Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:৩৭
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মাঠজুড়ে এখন পাকা ইরি ধানের সোনালি আভা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকেরা ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধান কাটছেন কৃষকেরা। ধান পাকার পর কিছুদিন পরিস্থিতি ভালো থাকলেও এরই মধ্যে শুরু হয়েছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব।
ফলে পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। ধান কাটা, মাড়াই ও শুকিয়ে ঘরে তোলার কাজে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা দলবদ্ধভাবে ধান কাটছেন। কোথাও হাতে, আবার কোথাও আধুনিক হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। মাঠের পাশে কিংবা বাড়ির আঙিনায় ধান মাড়াই ও শুকানোর দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। নতুন ইরি ধানের ঘ্রাণে ভরে উঠেছে গ্রামের পরিবেশ।
উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক বাবু সরদার বলেন, গতবারের তুলনায় এ বছর ফসল ভালো হয়েছে। তবে শুরুতে জ্বালানি তেলের সংকটে কৃষকেরা বিপাকে পড়লেও এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
কৃষক হান্নান সরদার বলেন, এমনিতেই খরা, তার ওপর মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা উচ্চ মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যে কালবৈশাখীর তাণ্ডব নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আগৈলঝাড়া উপজেলায় ৯ হাজার ৬১৮ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে এবং ফলনও সন্তোষজনক। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সময়মতো পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়ায় কৃষকেরা উপকৃত হয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইসা জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৫০ হেক্টর জমির পাকা ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে কৃষকদের মধ্যে ১২ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের ফুয়েল সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং কিছু কৃষকের মধ্যে ধান মাড়াইয়ের মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
ধান কাটার এই মৌসুমে কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোথাও যাতে ধান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।
এদিকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত ধান কাটা ও ঘরে তোলা শেষ করতে চান কৃষকেরা। অকাল বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় তারা কোনো ঝুঁকি নিতে চান না।
সব মিলিয়ে আগৈলঝাড়ার কৃষকদের মধ্যে এখন ব্যস্ততা ও স্বস্তির এক মিশ্র চিত্র বিরাজ করছে। ভালো ফলনের আশায় তারা ঘরে তুলছেন সোনালি ফসল।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মাঠজুড়ে এখন পাকা ইরি ধানের সোনালি আভা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকেরা ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধান কাটছেন কৃষকেরা। ধান পাকার পর কিছুদিন পরিস্থিতি ভালো থাকলেও এরই মধ্যে শুরু হয়েছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব।
ফলে পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। ধান কাটা, মাড়াই ও শুকিয়ে ঘরে তোলার কাজে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা দলবদ্ধভাবে ধান কাটছেন। কোথাও হাতে, আবার কোথাও আধুনিক হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। মাঠের পাশে কিংবা বাড়ির আঙিনায় ধান মাড়াই ও শুকানোর দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। নতুন ইরি ধানের ঘ্রাণে ভরে উঠেছে গ্রামের পরিবেশ।
উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক বাবু সরদার বলেন, গতবারের তুলনায় এ বছর ফসল ভালো হয়েছে। তবে শুরুতে জ্বালানি তেলের সংকটে কৃষকেরা বিপাকে পড়লেও এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
কৃষক হান্নান সরদার বলেন, এমনিতেই খরা, তার ওপর মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা উচ্চ মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যে কালবৈশাখীর তাণ্ডব নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আগৈলঝাড়া উপজেলায় ৯ হাজার ৬১৮ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে এবং ফলনও সন্তোষজনক। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সময়মতো পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়ায় কৃষকেরা উপকৃত হয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইসা জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৫০ হেক্টর জমির পাকা ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে কৃষকদের মধ্যে ১২ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের ফুয়েল সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং কিছু কৃষকের মধ্যে ধান মাড়াইয়ের মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
