
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩০
সরকারের নির্ধারিত ভাড়ার তোয়াক্কা না করে রাজধানীর গণপরিবহনগুলোতে শুরু হয়েছে চরম ভাড়া নৈরাজ্য। সরকারের পক্ষ থেকে কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর ঘোষণা এলেও রাস্তায় তার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
কিলোমিটার প্রতি পয়সার হিসাব ছাপিয়ে চালক ও সহকারীরা যাত্রীদের কাছ থেকে সরাসরি ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন। এ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে ভাড়া বাড়ানোর ঘোষণার পর শুক্রবার থেকেই বাড়তি ভাড়া দাবি করছেন চালক ও হেলপাররা।
গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর গণপরিবহনের নতুন ভাড়া ঘোষণা করেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
জানা যায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর, আন্তঃজেলা এবং ডিটিসিএ এলাকাসহ সব ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এতে মহানগর ও আন্তঃজেলা বাসের ভাড়া ৪ দশমিক ৪৫ থেকে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেল। ভাড়া সমন্বয় করে বিআরটিএ ইতোমধ্যে প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে।
তবে মাঠপর্যায়ে চিত্র ভিন্ন। খিলক্ষেত থেকে বনানী আসা এক যাত্রী জানান, আগে এই পথের ভাড়া ছিল ১০ টাকা, আজ নেওয়া হচ্ছে ১৫-২০ টাকা। মালিবাগ থেকে মহাখালী আসা এক যাত্রী জানান, তার কাছেও হুট করে ৫ টাকা বাড়তি দাবি করা হচ্ছে।
গাজীপুর থেকে বিশ্বরোড আসা মোহাম্মদ রবিউল নামে এক যাত্রী জানান, সরকারি ঘোষণার আগে যে ভাড়া নিত এই রুটে তার চেয়েও আজ ১৫ টাকা ভাড়া বেশি নিয়েছে।
আরেক যাত্রী জানান, আমতলী থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ভাড়া ২০ টাকা থাকলেও শনিবার ভোর থেকে তা ৩০ টাকা করে নিচ্ছে। যাত্রীরা অভিযোগ করে জানান, সরকার প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বাড়িয়েছে মাত্র ১১ পয়সা, কিন্তু চালক ও সহকারীরা তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছেন।
বনানীর প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আবিদ বলেন, কাকলী মোড় থেকে বিমানবন্দরের দূরত্ব প্রায় ১৮-১৯ কিলোমিটার। সরকারি হিসাব অনুযায়ী ভাড়া বাড়ার কথা মাত্র ২ টাকা, কিন্তু শুক্রবার থেকে চালকরা ১০ টাকা বেশি দাবি করছেন। তারা এই সুযোগে যাত্রীদের পকেট কাটছেন।
বাসের হেল্পার ও চালকদের এমন কাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে আরেক যাত্রী যাত্রী বলেন, সরকার ১১ পয়সা বাড়িয়েছে, কিন্তু তারা মুখস্থ ৫-১০ টাকা বেশি দাবি করছে। দেখা যাবে মোট ভাড়ায় ১ টাকাও বাড়েনি, কিন্তু তারা ৫ টাকাই আদায় করবে। এটা নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলেই ঝগড়া শুরু হয়। এসব দেখার কেউ নেই।
বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে সায়েদাবাদ-গাজীপুর রুটে চলাচলকারী ‘বলাকা’ বাসের এক হেল্পার জানান, তারা দূরত্বের সঙ্গে মিল রেখেই ভাড়া নিচ্ছেন। তেলের দাম বাড়ায় সরকার ভাড়া বাড়িয়েছে বলেই তারা বেশি নিচ্ছেন।
তবে ১০ কিলোমিটারে কেন ৫ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, কিলোমিটারের হিসাব তার জানা নেই, এভাবেই ভাড়া নিচ্ছে সবাই। সরেজমিনে বলাকা, আজমেরী গ্লোরি, গাজীপুর পরিবহন, ভিক্টর ক্লাসিক ও রাইদা পরিবহনের বাসগুলো ঘুরে দেখা যায় নেই কোনো ভাড়ার চার্ট, নেই কোনো ই-টিকিটিং ব্যবস্থা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর পরিবহনের এক চালক বলেন, চার্ট আমাদের লাগে না, আমরা মিল করেই ভাড়া নিচ্ছি। উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েক দফায় জ্বালানির দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার বাসভাড়া কমানোর ঘোষণা দিলেও পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা তা কার্যকর করেননি। ২০১৬ ও ২০১১ সালেও ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ ছিল।
সরকারের নির্ধারিত ভাড়ার তোয়াক্কা না করে রাজধানীর গণপরিবহনগুলোতে শুরু হয়েছে চরম ভাড়া নৈরাজ্য। সরকারের পক্ষ থেকে কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর ঘোষণা এলেও রাস্তায় তার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
কিলোমিটার প্রতি পয়সার হিসাব ছাপিয়ে চালক ও সহকারীরা যাত্রীদের কাছ থেকে সরাসরি ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন। এ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে ভাড়া বাড়ানোর ঘোষণার পর শুক্রবার থেকেই বাড়তি ভাড়া দাবি করছেন চালক ও হেলপাররা।
গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর গণপরিবহনের নতুন ভাড়া ঘোষণা করেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
জানা যায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর, আন্তঃজেলা এবং ডিটিসিএ এলাকাসহ সব ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এতে মহানগর ও আন্তঃজেলা বাসের ভাড়া ৪ দশমিক ৪৫ থেকে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেল। ভাড়া সমন্বয় করে বিআরটিএ ইতোমধ্যে প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে।
তবে মাঠপর্যায়ে চিত্র ভিন্ন। খিলক্ষেত থেকে বনানী আসা এক যাত্রী জানান, আগে এই পথের ভাড়া ছিল ১০ টাকা, আজ নেওয়া হচ্ছে ১৫-২০ টাকা। মালিবাগ থেকে মহাখালী আসা এক যাত্রী জানান, তার কাছেও হুট করে ৫ টাকা বাড়তি দাবি করা হচ্ছে।
গাজীপুর থেকে বিশ্বরোড আসা মোহাম্মদ রবিউল নামে এক যাত্রী জানান, সরকারি ঘোষণার আগে যে ভাড়া নিত এই রুটে তার চেয়েও আজ ১৫ টাকা ভাড়া বেশি নিয়েছে।
আরেক যাত্রী জানান, আমতলী থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ভাড়া ২০ টাকা থাকলেও শনিবার ভোর থেকে তা ৩০ টাকা করে নিচ্ছে। যাত্রীরা অভিযোগ করে জানান, সরকার প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বাড়িয়েছে মাত্র ১১ পয়সা, কিন্তু চালক ও সহকারীরা তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছেন।
বনানীর প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আবিদ বলেন, কাকলী মোড় থেকে বিমানবন্দরের দূরত্ব প্রায় ১৮-১৯ কিলোমিটার। সরকারি হিসাব অনুযায়ী ভাড়া বাড়ার কথা মাত্র ২ টাকা, কিন্তু শুক্রবার থেকে চালকরা ১০ টাকা বেশি দাবি করছেন। তারা এই সুযোগে যাত্রীদের পকেট কাটছেন।
বাসের হেল্পার ও চালকদের এমন কাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে আরেক যাত্রী যাত্রী বলেন, সরকার ১১ পয়সা বাড়িয়েছে, কিন্তু তারা মুখস্থ ৫-১০ টাকা বেশি দাবি করছে। দেখা যাবে মোট ভাড়ায় ১ টাকাও বাড়েনি, কিন্তু তারা ৫ টাকাই আদায় করবে। এটা নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলেই ঝগড়া শুরু হয়। এসব দেখার কেউ নেই।
বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে সায়েদাবাদ-গাজীপুর রুটে চলাচলকারী ‘বলাকা’ বাসের এক হেল্পার জানান, তারা দূরত্বের সঙ্গে মিল রেখেই ভাড়া নিচ্ছেন। তেলের দাম বাড়ায় সরকার ভাড়া বাড়িয়েছে বলেই তারা বেশি নিচ্ছেন।
তবে ১০ কিলোমিটারে কেন ৫ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, কিলোমিটারের হিসাব তার জানা নেই, এভাবেই ভাড়া নিচ্ছে সবাই। সরেজমিনে বলাকা, আজমেরী গ্লোরি, গাজীপুর পরিবহন, ভিক্টর ক্লাসিক ও রাইদা পরিবহনের বাসগুলো ঘুরে দেখা যায় নেই কোনো ভাড়ার চার্ট, নেই কোনো ই-টিকিটিং ব্যবস্থা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর পরিবহনের এক চালক বলেন, চার্ট আমাদের লাগে না, আমরা মিল করেই ভাড়া নিচ্ছি। উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েক দফায় জ্বালানির দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার বাসভাড়া কমানোর ঘোষণা দিলেও পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা তা কার্যকর করেননি। ২০১৬ ও ২০১১ সালেও ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ ছিল।
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮

০৯ জুন, ২০২৬ ১৩:২৬
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

০৭ জুন, ২০২৬ ১১:৪৫
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.