Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ মে, ২০২৬ ১২:১৯
শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক-বাস্তবমুখী করতে কাজ করছে সরকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকার প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও বাস্তবমুখী করে গড়ে তুলতে কাজ করছে।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণা, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থী এবং এলামনাইদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ আর এলামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আয়োজিত ‘Transforming Higher Education in Bangladesh : Roadmap to Sustainable Excellence’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন অডিটোরিয়ামে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা গবেষণা ও জ্ঞানে উৎকর্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান এখনো প্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি।
তিনি বলেন, র্যাংকিং ক্ষেত্রে সাধারণত গবেষণা প্রকাশনা এবং উদ্ভাবন এই বিষয়গুলোকে মনে হয় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান কোথায় এই বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের শিক্ষাবিদদের আরও চিন্তাভাবনা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয় বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা এবং উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ না দিলে মনে হয় প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের টিকে থাকা কিছুটা হলেও কষ্টসাধ্য হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার অর্থ বরাদ্দ দেবে, এটিই স্বাভাবিক।
এলামনাইদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে, আমি যতটুকু জানি- ব্রিটেনসহ অনেক দেশই যারা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাইয়ের অনেকেই কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সাধারণত পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। এ জন্যই অনেকে বলে থাকেন শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ আর এলামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড।
তিনি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বর্তমানে যারা দেশে-বিদেশে জ্ঞানে-বিজ্ঞানে অর্থবিত্তে প্রতিষ্ঠিত সেই সব এলামনাইদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমি উপস্থিত শিক্ষাবিদদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানাই।
এদিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন। অধ্যাপক মামুনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যান যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরার দুই দিন পর। সেদিন তিনি ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন।
কর্মশালায় পাঁচটি টেকনিক্যাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম বদরুজ্জামান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন খানও সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন।
শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক-বাস্তবমুখী করতে কাজ করছে সরকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকার প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও বাস্তবমুখী করে গড়ে তুলতে কাজ করছে।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণা, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থী এবং এলামনাইদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ আর এলামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আয়োজিত ‘Transforming Higher Education in Bangladesh : Roadmap to Sustainable Excellence’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন অডিটোরিয়ামে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা গবেষণা ও জ্ঞানে উৎকর্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান এখনো প্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি।
তিনি বলেন, র্যাংকিং ক্ষেত্রে সাধারণত গবেষণা প্রকাশনা এবং উদ্ভাবন এই বিষয়গুলোকে মনে হয় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান কোথায় এই বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের শিক্ষাবিদদের আরও চিন্তাভাবনা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয় বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা এবং উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ না দিলে মনে হয় প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের টিকে থাকা কিছুটা হলেও কষ্টসাধ্য হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার অর্থ বরাদ্দ দেবে, এটিই স্বাভাবিক।
এলামনাইদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে, আমি যতটুকু জানি- ব্রিটেনসহ অনেক দেশই যারা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাইয়ের অনেকেই কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সাধারণত পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। এ জন্যই অনেকে বলে থাকেন শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ আর এলামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড।
তিনি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বর্তমানে যারা দেশে-বিদেশে জ্ঞানে-বিজ্ঞানে অর্থবিত্তে প্রতিষ্ঠিত সেই সব এলামনাইদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমি উপস্থিত শিক্ষাবিদদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানাই।
এদিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন। অধ্যাপক মামুনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যান যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরার দুই দিন পর। সেদিন তিনি ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন।
কর্মশালায় পাঁচটি টেকনিক্যাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম বদরুজ্জামান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন খানও সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন।

২৪ জুন, ২০২৬ ১৮:৪৩
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় মুদি দোকানসহ ১৬ ব্যবসা খাত যুক্ত হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (২৪জুন) বিকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিনে জাতীয় বাজেট সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব তথ্য জানান। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে। এদিন সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
মহিলা আসন-৩৫ সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, বিগত অর্থ বছরে মূল্য সংযোজন কর ও ভ্যাট বাবদ প্রাপ্ত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ কত এবং নতুন কোনও প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনীবার পরিকল্পনা আছে কিনা, থাকলে, সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী?
জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।”
মন্ত্রী জানান, নতুন প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে। ব্যবসায়িক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। সেগুলো হলো— মুদির দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিকের ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং সেনিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্নিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভান্ডার ও রেস্টুরেন্ট।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:২১

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরব।
যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না, সেখানে আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় মুদি দোকানসহ ১৬ ব্যবসা খাত যুক্ত হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (২৪জুন) বিকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিনে জাতীয় বাজেট সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব তথ্য জানান। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে। এদিন সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
মহিলা আসন-৩৫ সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, বিগত অর্থ বছরে মূল্য সংযোজন কর ও ভ্যাট বাবদ প্রাপ্ত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ কত এবং নতুন কোনও প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনীবার পরিকল্পনা আছে কিনা, থাকলে, সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী?
জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।”
মন্ত্রী জানান, নতুন প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে। ব্যবসায়িক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। সেগুলো হলো— মুদির দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিকের ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং সেনিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্নিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভান্ডার ও রেস্টুরেন্ট।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ (রোববার) সরকারি সফরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীন সফরে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের সফরকে সামনে রেখে শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক, চুক্তি, কর্মপরিকল্পনা ও প্রোটোকল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক দলিলে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা তিস্তা প্রকল্পও আলোচনার অন্যতম বিষয় হবে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। তিনি জানান, সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলকে সীমিত রাখা হয়েছে এবং এতে প্রায় ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
চীন সফরের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা সামার দাভোস ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। এতে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২৬ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ (রোববার) সরকারি সফরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীন সফরে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের সফরকে সামনে রেখে শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক, চুক্তি, কর্মপরিকল্পনা ও প্রোটোকল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক দলিলে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা তিস্তা প্রকল্পও আলোচনার অন্যতম বিষয় হবে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। তিনি জানান, সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলকে সীমিত রাখা হয়েছে এবং এতে প্রায় ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
চীন সফরের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা সামার দাভোস ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। এতে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২৬ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরব।
যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না, সেখানে আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।