ধান কাটার এই মৌসুমে কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোথাও যাতে ধান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।
এদিকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত ধান কাটা ও ঘরে তোলা শেষ করতে চান কৃষকেরা। অকাল বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় তারা কোনো ঝুঁকি নিতে চান না।
সব মিলিয়ে আগৈলঝাড়ার কৃষকদের মধ্যে এখন ব্যস্ততা ও স্বস্তির এক মিশ্র চিত্র বিরাজ করছে। ভালো ফলনের আশায় তারা ঘরে তুলছেন সোনালি ফসল।

০৩ মে, ২০২৬ ১৫:৪৩
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে একটি জেলে নৌকা ডুবে নিখোঁজ দুই জেলের সন্ধান এখনও মেলেনি। রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন হিজলা নৌ-পুলিশের ইনচার্জ (পরিদর্শক) গৌতম চন্দ্র মন্ডল।
এর আগে শনিবার (২ মে) বিকেলে উপজেলার দাদপুর পুরাতন ফেরিঘাটসংলগ্ন নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন- মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরএককরিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরচর গ্রামের আলম মালতিয়ারের ছেলে শিপন (২০) এবং একই গ্রামের আবদুর রহিম সরদারের ছেলে জুয়েল সরদার (২১)।
নৌকা থেকে জীবিত ফেরত জেলে মামুন সাংবাদিকদের জানান, বিকেলে তারা চারজন মিলে নদীতে জাল তুলছিলেন। হঠাৎ আকাশ কালো করে প্রচন্ড বেগে কালবৈশাখী শুরু হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঢেউয়ের তোড়ে নৌকাটি উল্টে যায় এবং চারজনই নদীতে ছিটকে পড়েন।
মামুন এবং আজিম নামে দুই জেলে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও চোখের পলকেই শিপন ও জুয়েল উত্তাল মেঘনায় তলিয়ে যায়।
নিখোঁজ জুয়েলের স্বজন মো. আফসার হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ট্রলার নিয়ে তারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। কিন্তু নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় রাত ১২টা পর্যন্ত তল্লাশী চালিয়েও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. স্বপন বাঘা সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও বিশেষজ্ঞ ডুবুরি দলের সহায়তা চেয়েছেন।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রিয়াজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। নিখোঁজ দুই জেলেকে উদ্ধারে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
হিজলা নৌ-পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক (ওসি) গৌতম চন্দ্র মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধার নদী তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং ও নদীতে তল্লাশী অভিযান চলমান রয়েছে।’

০৩ মে, ২০২৬ ১৩:৪০
বরিশাল মহানগর এবং জেলাসহ বিভাগের চারটি সাংগঠনিক ইউনিটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। অন্য দুটি জেলা হলো ভোলা এবং ঝালকাঠি। শনিবার (২ মে) রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এসব কমিটির অনুমোদন করেন। ঘোষিত কমিটির মধ্যে ভোলা জেলায় আংশিক পূর্ণাঙ্গ এবং বাকি তিনটিতে আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে।
নতুন কমিটির নেতাদের আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংসদ।
আহ্বায়ক কমিটিগুলোতে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের পাশাপাশি সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ককে সাইনিং পাওয়ার দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলে এনামুল হক তাসনিমকে আহ্বায়ক এবং মো. নাভিদ রহমান খান তুষারকে সদস্য সচিব করে ১৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন মাহামুদ হাসান তানজিল।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– আহাদ হোসাইন আবির, মাজারুল ইসলাম মনিম, সজল তালুকদার, মো. খালেদ হোসেন বাবর, মো. হুমায়ুন কবির খান ফেরদৌস, জহির রায়হান, মো. সাদ্দাম হোসেন, মো. সিহাব (ববি), আল আমিন হাসান এবং মো. রাকিব তালুকদার।
