
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৩
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে থাকছে না চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। গত এক সপ্তাহ ধরে জোটের শরিকদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কমপক্ষে ৮০ আসন না ছাড়লে তাদের পক্ষে জোটে থাকা সম্ভব নয়।
এ পরিস্থিতিতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন ছাড়া জোটের অন্যান্য শরিকরা আলাদাভাবে বৈঠক করেন। সেখান থেকে খেলাফত মজলিসের একাংশের আমির মাওলানা মামুনুল হক আবারও চরমোনাই পীরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আসন বণ্টন নিয়ে মধ্যস্থতার চেষ্টা করেও তিনি ব্যর্থ হন। পরে গভীর রাতে জামায়াতের একজন নেতাকে পুরো পরিস্থিতি অবহিত করেন মাওলানা মামুনুল হক।
জোটের একাধিক শরিক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—জোটে থাকা আর সম্ভব নয়।
চরমোনাই পীরের দল জোটে না থাকলেও অন্য সব দল জোটে থাকছে বলে নিশ্চিত করেছেন শরিক দলের একাধিক নেতা। সে ক্ষেত্রে ১১ দলীয় জোট এখন ১০ দলীয় জোটে পরিণত হতে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম জানান, আজ দুপুরের মধ্যে জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। এরপর গতকাল স্থগিত হওয়া সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
খেলাফত মজলিসের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জোটের অন্য শরিকরা ঐক্যবদ্ধ থাকার বিষয়ে একমত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, নতুন করে কিছু আসনে বিন্যাস হতে পারে, তবে এতে কোনো সমস্যা হবে না।
জোটের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যোগ দেওয়ার পর থেকেই ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে চাপ বাড়তে থাকে। এনসিপির যোগদানকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি দলটি। এরপর ইসলামী আন্দোলন দাবি করে, ১৪৩টি আসনে তাদের বিজয়ী হওয়ার মতো সমর্থন রয়েছে এবং তারা এনসিপি ও জামায়াতের প্রভাবশালী নেতাদের আসন দাবি করে।
প্রথমে ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪০টি আসন ছাড় দেওয়া হয়, পরে তা বেড়ে ৪৫টিতে দাঁড়ায়। এর সঙ্গে ৬ থেকে ৭টি আসন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে ইসলামী আন্দোলন ৮০ আসনের দাবিতে অনড় থাকে। জোটের অন্যান্য শরিকরা চরমোনাই পীরকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
অন্যদিকে, ৮০ আসন ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না জামায়াতের। কারণ এতে শুধু সম্ভাবনাময় আসনগুলো হাতছাড়া হতো না, বরং একটি দলকে এত বেশি আসন দিলে অন্য দলগুলোর পক্ষ থেকেও বাড়তি আসন দাবি আসতে পারত। এ পরিস্থিতিতে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও তাতে সফলতা আসেনি।
সবশেষে ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় দলটিকে ২৬৬টি আসনে আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে থাকছে না চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। গত এক সপ্তাহ ধরে জোটের শরিকদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কমপক্ষে ৮০ আসন না ছাড়লে তাদের পক্ষে জোটে থাকা সম্ভব নয়।
এ পরিস্থিতিতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন ছাড়া জোটের অন্যান্য শরিকরা আলাদাভাবে বৈঠক করেন। সেখান থেকে খেলাফত মজলিসের একাংশের আমির মাওলানা মামুনুল হক আবারও চরমোনাই পীরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আসন বণ্টন নিয়ে মধ্যস্থতার চেষ্টা করেও তিনি ব্যর্থ হন। পরে গভীর রাতে জামায়াতের একজন নেতাকে পুরো পরিস্থিতি অবহিত করেন মাওলানা মামুনুল হক।
জোটের একাধিক শরিক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—জোটে থাকা আর সম্ভব নয়।
চরমোনাই পীরের দল জোটে না থাকলেও অন্য সব দল জোটে থাকছে বলে নিশ্চিত করেছেন শরিক দলের একাধিক নেতা। সে ক্ষেত্রে ১১ দলীয় জোট এখন ১০ দলীয় জোটে পরিণত হতে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম জানান, আজ দুপুরের মধ্যে জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। এরপর গতকাল স্থগিত হওয়া সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
খেলাফত মজলিসের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জোটের অন্য শরিকরা ঐক্যবদ্ধ থাকার বিষয়ে একমত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, নতুন করে কিছু আসনে বিন্যাস হতে পারে, তবে এতে কোনো সমস্যা হবে না।
জোটের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যোগ দেওয়ার পর থেকেই ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে চাপ বাড়তে থাকে। এনসিপির যোগদানকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি দলটি। এরপর ইসলামী আন্দোলন দাবি করে, ১৪৩টি আসনে তাদের বিজয়ী হওয়ার মতো সমর্থন রয়েছে এবং তারা এনসিপি ও জামায়াতের প্রভাবশালী নেতাদের আসন দাবি করে।
