
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৫
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-০১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় উপজেলা বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে এ কর্মসূচি পালিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. শাকের আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ হোসেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর ইসলাম শান্ত, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা জনি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের মো. শাহীন মোল্লা এবং পটুয়াখালী পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম।
সভাপতিত্ব করেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবুল বসার মোখলেছ ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন।
প্রধান অতিথি মো: শাকের আহমেদ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নির্বাচন। ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে দলের বার্তা পৌঁছে দিতে, তরুণ ভোটারদের সংগঠিত করতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “আলতাফ হোসেন চৌধুরী এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সবসময় কাজ করেছেন। তাঁর হাতকে শক্তিশালী করতে ছাত্রদলকে ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে।”
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: রাজিব হোসেন, সহ-সভাপতি আবুল খায়ের মৃধা, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, সুবিদখালী ডিগ্রি কলেজের সভাপতি মো: ছাব্বির হোসেন ফরাজি ও সাধারণ সম্পাদক তাওহিদ ইসলাম সহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-০১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় উপজেলা বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে এ কর্মসূচি পালিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. শাকের আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ হোসেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর ইসলাম শান্ত, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা জনি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের মো. শাহীন মোল্লা এবং পটুয়াখালী পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম।
সভাপতিত্ব করেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবুল বসার মোখলেছ ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন।
প্রধান অতিথি মো: শাকের আহমেদ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নির্বাচন। ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে দলের বার্তা পৌঁছে দিতে, তরুণ ভোটারদের সংগঠিত করতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “আলতাফ হোসেন চৌধুরী এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সবসময় কাজ করেছেন। তাঁর হাতকে শক্তিশালী করতে ছাত্রদলকে ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে।”
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: রাজিব হোসেন, সহ-সভাপতি আবুল খায়ের মৃধা, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, সুবিদখালী ডিগ্রি কলেজের সভাপতি মো: ছাব্বির হোসেন ফরাজি ও সাধারণ সম্পাদক তাওহিদ ইসলাম সহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
পটুয়াখালী -২ বাউফলে বিএনপি মনোনীত (ধানের শীষ) মার্কার প্রার্থী সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদারর বহনকারী গাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখে জামায়াতের নেতা কর্মী ও সমর্থকরা।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪টার দিকে বাউফল থানার সামনে তার গাড়িটি অবরুদ্ধ করা হয়। পরে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে গাড়িটি ছেড়ে দেয়া হয়।
সূত্রে জানাগেছে, বাউফলের চন্দ্রদ্বিপ ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া বাজারে দাঁড়িপাল্লার একটি মিছিলে ধানের শীষের কর্মী সমর্থকরা হামলা করে। এঘটনার প্রতিবাদে শহরে জামায়াতের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
তখন বিএনপির কর্মী সমর্থকদের সাথে তাদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। তখন পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজনকে নিরব থাকতে দেখা যায়। সূত্র জানায়, বাউফল থানার ওসি মোহাম্মাদ সিদ্দিকু রহমানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অপসারণের দাবিতে কয়েকশ নেতা-কর্মী ও সমর্থক থানার সামনে জড়ো হয়।
এসময় বিএনপির সাবেক এমপি ও ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী সহিদুল আলম একটি নির্বাচনী সভায় যোগ দিতে তার ব্যক্তিগত গাড়ি যোগে থানার সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন কমীসমর্থকরা তার গাড়িটি অবরুদ্ধ করে ভুয়া ভুয়া শ্লোগান দেয়।
একপর্যায়ে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েক নেতার হস্তক্ষেপে বিএনপি প্রার্থীর গাড়িটি ছেড়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় পৌর শহরে উভয় গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে। এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতী নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চলছে।
পটুয়াখালী -২ বাউফলে বিএনপি মনোনীত (ধানের শীষ) মার্কার প্রার্থী সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদারর বহনকারী গাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখে জামায়াতের নেতা কর্মী ও সমর্থকরা।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪টার দিকে বাউফল থানার সামনে তার গাড়িটি অবরুদ্ধ করা হয়। পরে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে গাড়িটি ছেড়ে দেয়া হয়।
সূত্রে জানাগেছে, বাউফলের চন্দ্রদ্বিপ ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া বাজারে দাঁড়িপাল্লার একটি মিছিলে ধানের শীষের কর্মী সমর্থকরা হামলা করে। এঘটনার প্রতিবাদে শহরে জামায়াতের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