বরিশাল জেলা ছাত্রদলে তৌফিকুল ইসলাম ইমরানকে আহ্বায়ক, মো. আল আমীন মৃধাকে সদস্য সচিব ও আসিফ আল মামুনকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করে ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– আব্দুল কাদের মোল্লা, মো. ইমরান আহমেদ ইব্রাহিম, মো. জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, জাহিদ সাকিন (ববি), মহসিন শিকদার, আরিফ হোসেন (ববি), মো. ইমতিয়াজ চৌধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম এবং সৈয়দ মাহমুদ হাসান।
ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলে ঝালকাঠি জেলায় ৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে। এতে সৈয়দ আলী হাসানকে আহ্বায়ক, সাইদুল ইসলাম রনিকে সদস্য সচিব এবং আহম্মেদ সালাউদ্দীনকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– যুবায়ের তালুকদার মিসকাত, কেশব সুমন সরকার, তাওহিদ হোসেন এবং মো. মুবিনুল ইসলাম সাদ্দাম।
ভোলা জেলা ছাত্রদলে ভোলায় ঘোষণা করা হয়েছে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এতে আবদুল্লাহ আল রাসেল সভাপতি, নূর মো. রুবেল সাধারণ সম্পাদক ও মেহেদী হাসান আসিফ সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন। এছাড়া সাজ্জাদ হোসেন মুন্না সিনিয়র সহসভাপতি, নুরুল ইসলাম বাপ্পি সহসভাপতি, জাকারিয়া মঞ্জু সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মো. জাকারিয়া বেলাল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন।’

০৩ মে, ২০২৬ ১৩:২৬
কালবৈশাখীর আশঙ্কায় বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ১৩টি অঞ্চলে ঝড়–বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। রোববার (৩ মে) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সময়ের জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসব অঞ্চলে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ী ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া ওই পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পাবনা, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এর আগে শনিবার (২ মে) দুপুর ১টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার জন্য দেওয়া আরেক সতর্কবার্তায় বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে বিদ্যুৎ চমকানোসহ পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে।
একই সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের পৃথক সতর্কবার্তায় সংস্থাটি জানায়, বজ্রমেঘের সক্রিয়তার কারণে একই সময়ের মধ্যে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪–৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (৮৮ মিলিমিটারের বেশি) বর্ষণ হতে পারে।
এতে এসব এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির কারণে কোথাও কোথাও ভূমিধসের ঝুঁকিও রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।’
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে একটি জেলে নৌকা ডুবে নিখোঁজ দুই জেলের সন্ধান এখনও মেলেনি। রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন হিজলা নৌ-পুলিশের ইনচার্জ (পরিদর্শক) গৌতম চন্দ্র মন্ডল।
এর আগে শনিবার (২ মে) বিকেলে উপজেলার দাদপুর পুরাতন ফেরিঘাটসংলগ্ন নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন- মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরএককরিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরচর গ্রামের আলম মালতিয়ারের ছেলে শিপন (২০) এবং একই গ্রামের আবদুর রহিম সরদারের ছেলে জুয়েল সরদার (২১)।
নৌকা থেকে জীবিত ফেরত জেলে মামুন সাংবাদিকদের জানান, বিকেলে তারা চারজন মিলে নদীতে জাল তুলছিলেন। হঠাৎ আকাশ কালো করে প্রচন্ড বেগে কালবৈশাখী শুরু হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঢেউয়ের তোড়ে নৌকাটি উল্টে যায় এবং চারজনই নদীতে ছিটকে পড়েন।
মামুন এবং আজিম নামে দুই জেলে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও চোখের পলকেই শিপন ও জুয়েল উত্তাল মেঘনায় তলিয়ে যায়।
নিখোঁজ জুয়েলের স্বজন মো. আফসার হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ট্রলার নিয়ে তারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। কিন্তু নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় রাত ১২টা পর্যন্ত তল্লাশী চালিয়েও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. স্বপন বাঘা সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও বিশেষজ্ঞ ডুবুরি দলের সহায়তা চেয়েছেন।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রিয়াজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। নিখোঁজ দুই জেলেকে উদ্ধারে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
হিজলা নৌ-পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক (ওসি) গৌতম চন্দ্র মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধার নদী তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং ও নদীতে তল্লাশী অভিযান চলমান রয়েছে।’
বরিশাল মহানগর এবং জেলাসহ বিভাগের চারটি সাংগঠনিক ইউনিটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। অন্য দুটি জেলা হলো ভোলা এবং ঝালকাঠি। শনিবার (২ মে) রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এসব কমিটির অনুমোদন করেন। ঘোষিত কমিটির মধ্যে ভোলা জেলায় আংশিক পূর্ণাঙ্গ এবং বাকি তিনটিতে আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে।
নতুন কমিটির নেতাদের আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংসদ।
আহ্বায়ক কমিটিগুলোতে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের পাশাপাশি সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ককে সাইনিং পাওয়ার দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলে এনামুল হক তাসনিমকে আহ্বায়ক এবং মো. নাভিদ রহমান খান তুষারকে সদস্য সচিব করে ১৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন মাহামুদ হাসান তানজিল।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– আহাদ হোসাইন আবির, মাজারুল ইসলাম মনিম, সজল তালুকদার, মো. খালেদ হোসেন বাবর, মো. হুমায়ুন কবির খান ফেরদৌস, জহির রায়হান, মো. সাদ্দাম হোসেন, মো. সিহাব (ববি), আল আমিন হাসান এবং মো. রাকিব তালুকদার।
বরিশাল জেলা ছাত্রদলে তৌফিকুল ইসলাম ইমরানকে আহ্বায়ক, মো. আল আমীন মৃধাকে সদস্য সচিব ও আসিফ আল মামুনকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করে ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– আব্দুল কাদের মোল্লা, মো. ইমরান আহমেদ ইব্রাহিম, মো. জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, জাহিদ সাকিন (ববি), মহসিন শিকদার, আরিফ হোসেন (ববি), মো. ইমতিয়াজ চৌধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম এবং সৈয়দ মাহমুদ হাসান।
ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলে ঝালকাঠি জেলায় ৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে। এতে সৈয়দ আলী হাসানকে আহ্বায়ক, সাইদুল ইসলাম রনিকে সদস্য সচিব এবং আহম্মেদ সালাউদ্দীনকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– যুবায়ের তালুকদার মিসকাত, কেশব সুমন সরকার, তাওহিদ হোসেন এবং মো. মুবিনুল ইসলাম সাদ্দাম।
ভোলা জেলা ছাত্রদলে ভোলায় ঘোষণা করা হয়েছে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এতে আবদুল্লাহ আল রাসেল সভাপতি, নূর মো. রুবেল সাধারণ সম্পাদক ও মেহেদী হাসান আসিফ সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন। এছাড়া সাজ্জাদ হোসেন মুন্না সিনিয়র সহসভাপতি, নুরুল ইসলাম বাপ্পি সহসভাপতি, জাকারিয়া মঞ্জু সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মো. জাকারিয়া বেলাল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন।’
কালবৈশাখীর আশঙ্কায় বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ১৩টি অঞ্চলে ঝড়–বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। রোববার (৩ মে) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সময়ের জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসব অঞ্চলে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ী ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া ওই পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পাবনা, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এর আগে শনিবার (২ মে) দুপুর ১টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার জন্য দেওয়া আরেক সতর্কবার্তায় বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে বিদ্যুৎ চমকানোসহ পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে।
একই সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের পৃথক সতর্কবার্তায় সংস্থাটি জানায়, বজ্রমেঘের সক্রিয়তার কারণে একই সময়ের মধ্যে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪–৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (৮৮ মিলিমিটারের বেশি) বর্ষণ হতে পারে।
এতে এসব এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির কারণে কোথাও কোথাও ভূমিধসের ঝুঁকিও রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।’