প্রথমে ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪০টি আসন ছাড় দেওয়া হয়, পরে তা বেড়ে ৪৫টিতে দাঁড়ায়। এর সঙ্গে ৬ থেকে ৭টি আসন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে ইসলামী আন্দোলন ৮০ আসনের দাবিতে অনড় থাকে। জোটের অন্যান্য শরিকরা চরমোনাই পীরকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
অন্যদিকে, ৮০ আসন ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না জামায়াতের। কারণ এতে শুধু সম্ভাবনাময় আসনগুলো হাতছাড়া হতো না, বরং একটি দলকে এত বেশি আসন দিলে অন্য দলগুলোর পক্ষ থেকেও বাড়তি আসন দাবি আসতে পারত। এ পরিস্থিতিতে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও তাতে সফলতা আসেনি।
সবশেষে ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় দলটিকে ২৬৬টি আসনে আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১১
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩১
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছোট ভাই বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করেছেন মেঘনা আলম। দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় এই অফার করেন তিনি।
নিজের ফেসবুক পেজে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন মেঘনা আলম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মেঘনা আলম।ফেসবুক পোস্টে মেঘনা আলম বলেন, একটু আগে পাটওয়ারী ভাই ফোন দিলেন, শিগগিরই বাসায় আসবেন জানালেন। ইলেকশনের আগেই আসতেন, কিন্তু মিডিয়া পজিটিভ সবকিছুকেও ভিউয়ের জন্য নেগেটিভ করে ফেলে এই ভয়ে আসেননি বললেন। রাজনৈতিক শিষ্টাচারের এই ধারা সব প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে অব্যাহত থাকুক।
মেঘনা লেখেন, আমার কাছে শিখতে চান জানালেন, আমিও এনসিপির ছোট ভাই-বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করলাম। তিনি অ্যারেঞ্জমেন্ট করবেন আশ্বাস দিলেন। যারা ফিল্ড পলিটিক্স ও গণজাগরণের মাধ্যমে রাজনীতির ময়দানে সম্পৃক্ত হয়েছেন, তাদের অভিজ্ঞতা আর আমার মতো যারা জন্ম থেকেই রাজনৈতিক পরিবেশে বড় হয়েছে, আন্তর্জাতিক ইনস্টিটিউট থেকে শিখেছেন, তাদের জ্ঞান, দুই পক্ষের শক্তি এক হলে প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন ও সম্মানিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
মেঘনা আলম বলেন, আমার ছোট ভাই পাটওয়ারীর জন্য অনেক স্নেহ। যদি ও জিতলে জামায়াত ক্ষমতায় আসার সুযোগ না থাকত, তাহলে মেঘনা আলম বিএনপিকে সামনে এগোতে দিয়ে নিজের প্রচার ও পোলিং এজেন্ট সরিয়ে নিত না জানালাম। যে দল নারীর নেতৃত্ব অবমূল্যায়ন করে, তাদের ক্ষমতায় চাই না। ভবিষ্যতে যদি আদর্শের পরিবর্তন হয়, সেটা ভিন্ন বিষয়।
শেষে মেঘনা আলম লেখেন, মেঘনা আলম বিভেদের, শত্রুতার রাজনীতি চায় না। আল্লাহ আমাদের নিরাপদ রাখুক, আমাদের যাদের দেশ বদলানোর প্রত্যয় আছে তাদের নিয়ত পরিষ্কার ও অটুট রাখুক, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধনে সব রাজনীতিবিদদের আবদ্ধ রাখুক। আমিন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছোট ভাই বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করেছেন মেঘনা আলম। দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় এই অফার করেন তিনি।
নিজের ফেসবুক পেজে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন মেঘনা আলম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মেঘনা আলম।ফেসবুক পোস্টে মেঘনা আলম বলেন, একটু আগে পাটওয়ারী ভাই ফোন দিলেন, শিগগিরই বাসায় আসবেন জানালেন। ইলেকশনের আগেই আসতেন, কিন্তু মিডিয়া পজিটিভ সবকিছুকেও ভিউয়ের জন্য নেগেটিভ করে ফেলে এই ভয়ে আসেননি বললেন। রাজনৈতিক শিষ্টাচারের এই ধারা সব প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে অব্যাহত থাকুক।
মেঘনা লেখেন, আমার কাছে শিখতে চান জানালেন, আমিও এনসিপির ছোট ভাই-বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করলাম। তিনি অ্যারেঞ্জমেন্ট করবেন আশ্বাস দিলেন। যারা ফিল্ড পলিটিক্স ও গণজাগরণের মাধ্যমে রাজনীতির ময়দানে সম্পৃক্ত হয়েছেন, তাদের অভিজ্ঞতা আর আমার মতো যারা জন্ম থেকেই রাজনৈতিক পরিবেশে বড় হয়েছে, আন্তর্জাতিক ইনস্টিটিউট থেকে শিখেছেন, তাদের জ্ঞান, দুই পক্ষের শক্তি এক হলে প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন ও সম্মানিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
মেঘনা আলম বলেন, আমার ছোট ভাই পাটওয়ারীর জন্য অনেক স্নেহ। যদি ও জিতলে জামায়াত ক্ষমতায় আসার সুযোগ না থাকত, তাহলে মেঘনা আলম বিএনপিকে সামনে এগোতে দিয়ে নিজের প্রচার ও পোলিং এজেন্ট সরিয়ে নিত না জানালাম। যে দল নারীর নেতৃত্ব অবমূল্যায়ন করে, তাদের ক্ষমতায় চাই না। ভবিষ্যতে যদি আদর্শের পরিবর্তন হয়, সেটা ভিন্ন বিষয়।
শেষে মেঘনা আলম লেখেন, মেঘনা আলম বিভেদের, শত্রুতার রাজনীতি চায় না। আল্লাহ আমাদের নিরাপদ রাখুক, আমাদের যাদের দেশ বদলানোর প্রত্যয় আছে তাদের নিয়ত পরিষ্কার ও অটুট রাখুক, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধনে সব রাজনীতিবিদদের আবদ্ধ রাখুক। আমিন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১