
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:৫৪
ঝালকাঠি পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভপতি শামসুল হক মনু আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকলেও এখন তিনি নতুন ব্যানার নিয়ে সরব হতে চাইছেন। প্রশাসনিক মহলে পূর্বের ন্যায় আধিপত্য বিস্তার করাসহ স্থানীয়ভাবে নিজের শক্তিবৃদ্ধি করতে বহুমুখী তৎপরতায় সামিল রয়েছেন। বিশেষ করে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি একটি আয়োজনে অংশ নেওয়ার পরে এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান নেতিবাচক চর্চা হচ্ছে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে দলটির প্রভাবশালী নেতা শামসুল হক মনু জনরোষে পড়ার ভয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এবং অন্তর্ধানে থাকার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সাথে আঁতাত করে মামলা-মোকদ্দমা থেকে নিজেকে রক্ষায় সক্ষম হন। তবে কিছু দিন ধরে তিনি এলাকায় অবস্থান করেন এবং সবশেষ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে তাকে একটি আয়োজনেও দেখা যায়, যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
সূত্র জানায়, ১৭ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠির কালেক্টরেট স্কুল কম্পাউন্ডে ‘ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট’র ব্যানারে গাছের চারা রোপন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যেকার বিতরণ আয়োজনে জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাকিলা রহমান অংশ নিয়েছিলেন। তাদের কাছাকাছি ছিলেন স্বৈরাচারের দোষর শামসুল হক মনু।
অভিযোগ আছে, আওয়ামী লীগ শাসনামলে মনু দলীয় প্রভাব বিস্তার করার পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের ঘোর বিরোধীতা করেছিলেন। এবং ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের আগে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে ভূমিকাও রেখেছিলেন। কিন্তু এরপরেও আওয়ামী লীগের পতন হলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিএনপি নেতা অভিযোগ করেন, তাদের দলের একটি অংশ মনুকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন। তাদের কারণে প্রভাবশালী এই আওয়ামী লীগ নেতা একটি মামলায়ও অভিযুক্ত হননি। এখন তিনি এলাকায় অবস্থান নিয়ে পূর্বের ন্যায় আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছেন এবং সামাজিক সংগঠনকে ব্যবহার করে প্রশাসনের কাছাকাছি থাকছেন। তবে এক্ষেত্রে কৌশল হিসেবে তিনি নিজের রাজনৈতিক পরিচয় আড়ালে রাখছেন বলেও শোনা গেছে।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে মনু নতুন মোড়কে সরব হওয়ার বিষয়টি ভালো ভাবে গ্রহণ করতে পারছেন না জুলাই আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, পতিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নানা কৌশল অবলম্বন করে এলাকায় বাসবাস করতে চাইছেন এবং আগের মতো প্রশাসনিক মহলে বিচরণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কিন্তু তাদের কোনো ধরনের সুযোগ না দেওয়া ঠিক হবে না বলে মন্তব্য পাওয়া যায়।
১৭ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসককে নিয়ে শুধু বৃক্ষরোপন করেননি। এরআগেও তিনি শহরের সড়কে ডাস্টবিন বসানোর নামে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজন করেন। সেই বিষয়টি আর বেশিদূর না গড়ালেও জেলা প্রশাসককে নিয়ে বৃক্ষরোপনের ঘটনাটি বেশ সমালোচিত হয়েছে, হচ্ছে।
স্বৈরাচারের দোষরকে আয়োজনে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কোনো মন্তব্য করেননি। তবে প্রশাসনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, শামসুল হক মনু যে একজন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন, তা অনেকেরই অজানা ছিল। বিষয়টি সম্পর্কে খোদ জেলা প্রশাসকও অবগত ছিলেন না। তাছাড়া মনুও তার রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করেছিলেন।
আগামীতে এই ধরনের ব্যক্তি-বিশেষ যেনো প্রশাসনের কাছে ভিড়তে না পারে সে জন্য সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি।’
ঝালকাঠি পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভপতি শামসুল হক মনু আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকলেও এখন তিনি নতুন ব্যানার নিয়ে সরব হতে চাইছেন। প্রশাসনিক মহলে পূর্বের ন্যায় আধিপত্য বিস্তার করাসহ স্থানীয়ভাবে নিজের শক্তিবৃদ্ধি করতে বহুমুখী তৎপরতায় সামিল রয়েছেন। বিশেষ করে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি একটি আয়োজনে অংশ নেওয়ার পরে এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান নেতিবাচক চর্চা হচ্ছে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে দলটির প্রভাবশালী নেতা শামসুল হক মনু জনরোষে পড়ার ভয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এবং অন্তর্ধানে থাকার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সাথে আঁতাত করে মামলা-মোকদ্দমা থেকে নিজেকে রক্ষায় সক্ষম হন। তবে কিছু দিন ধরে তিনি এলাকায় অবস্থান করেন এবং সবশেষ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে তাকে একটি আয়োজনেও দেখা যায়, যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
