
১০ মে, ২০২৬ ১২:২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদে এক গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে খোকন হাওলাদার নামে এক অটোচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে পিরোজপুর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দুপুরে উপজেলার একটি গ্রামের পুকুরে ভুক্তভোগী নারী গোসল করতে গেলে খোকন হাওলাদার তাঁকে হয়রানি করেন। একপর্যায়ে ওই নারীকে জোর করে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের চেষ্টা চালান। পরে ভুক্তভোগী নারীর চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত অটোচালক পালিয়ে যান।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে এক গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে খোকন হাওলাদার নামে এক অটোচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে পিরোজপুর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দুপুরে উপজেলার একটি গ্রামের পুকুরে ভুক্তভোগী নারী গোসল করতে গেলে খোকন হাওলাদার তাঁকে হয়রানি করেন। একপর্যায়ে ওই নারীকে জোর করে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের চেষ্টা চালান। পরে ভুক্তভোগী নারীর চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত অটোচালক পালিয়ে যান।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

০৭ মে, ২০২৬ ১৯:২৭
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরশরের ৫ নং ওয়ার্ডের টি এন্ড টি সড়কের কল্লাকাটা ব্রিজ সংলগ্ন ‘সিকদার ভিলা’ নামে একটি বাড়ি। ওই বাড়িটিতে ঘটছে একের পর এক আত্মহত্যার ঘটনা। যেন বাড়িটিই যেন ‘মৃৃত্যুপুরী’।
সবশেষ বুধবার (৬ মে) বিকেলে ওই বাড়িটি থেকে সুখী রানী (২০) নামে দুই সন্তানের এক জননীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এতে এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। একই সঙ্গে এলাকায় ব্যাপক রহস্য ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সুখী রাণী তার স্বামী পলাশ শীল দুই সন্তানকে নিয়ে ওই বাড়িতেই বসবাস করতেন।
বাড়িটি সুখী রাণীর মা কবিতা রাণীর মালিকানাধীন। বুধবার দুপুরে ঘরের ভেতর সুখী রাণীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
এই মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোকের পাশাপাশি জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ‘সিকদার ভিলা’ নামের এই একই বাড়িতে এর আগেও একাধিক ব্যক্তি একইভাবে আত্মহত্যা করেছেন।
একই বাড়িতে বার-বার কেন এমন ঘটনা ঘটছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম কৌতূহল ও রহস্য দানা বাঁধছে। এটি নিছক আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো পারিবারিক বা নেপথ্য কারণ রয়েছে, নাকি ভৌতিক কোনো কারণ রয়েছে, তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।
মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, খবর পাওয়ার পরপরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মঠবাড়িয়া থানা ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, আমরা প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছি। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে- এটি হত্যা না আত্মহত্যা। একই বাড়িতে পূর্বের ঘটনাগুলোর বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে।
তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং পুলিশের তদন্তেই বেড়িয়ে আসবে এই ‘মৃত্যুপুরী’র আসল রহস্য।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরশরের ৫ নং ওয়ার্ডের টি এন্ড টি সড়কের কল্লাকাটা ব্রিজ সংলগ্ন ‘সিকদার ভিলা’ নামে একটি বাড়ি। ওই বাড়িটিতে ঘটছে একের পর এক আত্মহত্যার ঘটনা। যেন বাড়িটিই যেন ‘মৃৃত্যুপুরী’।
সবশেষ বুধবার (৬ মে) বিকেলে ওই বাড়িটি থেকে সুখী রানী (২০) নামে দুই সন্তানের এক জননীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এতে এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। একই সঙ্গে এলাকায় ব্যাপক রহস্য ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সুখী রাণী তার স্বামী পলাশ শীল দুই সন্তানকে নিয়ে ওই বাড়িতেই বসবাস করতেন।
বাড়িটি সুখী রাণীর মা কবিতা রাণীর মালিকানাধীন। বুধবার দুপুরে ঘরের ভেতর সুখী রাণীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
এই মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোকের পাশাপাশি জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ‘সিকদার ভিলা’ নামের এই একই বাড়িতে এর আগেও একাধিক ব্যক্তি একইভাবে আত্মহত্যা করেছেন।
একই বাড়িতে বার-বার কেন এমন ঘটনা ঘটছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম কৌতূহল ও রহস্য দানা বাঁধছে। এটি নিছক আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো পারিবারিক বা নেপথ্য কারণ রয়েছে, নাকি ভৌতিক কোনো কারণ রয়েছে, তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।
মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, খবর পাওয়ার পরপরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মঠবাড়িয়া থানা ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, আমরা প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছি। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে- এটি হত্যা না আত্মহত্যা। একই বাড়িতে পূর্বের ঘটনাগুলোর বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে।
তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং পুলিশের তদন্তেই বেড়িয়ে আসবে এই ‘মৃত্যুপুরী’র আসল রহস্য।

০৬ মে, ২০২৬ ১৮:১০
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার আওয়ামী লীগ-সম্পৃক্ত ঠিকাদারদের ফেলে যাওয়া শত কোটি টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্প দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর খুব শিগগিরই পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে। এ খবরে মঠবাড়িয়ার জনপদে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এসব প্রকল্প দ্রুত চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে পিরোজপুর জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহম্মদ সোহেল মনজুর, পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন দুলাল এবং পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদুল ইসলাম, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন, মনিটরিং ও ইভালুয়েশন বিভাগের সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন খানসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে মঠবাড়িয়াসহ জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে। এতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এলজিইডির কিছু প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পিরোজপুরের সাবেক এমপি মহিউদ্দিন মহারাজ, তার ভাই মিরাজুল ইসলাম এবং এলজিইডি পিরোজপুরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একাধিক মামলা দায়ের করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন করে প্রকল্পগুলো চালু হলে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আবারও গতিশীল হবে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার আওয়ামী লীগ-সম্পৃক্ত ঠিকাদারদের ফেলে যাওয়া শত কোটি টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্প দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর খুব শিগগিরই পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে। এ খবরে মঠবাড়িয়ার জনপদে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এসব প্রকল্প দ্রুত চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে পিরোজপুর জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহম্মদ সোহেল মনজুর, পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন দুলাল এবং পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদুল ইসলাম, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন, মনিটরিং ও ইভালুয়েশন বিভাগের সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন খানসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে মঠবাড়িয়াসহ জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে। এতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এলজিইডির কিছু প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পিরোজপুরের সাবেক এমপি মহিউদ্দিন মহারাজ, তার ভাই মিরাজুল ইসলাম এবং এলজিইডি পিরোজপুরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একাধিক মামলা দায়ের করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন করে প্রকল্পগুলো চালু হলে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আবারও গতিশীল হবে।

০৬ মে, ২০২৬ ১৮:০১
পিরোজপুরে বিদ্যালয় যাওয়ার পথে প্রধান শিক্ষকের সমানে নুসরাত জাহান (১০) নামে পঞ্চম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে জুতাপেটা ও মারধর করেছেন স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগ নেতার স্ত্রী।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের দরিচর গাজীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নুসরাত একই গ্রামের মো. নাসির উদ্দীন খানের মেয়ে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, জেলার জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর দরিচর গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত এবং একই গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিষিদ্ধ যুবলীগের সভাপতি সবুজ খানের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা (৩০) কিছুদিন আগে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এসডিএফ) সহায়তার কিছু টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেন। এ সময় ওই স্কুলশিক্ষার্থীর বড় বোন বাধা দিলে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এর জেরে সম্প্রতি স্কুলছাত্রীর বাড়ির সামনে বসে দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হলে অভিযুক্ত জাকিয়া সুলতানা স্কুলছাত্রী নুসরাতসহ তার পরিবারকে হুমকি দেন। এই ভয়ে ওই স্কুলছাত্রী প্রায় ১০ দিন স্কুলে আসেনি। নুসরাত এতদিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকায় প্রধান শিক্ষক নুসরাতের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে তার নিজ জিম্মায় মঙ্গলবার স্কুলে নিয়ে আসার পথে এ ঘটনা ঘটে।
নুসরাতের মা গোলাপি বেগম বলেন, তিন-চার দিন আগে আমার স্বামীকে ঝাড়ু দিয়ে পেটানোর চেষ্টা করতেছিল। আমার মেয়ে জাকিয়া ভয়ে আর অনেকদিন স্কুলে আসে না। আজকে শিক্ষক নিজে গিয়ে আমার মেয়েকে স্কুলে নিয়ে আসছিল; তখন মেয়েকে জুতা দিয়ে পিটিয়েছে এবং মারধর করেছে। আমি এর বিচার চাই।
