যৌতুকের টাকা না পেয়ে বাবা কর্তৃক নবজাতক সন্তানকে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।
গুরুত্বর আহত ওই নারীকে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের জয়শ্রী গ্রামের।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী ও তার স্বজনরা জানিয়েছেন, হস্তিশুন্ড গ্রামের মৃত হাকিম মৃধার মেয়ে রোজিনা বেগমের (৩০) সাথে দীর্ঘদিন পূর্বে জয়শ্রী গ্রামের হাতেম আলী সরদারের ছেলে মনজুর আলম সরদারের (৪৪) সামাজিকভাবে বিয়ে হয়।
রোজিনা বেগম জানান, বিয়ের পর থেকেই মনজুর আলম তাকে বিভিন্নধরনের চাঁপ প্রয়োগ করে বাবার বাড়ি থেকে কয়েক দফায় মোটা অংকের টাকা যৌতুক আদায় করেন। সর্বশেষ তার বাবার বাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা আনার জন্য চাঁপ প্রয়োগ করেন।
তিনি আরও জানান, গত তিন মাস পূর্বে গৌরনদীর একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে তিনি একটি ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু তার স্বামী তাকে জানিয়েছেন একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে এবং খুবই অসুস্থ হাওয়া তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর সেখানে সে মারা গেছে। পরে লাশ দেখতে চাইলে তার স্বামী বলেন, সে লাশ আর আনা হয়নি।
রোজিনা বেগম আরও বলেন, গত ৩০ জুন বিকেলে তিনি জানতে পারেন তার যৌতুকলোভী পাষন্ড স্বামী মনজুর আলম নবজাতক ছেলেকে আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করেছে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি প্রতিবাদ করায় পাষন্ড মনজুর আলম তাকে (রোজিনা) অমানুষিক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।
প্রতিবেশীদের কাছে রোজিনার স্বজনরা খবর পেয়ে ওইদিন রাতে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে মনজুর আলম সরদার বলেন, আমি মারধর করিনি উল্টো আমাকে মারধর করেছে।
নবজাতক বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ওইসময় আমার স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তির কাগজে আমি স্বাক্ষর করিনি, তাই এ বিষয়ে আমি দায়ী নই। নবজাতক সন্তানের কি হয়েছে তা আমি জানিনা।
উজিরপুরের মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সালাম জানান, এ বিষয়ে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:০৫
বরিশালের মুলাদীতে অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদকবিক্রেতাকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার সকালে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের তেরচর রানার বাড়ি এলাকার জনৈক নাসিরের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে পারভেজ রাঢ়ী (৩৩) এবং মো. আজিজুল হাকিমকে (২৪) আটকে সফলতা পায় বাহিনীটি। মাদক উদ্ধার এবং আটকের বিষয়টি দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করে মাদক মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
সংস্থাটি জানায়, স্থানীয় বাবুল রাঢ়ীর ছেলে পারভেজ এবং সহিদ খানের ছেলে আজিজুল হাকিম দীর্ঘদিন মাদক ক্রয়বিক্রয় করে আসছিলেন। সোমবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের তেরচর রানার বাড়ি এলাকার জনৈক নাসিরের ভাড়াটিয়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের দুজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এবং তাদের কাছ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জানান, এই ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে মুলাদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।’
বরিশালের মুলাদীতে অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদকবিক্রেতাকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার সকালে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের তেরচর রানার বাড়ি এলাকার জনৈক নাসিরের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে পারভেজ রাঢ়ী (৩৩) এবং মো. আজিজুল হাকিমকে (২৪) আটকে সফলতা পায় বাহিনীটি। মাদক উদ্ধার এবং আটকের বিষয়টি দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করে মাদক মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
সংস্থাটি জানায়, স্থানীয় বাবুল রাঢ়ীর ছেলে পারভেজ এবং সহিদ খানের ছেলে আজিজুল হাকিম দীর্ঘদিন মাদক ক্রয়বিক্রয় করে আসছিলেন। সোমবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের তেরচর রানার বাড়ি এলাকার জনৈক নাসিরের ভাড়াটিয়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের দুজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এবং তাদের কাছ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জানান, এই ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে মুলাদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।’

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:১৫
দেশের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের ঘাটতি থাকলেও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মক্ষম মানুষের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ (বিএম কলেজ) ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তাদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ প্রবাসীদের জন্যও সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের ঘাটতি রয়েছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার। প্রতিবছর ৮ থেকে ১০ লাখ মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।”
কলেজের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে ছাত্র অধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বিএম কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।
এ সময় কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ছাড়াও সরকারি বিভিন্ন দপ্তর এবং প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের ঘাটতি থাকলেও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মক্ষম মানুষের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ (বিএম কলেজ) ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তাদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ প্রবাসীদের জন্যও সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের ঘাটতি রয়েছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার। প্রতিবছর ৮ থেকে ১০ লাখ মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।”
কলেজের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে ছাত্র অধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বিএম কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।
এ সময় কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ছাড়াও সরকারি বিভিন্ন দপ্তর এবং প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:০৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন শতাধিক শিক্ষার্থী।
সোমবার দুপুর ১২টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরের সামনে এ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এর আগে সকাল থেকেই একই স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এর আগে রোববার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের জন্য সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হওয়ায় অনশনে বসার ঘোষণা দেন তারা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। পাশাপাশি পক্ষপাতমূলক আচরণ, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালে বিভাগটির যাত্রা শুরু হলেও দীর্ঘ সময়ে মাত্র দুটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ফলে বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। গতকাল আমরা উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এবং সংবাদ সন্মেলন করে বলেছিলাম আজ দুপুর ১২ টার ভিতর হাফিজ আশরাফুল হককে অপসারণ না করলে আমরা অনশনে বসবো। কিন্তু উপাচার্যের দপ্তরে আমরা কয়েক দফায় আলোচনা করেও কোন সমাধান নে পেয়ে প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী অনশনে বসেছি। যত সময় না পর্যন্ত এই স্বৈরাচার চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুলকে অপসারণ না করবে তত সময় পর্যন্ত আমরা অনশন চালিয়ে যাবো।
তবে শিক্ষার্থীদের এসব অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদি হাসান সোহাগ বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। দ্রুত সময়ে সমাধান করার চেষ্টা করছি।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। ওই সময় মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক বিভাগটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন। বর্তমানে তিনি ওই দায়িত্বেই রয়েছেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন শতাধিক শিক্ষার্থী।
সোমবার দুপুর ১২টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরের সামনে এ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এর আগে সকাল থেকেই একই স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এর আগে রোববার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের জন্য সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হওয়ায় অনশনে বসার ঘোষণা দেন তারা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। পাশাপাশি পক্ষপাতমূলক আচরণ, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালে বিভাগটির যাত্রা শুরু হলেও দীর্ঘ সময়ে মাত্র দুটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ফলে বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। গতকাল আমরা উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এবং সংবাদ সন্মেলন করে বলেছিলাম আজ দুপুর ১২ টার ভিতর হাফিজ আশরাফুল হককে অপসারণ না করলে আমরা অনশনে বসবো। কিন্তু উপাচার্যের দপ্তরে আমরা কয়েক দফায় আলোচনা করেও কোন সমাধান নে পেয়ে প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী অনশনে বসেছি। যত সময় না পর্যন্ত এই স্বৈরাচার চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুলকে অপসারণ না করবে তত সময় পর্যন্ত আমরা অনশন চালিয়ে যাবো।
তবে শিক্ষার্থীদের এসব অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদি হাসান সোহাগ বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। দ্রুত সময়ে সমাধান করার চেষ্টা করছি।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। ওই সময় মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক বিভাগটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন। বর্তমানে তিনি ওই দায়িত্বেই রয়েছেন।

০১ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৪১
যৌতুকের টাকা না পেয়ে বাবা কর্তৃক নবজাতক সন্তানকে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।
গুরুত্বর আহত ওই নারীকে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের জয়শ্রী গ্রামের।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী ও তার স্বজনরা জানিয়েছেন, হস্তিশুন্ড গ্রামের মৃত হাকিম মৃধার মেয়ে রোজিনা বেগমের (৩০) সাথে দীর্ঘদিন পূর্বে জয়শ্রী গ্রামের হাতেম আলী সরদারের ছেলে মনজুর আলম সরদারের (৪৪) সামাজিকভাবে বিয়ে হয়।
রোজিনা বেগম জানান, বিয়ের পর থেকেই মনজুর আলম তাকে বিভিন্নধরনের চাঁপ প্রয়োগ করে বাবার বাড়ি থেকে কয়েক দফায় মোটা অংকের টাকা যৌতুক আদায় করেন। সর্বশেষ তার বাবার বাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা আনার জন্য চাঁপ প্রয়োগ করেন।
তিনি আরও জানান, গত তিন মাস পূর্বে গৌরনদীর একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে তিনি একটি ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু তার স্বামী তাকে জানিয়েছেন একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে এবং খুবই অসুস্থ হাওয়া তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর সেখানে সে মারা গেছে। পরে লাশ দেখতে চাইলে তার স্বামী বলেন, সে লাশ আর আনা হয়নি।
রোজিনা বেগম আরও বলেন, গত ৩০ জুন বিকেলে তিনি জানতে পারেন তার যৌতুকলোভী পাষন্ড স্বামী মনজুর আলম নবজাতক ছেলেকে আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করেছে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি প্রতিবাদ করায় পাষন্ড মনজুর আলম তাকে (রোজিনা) অমানুষিক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।
প্রতিবেশীদের কাছে রোজিনার স্বজনরা খবর পেয়ে ওইদিন রাতে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে মনজুর আলম সরদার বলেন, আমি মারধর করিনি উল্টো আমাকে মারধর করেছে।
নবজাতক বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ওইসময় আমার স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তির কাগজে আমি স্বাক্ষর করিনি, তাই এ বিষয়ে আমি দায়ী নই। নবজাতক সন্তানের কি হয়েছে তা আমি জানিনা।
উজিরপুরের মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সালাম জানান, এ বিষয়ে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