সূত্র জানায়, ১৭ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠির কালেক্টরেট স্কুল কম্পাউন্ডে ‘ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট’র ব্যানারে গাছের চারা রোপন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যেকার বিতরণ আয়োজনে জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাকিলা রহমান অংশ নিয়েছিলেন। তাদের কাছাকাছি ছিলেন স্বৈরাচারের দোষর শামসুল হক মনু।
অভিযোগ আছে, আওয়ামী লীগ শাসনামলে মনু দলীয় প্রভাব বিস্তার করার পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের ঘোর বিরোধীতা করেছিলেন। এবং ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের আগে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে ভূমিকাও রেখেছিলেন। কিন্তু এরপরেও আওয়ামী লীগের পতন হলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিএনপি নেতা অভিযোগ করেন, তাদের দলের একটি অংশ মনুকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন। তাদের কারণে প্রভাবশালী এই আওয়ামী লীগ নেতা একটি মামলায়ও অভিযুক্ত হননি। এখন তিনি এলাকায় অবস্থান নিয়ে পূর্বের ন্যায় আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছেন এবং সামাজিক সংগঠনকে ব্যবহার করে প্রশাসনের কাছাকাছি থাকছেন। তবে এক্ষেত্রে কৌশল হিসেবে তিনি নিজের রাজনৈতিক পরিচয় আড়ালে রাখছেন বলেও শোনা গেছে।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে মনু নতুন মোড়কে সরব হওয়ার বিষয়টি ভালো ভাবে গ্রহণ করতে পারছেন না জুলাই আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, পতিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নানা কৌশল অবলম্বন করে এলাকায় বাসবাস করতে চাইছেন এবং আগের মতো প্রশাসনিক মহলে বিচরণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কিন্তু তাদের কোনো ধরনের সুযোগ না দেওয়া ঠিক হবে না বলে মন্তব্য পাওয়া যায়।
১৭ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসককে নিয়ে শুধু বৃক্ষরোপন করেননি। এরআগেও তিনি শহরের সড়কে ডাস্টবিন বসানোর নামে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজন করেন। সেই বিষয়টি আর বেশিদূর না গড়ালেও জেলা প্রশাসককে নিয়ে বৃক্ষরোপনের ঘটনাটি বেশ সমালোচিত হয়েছে, হচ্ছে।
স্বৈরাচারের দোষরকে আয়োজনে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কোনো মন্তব্য করেননি। তবে প্রশাসনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, শামসুল হক মনু যে একজন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন, তা অনেকেরই অজানা ছিল। বিষয়টি সম্পর্কে খোদ জেলা প্রশাসকও অবগত ছিলেন না। তাছাড়া মনুও তার রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করেছিলেন।
আগামীতে এই ধরনের ব্যক্তি-বিশেষ যেনো প্রশাসনের কাছে ভিড়তে না পারে সে জন্য সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি।’
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৯
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া এক নেতাকে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএনপি। ঝালকাঠী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. সৈয়দ হোসেন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অ্যাড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতা হলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. শামসুল আলম।
এতে এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মো. শামসুল আলমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। পরে ২০২৫ সনের ৮ জুন তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে স্ব-পদে বহাল করা হয়েছে।
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া এক নেতাকে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএনপি। ঝালকাঠী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. সৈয়দ হোসেন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অ্যাড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতা হলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. শামসুল আলম।
এতে এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মো. শামসুল আলমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। পরে ২০২৫ সনের ৮ জুন তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে স্ব-পদে বহাল করা হয়েছে।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম।
আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা।
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম।
আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা।
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু।
ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু।
ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.