স্থানীয় ফারুক শেখ, হিরন শেখ ও মেহেদী হাসান বাবু বলেন, এই যুবলীগ নেতা সবুজ ও তার স্ত্রী জাকিয়ার বিভিন্ন অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। ওদের ঘরে অস্ত্র আছে, সেই অস্ত্র দিয়ে মানুষকে ভয় দেখায়। এই ছাত্রীর পরিবারটিও ওদের হাতে নির্যাতনের শিকার। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার আমরা বিচার চাই, তা না হলে আমরাও আমাদের ছেলে-মেয়েকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য স্কুলে পাঠাব না।
দরিচর গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা ফয়সাল বলেন, মেয়েটি মারধরের হুমকি পেয়ে স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছিল। এ জন্য আমি গতকাল ওর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বাড়ি থেকে এগিয়ে নিয়ে আসছিলাম, স্কুলের সামনে জখন আসি তখন ওই মহিলা ছাত্রী নুসরাতকে জুতা দিয়ে মারধর করে; তখন আমি বাধা দিলে আমার গায়েও লাগে। এই লজ্জাজনক ঘটনার আইনের মাধ্যমে বিচার দাবি করছি।
পূর্বের বিরোধের কারণে নুসরাতকে মারধরের কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত জাকিয়া সুলতানা ও তার স্বামী সবুজ খান। তারা বলেন, আমার ছেলেকে ও মারতে চাইছিল, তাই আমিও মারছি। তবে জুতা দিয়ে পেটানোর কথা অস্বীকার করেছেন জাকিয়া। যুবলীগ নেতা সবুজ খানকে এক প্রশ্নে তাদের নির্যাতনে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।
জিয়ানগর থানার ওসি মো. মহব্বত খান রূপালী বাংলাদেশকে জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পূর্বেও এ ধরনের অসামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছে পরিবারটি। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা ও শিক্ষার্থী নুসরাতসহ সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পিরোজপুরে বিদ্যালয় যাওয়ার পথে প্রধান শিক্ষকের সমানে নুসরাত জাহান (১০) নামে পঞ্চম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে জুতাপেটা ও মারধর করেছেন স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগ নেতার স্ত্রী।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের দরিচর গাজীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নুসরাত একই গ্রামের মো. নাসির উদ্দীন খানের মেয়ে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, জেলার জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর দরিচর গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত এবং একই গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিষিদ্ধ যুবলীগের সভাপতি সবুজ খানের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা (৩০) কিছুদিন আগে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এসডিএফ) সহায়তার কিছু টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেন। এ সময় ওই স্কুলশিক্ষার্থীর বড় বোন বাধা দিলে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এর জেরে সম্প্রতি স্কুলছাত্রীর বাড়ির সামনে বসে দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হলে অভিযুক্ত জাকিয়া সুলতানা স্কুলছাত্রী নুসরাতসহ তার পরিবারকে হুমকি দেন। এই ভয়ে ওই স্কুলছাত্রী প্রায় ১০ দিন স্কুলে আসেনি। নুসরাত এতদিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকায় প্রধান শিক্ষক নুসরাতের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে তার নিজ জিম্মায় মঙ্গলবার স্কুলে নিয়ে আসার পথে এ ঘটনা ঘটে।
নুসরাতের মা গোলাপি বেগম বলেন, তিন-চার দিন আগে আমার স্বামীকে ঝাড়ু দিয়ে পেটানোর চেষ্টা করতেছিল। আমার মেয়ে জাকিয়া ভয়ে আর অনেকদিন স্কুলে আসে না। আজকে শিক্ষক নিজে গিয়ে আমার মেয়েকে স্কুলে নিয়ে আসছিল; তখন মেয়েকে জুতা দিয়ে পিটিয়েছে এবং মারধর করেছে। আমি এর বিচার চাই।
স্থানীয় ফারুক শেখ, হিরন শেখ ও মেহেদী হাসান বাবু বলেন, এই যুবলীগ নেতা সবুজ ও তার স্ত্রী জাকিয়ার বিভিন্ন অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। ওদের ঘরে অস্ত্র আছে, সেই অস্ত্র দিয়ে মানুষকে ভয় দেখায়। এই ছাত্রীর পরিবারটিও ওদের হাতে নির্যাতনের শিকার। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার আমরা বিচার চাই, তা না হলে আমরাও আমাদের ছেলে-মেয়েকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য স্কুলে পাঠাব না।
দরিচর গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা ফয়সাল বলেন, মেয়েটি মারধরের হুমকি পেয়ে স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছিল। এ জন্য আমি গতকাল ওর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বাড়ি থেকে এগিয়ে নিয়ে আসছিলাম, স্কুলের সামনে জখন আসি তখন ওই মহিলা ছাত্রী নুসরাতকে জুতা দিয়ে মারধর করে; তখন আমি বাধা দিলে আমার গায়েও লাগে। এই লজ্জাজনক ঘটনার আইনের মাধ্যমে বিচার দাবি করছি।
পূর্বের বিরোধের কারণে নুসরাতকে মারধরের কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত জাকিয়া সুলতানা ও তার স্বামী সবুজ খান। তারা বলেন, আমার ছেলেকে ও মারতে চাইছিল, তাই আমিও মারছি। তবে জুতা দিয়ে পেটানোর কথা অস্বীকার করেছেন জাকিয়া। যুবলীগ নেতা সবুজ খানকে এক প্রশ্নে তাদের নির্যাতনে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।
জিয়ানগর থানার ওসি মো. মহব্বত খান রূপালী বাংলাদেশকে জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পূর্বেও এ ধরনের অসামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছে পরিবারটি। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা ও শিক্ষার্থী নুসরাতসহ সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.