তখন বিএনপির কর্মী সমর্থকদের সাথে তাদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। তখন পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজনকে নিরব থাকতে দেখা যায়। সূত্র জানায়, বাউফল থানার ওসি মোহাম্মাদ সিদ্দিকু রহমানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অপসারণের দাবিতে কয়েকশ নেতা-কর্মী ও সমর্থক থানার সামনে জড়ো হয়।
এসময় বিএনপির সাবেক এমপি ও ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী সহিদুল আলম একটি নির্বাচনী সভায় যোগ দিতে তার ব্যক্তিগত গাড়ি যোগে থানার সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন কমীসমর্থকরা তার গাড়িটি অবরুদ্ধ করে ভুয়া ভুয়া শ্লোগান দেয়।
একপর্যায়ে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েক নেতার হস্তক্ষেপে বিএনপি প্রার্থীর গাড়িটি ছেড়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় পৌর শহরে উভয় গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে। এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতী নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চলছে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াত-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মুলভূখন্ড বিচ্ছিন্ন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বৌবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- জামাল মৃধা (২২), আমিনুল ইসলাম (৩৭), জুয়েল (৩৩), নয়ন (১৭), লিমা জাহান (২৫), শাহজালাল (২০), সুজন (২৬), শহিদুল বেপারী (২৭), হাফেজ আনিসুর রহমান (৫৫), আমিনুল মাতব্বর (৩০), সোহাগ (৩০), সাইফুল (৪০), জিসান (২৫), সজিব (১৭), রোজিনা বেগম (৩০), দেলোয়ার গাজীসহ (৫৮) অন্তত ২৫ জন।
এদের মধ্যে জামাল মৃধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়েছে। অন্যদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, জামায়াতের কয়েজন কর্মী ওই এলাকায় নির্বাচনী প্রচারের কাজে গেলে বিএনপির কয়েকজন সমর্থক টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ তুলে তাদেরকে হেনস্থা করে। এ সময় খবর পেয়ে প্রচারের অদূরে থাকা জামায়াতের লোকজন সেখানে গেলে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ সময় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটার আঘাতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়। ঘটনার পর দুপুরে পৌর সদরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে জামায়াতের লোকজন। উভয় পক্ষের মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানায়, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াত-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মুলভূখন্ড বিচ্ছিন্ন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বৌবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- জামাল মৃধা (২২), আমিনুল ইসলাম (৩৭), জুয়েল (৩৩), নয়ন (১৭), লিমা জাহান (২৫), শাহজালাল (২০), সুজন (২৬), শহিদুল বেপারী (২৭), হাফেজ আনিসুর রহমান (৫৫), আমিনুল মাতব্বর (৩০), সোহাগ (৩০), সাইফুল (৪০), জিসান (২৫), সজিব (১৭), রোজিনা বেগম (৩০), দেলোয়ার গাজীসহ (৫৮) অন্তত ২৫ জন।
এদের মধ্যে জামাল মৃধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়েছে। অন্যদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, জামায়াতের কয়েজন কর্মী ওই এলাকায় নির্বাচনী প্রচারের কাজে গেলে বিএনপির কয়েকজন সমর্থক টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ তুলে তাদেরকে হেনস্থা করে। এ সময় খবর পেয়ে প্রচারের অদূরে থাকা জামায়াতের লোকজন সেখানে গেলে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ সময় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটার আঘাতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়। ঘটনার পর দুপুরে পৌর সদরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে জামায়াতের লোকজন। উভয় পক্ষের মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানায়, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০১
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদকসহ মো. জাকির ফরাজী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত ৩টা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ উত্তর সুবিদখালী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মৃত মোতালেব ফরাজীর ছেলে মো. জাকির ফরাজীকে তাঁর বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজী মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীর ছোট ভাই। এর আগে, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীকেও একটি অত্যাধুনিক বিদেশি পিস্তলসহ তাঁর বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছিল যৌথবাহিনী।
পুলিশ জানায়,তল্লাশিকালে গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজীর লুঙ্গির কোচর হতে ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার শয়নকক্ষের বিছানার তোশকের নিচ থেকে ইয়াবা সেবনের পাইপ এবং কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে যৌথবাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালাম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদকসহ মো. জাকির ফরাজী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত ৩টা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ উত্তর সুবিদখালী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মৃত মোতালেব ফরাজীর ছেলে মো. জাকির ফরাজীকে তাঁর বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজী মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীর ছোট ভাই। এর আগে, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীকেও একটি অত্যাধুনিক বিদেশি পিস্তলসহ তাঁর বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছিল যৌথবাহিনী।
পুলিশ জানায়,তল্লাশিকালে গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজীর লুঙ্গির কোচর হতে ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার শয়নকক্ষের বিছানার তোশকের নিচ থেকে ইয়াবা সেবনের পাইপ এবং কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে যৌথবাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালাম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.