
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ মামলায় তাইজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ফলের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তাইজুল ইসলাম দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার মহুগাঁও গ্রামের আবু বক্কর আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদি ছয় মাস আগে অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তার স্বামী তার মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। এরপর গত বছরের জুলাইয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন তাইজুল। এরপর থেকে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অচেতন করে নিজ মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি মিষ্টির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে খেতে দেন তাইজুল। মেয়েটি মিষ্টির ভেতর ওষুধ দেখতে পেয়ে তা ফেলে দিলে তাইজুল তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিম ও তার মা বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে ওই রাতেই অভিযুক্ত আসামি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
র্যাব জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। অবশেষে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় শনিবার ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার তাকে বীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ মামলায় তাইজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ফলের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তাইজুল ইসলাম দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার মহুগাঁও গ্রামের আবু বক্কর আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদি ছয় মাস আগে অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তার স্বামী তার মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। এরপর গত বছরের জুলাইয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন তাইজুল। এরপর থেকে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অচেতন করে নিজ মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি মিষ্টির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে খেতে দেন তাইজুল। মেয়েটি মিষ্টির ভেতর ওষুধ দেখতে পেয়ে তা ফেলে দিলে তাইজুল তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিম ও তার মা বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে ওই রাতেই অভিযুক্ত আসামি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
র্যাব জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। অবশেষে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় শনিবার ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার তাকে বীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

২৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:২১
অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগামীকাল শুক্রবারই (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। বঙ্গভবনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, আগামীকাল দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাবেন।
অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগের কথা জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো রাষ্ট্রপতি কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে কথা বলেছেন দেশের প্রথম সারির জাতীয় দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার। আলাপকালে পদত্যাগসংক্রান্ত প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন তার পদত্যাগ ও বিদেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে মুখ খোলেন।
পদত্যাগের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ‘দেখতে পাবেন... প্রশ্নটা বিব্রতকর।’
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যু / সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দেশে ফিরছেন স্পিকার
সম্প্রতি লন্ডনে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে কোনো ফোনালাপ হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘এটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কারও যদি মাথা খারাপ হয়, সে এ ধরনের কথা বলতে পারে।’
‘আমি তখন মৃতপ্রায়, চিকিৎসাধীন ছিলাম। এটা একেবারে ভিত্তিহীন ও বানানো কথা, এটাই বলতে পারি,’ যোগ করেন রাষ্ট্রপতি।
এদিকে জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক সফরে গিয়েছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুলাইয়ের (রোববার) জন্য তার দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সফরসূচি সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন।
সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সফর সূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে তিনি শুক্রবারই দেশে ফিরবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত বা অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলেও, সংবিধানের ১২৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক।
অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগামীকাল শুক্রবারই (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। বঙ্গভবনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, আগামীকাল দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাবেন।
অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগের কথা জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো রাষ্ট্রপতি কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে কথা বলেছেন দেশের প্রথম সারির জাতীয় দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার। আলাপকালে পদত্যাগসংক্রান্ত প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন তার পদত্যাগ ও বিদেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে মুখ খোলেন।
পদত্যাগের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ‘দেখতে পাবেন... প্রশ্নটা বিব্রতকর।’
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যু / সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দেশে ফিরছেন স্পিকার
সম্প্রতি লন্ডনে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে কোনো ফোনালাপ হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘এটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কারও যদি মাথা খারাপ হয়, সে এ ধরনের কথা বলতে পারে।’
‘আমি তখন মৃতপ্রায়, চিকিৎসাধীন ছিলাম। এটা একেবারে ভিত্তিহীন ও বানানো কথা, এটাই বলতে পারি,’ যোগ করেন রাষ্ট্রপতি।
এদিকে জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক সফরে গিয়েছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুলাইয়ের (রোববার) জন্য তার দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সফরসূচি সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন।
সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সফর সূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে তিনি শুক্রবারই দেশে ফিরবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত বা অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলেও, সংবিধানের ১২৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক।

২৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:০৭
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অবশেষে অপসারণ হচ্ছে, এটা সুসংবাদ।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে করা পোস্টে তিনি বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, রাষ্ট্রপতির বিষয়টি অনেক আগেই রাজনৈতিকভাবে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত ছিল। বিএনপিকে বারবার সতর্ক করা হলেও বিষয়টি যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।
তিনি আরও লেখেন, সময়মতো উদ্যোগ নেওয়া হলে আজ এত আলোচনা-সমালোচনার অবকাশ থাকত না। অবশেষে অপসারণ হচ্ছে, এটা সুসংবাদ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অবশেষে অপসারণ হচ্ছে, এটা সুসংবাদ।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে করা পোস্টে তিনি বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, রাষ্ট্রপতির বিষয়টি অনেক আগেই রাজনৈতিকভাবে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত ছিল। বিএনপিকে বারবার সতর্ক করা হলেও বিষয়টি যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।
তিনি আরও লেখেন, সময়মতো উদ্যোগ নেওয়া হলে আজ এত আলোচনা-সমালোচনার অবকাশ থাকত না। অবশেষে অপসারণ হচ্ছে, এটা সুসংবাদ।

২৩ জুলাই, ২০২৬ ২০:৫১
বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে একযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা যায়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রজ্ঞাপনে সই করেন।
অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহীল বাকী, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি বিধান ত্রিপুরা, পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. একেএম ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ) সারদার ডিআইজি মো. ওয়ালিদ হোসেন, এপিবিএনের অতিরিক্ত ডিআইজি সহেলী ফেরদৌস, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রেবেকা সুলতানা, সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত ডিআইজি হাসিনা রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সল মাহমুদ ও কানিজ ফাতেমা, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সুলতানা নাজমা হোসেন, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জেসমিন বেগম, টিডিএস ঢাকার পুলিশ সুপার আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরী, সিআইডির ডিআইজি সানা শামীনুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) ফরিদা ইয়াসমিন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন।
বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে একযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা যায়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রজ্ঞাপনে সই করেন।
অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহীল বাকী, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি বিধান ত্রিপুরা, পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. একেএম ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ) সারদার ডিআইজি মো. ওয়ালিদ হোসেন, এপিবিএনের অতিরিক্ত ডিআইজি সহেলী ফেরদৌস, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রেবেকা সুলতানা, সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত ডিআইজি হাসিনা রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সল মাহমুদ ও কানিজ ফাতেমা, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সুলতানা নাজমা হোসেন, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জেসমিন বেগম, টিডিএস ঢাকার পুলিশ সুপার আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরী, সিআইডির ডিআইজি সানা শামীনুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) ফরিদা ইয়াসমিন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন।