ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি থেকে মোটরসাইকেল কিনতে টাকা পরিশোধ করার পাঁচ বছর পরও পণ্য বা অর্থ ফেরত না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আইনজীবী হাচিবুর রহমান রাজু। এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার(১১ আগস্ট)ঝালকাঠি সদর আমলি আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।বুধবার (১২ আগস্ট) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন।
মামলার বাদী হাচিবুর রহমান রাজু ঝালকাঠি সদর উপজেলার পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার বাসিন্দা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের ১২ মার্চ ইভ্যালির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে তিনি একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি ডাবল ডিস্ক মোটরসাইকেল অর্ডার করেন। একই বছরের ১৫ মার্চ ‘নগদ’ এর মাধ্যমে মোটরসাইকেলের মূল্য বাবদ ১ লাখ ৬ হাজার ৯৪০ টাকা পরিশোধ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোটরসাইকেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর স্থানীয় শোরুম থেকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি চেক দেয়। কিন্তু ব্যাংকে চেকটি জমা দিলে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট হিসাবটি ফ্রিজ করা রয়েছে। এরপর একাধিকবার যোগাযোগ করেও তিনি অর্থ বা মোটরসাইকেল কোনোটিই পাননি।
বাদী হাচিবুর রহমান রাজু বলেন, বিষয়টি আদালতের বাইরে মীমাংসারও চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে অভিযুক্তরা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রতারণার অভিযোগে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মোটরসাইকেল কিংবা পরিশোধ করা অর্থ ফেরত পাননি। একাধিকবার যোগাযোগ ও সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় আদালতে মামলা করা হয়। আদালত অভিযোগের প্রাথমিক ভিত্তি বিবেচনায় নিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পরবর্তী কার্যক্রম আইন অনুযায়ী চলবে।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫০
ঝালকাঠিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলা বঙ্গবন্ধু ছাত্র-যুব প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারা দেশের মতো ঝালকাঠিতেও বিশেষ অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে বুধবার শহরের প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তার সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওন ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের আয়নালী মোল্লার ছেলে। তার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং বিভিন্ন ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় এবং বিএনপি নেত্রী শারমিন আক্তার মুক্তাকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে ছাত্র-যুব প্রজন্ম লীগ নেতা মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঝালকাঠিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলা বঙ্গবন্ধু ছাত্র-যুব প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারা দেশের মতো ঝালকাঠিতেও বিশেষ অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে বুধবার শহরের প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তার সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওন ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের আয়নালী মোল্লার ছেলে। তার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং বিভিন্ন ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় এবং বিএনপি নেত্রী শারমিন আক্তার মুক্তাকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে ছাত্র-যুব প্রজন্ম লীগ নেতা মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:১৯
ঝালকাঠিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে ৯ টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার মধ্যে কয়েকটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। কোথাও নিয়মিত পাঠদান হচ্ছে না। এরপরও এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীরা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠি জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার চার উপজেলার মধ্যে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় তিনটি, নলছিটিতে দুটি, রাজাপুরে দুটি এবং কাঁঠালিয়ায় দুটি।
সদর উপজেলার দক্ষিণ পিপলিতা মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী, কল্যাণকাঠী মাদরাসায় তিনজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং হাজরাগাতী মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী রয়েছেন। রাজাপুরের পশ্চিম ইন্দ্রপাশা ও পুটিয়াখালী মাদরাসায় দুজন করে শিক্ষক ও একজন করে কর্মচারী রয়েছেন।
কাঁঠালিয়ার দক্ষিণ মরিচবুনিয়া মাদরাসায় একজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং কৈখালী মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী রয়েছেন। নলছিটির রানাপাশা মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং কুলকাঠি বারইকরন মাদরাসায় একজন শিক্ষক রয়েছেন।
সদর উপজেলার পিপলিতা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন মাদরাসাটি বন্ধ ছিল। কয়েক মাস ধরে আবার শিক্ষকরা আসছেন। তবে কোনো শিক্ষার্থীকে তিনি সেখানে যেতে দেখেননি। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষকরা এসে হাজিরা দিয়ে চলে যান।
কাঁঠালিয়ার মরিচবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন তালুকদার বলেন, ‘দেখি শিক্ষক এসে চলে যান, কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী দেখা যায় না। এভাবে সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও কার্যক্রমের সুফল মিলছে না।’
দক্ষিণ মরিচবুনিয়া দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, মাদরাসার পাশেই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীদের খাবারের ব্যবস্থা থাকায় শিশুরা মাদরাসায় আসে না। বিষয়টি জানিয়ে মাদরাসার কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঝালকাঠির উপপরিচালক আলম হোসেনকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
দক্ষিণ পিপলিতা দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমাদের বেতন-ভাতা বন্ধ ছিল। সম্প্রতি বকেয়া বেতন দেওয়া হয়েছে। এখন মাদরাসায় শিক্ষার্থী বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠির উপপরিচালক আলম হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বাথরুমে চলে যান এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করা হলেও তিনি আর কোনো বক্তব্য দেননি।
এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক কৃষিবিদ নুরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিবারের একজন সদস্য অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে ফোন কেটে দেন। পরে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার সুযোগ হয়নি।
ঝালকাঠিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে ৯ টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার মধ্যে কয়েকটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। কোথাও নিয়মিত পাঠদান হচ্ছে না। এরপরও এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীরা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠি জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার চার উপজেলার মধ্যে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় তিনটি, নলছিটিতে দুটি, রাজাপুরে দুটি এবং কাঁঠালিয়ায় দুটি।
সদর উপজেলার দক্ষিণ পিপলিতা মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী, কল্যাণকাঠী মাদরাসায় তিনজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং হাজরাগাতী মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী রয়েছেন। রাজাপুরের পশ্চিম ইন্দ্রপাশা ও পুটিয়াখালী মাদরাসায় দুজন করে শিক্ষক ও একজন করে কর্মচারী রয়েছেন।
কাঁঠালিয়ার দক্ষিণ মরিচবুনিয়া মাদরাসায় একজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং কৈখালী মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী রয়েছেন। নলছিটির রানাপাশা মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং কুলকাঠি বারইকরন মাদরাসায় একজন শিক্ষক রয়েছেন।
সদর উপজেলার পিপলিতা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন মাদরাসাটি বন্ধ ছিল। কয়েক মাস ধরে আবার শিক্ষকরা আসছেন। তবে কোনো শিক্ষার্থীকে তিনি সেখানে যেতে দেখেননি। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষকরা এসে হাজিরা দিয়ে চলে যান।
কাঁঠালিয়ার মরিচবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন তালুকদার বলেন, ‘দেখি শিক্ষক এসে চলে যান, কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী দেখা যায় না। এভাবে সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও কার্যক্রমের সুফল মিলছে না।’
দক্ষিণ মরিচবুনিয়া দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, মাদরাসার পাশেই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীদের খাবারের ব্যবস্থা থাকায় শিশুরা মাদরাসায় আসে না। বিষয়টি জানিয়ে মাদরাসার কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঝালকাঠির উপপরিচালক আলম হোসেনকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
দক্ষিণ পিপলিতা দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমাদের বেতন-ভাতা বন্ধ ছিল। সম্প্রতি বকেয়া বেতন দেওয়া হয়েছে। এখন মাদরাসায় শিক্ষার্থী বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠির উপপরিচালক আলম হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বাথরুমে চলে যান এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করা হলেও তিনি আর কোনো বক্তব্য দেননি।
এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক কৃষিবিদ নুরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিবারের একজন সদস্য অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে ফোন কেটে দেন। পরে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার সুযোগ হয়নি।

