বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মাঠজুড়ে এখন পাকা ইরি ধানের সোনালি আভা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকেরা ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধান কাটছেন কৃষকেরা। ধান পাকার পর কিছুদিন পরিস্থিতি ভালো থাকলেও এরই মধ্যে শুরু হয়েছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব।
ফলে পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। ধান কাটা, মাড়াই ও শুকিয়ে ঘরে তোলার কাজে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা দলবদ্ধভাবে ধান কাটছেন। কোথাও হাতে, আবার কোথাও আধুনিক হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। মাঠের পাশে কিংবা বাড়ির আঙিনায় ধান মাড়াই ও শুকানোর দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। নতুন ইরি ধানের ঘ্রাণে ভরে উঠেছে গ্রামের পরিবেশ।
উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক বাবু সরদার বলেন, গতবারের তুলনায় এ বছর ফসল ভালো হয়েছে। তবে শুরুতে জ্বালানি তেলের সংকটে কৃষকেরা বিপাকে পড়লেও এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
কৃষক হান্নান সরদার বলেন, এমনিতেই খরা, তার ওপর মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা উচ্চ মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যে কালবৈশাখীর তাণ্ডব নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আগৈলঝাড়া উপজেলায় ৯ হাজার ৬১৮ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে এবং ফলনও সন্তোষজনক। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সময়মতো পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়ায় কৃষকেরা উপকৃত হয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইসা জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৫০ হেক্টর জমির পাকা ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে কৃষকদের মধ্যে ১২ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের ফুয়েল সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং কিছু কৃষকের মধ্যে ধান মাড়াইয়ের মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
ধান কাটার এই মৌসুমে কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোথাও যাতে ধান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।
এদিকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত ধান কাটা ও ঘরে তোলা শেষ করতে চান কৃষকেরা। অকাল বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় তারা কোনো ঝুঁকি নিতে চান না।
সব মিলিয়ে আগৈলঝাড়ার কৃষকদের মধ্যে এখন ব্যস্ততা ও স্বস্তির এক মিশ্র চিত্র বিরাজ করছে। ভালো ফলনের আশায় তারা ঘরে তুলছেন সোনালি ফসল।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:৩৭
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মাঠজুড়ে এখন পাকা ইরি ধানের সোনালি আভা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকেরা ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধান কাটছেন কৃষকেরা। ধান পাকার পর কিছুদিন পরিস্থিতি ভালো থাকলেও এরই মধ্যে শুরু হয়েছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব।
ফলে পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। ধান কাটা, মাড়াই ও শুকিয়ে ঘরে তোলার কাজে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা দলবদ্ধভাবে ধান কাটছেন। কোথাও হাতে, আবার কোথাও আধুনিক হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। মাঠের পাশে কিংবা বাড়ির আঙিনায় ধান মাড়াই ও শুকানোর দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। নতুন ইরি ধানের ঘ্রাণে ভরে উঠেছে গ্রামের পরিবেশ।
উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক বাবু সরদার বলেন, গতবারের তুলনায় এ বছর ফসল ভালো হয়েছে। তবে শুরুতে জ্বালানি তেলের সংকটে কৃষকেরা বিপাকে পড়লেও এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
কৃষক হান্নান সরদার বলেন, এমনিতেই খরা, তার ওপর মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা উচ্চ মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যে কালবৈশাখীর তাণ্ডব নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আগৈলঝাড়া উপজেলায় ৯ হাজার ৬১৮ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে এবং ফলনও সন্তোষজনক। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সময়মতো পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়ায় কৃষকেরা উপকৃত হয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইসা জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৫০ হেক্টর জমির পাকা ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে কৃষকদের মধ্যে ১২ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের ফুয়েল সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং কিছু কৃষকের মধ্যে ধান মাড়াইয়ের মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
ধান কাটার এই মৌসুমে কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোথাও যাতে ধান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।
এদিকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত ধান কাটা ও ঘরে তোলা শেষ করতে চান কৃষকেরা। অকাল বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় তারা কোনো ঝুঁকি নিতে চান না।
সব মিলিয়ে আগৈলঝাড়ার কৃষকদের মধ্যে এখন ব্যস্ততা ও স্বস্তির এক মিশ্র চিত্র বিরাজ করছে। ভালো ফলনের আশায় তারা ঘরে তুলছেন সোনালি ফসল।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১