহীম মাদক নির্মূল কার্যক্রমকে আরও কার্যকরী ও জনমুখী করতে এ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদক সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানকারীদের ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কারের আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আরও সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন এলাকায় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ৫৩ পিস ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।
ইউএনও মো. ইব্রাহীম বলেন, মাদক নির্মূল শুধু প্রশাসনের একক দায়িত্ব নয়। এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে মাদক নির্মূলে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবার থেকেই সন্তানদের সচেতন করে তুলতে হবে। তাহলেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
বরিশালের বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ আটক ইসরাফিল (২০) ও রিফাত সরদার(২৩) নামের দুই যুবককে পুলিশ আটক করার পরে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ইসরাফিলকে তিন মাস জেল ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং রিফাত সরদারকে ১৫ দিনের জেল ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বুধবার (১৩ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এসময় আটককৃত রাজশাহীর গােদাগাড়ী থানার কেশবপুর গ্রামের মুনিরুল ইসলামের ছেলে ইসরাফিলের কাছ থেকে তিন পুড়িয়া ও বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রামের রফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে .মোঃরিফাত সরদারের কাছ থেকে এক পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের এ সাজা দেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে বুধবার (১৩ মে) সকালে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।