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৫
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি দোকান পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দোকান মালিকরা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির দাবি করলেও ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোর পাঁচটার দিকে উপজেলার কাঁঠালিয়া কৈখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মতিউর রহমান বলেন, ‘দোকানটি ছিল আমাদের সংসার চালানোর একমাত্র ভরসা। আগুনে সবকিছু পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে আবার ব্যবসা শুরু করব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
আরেক ব্যবসায়ী আব্দুর রব খান মন্টু বলেন, ‘সকালে এসে দেখি দোকানে কিছুই নেই। সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে।’

কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এর আগেই আটটি দোকান পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকবুল হোসেন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা হবে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি দোকান পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দোকান মালিকরা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির দাবি করলেও ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোর পাঁচটার দিকে উপজেলার কাঁঠালিয়া কৈখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মতিউর রহমান বলেন, ‘দোকানটি ছিল আমাদের সংসার চালানোর একমাত্র ভরসা। আগুনে সবকিছু পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে আবার ব্যবসা শুরু করব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
আরেক ব্যবসায়ী আব্দুর রব খান মন্টু বলেন, ‘সকালে এসে দেখি দোকানে কিছুই নেই। সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে।’

কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এর আগেই আটটি দোকান পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকবুল হোসেন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা হবে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১২ আগস্ট, ২০২৬ ২২:৪১
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি থেকে মোটরসাইকেল কিনতে টাকা পরিশোধ করার পাঁচ বছর পরও পণ্য বা অর্থ ফেরত না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আইনজীবী হাচিবুর রহমান রাজু। এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার(১১ আগস্ট)ঝালকাঠি সদর আমলি আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।বুধবার (১২ আগস্ট) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন।
মামলার বাদী হাচিবুর রহমান রাজু ঝালকাঠি সদর উপজেলার পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার বাসিন্দা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের ১২ মার্চ ইভ্যালির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে তিনি একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি ডাবল ডিস্ক মোটরসাইকেল অর্ডার করেন। একই বছরের ১৫ মার্চ ‘নগদ’ এর মাধ্যমে মোটরসাইকেলের মূল্য বাবদ ১ লাখ ৬ হাজার ৯৪০ টাকা পরিশোধ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোটরসাইকেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর স্থানীয় শোরুম থেকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি চেক দেয়। কিন্তু ব্যাংকে চেকটি জমা দিলে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট হিসাবটি ফ্রিজ করা রয়েছে। এরপর একাধিকবার যোগাযোগ করেও তিনি অর্থ বা মোটরসাইকেল কোনোটিই পাননি।
বাদী হাচিবুর রহমান রাজু বলেন, বিষয়টি আদালতের বাইরে মীমাংসারও চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে অভিযুক্তরা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রতারণার অভিযোগে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মোটরসাইকেল কিংবা পরিশোধ করা অর্থ ফেরত পাননি। একাধিকবার যোগাযোগ ও সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় আদালতে মামলা করা হয়। আদালত অভিযোগের প্রাথমিক ভিত্তি বিবেচনায় নিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পরবর্তী কার্যক্রম আইন অনুযায়ী চলবে।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩১
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৮
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:০৭
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪০